তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৭ মার্চ ২০১৮

তথ্যবিবরণী ৬/০৩/২০১৮

তথ্যবিবরণী                                                                                            নম্বর :  ৭১৬
ভিটামিন এ’র অভাবজনিত অপুষ্টি লাঘবে গোল্ডেন রাইস কার্যকর 
                                                         -- কৃষিমন্ত্রী 
ঢাকা, ২২ ফাল্গুন (৬ মার্চ) :
জেনেটিক্যালি মডিফাইড (জিএম) বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ জৈবপ্রযুক্তি প্রকৌশলের মাধ্যমে রূপান্তরিত অনন্য এক ধান গোল্ডেন রাইস। এ ধান ভিটামিন এ’র ঘাটতি পূরণে সহায়ক। বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩০ লাখ জনসংখ্যা যোগ হচ্ছে মোট জনসংখ্যার সাথে, অন্যদিকে দিন দিন আবাদি জমি কমে যাচ্ছে। এ কারণে বাড়তি জনসংখ্যার জন্য খাদ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি জরুরি হয়ে পড়েছে। খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য 'হাইব্রিড ফসল' আজ একটি বাস্তবতা  এবং সময়ের দাবি। 
কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী আজ ঢাকায় সিরডাপ মিলনায়তনে ‘চৎড়মৎবংং ধহফ ঝধভবঃু ঊাধষঁধঃরড়হ ড়ভ এজ২ঊ এড়ষফবহ জরপব’   শীর্ষক কর্মশালার চড়ষরপু উরংপঁংংরড়হ ঝবংংরড়হ -এ এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ২০১৩ সালে দেশের প্রথম বাণিজ্যিকভাবে জৈবপ্রযুক্তি ফসল বিটি বেগুনের সাফল্যের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশে এখন কৃষি জৈবপ্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে আরো তিনটি ফসল পরীক্ষামূলকভাবে চাষাবাদ করা হচ্ছে। ফসলগুলি হচ্ছে ভিটামিন এ সমৃদ্ধ গোল্ডেন রাইস, আলুর নাবি ধসা রোগ প্রতিরোধী জাত এবং বিটি তুলা। হাইব্রিডের অনুমতি দেয়ার জন্য একসময় অনেক সমালোচনা হয়েছে। সরকার অবশ্যই হাইব্রিড প্রযুক্তিগুলির নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে সতর্ক রয়েছে। তিনি বলেন, প্রধান খাদ্যদ্রব্য হিসেবে চালের ওপর আমাদের নির্ভরতা, তবে চালে কোনো বিটা ক্যারোটিন নেই। গত বোরো মৌসুমে বাংলাদেশ রাইস রিসার্চ ইনস্টিটিউট-ব্রি (ইজজও) -এর বিজ্ঞানীরা বাংলাদেশে গোল্ডেন রাইসের প্রথম পরীক্ষামূলক আবাদ করে আশানুরূপ ফল পেয়েছেন। এজ২ঊ ইজজও ধান-২৯-এর ফসল কাটার পরে তারা দেখেন যে চালের শস্য ১০ থেকে ১২ μম/গ্রাম (মাইক্রোগ্রাম/গ্রাম) যাতে যথেষ্ট পরিমাণ বিটা ক্যারোটিন রয়েছে, জানান মন্ত্রী। 
মতিয়া চৌধুরী বলেন, পরিবেশগত নিরাপত্তা যাচাইয়ের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মানদ- অনুযায়ী গোল্ডেন রাইসের নিয়ন্ত্রিত মাঠ মূল্যায়নের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া পরীক্ষাস্থলের  পরিবেশ ও নিরাপদ খাদ্যমান নিশ্চিতকরণের পরীক্ষাও করা হবে। ইরি ও আন্তর্জাতিক সহযোগী প্রতিষ্ঠান ব্রিকে সহায়তা করবে। সংশ্লিষ্ট সংস্থা কর্তৃক গোল্ডেন রাইস পরিবেশ ও খাদ্য হিসেবে নিরাপদ বলে প্রত্যয়ন পেলেই কেবল কৃষক পর্যায়ে চাষাবাদের জন্য জাত হিসেবে ছাড়করণের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে ব্রি। যাদের কাছে ভিটামিন এ সমৃদ্ধ অন্যান্য খাদ্য সহজলভ্য নয় কিংবা ক্রয় ক্ষমতার বাইরে তাদের মাঝে সহজেই এই ধান জনপ্রিয় হবে। গোল্ডেন রাইস স্বপরাগায়িত জাত বিধায় কৃষক নিজেই নিজের উৎপাদিত বীজ পরবর্তী ফসল চাষে ব্যবহার করতে পারবে।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ইরি)-এর নেতৃত্বে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ, বিশেষ করে বাংলাদেশ, ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়ায় গোল্ডেন রাইসের জাত উদ্ভাবন এবং মূল্যায়নের কাজ পরিচালিত হচ্ছে। কৃষি ও পুষ্টি গবেষণায় স্বনামধন্য কতিপয় আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতায় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট(ব্রি) গোল্ডেন রাইসের উন্নয়ন ও মূল্যায়নের কাজ এগিয়ে নিয়ে চলছে। ব্রি বিজ্ঞানীগণ ফলন ও রোগবালাই প্রতিরোধক্ষমতা অক্ষুণœ রেখে বাংলাদেশের আবহাওয়া উপযোগী গোল্ডেন রাইসের জাত উদ্ভাবনে  নিয়োজিত আছেন। 
ব্র্যাকের  নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মোঃ কবীর ইকরামুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ব্রি’র মহাপরিচালক ড. মোঃ শাহজাহান কবীর, অতিরিক্ত  সচিব মোঃ ফজলে ওয়াহেদ খোন্দকার এবং ইরি’র মহাপরিচালক উৎ. গধঃঃযবি গড়ৎবষষ।
