তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৩rd মার্চ ২০২০

তথ্যবিবরণী -৩ মার্চ ২০২০

তথ্যবিবরণী                                                                                                      নম্বর : ৮০১

 

জাতীয় পিঠা উৎসব ও বইমেলা একটা জাগরণ

                              -নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

 

ঢাকা, ১৯ ফাল্গুন (৩ মার্চ) :

          নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহ্মুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু সাড়ে তিন বছরে সংস্কৃতি অঙ্গন-সহ সকল ক্ষেত্রে যে ভিত্তি স্থাপন করেছেন তার ওপর আমরা এখনো দাঁড়িয়ে আছি। বঙ্গবন্ধু যে শিল্পকলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করে গেছেন, তা আজ দেশের সংস্কৃতির ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিচ্ছে। জাতির পিতা যে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন, আমাদের সে লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হবে।’

          প্রতিমন্ত্রী আজ ঢাকায় শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে এয়োদশ জাতীয় পিঠা উৎসবের সমাপনী   অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

          প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতীয় পিঠা উৎসব  ও বইমেলা একটা জাগরণ। নতুন প্রজন্ম পিঠা সংস্কৃতি থেকে পিছিয়ে পড়ছিল। এ উৎসব পিঠাকে সারা দেশে পৌঁছে দিয়েছে।

          জাতীয় পিঠা উৎসব উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি ম হামিদের সভাপতিত্বে অন্যান্যে মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পিঠা উৎসব উদ্যাপন পরিষদ-১৪২৬ এর আহ্বায়ক ও শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, একুশে পদকপ্রাপ্ত নৃত্যগুরু আমানুল হক, একুশে পদকপ্রাপ্ত নাট্যশিল্পী লাকী ইনাম, জাতীয় পিঠা উৎসব উদ্যাপন পরিষদের সদস্য সচিব খন্দকার শাহ আলম।

          প্রতিমন্ত্রী পরে পাঁচজন সেরা পিঠা শিল্পীকে সম্মাননা ও অংশগ্রহণকারী পিঠা শিল্পীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করেন।

#

জাহাঙ্গীর/ফারহানা/রফিকুল/জয়নুল/২০২০/২২১০ঘণ্টা 

তথ্যবিবরণী                                                                                                    নম্বর : ৮০০

 

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন

 

ঢাকা, ১৯ ফাল্গুন (৩ মার্চ) :

          বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ের মধ্যকার তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ এক ম্যাচ হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

          যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল এ জয় অর্জন করায় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়, কোচ ও কর্মকর্তাদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

          এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এক ম্যাচ হাতে রেখে সিরিজ নিশ্চিত করায় আমি আনন্দিত ও গর্বিত। আগামী ম্যাচও বাংলাদেশ দল জিতবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

#

 

আরিফ বিল্লাহ/ফারহানা/রফিকুল/জয়নুল/২০২০/২২০০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ৭৯৯

উন্নয়নের বিভিন্ন খাতে অংশীদার হওয়ার জন্য এডিবির প্রতি আহ্বান অর্থমন্ত্রীর

ঢাকা, ১৯ ফাল্গুন (৩ মার্চ) :

          অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সাথে শেরেবাংলা নগরে তাঁর দপ্তরে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এর কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন পারকাশ-সহ (Manmohan Parkash) এবং অর্থ ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ভাইস প্রেসিডেন্ট ইঙ্গ্রিড ভ্যান ওয়েস (Ingrid Van Wees) সাক্ষাৎ করেন।

          অর্থমন্ত্রী তাঁর কার্যালয়ে এডিবি প্রতিনিধিদেরকে দেশে যে অর্থনৈতিক অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন অন্যান্য দেশের কাছে উন্নয়নের রোল মডেল।

          বাংলাদেশের উন্নয়নমূলক মাইলফলক অর্জনে ধারাবাহিক সহায়তার জন্য অর্থমন্ত্রী এডিবিকে ধন্যবাদ জানান। এডিবি বাংলাদেশকে প্রায় ২৫ দশমিক ১৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা দিয়েছে। মূলত বিদ্যুৎ, জ্বালানি, স্থানীয় সরকার, পরিবহন, শিক্ষা, কৃষি, জল সম্পদ এবং বাংলাদেশের সুশাসন ও আর্থিক বিভাগগুলোকে প্রাধান্য দিয়ে এডিবি এ সহায়তা প্রদান করেছে।

