তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৩০ মে ২০২০

তথ্যবিবরণী 30.05.2020

তথ্যবিবরণী                                                                                                 নম্বর : ১৯৬০

হাইকোর্ট বিভাগে ১৮ জন বিচারক নিয়োগ

 

ঢাকা, ১৬ জ্যৈষ্ঠ (৩০ মে) :

          রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে প্রধান বিচারপ্রতির সাথে পরামর্শক্রমে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের ১৮ (আঠার) জন অতিরিক্ত বিচারক-কে হাইকোর্ট বিভাগের  বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।

নিয়োগ প্রাপ্তরা হলেন - মোঃ আবু আহমেদ জমাদার, এ, এস, এম, আব্দুল মোবিন, মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, ফাতেমা নজীব, মোঃ কামরুল হোসেন মোল্লা, এস এম কুদ্দুস জামান, মোঃ আতোয়ার রহমান, খিজির হায়াত, শশাঙ্ক শেখর সরকার, মোহাম্মদ আলী, মহি উদ্দিন শামীম, মোঃ রিয়াজ উদ্দিন খান, মোঃ খায়রুল আলম, এস, এম, মনিরুজ্জামান, আহমেদ  সোহেল, সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর, খোন্দকার দিলীরুজ্জামান এবং কে, এম, হাফিজুল আলম।

গতকাল আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

#

সারওয়ার/রাহাত/মিজান/২০২০/১৫০০ ঘন্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                  নম্বর : ১৯৫৯

শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির  প্রতিষ্ঠাতা  ও বীর মুক্তিযোদ্ধা

ইমামুল কবীর শান্ত’র মৃত্যুতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর শোক

ঢাকা, ১৬ জ্যৈষ্ঠ (৩০ মে) :

          মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান  ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইমামুল কবীর শান্ত’র মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

          মন্ত্রী আজ এক শোকবার্তায়  মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত  কামনা করেন এবং  শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

#

 মারুফ/রাহাত/মিজান/২০২০/১৪৪০ ঘন্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                                   নম্বর : ১৯৫৮

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কারিগরি নির্দেশনা

করোনা মোকাবিলায় সরকারি প্রতিষ্ঠানে করণীয়

ঢাকা, ১৬ জ্যৈষ্ঠ (৩০ মে):

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র ‘কোভিড-১৯ এর সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের কারিগরি নির্দেশনা’ প্রণয়ন করেছে। এই নির্দেশনায় বিভিন্ন ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের জন্য করণীয় বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারী প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সরকারি প্রতিষ্ঠানে পালনীয় কারিগরি নির্দেশনাসমূহ নিম্নরূপ