#
গিয়াস/মাহমুদ/রফিকুল/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/২১৩০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                                নম্বর : ৭১৫
ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর মৃত্যুতে আইনমন্ত্রীর শোক
ঢাকা, ২২ ফাল্গুন (৬ মার্চ ) :
প্রখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা ও ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর মৃত্যুতে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। 
আজ এক শোকবার্তায় তিনি ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান। 
#
রেজাউল/মাহমুদ/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৮/২০৪০ঘণ্টা  
তথ্যবিবরণী                                                                                      নম্বর : ৭১৪
নারী দিবসে নারী জোটসভায় তথ্যমন্ত্রী
নারী অগ্রযাত্রায় জঙ্গি-কুসংস্কার-বৈষম্য বর্জন করুন
ঢাকা, ২২ ফাল্গুন (৬ মার্চ) :
তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেছেন, জঙ্গি দমনের যুদ্ধের ভেতরেই নারীর জীবন পাল্টাতে হবে। এজন্য জঙ্গিসন্ত্রাস-কুসংস্কার-তেঁতুলহুজুর ও এর সঙ্গী-পৃষ্ঠপোষকদের বর্জন করতে হবে। লিঙ্গবৈষম্য অবসানে সাহসের সাথে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।
মন্ত্রী আজ রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে শহীদ কর্নেল তাহের মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে জাসদের সহযোগী সংগঠন জাতীয় নারী জোট আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। 
মন্ত্রী বলেন, ‘জঙ্গিসন্ত্রাস-কুসংস্কার-তেঁতুলহুজুর, রাজাকার-সাম্প্রদায়িকতা ও এদের পৃষ্ঠপোষকরা নারী সমাজের মহাশত্রু। তিনি এসময় ‘আমরা নারী, আমরা পারি; সম্মান চাই, অধিকার চাই, বাঁচার মতো বাঁচতে চাই; নারী বলো-পুরুষ বলো, কেউ কারো ছোট নয়, কেউ কারো বড় নয়’Ñ সেøাগান উচ্চারণ করলে উপস্থিত সব নারীরা এক সাথে কণ্ঠ মেলায়। 
নারীদের শুধু সম্মান দিলেই হবে না, অধিকারও দিতে হবে উল্লেখ করে ইনু বলেন, ১৮ বছরের নিচে নারীদের বিবাহ দেবেন না এবং ৩৫ বছরের বেশি বয়সে সন্তান ধারণে উৎসাহিত করবেন না। মাদকসেবীর সাথে প্রেম নয়, বিয়ে নয়, বলেন তিনি। 
জাতীয় নারী জোটের আহ্বায়ক আফরোজা হক রীনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখেন জাসদের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য শিরীন আখতার, ঢাকা মহানগর জাসদের সমন্বয়ক মীর হোসাইন আখতার, জাতীয় যুব জোটের সভাপতি রোকনুজ্জামান রোকন, জাসদের নারী বিষয়ক সম্পাদক উম্মে হাসান ঝলমল, নারীনেত্রী সৈয়দা শামীমা সুলতানা হ্যাপী, নাহিদ সুলতানা রোজী, নিলঞ্জনা রিফাত সুরভী এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি আহসান হাবীব শামীম। 
#
আকরাম/মাহমুদ/ফারহানা/রফিকুল/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৯০০ ঘণ্টা 
তথ্যবিবরণী                                                                                       নম্বর :  ৭১৩
বিদেশে কর্মী প্রেরণে সিন্ডিকেটকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না 
         -- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী
ঢাকা, ২২ ফাল্গুন (৬ মার্চ) :
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি বলেছেন, অভিবাসন প্রক্রিয়াকে আরো সহজ, নিরাপদ, স্বচ্ছ ও টেকসই করাসহ অভিবাসন ব্যয় কমানোর জন্য প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় নিরলসভাবে কাজ করছে। প্রশিক্ষিত ও দক্ষ জনবল তৈরি, উপযুক্ত কর্ম পরিবেশ, সঠিক মজুরি নির্ধারণ করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। বিদেশে কর্মী প্রেরণে কোনো সিন্ডিকেট গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরণের কোনো সিন্ডিকেটকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। দুষ্ট চক্রের হাত থেকে অভিবাসন প্রক্রিয়াকে মুক্ত করতে হবে। 
মন্ত্রী আজ রাজধানীর একটি হোটেলে জার্নালিস্ট ফোরাম অন মাইগ্রেশন (জেএফএম) আয়োজিত ‘বিশ্ব শ্রমবাজার ও বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। 