          Ingrid Van Wees ব্রিটেনের ফিনান্সিয়াল টাইমসের দ্য ব্যাঙ্কারের ২০০০ সালের জন্য অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালকে সেরা অর্থমন্ত্রী (গ্লোবাল এবং এশিয়া প্যাসিফিক) হওয়ার জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি গত এক দশকের বাংলাদেশে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন। এডিবি স্থানীয় মুদ্রায় বন্ড জারি এবং ব্যাংকিং খাতের এনপিএল কমাতে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে আগ্রহী বলে অর্থমন্ত্রীর কাছে আশা ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশের এডিবি কান্ট্রি ডিরেক্টর বলেন, অর্থ মন্ত্রনালয় গৃহীত এনপিএল হ্রাস ও আর্থিক খাতকে স্বাস্থ্যকর করার নীতিমালার সাথে এডিবি সহায়ক ভূমিকা পালন করতে চায়।

#

গাজী তৌহিদুল/ফারহানা/রফিকুল/জয়নুল/২০২০/২১৪০ঘণ্টা

Handout                                                                                                                                                Number : 798

Joint Response Plan 2020 for the Rohingya launched in Geneva

Dhaka, March 3 :

“The international community, including the UN agencies, must work towards meaningfully and vigorously engage with the Government of Myanmar to create an environment that would be conducive to voluntary, safe, dignified and sustainable return, " said the State Minister for Foreign Affairs Md. Shahriar Alam at the launch of the 2020 Joint Response Plan for Rohingya Humanitarian Crisis, organized by UNHCR, IOM and OCHA in Geneva today. Many UN member countries as well as by international organizations attended the event.

The Joint Response Plan is the UN's effort to engage the international community to meet up the mammoth humanitarian needs for the Rohingyatemporarily residing in Bangladesh for 2020, estimated cost of which is around US$ 877 million. While delivering statement from the floor, three countries immediately pledged to contribute to JRP - 59 million US Dollar by USA, 22 million Euro by the European Union and 65 million Swedish Krona in Sweden.

Providing an overview of efforts by Bangladesh Government for ensuring unhindered humanitarian assistance to the Rohingya, State Minister thanked the international community for their continued support for the consecutive Joint Response Plans since 2017. Besides, he underscored that the only durable solution of the prolonged crisis is the safe and voluntary repatriation of the Rohingya to their places of origin. Myanmar authorities have an obligation to create a conducive environment in Rakhine State for repatriation and the international community including the UN has a responsibility to play a role in this regard. However, the progress toward repatriation still deserves due attention. 

The State Minister apprised the audience of the Bangladesh policy to allow education for Rohingya children in Myanmar curriculum and language to get them prepared for their eventual reintegration into Myanmar society and urged on the international community to actively engage Myanmar to reap the essence of the initiative.

The government of Bangladesh will continue to engage the UN agencies and other international community to relocate some of the Rohingyas from the disaster-prone area of the camps to Bhashan Char, he added.

Besides, Md. Shahriar Alam informed the international community that Bangladesh is revisiting the decision on the suspension of the mobile and internet network in Rohingya camps.

During their interventions of the launching event, the USA, Switzerland, Australia, Malaysia, Thailand, the UK, Japan, Canada, Denmark, Netherlands, Norway, Sweden, Germany, Turkey and Ireland, as well as UN and other international organizations (EU, ADB, OCHA, OIC, UNFPA, ILO) highly lauded the continuous support of Bangladesh government including allowing education in particular and expressed their high appreciation for the government and the people of Bangladesh for the generosity shown to the Rohingyas. They also appreciated the Joint Response Plan formulated in an inclusive manner by involving the government, civil society and UN agencies in Bangladesh, and reiterated their commitment to continue to support the cause and the implementation of the Joint Response Plan. In their statements, support was expressed by many delegations for justice and accountability approach and addressing root causes affirming that ultimate solution lies with Myanmar.

