তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২nd এপ্রিল ২০১৬

তথ্যবিবরণী ০২/০৪/২০১৬

তথ্যবিবরণী                                                                                     নম্বর :  ১১১৩

শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে
                                -- মৎস্য প্রতিমন্ত্রী

ফুলতলা (খুলনা), ১৯ চৈত্র (২ এপ্রিল) :

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেছেন, পড়াশুনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। ক্রীড়া চর্চা ছাত্রছাত্রীদের মনে নির্মল আনন্দ দেয়। ক্রীড়ার মাধ্যমে দেশকে বিশ্বের কাছে পরিচিত করে তুলতে পারে।
    
    প্রতিমন্ত্রী আজ খুলনার ফুলতলা রি-ইউনিয়ন মডেল স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, খেলাধুলা সৃজনশীল মানসিক গঠনে ভূমিকা রাখে। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর শিক্ষাক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। ক্রিকেটে বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে। তিনি শিক্ষার গুণগতমান উন্নয়নে শিক্ষকদের আরো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। লেখাপড়ার পাশাপাশি ক্রীড়াচর্চার মাধ্যমে শিক্ষর্থীরা ভবিষ্যৎ সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পারে। বর্তমান সরকার খেলাধুলার দিকে বিশেষ নজর দেয়ার ফলে ক্রীড়াক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্জন দেশবিদেশে ছড়িয়ে পড়ছে। মেয়েরা আজ কোনো ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই। ক্রীড়াক্ষেত্রেও তারা আজ দেশবিদেশে সুনাম অর্জন করছে। প্রতিমন্ত্রী ছাত্রছাত্রীদের নিয়মিত খেলাধুলায় অংশগ্রহণে উৎসাহ দিতে শিক্ষক এবং অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি আরো বলেন, দেশ প্রতিটি ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে। পদ্মা সেতু নির্মিত হলে এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের আরো পরিবর্তন হবে। ২০৪১ সালের আগেই বাংলাদেশ ধনী রাষ্ট্রে পরিণত হবে। সন্ত্রাসকে যে কোনোমূল্যে প্রতিহত করা হবে এবং এ অঞ্চলকে সবাই মিলে মাদকমুক্ত করা হবে।

রি-ইউনিয়ন মডেল স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালনা পরিষদের সদস্য মো. আজিজুল হক ফরাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যর মধ্যে ফুলতলা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা শাহনাজ বেগম, অফিসার ইনচার্জ মো. রফিকুল ইসলাম এবং রি-ইউনিয়ন মডেল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ প্রফুল¬ কুমার চক্রবর্তী বক্তৃতা করেন।

    পরে প্রতিমন্ত্রী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।
#

সুলতান/আফরাজ/নবী/মোশারফ/সেলিম/২০১৬/২১৩০ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                     নম্বর :  ১১১২

 

চট্টগ্রামে অটিজম একাডেমি হবে

                   -- গণপূর্তমন্ত্রী

 

চট্টগ্রাম, ১৯ চৈত্র (২ এপ্রিল) :

 

            গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, অটিস্টিক শিশুদের বোঝা মনে না করে পরিবার ও সমাজের একজন এবং দেশের সম্পদ হিসেবে গণ্য করতে হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন অটিজম বিষয়ে যে সচেতনতা সৃষ্টি করেছেন তা দেশে বিদেশে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এ বিষয়ে তিনি জাতিসংঘে বক্তৃতা দিয়ে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছেন।

 

মন্ত্রী আজ চট্টগ্রামের এলজিইডি মিলনায়তনে নবম বিশ^ অটিজম সচেতনতা দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় একথা বলেন।

 

জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, সংসদ সদস্য মো. নজরুল ইসলাম, মো. দিদারুল আলম, প্রফেসর আবু রেজা মুহাম্মদ নেজাম উদ্দিন নদভী, ওয়াশিকা আয়েশা খান ও সাবিহা নাহার বেগম, সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক বন্দনা দাশ, অটিজম বিশেষজ্ঞ ডা. বাসনা চৌধুরী এবং এনজিও প্রতিনিধিরা বক্তৃতা করেন।

 

গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, সরকার অটিস্টিক শিশুদের সমাজের মূল¯্রােতে রাখার জন্য কাজ করছে। তাদের জন্য চাকরিতে বিশেষ কোটা রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, ঢাকায় গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে ন্যাশনাল অটিজম একাডেমি প্রতিষ্ঠার জন্য জায়গা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এটি চট্টগ্রামেও করা হবে এবং এর জন্য জায়গা গণপূর্ত মন্ত্রণালয়  থেকে বরাদ্দ দেয়া হবে।