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের কর্মীরা বিদেশে অত্যন্ত সুনামের সাথে কাজ করছে। বর্তমানে অনেক ভাল ও শিক্ষিত উদ্যোক্তারা যুক্ত হওয়ায় এই খাতে শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে। তিনি বলেন, প্রবাসে নারী কর্মীদের সুরক্ষায় তাদের বিদেশে পাঠানোর আগে অধিকতর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে প্রেরণ করা উচিত। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি কুয়েতের শ্রমবাজারের জটিলতা নিরসণে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে উল্লেখ করেন। 
মূল প্রতিপাদ্যে শ্রম অভিবাসন বিশ্লেষক ও ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, নতুন শ্রমবাজার তৈরি, শ্রমিকের উপযুক্ত মজুরি, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা জোরদারের জন্যে মাইগ্রেশন ডিপ্লোমেসির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি বলেন, প্রবাসী পরিবারের নিরাপত্তা, শ্রম অভিবাসীদের খাতওয়ারি ডেটাবেইজ, বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর কার্যক্রম বিকেন্দ্রীকরণ, অভিবাসন খাতে বাজেট বৃদ্ধি, রিটার্নি মাইগ্রেন্টদের জন্যে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করাসহ এই খাতের জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা আরো বেশি নিশ্চিত করতে হবে। 
জেএফএম-এর সভাপতি মনির হোসেনের সভাপতিত্বে সংলাপে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শ্রম-অভিবাসন বিশ্লেষক ও ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির। আরো বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রবিউল হক ও সহসভাপতি মোরছালীন বাবলা, আরটিভির বার্তা সম্পাদক আক্তার হোসেন, ইনকিলাবের সিনিয়র রিপোর্টার সামসুল ইসলাম এবং ইনডিপেন্ডেট পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার রফিকুল ইসলাম আজাদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার সিনিয়র রিপোর্টার মোঃ সাজ্জাদ হোসেন।   
পরে মন্ত্রী জেএফএম’র ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটেন। অনুষ্ঠানে অভিবাসন বিশেষজ্ঞ, সাংবাদিক ও বিদেশ ফেরত অভিবাসী কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
#
জাহাঙ্গীর/মাহমুদ/রফিকুল/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৮৪৫ ঘণ্টা 
তথ্যবিবরণী                                                                                নম্বর : ৭১২
ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর মৃত্যুতে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর শোক
ঢাকা, ২২ ফাল্গুন (৬ মার্চ ) :
প্রখ্যাত ভাস্কর ও মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর মৃত্যুতে স্থানীয় সরকার, পল্ল¬ী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
আজ পৃথক শোকবার্তায় তাঁরা মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।
#
জাকির/মারুফ/মাসুম/মাহমুদ/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৮/১৯১০ঘণ্টা  
তথ্যবিবরণী                                                                                নম্বর : ৭১১
নারীর পাশে পুরুষকে দাঁড়ানোর আহ্বান মহিলা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর
 
ঢাকা, ২২ ফাল্গুন (৬ মার্চ ) :
মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বলেছেন, সরকারের সময়োপযোগী ও বলিষ্ঠ পদক্ষেপের কারণে নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ আজ  বিশ্বে অনুকরণীয়। প্রশাসন, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী, পুলিশ, ব্যবসা-বাণিজ্য, খেলাধুলা, সাংবাদিকতা, বিমান চালনা এবং রাজনীতিসহ সব ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নারীরা এগিয়ে যাচ্ছে। এমনকি চ্যালেঞ্জিং কাজ পর্বত আরোহণেও বাংলার নারীরা আজ সফল। কিন্তু এত অর্জনের পরও বাংলাদেশের নারীরা আজ বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার। নির্যাতন প্রতিরোধে তিনি নারীর পাশে পুরুষকে দাঁড়ানোর  আহ্বান জানান। 
আজ জাতীয় প্রেসক্লাবে আন্তর্জাতিক নারী দিবস  উপলক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। 
মানববন্ধনে মন্ত্রণালয়ের সচিব নাছিমা বেগম, জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মাহমুদা শারমীন বেনু, মহিলা বিষয়ক আধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী রওশন আক্তার, জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক জাহানারা পারভীন অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনে সরকারি দপ্তর ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক সংস্থার  প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। 