In concluding remarks, State Minister called upon the international community to put pressure on Myanmar for creating conducive conditions in Rakhine for voluntary, safe and dignified return of the Rohingyas.

DG, IOM António Vitorino, Executive Director, BRAC Bangladesh Asif Saleh, UN High Commissioner for Refugees Filippo Grandiand UN Resident Coordinator in Bangladesh Mia Seppo also addressed the occasion. Videos on of the Rohingya crisis were played as well.

At the UN media stake out, State Minister Shahriar Alam again urged international community to exert effective pressure on Myanmar for expeditious solution of the crisis.

The State Minister also had a bilateral meeting with the UN High Commissioner for Refugees Filippo Grandi and is scheduled to meet the UN High Commissioner for Human Rights Michelle Bachelet.

Ambassador M Shameem Ahsan, Bangladesh's Permanent Representative to the UN Office in Geneva, and DG, United Nations Wing, Ministry of Foreign Affairs Samia Anjum were present as the members of the Bangladesh delegation at the launching event.

#

Tohidul/Farhana/Rafiqul/Salim/2020/2130 Hrs.

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ৭৯৭

হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ১০২তম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত

ঢাকা, ১৯ ফাল্গুন (৩ মার্চ) :

          ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ’র সভাপতিত্বে আজ ঢাকায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ১০২তম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়।

          সভায় নবগঠিত ট্রাস্টি বোর্ডের ট্রাস্টিদের কর্ম এলাকা বিভাজন, মুজিববর্ষ ২০২০ উদ্যাপন কর্মসূচি নির্ধারণ, ট্রাস্টের কাজের গতি আনয়নে ট্রাস্টিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট কর্তৃক বিভিন্ন ব্যাংকে স্থায়ী আমানত গচ্ছিত রাখা, ট্রাস্টের ব্যাংক হিসাব পরিচালনার জন্য চেকে যৌথ স্বাক্ষরকারী নির্বাচন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের বাজেট বিবরণ, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের অফিস পরিচালনে সরকারের রেভিনিউ বাজেট হতে ব্যয় পুনঃবরাদ্দকরণ, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট হতে ট্রাস্টিদের অনুকূলে অনুদান অর্থ বিভাজন, সংসদে দেবোত্তর সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা আইন-২০১৩ প্রস্তাব পুনঃপ্রেরণ, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের নামে দানপত্রসূত্রে কুমিল্লা জেলার প্রাপ্ত জমি বিষয়ক আলোচনা, ট্রাস্ট কার্যালয়ের ২টি শূন্যপদ পূরণ, ঢাকায় হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের কেন্দ্রীয় স্থায়ী অফিস ভবন নির্মাণের জন্য জমি বরাদ্দকরণ বিষয়ে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

          বোর্ড সভায় হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য নারায়ন চন্দ্র চন্দ, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল, ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত পাল এবং ট্রাস্টিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

#

আনোয়ার/মাহমুদ/রফিকুল/জয়নুল/২০২০/২১০০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                         নম্বর : ৭৯৬

রৌমারীতে বিভিন্ন অবকাঠামোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

রৌমারী (কুড়িগ্রাম), ১৯ ফাল্গুন (৩ মার্চ) :

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেন আজ কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলায় ব্রিজ ও সড়ক-সহ বিভিন্ন অবকাঠামোর নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। 

          প্রতিমন্ত্রী নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বলেন, যোগাযোগের সঙ্গে উন্নয়নের সম্পর্ক প্রায় অবিচ্ছেদ্য। পরিবহন যোগাযোগ উন্নত হলে কৃষিজাত পণ্য, শিল্পের কাঁচামাল সহজে, স্বল্পব্যয়ে স্থানান্তর করা যায়। উৎপাদন ও বিপণন সহজতর হয়। এতে শিল্প ও বাণিজ্যে প্রসার ঘটে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত হয়। তাই সরকার সারা দেশে নতুন নতুন  রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট নির্মাণ-সহ বিভিন্ন যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন করে যাচ্ছে।

   অনুষ্ঠানে মাঠ পর্যায়ের নির্মাণ কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