 

            সিটি মেয়র অটিস্টিক শিশুদের জন্য একটি পৃথক স্কুল প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন।

 

            পরে মন্ত্রী অটিস্টিক শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

 

            সকালে এ উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক  প্রদক্ষিণ করে।

           

#

 

সাইফুল/আফরাজ/মোশারফ/সেলিম/২০১৬/২০৩০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                             নম্বর : ১১১১

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কন্ট্রোল রুম

ঢাকা, ১৯ চৈত্র (২ এপ্রিল) :  

    আগামীকাল থেকে শুরু এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০১৬ উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

    কন্ট্রোল রুমের ফোন নং-৯৫৪০৩০২, ৯৫৭৬৭৮০, ০১৭৭৭-৭০৭৭০৫ এবং
০১৭৭৭-৭০৭৭০৬।

    কন্ট্রোল রুমের ইমেইল : বীধসপড়হঃৎড়ষৎড়ড়স@সড়বফঁ.মড়া.নফ


#
সাইফুল্লাহ/আফরাজ/মোশারফ/আব্বাস/২০১৬/১৯৫৮ ঘণ্টা    
 
তথ্যবিবরণী                                                                                                    নম্বর :  ১১১০
বাংলাদেশ অটিস্টিকদের অধিকার রক্ষায় মডেল হতে পারে
                                 -- সায়মা ওয়াজেদ হোসেন

নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র), ২ এপ্রিল :
    বাংলাদেশের অটিজম বিষয়ক পরামর্শক কমিটির চেয়ারপার্সন এবং মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক ডব্লিউএইচও এক্সপার্ট অ্যাডভাইজরি প্যানেলের সদস্য সায়মা ওয়াজেদ হোসেন বলেছেন, বিশ্বব্যাপী অটিজম ও অন্যান্য নিউরো ডেভেলপমেন্ট ডিজঅর্ডারগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষা ও তাদের জীবনমানে দীর্ঘমেয়াদি, টেকসই ও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সৃষ্টিশীল, সুলভ ও টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। জনসচেতনতা ও সুদৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকতে হবে। তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ গত সাত বছর ধরে একটি বহুমুখী ও বহুপাক্ষিক মডেল বাস্তবায়ন করছে। ইতোমধ্যেই লক্ষ্য অর্জনে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের (এসডিজি) আলোকে অটিজম মোকাবিলায় বিশ্ব কৌশল গ্রহণে বাংলাদেশের এই অনন্য মডেল অত্যন্ত কার্যকর হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
    তিনি আজ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘে ‘অটিজম মোকাবিলা : এসডিজি’র আলোকে বিশ্ব সম্প্রদায়ের কৌশল’ শীর্ষক এক হাইলেভেল ইভেন্টে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপনকালে একথা বলেন।
    অটিজম সচেতনতা দিবস ২০১৬ উদ্যাপন উপলক্ষে জাতিসংঘে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ, কাতার, দক্ষিণ কোরিয়া, উজবেকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্র এবং অটিজম স্পিকস যৌথভাবে এ ইভেন্টের আয়োজন করে।
    বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন এবং কাতারের স্থায়ী প্রতিনিধি আলিয়া আল-থানির সঞ্চালনায় এ উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বান সুন-টেক, অটিজম স্পিকসের সুজানা রাইটস এবং ভারত, কোরিয়া, উজবেকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী প্রতিনিধি ও ইকোসকের প্রতিনিধি বক্তৃতা করেন।
    মূল প্রবন্ধের ওপর প্যানেল আলোচনায় ডব্লিউএইচও’র প্রতিনিধি বারনার ওবেরমেয়ের, জাতিসংঘের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. ডেভিড নাবাবরো, ফিলিপাইনের স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধি ড. পলিন এবং উইনকনসিন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. মরিন ডারকিন অংশ নেন।
    প্রত্যেক বক্তাই দক্ষিণ এশিয়াসহ বিশ্বজুড়ে বিশেষকরে বাংলাদেশে অটিজম বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি ও তাদের অধিকার রক্ষায় অনন্য সাফল্য অর্জন করায় সায়মা ওয়াজেদ হোসেনের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
    অটিজমসহ প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিতে অত্যন্ত প্রতিজ্ঞাবদ্ধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গৃহীত বিভিন্ন কর্মকা-ের উল্লেখ করে সায়মা ওয়াজেদ হোসেন বলেন, প্রতিবন্ধীদের অধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক আইন গ্রহণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অগ্রণী দেশ। বাংলাদেশ এর প্রটোকলও স্বাক্ষর করেছে।
    দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে সকালে জাতিসংঘের উদ্বোধনী অধিবেশনেও সায়মা ওয়াজেদ হোসেন অংশগ্রহণ করেন। এ অধিবেশনে বৈষম্য হ্রাস (এমডিজি ১০) বিষয়ক এক প্যানেল আলোচনায় সায়মা ওয়াজেদ হোসেন বলেন, অটিস্টিকদের অধিকার রক্ষা এবং শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও অন্যান্য আর্থসামাজিক কর্মকা-ে বাংলাদেশে এখন ১৪টি মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, এসব মন্ত্রণালয়ের সামাজিক সেবাকেন্দ্র, কমিউনিটি হেলথ ক্লিনিক, স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলো অটিস্টিক ও তাদের পরিবারদেরকে সেবা প্রদান করছে। তাদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
    সায়মা ওয়াজেদ হোসেন ২০১২ সাল থেকে প্রতিবছর জাতিসংঘের এ অটিজম সচেতনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে একজন আন্তর্জাতিক অটিজম বিশেষজ্ঞ হিসেবে আমন্ত্রিত হচ্ছেন। তিনি ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশে অটিজম সচেতনতা উদ্বুদ্ধকরণ কর্মকা- শুরু করেন।
#
বিজন/আফরাজ/মোশারফ/সেলিম/২০১৬/১৭৯০ ঘণ্টা
 