এর আগে প্রতিমন্ত্রী মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে নারী উন্নয়ন মেলার উদ্বোধন করেন। 
#
খায়ের/মাহমুদ/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৮/১৮৩০ঘণ্টা   
তথ্যবিবরণী                                                                                নম্বর : ৭১০
ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর মৃত্যুতে স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার ও চিফ হুইপের শোক
ঢাকা, ২২ ফাল্গুন (৬ মার্চ ) :
স্বাধীনতা পদকে ভূষিত মুক্তিযোদ্ধা ও ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর মৃত্যুতে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
আজ এক শোকবার্তায় স্পিকার বলেন, ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী বাংলাদেশের সব আন্দোলন ও সংগ্রামে প্রথম সারিতে ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে এই বীর নারীর আত্মত্যাগ কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন। স্পিকার মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
এছাড়া ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর মৃত্যুতে ডেপুুটি স্পিকার মোঃ ফজলে রাব্বী মিয়া এবং চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
#
হুদা/মাহমুদ/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৮/১৭৫০ঘণ্টা 
তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ৭০৮ 
ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর মৃত্যুতে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর শোক
ঢাকা, ২২ ফাল্গুন (৬ মার্চ) :  
প্রখ্যাত ভাস্কর ও মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
মন্ত্রী আজ এক শোকবার্তায় মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
#
নাছের/অনসূয়া/সুবর্ণা/আসমা/২০১৮/১৪৩৫ ঘন্টা  
তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর : ৭০৯ 
ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর মৃত্যুতে সংস্কৃতিমন্ত্রীর শোক
ঢাকা, ২২ ফাল্গুন (৬ মার্চ) :  
ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী মৃত্যুতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। 
এক শোকবার্তায় মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা পদক বিজয়ী প্রিয়ভাষিণী ছিলেন বাংলাদেশের একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাস্কর। তাঁর প্রকৃতি নির্ভর বিভিন্ন শিল্পকর্ম শিল্পবোদ্ধাদের সহজেই আকৃষ্ট করে। বাংলাদেশের মানুষ এ মহান ভাস্করকে দীর্ঘদিন স্মরণে রাখবে। 
#
ফয়সল/অনসূয়া/শহিদ/সুবর্ণা/আসমা/২০১৮/১৫৩০ ঘন্টা   
তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ৭০৬
ড. জাফর ইকবালের পাশে সেতুমন্ত্রী  
ঢাকা, ২২ ফাল্গুন (৬ মার্চ) :  
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আজ সকালে ঢাকা সিএমএইচ-এ চিকিৎসাধীন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. জাফর ইকবালকে দেখতে যান।
এসময় তিনি ড. জাফর ইকবালের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং তঁাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।
#
নাছের/অনসূয়া/সুবর্ণা/আসমা/২০১৮/১১০০ ঘন্টা   
তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ৭০৫ 
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণী
ঢাকা, ২২ ফাল্গুন (৬ মার্চ) :  
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন : 
“বাঙালি জাতির হাজার বছরের ইতিহাসে ৭ মার্চ এক অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক এই দিনে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর  রহমান স্বাধীনতার ডাক দেন। ঢাকার তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানের বিশাল জনসমুদ্রে তিনি বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা দেন, “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, জয় বাংলা।”
দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এ অঞ্চলের জনগণের ওপর নেমে আসে বৈষম্য, নিপীড়ন আর নির্যাতনের যাতাকল। অর্থনৈতিক বৈষম্য ছাড়াও সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালির মাতৃভাষাকে উপেক্ষা করে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী। শুরু হয় বাঙালির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম। ৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৫৪’র যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ৬২’র শিক্ষাআন্দোলন, ৬৬’র ৬Ñদফা আন্দোলন, ৬৯’র গণঅভ্যুত্থান এবং ৭০’র সাধারণ নির্বাচনে বিজয়ের পথ ধরে বাঙালির মুুক্তি সংগ্রাম যৌক্তিক পরিণতির দিকে ধাবিত হয়। এসব আন্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 
অবশেষে চলে আসে ৭ মার্চের সেই ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণ। রেসকোর্সের জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে তিনি প্রদান করলেন স্বাধীনতার পথ নকশা। যুদ্ধ অনিবার্য জেনে তিনি শত্রুর মোকাবিলায় বাঙালি জাতিকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেন: ‘তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো।’ জাতির পিতার এই সম্মোহনী আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাঙালি জাতি সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। 
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সামরিকজান্তা গণহত্যা শুরু করে। জাতির পিতা 
২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। শুরু হয় সশস্ত্রমুক্তিযুদ্ধ। ৯ মাসের সশস্ত্রমুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষ মানুষ শহিদ হন। ২ লক্ষ মা-বোন সম্ভ্রমহারা হন। রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ আর বহু ত্যাগের বিনিময়ে আমরা ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করি। পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে ছিনিয়ে আনি মহান স্বাধীনতা, বাঙালি জাতি পায় মুক্তির কাক্সিক্ষত স্বাদ। প্রতিষ্ঠা পায় স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশ।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক ভাষণ। লেখক ও ইতিহাসবিদ ঔধপড়ন ঋ. ঋরবষফ এর বিশ্বসেরা ভাষণ নিয়ে লেখা "ডব ঝযধষষ ঋরমযঃ ড়হ ঃযব ইবধপযবং: ঞযব ঝঢ়ববপযবং ঞযধঃ ওহংঢ়রৎবফ ঐরংঃড়ৎু" গ্রন্থে এই ভাষণ স্থান পেয়েছে। অসংখ্য ভাষায় অনুদিত হয়েছে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ।
চলমান পাতা/২
বাঙালির বীরত্বপূর্ণ সংগ্রাম ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে জাতির পিতার এই ভাষণের দিকনির্দেশনাই ছিল সে সময় বজ্রকঠিন জাতীয় ঐক্যের মূলমন্ত্র। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অমিত শক্তির উৎস ছিল এ ঐতিহাসিক ভাষণ। বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ আমাদের ইতিহাস এবং জাতীয় জীবনের এক অপরিহার্য ও অনস্বীকার্য অধ্যায়; যার আবেদন চির অম্লান। কালজয়ী এই ভাষণ বিশ্বের শোষিত, বঞ্চিত ও মুক্তিকামী মানুষকে সবসময় প্রেরণা যুগিয়ে যাবে। 
জাতির পিতার ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ সম্প্রতি ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য (ডড়ৎষফ উড়পঁসবহঃধৎু ঐবৎরঃধমব) হিসেবে ইউনেস্কোর ওহঃবৎহধঃরড়হধষ গবসড়ৎু ড়ভ ঃযব ডড়ৎষফ জবমরংঃবৎ এ অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় আজ সমগ্র দেশ ও জাতি গর্বিত। আমি বাংলাদেশ সরকার এবং বাঙালি জাতির পক্ষ থেকে ইউনেস্কোর সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এই স্বীকৃতির মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকেই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
আমরা আজ জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজগুলো বাস্তবায়ন করছি। তিনি যে সোনার বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, বাঙালি জাতির জন্য যে উন্নত জীবনের কথা ভেবেছিলেন, তাঁর সেই স্বপ্নকে আজ আমরা বাস্তবে রূপ দিচ্ছি। গত ৯ বছরে আমরা দেশের প্রতিটি খাতে কাক্সিক্ষত অগ্রগতি অর্জন করেছি। মানুষ উন্নয়নের সুফল উপভোগ করছে। আর্থসামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে ‘রোল মডেল’। আমরা বাংলাদেশকে ২০২১ সালের আগেই মধ্যমআয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করব, ইনশাআল্লাহ।