#

রবীন্দ্রনাথ/মাহমুদ/সঞ্জীব/সেলিম/২০২০/২০২০ ঘণ্টা             

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ৭৯৫

অবৈধ কাঠ পাচার রোধে সৃষ্ট অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা প্রসঙ্গে বিজিবির বক্তব্য

ঢাকা, ১৯ ফাল্গুন (৩ মার্চ) :

          খাগড়াছড়িতে অবৈধ কাঠ পাচার রোধে সৃষ্ট অনাকাক্সিক্ষত হতাহতের ঘটনা প্রসঙ্গে বিজিবি আজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আজ বেলা পৌনে বারটায় খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার গাজীনগর বাজার হতে ১০০ গজ দক্ষিণে বিজিবি’র একটি টহল দল অবৈধ কাঠ পাচার রোধে ব্যবস্থা নিলে বেসামরিক স্থানীয় লোকজন বিজিবি টহল দলকে ঘিরে ধরে। এতে বিজিবি টহল দল ও বেসামরিক জনগণের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় বিজিবি’র এক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ও ধাক্কাধাক্কির রেশ ধরে এক পর্যায়ে বেসামরিক লোকজন বিজিবি’র অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে অনিয়ন্ত্রিতভাবে গুলি বর্ষণ করে। এতে বিজিবি’র সিপাহী শাওন ও ৫ জন বেসামরিক জনগনের গায়ে গুলি লাগে। ফলশ্রুতিতে বিজিবি সদস্য শাওন ও বেসামরিক ৪ জন মৃত্যুবরণ করে।

          এ প্রেক্ষাপটে বিজিবি’র গুইমারা সেক্টর কমান্ডার, সেনাবাহিনীর গুইমারা রিজিয়ন কমান্ডার, খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা পৃথকভাবে ঘটনা তদন্তের কার্যক্রম শুরু করেছেন। সামগ্রিক ঘটনাটি তদন্ত শেষে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

#

শরিফুল/মাহমুদ/রফিকুল/জয়নুল/২০২০/২০২৫ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                         নম্বর : ৭৯৪

 

৯ম বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ গেমসের উদ্বোধন ১ এপ্রিল

                                - যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১৯ ফাল্গুন (৩ মার্চ) :

          আগামী ১ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে ৯ম বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ গেমসের পর্দা উঠবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গেমসের উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ গেমস আয়োজনের সাংগঠনিক কমিটির কো-চেয়ারম্যান মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল।

          আজ পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে ৯ম বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ গেমসের সাংগঠনিক কমিটির ১ম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক কমিটির চেয়ারম্যান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

          সভা শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ গেমস দেশের সর্ববৃহৎ ক্রীড়া আসর। আর তাই মুজিব বর্ষে বাংলাদেশ গেমসকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে উৎসর্গ করা হয়েছে। আগামী ১-১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ গেমস আয়োজন করা হবে। গেমসটিতে এবার ৩১টি ডিসিপ্লিনে প্রায় ১২ হাজার ক্রীড়াবিদ অংশগ্রহণ করবে। দেশের ২০টি ভেন্যুতে ইভেন্টগুলো আয়োজিত হবে।

          সভায় যুব ও ক্রীড়া সচিব মোঃ আখতার হোসেন, তথ্যসচিব কামরুন নাহার, বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের মহাসচিব শাহেদ রেজা-সহ বিভিন্ন উপকমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।

          উল্লেখ্য, আগামী ১০ মার্চ অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সাংগঠনিক কমিটির পরবর্তী সভা অনুষ্ঠিত হবে।

#

আরিফ বিল্লাহ/মাহমুদ/রফিকুল/জয়নুল/২০২০/২০২০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                         নম্বর : ৭৯৩

 

মুজিববর্ষ উপলক্ষে সংসদের বিশেষ অধিবেশন ২২ মার্চ শুরু

ঢাকা, ১৯ ফাল্গুন (৩ মার্চ) :

 

          রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ আগামী ২২ মার্চ রবিবার সকাল ১১টায় মুজিববর্ষ-২০২০ উপলক্ষে জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশন (একাদশ জাতীয় সংসদের ৭ম এবং ২০২০ খ্রিস্টাব্দের ২য় অধিবেশন) আহ্বান করেছেন।

 

রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ অধিবেশন আহ্বান করেছেন।

 

জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ অধিশাখা-১ প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়।

         #

তারিক/মাহমুদ/সঞ্জীব/সেলিম/২০২০/১৯২০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                         নম্বর : ৭৯২

বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবসের অনুষ্ঠানে পরিবেশ ও বনমন্ত্রী

নিজেদের স্বার্থেই সম্মিলিতভাবে বন্যপ্রাণী রক্ষা করতে হবে

      ঢাকা, ১৯ ফাল্গুন (৩ মার্চ) :

            পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেছেন, দেশে বন্যপ্রাণী না থাকলে বন ধ্বংস হয়ে যাবে। আর বন ধ্বংস হলে বেঁচে থাকার জন্য অতিপ্রয়োজনীয় অক্সিজেন ও অন্যান্য উপাদান পাব না। আমাদের টিকে থাকার স্বার্থেই বনের বন্যপ্রাণীর অসংখ্য প্রজাতিকে সম্মিলিতভাবে রক্ষা করতে হবে। তিনি বলেন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে অবদান রাখায় জনগণকে উৎসাহ প্রদানের জন্য সরকার ‘বঙ্গবন্ধু এওয়ার্ড ফর ওয়াইল্ড লাইফ কনজারভেশন’ নামে জাতীয় পুরস্কার প্রবর্তন করেছে।

            মন্ত্রী আজ ঢাকায় আগারগাঁওস্থ বন অধিদপ্তরে ‘পৃথিবীর অস্তিত্বের জন্য প্রাণীকূল বাঁচাই’ প্রতিপাদ্য ধারণ করে বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস-২০২০ উদ্যাপন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

            মন্ত্রী বলেন, প্রায় ১হাজার ১শত ৬৩ প্রজাতির বৈচিত্র্যময় প্রাণীর আবাসভূমি আমাদের বাংলাদেশ। এখানে রয়েছে বৈচিত্র্যময় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল বিশ্বের একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন, চিরহরিৎ বৃক্ষের বন, পত্রঝরা বৃক্ষের বন, শালবন ও গ্রামীণ বন। সরকার দেশের এ সকল বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের লক্ষ্যে আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

            বনমন্ত্রী বলেন, বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন-২০১২ মোতাবেক বন্যপ্রাণী অপরাধ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট গঠন করা হয়েছে। এ ইউনিট ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে বন্যপ্রাণী, বন্যপ্রাণীর দেহাংশ উদ্ধার, গোয়েন্দা নেটওয়ার্কিং-সহ বন্যপ্রাণী সংশ্লিষ্ট অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সাথে সমন্বয়ের ভিত্তিতে কাজ করছে। এ ইউনিট এ পর্যন্ত ৩১ হাজার ৬ শত ২টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করেছে।

            মন্ত্রী বলেন, গাজীপুরের ‘শেখ কামাল ওয়াইল্ডলাইফ সেন্টার’ এ বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সংক্রান্ত শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনাকে অধিকতর গুরুত্ব প্রদান করে ৪৫টি এলাকাকে ‘রক্ষিত এলাকা’ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৯টি জাতীয় উদ্যান, ২০টি অভয়ারণ্য, ৩টি ইকোপার্ক, ২টি বিশেষ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এলাকা ও ০১টি মেরিন প্রটেক্টেড এলাকা। তিনি জানান, বন্যপ্রাণীর বংশবিস্তার ও সংরক্ষণের লক্ষ্যে কক্সবাজার ও গাজীপুরে ২টি সাফারিপার্ক স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া মৌলভীবাজার জেলার জুড়ি উপজেলার লাঠিটিলায় ১টি নতুন সাফারি পার্ক স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

            বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মোহাম্মদ সফিউল আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব জিয়াউল হাসান এবং অতিরিক্ত সচিব ড. মোঃ বিল্লাল হোসেন এবং প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু প্রমুখ।

#

দীপংকর/মাহমুদ/সঞ্জীব/জয়নুল/২০২০/১৯৫৫ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ৭৯১

টাঙ্গাইলকে সাংস্কৃতিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে

                                         -- সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

টাঙ্গাইল, ১৯ ফাল্গুন (৩ মার্চ) : 

          সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, টাঙ্গাইলে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা সর্বাধিক। টাঙ্গাইল থেকেই মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা আন্দোলনে সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু হয়েছিল।  এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের নগরী হিসেবে টাঙ্গাইলকে বিশেষভাবে লালন ধারণ করেন এবং এ বিষয়ে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন। সাংস্কৃতিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলার অংশ হিসেবে টাঙ্গাইলে একটি সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা হবে এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অবকাঠামো নির্মাণ ও সংস্কার করা হবে। টাঙ্গাইলের শিল্প-সংস্কৃতির কেন্দ্রবিন্দু মাওলানা ভাসানী মিলনায়তন জরাজীর্ণ হওয়ায় এটিকে ভেঙ্গে নতুন করে নির্মাণ করা হচ্ছে। করোনেশন ড্রামাটিক ক্লাবের মঞ্চ ও মিলনায়তন-সহ ক্লাবটির সংস্কার ও যুগোপযোগীকরণ করা হবে। এছাড়া পৌরউদ্যান ও শিল্পকলা একাডেমিতে মুক্তমঞ্চ স্থাপন করা হবে। মোদ্দাকথা, সাংস্কৃতিক নগরী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে যা যা করণীয় তার সবই করা হবে।

          প্রতিমন্ত্রী আজ টাঙ্গাইল পৌরউদ্যানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগারের আয়োজনে বাংলাদেশ ও ভারতের কবিদের অংশগ্রহণে তিন দিনব্যাপী (৩-৫ মার্চ) ‘৫ম বাংলা কবিতা উৎসব ২০২০’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

          টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক ও টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগারের সভাপতি মোঃ শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে উৎসব উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান খান ফারুক।

          অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী, ভারতের কবি অমৃত মাইতি, বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সহ-সভাপতি খান মাহবুব প্রমুখ। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি। স্বাগত বক্তৃতা করেন মাহমুদ কামাল।

#

ফয়সল/মাহমুদ/রফিকুল/রেজাউল/২০২০/১৯৪৬ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ৭৯০

কিছু মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে গুজব সৃষ্টির কারখানা হিসেবে ব্যবহার করছে
                                                                                          -- শিক্ষামন্ত্রী

কালকিনি (মাদারীপুর), ১৯ ফাল্গুন (৩ মার্চ) : 

          শিক্ষামন্ত্রী ডা.দীপু মনি বলেছেন, ইন্টারনেট আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গেছে। ইন্টারনেটের সুবাদে আমাদের জীবন যেমন অনেক সহজ হয়েছে তেমনি তার অপপ্রয়োগ অনেক সর্বনাশ করছে। কোনো কোনো মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে গুজব তৈরির একটা কারখানা হিসেবে ব্যবহার করছে। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সকল তথ্য যাচাই বাচাই করে লাইক, শেয়ার ও কমেন্ট করতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

          মন্ত্রী আজ মাদারীপুরের কালকিনিতে বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ আহ্বান জানান।

          মন্ত্রিপরিষদের সংস্কার ও সমন্বয় বিভাগের সচিব, বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র ও                   উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক মোঃ শেখ মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর ৩ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আঃ সোবহান গোলাপ, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপিকা তাহমিনা বেগম, মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

          মন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়। স্বপ্ন বাস্তবায়নে লেগে থাকতে হবে। কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। আমাদের সামনে আছে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের অটোমেশন, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও রোবটিক্সের চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিতে হবে। এছাড়া তথ্য ও প্রযুক্তিগত শিক্ষায় জোর দিতে হবে। সরকার আর সার্টিফিকেট সর্বস্ব শিক্ষা চায় না। তাই সরকার কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করেছে।

          অভিভাবকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘শত ব্যস্ততার মধ্যেও সন্তানদের মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে মনোনিবেশ করুন। আপনার সুসন্তানই আপনার শ্রেষ্ঠ সম্পদ, দেশের সম্পদ।’

#

 

খায়ের/মাহমুদ/রফিকুল/রেজাউল/২০২০/১৯৩৮ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ৭৮৯