তথ্যবিবরণী                                                                                     নম্বর :  ১১০৯

উন্নয়নের মূল ¯্রােতধারায় রাজশাহী সম্পৃক্ত হচ্ছে
                                   -- পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

রাজশাহী, ১৯ চৈত্র (২ এপ্রিল) :

    পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বলেছেন, সরকারের দক্ষ নির্দেশনায় রাজশাহী অঞ্চলের উন্নয়ন দেশের যে কোনো অঞ্চলের সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে চলছে। তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল ¯্রােতধারায় এ অঞ্চলের উন্নয়ন সম্পৃক্ত হতে পারছে।

    প্রতিমন্ত্রী আজ রাজশাহী সরকারি মাদ্রাসার ১৪২ বছরপূর্তি ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে একথা বলেন।

    কোর্ট কলেজের অধ্যক্ষ মো. শফিকুর রহমান বাদশার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা ও মো. আব্দুল ওয়াদুদ দারা, শহিদ কামারুজ্জামান কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল খালেক শান্ত, রাজশাহী সরকারি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আফজাল হোসেন এবং দৈনিক সোনালী সংবাদের সম্পাদক মো. লিয়াকত আলীসহ শিক্ষকমন্ডলী উপস্থিত ছিলেন।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, হাজী মুহম্মদ মহসীনের স্মৃতি বিজড়িত রাজশাহী সরকারি মাদ্রাসা অনেক ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাক্ষ্য বহন করছে। এ মাঠে বঙ্গবন্ধু ও সোহরাওয়ার্দীর মতো বড় বড় রাজনীতিবিদ বক্তব্য রেখেছিলেন। তিনি বলেন, সরকার এ বিদ্যাপীঠকে  ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরো যুগোপযোগী ও বৃহৎ পরিসরে সাজিয়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। সকলের সমন্বিত উদ্যোগ ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এ বিদ্যালয়ের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    তিনি বলেন, রাজশাহীতে সপ্তাহে তিনটি  সংস্থার বিমান চলাচল করছে। হজ পালনে ইচ্ছুক যাত্রীদের সুবিধার্থে কানেক্টিং ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ভেন্যু তৈরির লক্ষ্যে পর্যটন মোটেলসহ আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতেও সরকার কাজ করে যাচ্ছে।  এছাড়া এ অঞ্চলের যাত্রীদের সুবিধার্থে একটি বিরতিহীন আন্তঃনগর ট্রেন চালুর পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে বলে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ে ‘জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা’ রাজশাহী আঞ্চলিক পর্বের উদ্বোধন করেন। শাহরিয়ার আলম ‘দৈনিক সানসাইন’ পত্রিকার অনলাইন সংস্করণও উদ্বোধন করেন।
#
নাফেয়ালা/আফরাজ/মোশারফ/সেলিম/২০১৬/১৮১০ ঘণ্টা
 