  • কাজ আবার শুরু করার আগে মাস্ক, তরল হ্যান্ড সোপ, জীবাণুনাশক, স্পর্শ-বিহীন থার্মোমিটার এবং অন্যান্য মহামারী প্রতিরোধক জিনিসপত্র সরবরাহ করতে হবে এবং একটা জরুরি কর্মপরিকল্পনা রাখতে হবে এবং তার জবাবদিহিতা বাস্তবায়ন করতে হবে।
  • প্রতিদিন কাজের আগে এবং পরে কর্মীদের শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ করুন। যাদের জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট এবং অন্যান্য উপসর্গগুলি দেখা দিবে তাদের স্ক্রিনিংয়ের জন্য সময় মতো চিকিৎসা করা উচিত।
  • ইউনিট এর স্টাফ এবং বাইরে থেকে যারা আসবে তাদের শরীরের তাপমাত্রা মাপতে হবে। যাদের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকবে না তাদেরকে ইউনিটে ঢুকতে দেওয়া যাবে না।
  • অফিস, ক্যান্টিন এবং টয়লেটে ভেন্টিশেলন সুবিধা বাড়াতে হবে। সেন্ট্রাল এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহার করার ক্ষেত্রে এয়ার  কন্ডিশনারের স্বাভাবিক ক্রিয়াকে নিশ্চিত করুন, বিশুদ্ধ বাতাস বৃদ্ধি করুন এবং সকল এয়ার সিস্টেমের (all air system) ফিরে আসা বাতাসকে বন্ধ রাখুন।
  • ক্যান্টিন, ডরমিটরি, টয়লেট-সহ অন্যান্য জায়গা পরিষ্কার রাখতে হবে ও জীবাণুনাশক দিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে।
  • সীমিত পরিসরে অর্থাৎ একবারে কম সংখ্যক লোক কম সময়ের খাওয়া শেষ করবে এবং শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে খাবার খেতে হবে।
  • কাগজবিহীন এবং সংস্পর্শ বিহীন অফিস ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করতে হবে।
  • ব্যক্তিগত মেলামেশা বা একত্র হওয়া কমাতে হবে এবং একত্র হতে হয় এমন কাজ যেমন মিটিং, ট্রেনিং এসব কাজ সীমিত করে ফেলতে হবে।
  • অফিস, ক্যান্টিন, টয়লেটে হাত ধোয়ার জন্যে সাবান অথবা জীবাণুনাশক সরবরাহ করতে হবে, যদি হাত ধোয়ার ব্যবস্থা না থাকে তাহলে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করতে হবে।
  • কর্মচারীরা একে অপরের সংস্পর্শে আসার আগে মাস্ক পরবে। যখন হাঁচি অথবা কাশি দিবে তখন মুখ এবং নাক, কনুই অথবা টিস্যু দিয়ে ঢেকে নিবে। ব্যবহৃত টিস্যু ঢেকে ডাস্টবিনে ফেলবে। হাঁচি-কাশি শেষে তরল হ্যান্ড সোপ দিয়ে হাত ধুতে হবে।
  • পোস্টার, সচেতনতামূলক ভিডিও এবং বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম দিয়ে মানুষকে সচেতন করতে হবে।
  • জরুরী পৃথকীকরণ এলাকা (Emergency area) স্থাপন করুন। যখন কেউ সন্দেহভাজন হবে, সময় মতো জরুরী স্থানে (Emergency area) তাদের সাময়িকভাবে কোয়ারেন্টাইনে প্রেরণ করা এবং তাদের চিকিৎসা করার ব্যবস্থা করুন।
  • যদি কোন এলাকাতে একটা কোভিড-১৯ কেইস পজিটিভ হয় তাহলে ঐ এলাকার এয়ার কন্ডিশন সিডিসি এর গাইড লাইন অনুযায়ী জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে এবং কাজ পুনরায় শুরু করা যাবে না যতক্ষন না পর্যন্ত পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যগত পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা বা হাইজেনিক নিশ্চিত করা যাবে।
  • নমনীয় কর্মঘন্টা ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করতে হবে।
  • মানসিক এবং মনঃ সামাজিক বিষয়গুলো মাথায় রেখে কাউন্সেলিং এর ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
  • Motivational কার্যক্রম এর মাধ্যমে তাদের আশ্বস্ত ও চাঙ্গা রাখতে হবে।
  • কর্মচারীদের কেউ অসুস্থ বোধ করলে বা কোভিড-১৯ আক্রান্ত হলে তার ও তার পরিবারের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিষয়গুলো মাথায় রেখে তাকে সরকারি বিধি মোতাবেক যথাসাধ্য সহায়তা দিতে হবে।
  • ঝুঁকিপুর্ণ কাজে নিয়োজিতদের বীমা বা প্রণোদনার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

  #

রাহাত/মিজান/২০২০/১৪২৫ ঘন্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                               নম্বর : ১৯৫৭

 

শান্তিরক্ষী দিবসে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবাষির্কী উপলক্ষে স্মারক ডাক টিকেট অবমুক্ত করল জাতিসংঘ

 

ঢাকা, ১৬ জ্যৈষ্ঠ (৩০ মে)

       সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে শান্তিরক্ষীদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরুপ এক সেট স্মারক ডাক টিকেট অবমুক্ত করেছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের পোস্টাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের যৌথ উদ্যোগে ‘জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের আন্তর্জাতিক দিবস ২০২০ (শান্তিরক্ষী দিবস)’ উপলক্ষে গতকাল এই ডাক টিকেট অবমুক্ত করা হয়। স্মারক ডাক টিকেটের ফোলিওতে রয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, মুজিব বর্ষের লোগো এবং জাতির পিতার প্রতিকৃতি-সহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মরত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের ছবি। আরও রয়েছে জাতিসংঘের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নিয়োজিত বাংলাদেশের দুইজন নারী হেলিকপ্টার পাইলটের প্রতিকৃতি।

জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা স্মারক ডাক টিকেট  অবমুক্তকালে বলেন, “এটি জাতির পিতার দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং শান্তির মতবাদের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিনম্র ও যথোপযুক্ত শ্রদ্ধাঞ্জলী; এটি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে আমাদের প্রতিশ্রুতি এবং আমাদের বীর ও নিঃস্বার্থ শান্তিরক্ষীদের প্রতি যথোপযুক্ত সম্মানেরও নিদর্শন”। উল্লেখ্য এই স্মারক ডাক টিকেট জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের বছরব্যাপী উদ্যোগের অংশবিশেষ।

আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী দিবসে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে শান্তিরক্ষীর দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের স্মৃতির উদ্দেশে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেজ। যে সকল শান্তিরক্ষী বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য দায়িত্বপালন করে যাচ্ছেন তাঁদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান জাতিসংঘ মহাসচিব। পরবর্তীতে একটি ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জাতিসংঘ মহাসচিব ২০১৯ সালে কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী ৮৩ জন শান্তিরক্ষীকে মরোনোত্তর দ্যাগ হ্যামারশোল্ড মেডেলে ভূষিত করেন যার মধ্যে বাংলাদেশের দু’জন আত্মোৎসর্গকারী শান্তিরক্ষী রয়েছেন। তাঁরা হলেন কনস্টেবল মোহাম্মদ ওমর ফারুক এবং সৈনিক আতিকুল ইসলাম।

 

এই স্মরণ ও পদক প্রদান অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা-সহ সদস্য রাষ্ট্রসমূহের স্থায়ী প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটিতে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির একটি বার্তাও প্রদর্শণ করা হয়।

 

#

 ইউএন/রাহাত/মিজান/২০২০/১৩০০ ঘন্টা

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                    নম্বর : ১৯৫৬

ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রেখেছে সরকার

ঢাকা, ১৬ জ্যৈষ্ঠ (৩০ মে)
       করোনা ভাইরাসের মতো দুর্যোগে সারা দেশের সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রেখেছে সরকার । এ পর্যন্ত সারা দেশে   সোয়া এক কোটির বেশি  পরিবারের ছয় কোটির বেশি  মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছে সরকার ।
         ৬৪ জেলা প্রশাসন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ২৯ মে পর্যন্ত সারা দেশে  চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এক লাখ ৯১ হাজার ৮১৭ মেট্রিক টন এবং বিতরণ করা হয়েছে এক লাখ ৬২ হাজার ১৯৩ মেট্রিক টন । এতে উপকারভোগী পরিবার সংখ্যা ১ কোটি  ৩৬ লাখ ৮৭ হাজার ২৪৪ টি এবং উপকারভোগী লোকসংখ্যা ৬ কোটি ১১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭১ জন ।

          নগদ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে  ১১০ কোটিরও বেশী টাকা । এর মধ্যে জি আর নগদ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৮৬ কোটি ৪৩ লাখ ৭২ হাজার ২৬৪ টাকা এবং বিতরণ করা হয়েছে ৭২ কোটি ৫৫ লাখ ৯৮ হাজার ৯৯৬ টাকা ।  এতে উপকারভোগী পরিবার সংখ্যা ৮১ লাখ ১০ হাজার ৩০৩ টি এবং উপকারভোগী লোকসংখ্যা ৩ কোটি ৭৫ লাখ ১০ হাজার ৮৫৮ জন । শিশু খাদ্য সহায়ক হিসেবে বরাদ্দ ২৩ কোটি ৯৪ লাখ টাকা এবং এ পর্যন্ত বিতরণ করা হয়েছে ১৮ কোটি ৪৯ লাখ ৩৫ হাজার ৫৪ টাকা । এতে উপকারভোগী পরিবার সংখ্যা ৫ লাখ ৮৪ হাজার ৬৪০ টি এবং লোকসংখ্যা ১২ লাখ ৪৯ হাজার ৪৫০ জন ।


 

#

সেলিম/রাহাত/মিজান/২০২০/১১০০ ঘন্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ১৯৬২

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

                 

ঢাকা, ১৬ জ্যৈষ্ঠ (৩০ মে) :

 

          প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস-২০২০’ উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :

 

          “বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস’ পালিত হতে যাচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।

          এবারের প্রতিপাদ্য ‘Protecting youth from industry manipulation and preventing them from tobacco and nicotine use'-যার বাংলা ভাবানুবাদ করা হয়েছে: ‘তামাক কোম্পানির কূটচাল রুখে দাও-তামাক ও নিকোটিন থেকে তরুণদের বাঁচাও’ যা অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।

 

                আমাদের সরকার তামাকের ভয়াল থাবা থেকে সকলকে রক্ষা করতে ২০১৩ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন ও ২০১৫ সালে বিধি জারি করেছে। সর্বোপরি আমি ২০৪০ সালের মধ্যে দেশকে তামাকমুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছি। এ  লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