বিএনপি’র মোদি বিরোধিতার জবাবে তথ্যমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদানের জন্য ভারত সরকারপ্রধানকে মুজিববর্ষে আমন্ত্রণ

ঢাকা, ১৯ ফাল্গুন (৩ মার্চ) : 

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহ্‌মুদ বলেছেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামে অন্য কোনো দেশের যদি এককভাবে সবচেয়ে বেশি অবদান থাকে, সেটি হচ্ছে ভারত এবং ভারতের জনগণ। মুক্তিযুদ্ধে এবং বঙ্গবন্ধুকে মুক্ত করার জন্য ভারতের যে অবদান, সে সমস্ত বিবেচনাতেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে মুজিববর্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।’

আজ  সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে আগামী ১৭ মার্চ মুজিববর্ষ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ‘নরেন্দ্র মোদি’র আগমন নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উত্থাপিত প্রশ্ন এর বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।  

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবের এই ধরণের প্রশ্ন উপস্থাপন করার দু’টি উদ্দেশ্য আছে উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, ‘একটি হচ্ছে তাদের রাজনীতির মূল প্রতিপাদ্য ভারত বিরোধিতার ধারাবাহিকতা রক্ষা, আরেকটি হচ্ছে বাংলাদেশে যে বিশ্বে উদাহরণযোগ্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রয়েছে, তার বিরুদ্ধে উস্কানি দেয়া। আমি আশা করবো, তারা সেই পথ পরিহার করবেন। মনে রাখতে হবে, যখনই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা হয়েছে, তখনই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার তা কঠোর হস্তে দমন করেছে।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান বলেন, ‘বাংলাদেশে এখন মুজিববর্ষকে সামনে রেখে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। মানুষ উন্মুখ হয়ে বসে আছে। এখানে ভারতের অংশগ্রহণ তথা ভারতের প্রধানমন্ত্রী মান্যবর প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ 

এ সময় ‘বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোকে শিল্প হিসেবে গ্রহণ করার জন্য একটি উকিল নোটিশে’র বিষয়ে মন্তব্য চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বেসরকারি টেলিভিশনের যাত্রাটাই শুরু হয়েছে বাংলাদেশে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে। বাংলাদেশে এর আগে প্রাইভেট টেলিভিশন চ্যানেল ছিল না। গত এগারো বছরে এ সেক্টরে ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে। ১০টি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ছিল, সেখান থেকে এখন ৩৪টি চ্যানেল চালু রয়েছে, সরকার ৪৫টির লাইসেন্স দিয়েছে।’ 

‘শুধু তাই নয়,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেবার পর থেকেই বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর নানাবিধ সমস্যা সমাধানে আমরা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছি’ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, কারণ এ চ্যানেলগুলো শুধু বিনোদনই দেয় না, দেশ, জাতি ও সমাজ গঠনে, নতুন প্রজন্মের মনন গঠনে, সমাজের তৃতীয় নয়ন খুলে দেয়া ও ভুলত্রুটি তুলে ধরার ক্ষেত্রে এ টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর ব্যাপক অবদান রয়েছে। ক্রমিকের বিষয়ে কেব্‌ল অপারেটরদের হাতে জিম্মিদশা থেকে বেসরকারি টেলিভিশনগুলোকে মুক্ত করা হয়েছে,  যেটি ১২ বছরে সম্ভবপর হয়নি, সেটি আমরা ৬ মাসে করতে সক্ষম হয়েছি। অবৈধ ডিটিএইচের মাধ্যমে বিদেশি অনেক টেলিভিশন চ্যানেল দেখানো হচ্ছিল। এই অবৈধ সংযোগের বিরুদ্ধে আমরা ইতোমধ্যেই অভিযান পরিচালনা করেছি। দেশের প্রচুর বিজ্ঞাপন বিদেশে চলে যাচ্ছিল, সেটিও রোধের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা কেব্‌ল অপারেটিং সিস্টেম ডিজিটাল করার উদ্যোগ নিয়েছি, যদিও কেব্‌

2020-03-03-22-20-e5ad6fa0edceec0e4a39983c97cb34f7.docx 2020-03-03-22-20-e5ad6fa0edceec0e4a39983c97cb34f7.docx

Share with :

Facebook Facebook