তথ্যবিবরণী                                                                                     নম্বর :  ১১০৮
সব ধরনের সার ডিলারদের মাধ্যমে বিতরণের দাবি
ঢাকা, ১৯ চৈত্র (২ এপ্রিল) :
ইউরিয়াসহ সব ধরনের সার বিসিআইসি ডিলারদের মাধ্যমে বিতরণের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশনের (বিএফএ) নেতারা। তারা বলেন, বিএফএ’র সদস্যভুক্ত প্রত্যেক ডিলার দু’লাখ টাকা জামানত দিয়ে ১৯৯৪ সাল থেকে চাষি পর্যায়ে সুষ্ঠুভাবে সার সরবরাহের দায়িত্ব পালন করছে। সার ব্যবস্থাপনায় তাদের এ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বিএডিসিসহ সরকারিখাতে আমদানিকৃত নন-ইউরিয়া সারও কৃষকদের মাঝে সুষ্ঠুভাবে সরবরাহ ও বিতরণ করা সম্ভব।
বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশন (বিএফএ)-এর ২২তম বার্ষিক সাধারণ সভায় আজ সংগঠনের নেতারা এ দাবি জানান। রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সিটিতে এ সভার আয়োজন করা হয়। শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এতে প্রধান অতিথি ছিলেন।
বিএফএ’র চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য কামরুল আশরাফ খান পোটনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে সংগঠনের পরিচালক সংসদ সদস্য শওকত চৌধুরী, শিল্পসচিব মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, দ্য ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশন অভ্ ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান রাকেশ কাপুর (জধশবংয কধঢ়ঁৎ) ও মহাপরিচালক সতীশ চন্দর (ঝধঃরংয ঈযধহফবৎ) এবং বিএফএ’র সহসভাপতি মো. নাসির উদ্দিন বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে বিএফএ’র নেতারা জানান, বর্তমানে বিসিআইসি নিযুক্ত ৫ হাজার ৩শ’ ডিলার ও ৪৫ হাজার খুচরা বিক্রেতা দেশব্যাপী সারের সুষ্ঠু বিতরণ ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে। এর ফলে দেশে কৃষি উৎপাদনের চাকা সচল রয়েছে। হরতাল অবরোধের মধ্যেও সার ডিলাররা চাষি পর্যায়ে নিরবচ্ছিন্ন সার সরবরাহ করে ফসলের বাম্পার ফলনে সহায়তা করেছে। তারা মিল গেট ও বাফার গুদামে ইউরিয়া সারের একই মূল্য নির্ধারণ করায় বর্তমান সরকারের প্রশংসা করেন। তারা ইউনিয়ন পর্যায়ে শূন্য কোটা ছাড়া অংশ বিশেষের জন্য নতুন ডিলার নিয়োগ বন্ধের সিদ্ধান্ত বহাল রাখার দাবি জানান। একই সাথে তারা এলাকাভিত্তিক চাহিদা অনুযায়ী মোটা ও চিকন দানার ইউরিয়া সার সরবরাহ এবং বর্তমানে চাষি পর্যায়ে সারের চাহিদা কম এবং ডিলারদের গুদামে পর্যাপ্ত মজুদ থাকায় মার্চ থেকে জুন, ২০১৬ পর্যন্ত সার উত্তোলন ঐচ্ছিক করতে শিল্পমন্ত্রীর নির্দেশনা চান।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সরকার খাদ্য নিরাপত্তার স্বার্থে কৃষিখাতে ভর্তুকির বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। বর্তমানে প্রতি কেজি ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি এবং এমওপি সারে যথাক্রমে কমপক্ষে ২৪, ১৮, ১৮ ও ২৫ টাকা ভর্তুকি দেয়া হচ্ছে। জাতীয় স্বার্থে ভর্তুকির এ ইতিবাচক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। আওয়ামী লীগ সরকারের গত ৭ বছরে দেশের কোথাও সারের কোনো ধরনের সংকট হয়নি। অথচ এক সময় সারের দাবিতে ১৮ জন কৃষককে জীবন দিতে হয়েছে। তিনি চাষি পর্যায়ে সময়মত ন্যায্যমূল্যে সার প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করতে সার ডিলারদের প্রতি আহ্বান জানান।
আমির হোসেন আমু বলেন, বিসিআইসি’র সার ডিলাররা পেশাগত সততা ও দায়িত্বশীলতার সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি বাংলাদেশ চাল রপ্তানিকারক দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তিনি কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখার স্বার্থে সার ডিলারদের যৌক্তিক দাবিগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা করে সমাধানের আশ্বাস দেন।
#
জলিল/আফরাজ/মোশারফ/সেলিম/২০১৬/১৮০০ ঘণ্টা
 