 

          বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আন্তর্জাতিক তামাক নিয়ন্ত্রণ চুক্তি ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল এফসিটিসি প্রণয়ন করেছে। জাতিসংঘ অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনের এজেন্ডাভুক্ত করে এফসিটিসির কার্যকর বাস্তবায়ন ও অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণকে গুরুত্ব দিয়ে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এসডিজি প্রণয়ন করেছে। আমাদের সরকার এসডিজি অর্জনকে গুরুত্ব দিয়ে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় তামাক নিয়ন্ত্রণকে অন্তর্ভুক্ত করেছে।

 

          করোনা ভাইরাস সংক্রমণের এ সময়ে আমাদের সচেতন ও সতর্ক থাকতে হবে। আমি দেশবাসীকে আহ্বান জানাই, আপনারা এ মহামারী মোকাবিলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন এবং সকল তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার পরিহার করুন।

 

          আমি বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস-২০২০ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।

 

 জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

 

#

আশরাফ/ফারহানা/রাহাত/মিজান/২০২০/১৭০৫ ঘন্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ১৯৬১

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী

                 

 

ঢাকা, ১৬ জ্যৈষ্ঠ (৩০ মে) :

 

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ‘বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস-২০২০’ উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :

 

          “বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। কিশোর-তরুণদের তামাক কোম্পানির আগ্রাসন থেকে সুরক্ষা প্রদানের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে এ বছর বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসের নির্ধারিত প্রতিপাদ্য ‘Protecting youth from industry manipulation and preventing them from tobacco and nicotine use' অর্থাৎ ‘তামাক কোম্পানির কূটচাল রুখে দাও-তামাক ও নিকোটিন থেকে তরুণদের বাঁচাও’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।

 

          ধূমপানকে বলা হয় মাদক সেবনের প্রবেশ পথ। তামাক সেবনের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম মাদকের দিকে ধাবিত হয়ে পরিবার ও রাষ্ট্রের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তামাক ও ধূমপান ধূমপায়ীর পাশাপাশি পরোক্ষভাবে অধূমপায়ীকে সমানভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অগ্রগতির হাতিয়ার এই তরুণ জনগোষ্ঠীকে যেকোনো উপায়ে তামাকের ছোবল থেকে রক্ষা করতে হবে। বর্তমানে সারা বিশ্ব করোনা ভাইরাসের প্রভাবে সৃষ্ট মহামারী মোকাবিলা করছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-সহ জনস্বাস্থ্য বিষয়ক বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা গেছে, ধূমপান করলে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি এবং  আক্রান্ত হওয়ার মৃত্যুঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। এ সময় তামাকজাত পণ্য ও ধূমপান বর্জনের মাধ্যমে মানুষের মৃত্যুঝুঁকি কমিয়ে আনা সম্ভব বলে আমি মনে করি।

          সরকার জনস্বাস্থ্যকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে ২০১৩ সালে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০০৫ সংশোধন করেছে এবং ২০১৫ সালে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা প্রণয়ন করেছে। এতে তামাকজাত দ্রব্যের সব ধরণের প্রচার-প্রচারণা এবং শিশুদের তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষার জন্য ১৮ বছরের নীচের শিশুদের নিকট বা তাদের দ্বারা তামাকজাত দ্রব্যের  ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তামাক ও ধূমপান সংক্রান্ত এসকল আইন ও বিধি বিধানের সঠিক প্রতিপালন নিশ্চিত করতে আম সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। একই সাথে তামাক ব্যবহারকে নিরুৎসাহিত করতে সচেতন নাগরিক সমাজ, তামাক ও ধূমপান বিরোধী বিভিন্ন সংগঠন ও সর্বোপরি গণমাধ্যমগুলোর সমন্বিত প্রয়াস অত্যন্ত জরুরি বলে আমি মনে করি।

         

          আমি ‘বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস ২০২০’ উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচির সাফল্য কামনা করছি।

         

          জয় বাংলা।

          খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

 

#

ইমরানুল/ফারহানা/রাহাত/রফিকুল/মিজান/২০২০/১৭০০ ঘন্টা

 

2020-05-30-20-03-fa49bda7e484a4a6834114b10b8e20e9.docx 2020-05-30-20-03-fa49bda7e484a4a6834114b10b8e20e9.docx

Share with :

Facebook Facebook