আসুন, সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের উন্নয়নে কাজ করি এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখি। সকলে মিলে একটি অসাম্প্রদায়িক, ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলি। প্রতিষ্ঠা করি জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ। ঐতিহাসিক ৭ মার্চে এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।” 
#
ইমরুল/অনসূয়া/ শহিদ/জসীম/সুবর্ণা/আসমা/২০১৮/১২৩০ ঘন্টা 
তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ৭০৪ 
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী
ঢাকা, ২২ ফাল্গুন (৬ মার্চ) :
রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :
“আজ ঐতিহাসিক ০৭ মার্চ। বাঙালি জাতির ইতিহাসে একটি অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের এ দিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বজ্রকণ্ঠে যে কালজয়ী ভাষণ দিয়েছিলেন তার মধ্যে নিহিত ছিল বাঙালির মুক্তির ডাক। এ দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে যাঁর অনন্যসাধারণ নেতৃত্বে বাঙালি জাতি ১৯৭১ সালে পায় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। 
স্বাধীনতা বাঙালির শ্রেষ্ঠ অর্জন। তবে তা একদিনে অর্জিত হয়নি। মহান ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ অর্জনের এই দীর্ঘ বন্ধুর পথে বঙ্গবন্ধুর অপরিসীম সাহস, সীমাহীন ত্যাগ তিতিক্ষা, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং সঠিক দিকনির্দেশনা জাতিকে কাক্সিক্ষতলক্ষ্যে পৌঁছে দেয়। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে অসীম সাহসিকতার সাথে রেসকোর্স ময়দানে লাখো জনতার উদ্দেশ্যে বজ্রকণ্ঠে যে ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন তা ছিল মূলত বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। অনন্য বাগ্মিতা ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞায় ভাস্বর ওই ভাষণে তিনি তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বাঙালির আবেগ, স্বপ্ন ও আকাক্সক্ষাকে একসূত্রে গেঁথে বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’’, যা ছিল মূলত স্বাধীনতার ডাক। ঐতিহাসিক ভাষণের সেই ধারাবাহিকতায় ২৬ মার্চ ১৯৭১ জাতির পিতা ঘোষণা করেন বাঙালি জাতির বহুকাক্সিক্ষত স্বাধীনতা। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দীর্ঘ ন’মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা অর্জন করি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। একটি ভাষণ কীভাবে গোটাজাতিকে জাগিয়ে তোলে,  স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উৎসাহিত করে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ তার অনন্য উদাহরণ। ইউনেস্কো ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে ডড়ৎষফ'ং উড়পঁসবহঃধৎু ঐবৎরঃধমব-এর মর্যাদা দিয়ে গবসড়ৎু ড়ভ ঃযব ডড়ৎষফ ওহঃবৎহধঃরড়হধষ জবমরংঃবৎ-এ অন্তর্ভুক্ত করেছে। বাঙালি হিসেবে এটি আমাদের বড়ো অর্জন।   
স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে একটি সুখী সমৃদ্ধ ‘সোনার বাংলা’য় পরিণত করাই ছিল বঙ্গবন্ধুর আজীবনের লালিত স্বপ্ন। মহান নেতার সে স্বপ্ন পূরণে আমাদের অব্যাহত প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণে সকল রাজনৈতিক দলসহ সর্বস্তরের জনগণের অব্যাহত প্রচেষ্টা থাকতে হবে। দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে যাচ্ছে। ক্রমাগত প্রবৃদ্ধি অর্জন, নারীরক্ষমতায়ন, দারিদ্র্যহ্রাস, জীবনযাত্রার মানোন্নয়নসহ জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে ধনাত্মক পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশকে একটি মধ্যআয়ের এবং ২০৪১ সালে উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘রূপকল্প-২০২১’ ও ‘রূপকল্প-২০৪১’ ঘোষণা করেছেন। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে আমি দলমত নির্বিশেষে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানাই।
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ কেবল আমাদের নয় বিশ্ববাসীর জন্য প্রেরণার চিরন্তন উৎস হয়ে থাকবে।
খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”
#
হাসান/অনসূয়া/শহিদ/জসীম/সুবর্ণা/আসমা/২০১৮/১২৩০ ঘণ্টা 
Todays handout (9).docx Todays handout (9).docx

Share with :

Facebook Facebook