তথ্যবিবরণী                                                                                     নম্বর :  ১১০৭

প্রতিবন্ধীরা সমাজে অবদান রাখতে পারে
                      -- ডেপুটি স্পিকার

ঢাকা, ১৯ চৈত্র (২ এপ্রিল) :

    ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া বলেছেন, প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয়। প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা এবং সঠিক সেবা যতœ পেলে তারাও সমাজের জন্য অনেক কিছু করতে পারে।

    ডেপুটি স্পিকার আজ ঢাকায় বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও  জাতীয় সংসদের  দক্ষিণ প্রান্তে মানিক মিয়া এভিনিউয়ে নিউট্রিশন এন্ড অটিজম রিসার্চ সেন্টার সোসাইটি (নার্ক) আয়োজিত ‘লাইট ইট আপ ব্লু ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

    ডেপুটি স্পিকার বলেন, অটিস্টিক শিশুদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল যে জনহিতৈষী কাজ করে যাচ্ছেন তা বিশ্বব্যাপী প্রশংসনীয়। বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও  প্রতিবন্ধী উন্নয়নে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা দিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিবন্ধীদের ভাতা প্রদানকে বর্তমান সরকারের একটি মহৎ উদ্যোগ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাজেট প্রণয়নের সময় প্রতিবন্ধীদের বিষয়টি বিশেষ বিবেচনায় রেখে তাদের জন্য বরাদ্দ আরো বৃদ্ধি করলে দেশ গঠনে প্রতিবন্ধী সন্তানেরা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। এসময় তিনি সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান মানুষদের প্রতিবন্ধী কল্যাণে সাহায্য সহযোগিতা বাড়ানোর অনুরোধ জানান।

    তিনি বলেন, প্রতিবন্ধীরা স্পেশাল অলিম্পিক থেকে স্বর্ণ জয় করে এনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে উজ্জ্বল করেছে। তাই আমাদের সকলের উচিত হবে প্রতিবন্ধী সন্তানদের অবহেলা না করে তাদের প্রতি ভালোবাসা ও সহযোগিতার হাত সম্প্রসারিত করা। প্রতিবন্ধীরা কোনো মতেই সমাজের অভিশাপ নয়, আশির্বাদ।   
                                                                                  
       এরপর তিনি মানিক মিয়া এভিনিউয়ে বিশ্ব অটিজম দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে আয়োজিত র‌্যালিতে অংশ নেন।                                                         

#

স¦পন/আফরাজ/মোশারফ/সেলিম/২০১৬/১৬৩০ ঘণ্টা
 
তথ্যবিবরণী                                                                                                নম্বর : ১১০৬
জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণী   
ঢাকা, ১৯ চৈত্র (২ এপ্রিল) :  

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :
    “জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস-২০১৬ উপলক্ষে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট শিল্পী, কলাকুশলীসহ সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও  অভিনন্দন জানাচ্ছি।
    চলচ্চিত্র অত্যন্ত শক্তিশালী গণমাধ্যম। মানুষের চেতনাকে শানিত করে সমাজ উন্নয়নে চলচ্চিত্র এক অনন্য মাধ্যম হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চলচ্চিত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ১৯৫৭ সালের ৩ এপ্রিল শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী হিসেবে তৎকালীন প্রাদেশিক পরিষদে চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন বিল উত্থাপন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিষ্ঠিত হয় চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রাণকেন্দ্র এফডিসি। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের জন্য ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ এই দিনটিকে আমরা জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস ঘোষণা করেছি।    
    চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়ন ও উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যে আমরা বহুমাত্রিক কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। চলচ্চিত্রকে আমরা শিল্প হিসেবে ঘোষণা করেছি। চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিবেশকগণ কর রেয়াতসহ নানাবিধ সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন। সুস্থধারার চলচ্চিত্র নির্মাণ উৎসাহিত করতে অনুদানের পরিমাণ বৃদ্ধি করেছি। শিশুতোষ চলচ্চিত্র নির্মাণে অনুদান দেওয়া হচ্ছে। জাতীয় চলচ্চিত্র নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে।    
    আমরা চলচ্চিত্র শিল্পে মেধাবী ও দক্ষ কর্মী তৈরির লক্ষ্যে ফিল্ম ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেছি। ডিজিটাল প্রযুক্তির চলচ্চিত্র নির্মাণে বিএফডিসি’র আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় বিশ্বমানের চলচ্চিত্র নির্মাণ যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করা হয়েছে। চলচ্চিত্র প্রদর্শন ব্যবস্থা ডিজিটালাইজড্ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
    চলচ্চিত্র নির্মাতাগণের সেবা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গাজীপুর জেলার কবিরপুরে বিশ্বমানের একটি চলচ্চিত্র নগরী এবং পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
    অসচ্ছল শিল্পী ও কলাকুশলীদের আর্থিক সাহায্য সহযোগিতা প্রদানের পাশাপাশি তাদের চিকিৎসার ব্যয়ভার আমরা বহন করছি।   
    আমার প্রত্যাশা চলচ্চিত্র নির্মাতাগণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরবেন। কুসংস্কার ও ধর্মান্ধতামুক্ত, অসাম্প্রদায়িক সমাজ বিনির্মাণে এগিয়ে আসবেন। বৈশ্বিক পরিম-লে বাংলা চলচ্চিত্রের প্রসার ঘটিয়ে দেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবেন।   
    আমি ‘জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস ২০১৬’ উদ্যাপনের সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।   
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”
#
নজরুল/আফরাজ/মোশারফ/আব্বাস/২০১৬/১৭০১ ঘণ্টা    
 
তথ্যবিবরণী                                                                                      নম্বর : ১১০৫
জাতীয় চলচ্চিত্র  দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী
ঢাকা, ১৯  চৈত্র (২ এপ্রিল) :
    রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস-২০১৬ উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :
    ‘‘জাতীয় চলচ্চিত্র দিবসÑ২০১৬ উপলক্ষে আমি চলচ্চিত্র শিল্পী ও কলাকুশলী, নির্মাতা, প্রযোজক, পরিবেশক, দর্শকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
    চলচ্চিত্র অত্যন্ত শক্তিশালী গণমাধ্যম। চলচ্চিত্রের নান্দনিকতা, শিল্পবোধ, জীবন ও সমাজ ঘনিষ্ঠতা দর্শক হৃদয়কে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সচেতনতা সৃষ্টি এবং উন্নত সমাজ গঠনে চলচ্চিত্রের  অপরিসীম  গুরুত্ব। চলচ্চিত্রের গুরুত্ব উপলব্ধি করে আমাদের মহান নেতা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৭ সালের  ৩ এপ্রিল শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী হিসেবে তৎকালীন প্রাদেশিক পরিষদে ‘চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন বিল-১৯৫৭’ উত্থাপন করেন। ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয় ফিল্ম ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন বা এফডিসি। সময়ের সাথে শিল্পী ও কলাকুশলীদের কর্মচাঞ্চল্যে এফডিসি হয়ে উঠে বাংলা চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রাণকেন্দ্র্রে। এফডিসি প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক দিন তথা ৩ এপ্রিলকে ‘জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস’ ঘোষণার মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই।
    বায়োস্কোপের পথ ধরে উপমহাদেশে চলচ্চিত্রের উন্মেষ ঘটে। নির্মিত হয় জীবনঘনিষ্ঠ নানা ছবি, যা দর্শক হৃদয়ে আজো স্থান করে আছে। বর্তমানে তীব্র প্রতিযোগিতার যুগে চলচ্চিত্র শিল্পকে এগিয়ে নিতে মৌলিকত্বের উপর জোর দেয়া জরুরি বলে আমি মনে করি।
    সরকার চলচ্চিত্রের উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। চলচ্চিত্রকে শিল্প ঘোষণাসহ চলচ্চিত্র নির্মাণে আধুনিক সুযোগসুবিধা সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প এবং বাংলাদেশ ফিল্ম সিটি প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ফিল্ম আর্কাইভের জন্য আধুনিক ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। সিনেমা হল ডিজিটালকরণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। জাতীয় চলচ্চিত্র নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। আমি আশা করি চলচ্চিত্র নির্মাতাগণ আমাদের মহান মু্িক্তযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে নান্দনিক, জীবন ঘনিষ্ঠ ও সমাজ সচেতন চলচ্চিত্র নির্মাণে এগিয়ে আসবেন।
    তথ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের আয়োজনে ‘জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস’ ২০১৬ উদ্যাপনের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করি।

    খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।’’
#
আজাদ/আফরাজ/মোশারফ/আব্বাস/২০১৬/১৭০০ ঘণ্টা   

 

 

Todays Handout (6).doc Todays Handout (6).doc

Share with :

Facebook Facebook