তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৫ জুন ২০২০

তথ্যবিবরণী ৫ জুন ২০২০

তথ্যবিবরণী                                                                                                  নম্বর : ২০৪৭

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড

ঢাকা, ২২ জ্যৈষ্ঠ (৫ জুন) :

          দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪ দশমিক ২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের নতুন রেকর্ড ছুঁয়েছে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রিজার্ভের পরিমাণ ৩৪ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করলো। যেকোন সময়ের তুলনায় কোন আর্থিক বছরের এই সময় (৩ জুন) পর্যন্ত এটাই হচ্ছে সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ইতিহাস।

          গত অর্থবছরে ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ে যা ছিল ৩৩ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, এ বছরে অর্থবছরের এক মাস বাকি থাকতেই ৩৪ দশমিক ২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের এই রেকর্ড অর্জন হলো। দেশে প্রথমবারের মতো রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করেছিল ২০১৭ সালে।

          পাশাপাশি, এ অর্থবছরের একই তারিখ অর্থাৎ ৩ জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স অর্জন করেছে। এটাও যে কোন অর্থবছরের তুলনায় সর্বোচ্চ রেকর্ড। এ সময়ে বাংলাদেশ অর্জন করেছে ১৬ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা সরকারের দুই শতাংশ প্রণোদনা প্রকল্পের সুফল হিসেবে দেখা দিয়েছে। গত ২০১৯-২০ অর্থবছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ে যা ছিল ১৬ দশমিক ৪২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এ খাতেও এ অর্থবছরের এক মাস বাকি থাকতেই ১৬ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের এই রেকর্ড অর্জন হয়েছে।

#

গাজী তৌহিদুল/ফারহানা/সঞ্জীব/জয়নুল/২০২০/২০৪০ঘণ্টা 

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ২০৪৬

প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণ করলে রোগব্যাধি-ভাইরাস থেকে মানুষের সুরক্ষা সহজতর হতো

                                                                           -বিশ্ব পরিবেশ দিবসে তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ২২ জ্যৈষ্ঠ (৫ জুন) :

          প্রকৃতি ও পরিবেশের ওপর নির্দয় আচরণ না করে সংরক্ষণ করলে অনেক রোগব্যাধি ও ভাইরাস থেকে মানুষকে সুরক্ষা দেয়া সহজতর হতো বলেছেন তথ্যমন্ত্রী এবং সাবেক পরিবেশ ও বন মন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ ।

          আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ঢাকায় মন্ত্রী তার সরকারি বাসভবনে গাছের চারা রোপণকালে একথা বলেন। উল্লেখ্য, এ বছরের দিবসে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে এখনই সময় পরিবেশ বাঁচানোর (Time for Nature) †møvMvb নির্ধারণ করেছে জাতিসংঘ।

          করোনায় আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস এক ভিন্ন প্রেক্ষাপটে পালিত হচ্ছে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সমগ্র পৃথিবী করোনা ভাইরাসের কারণে স্তব্ধ। কিন্তু এই পরিস্থিতিতেও আমরা কিছু ইতিবাচক দিক লক্ষ্য করছি। কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে আপনারা ডলফিন দেখেছেন, যা হাজার হাজার লোকের ভিড়ে ঘটতো না। সুন্দরবনের হরিণগুলো আগের তুলনায় অনেক স্বচ্ছন্দে ঘুরে বেড়াচ্ছে। শুধু এখানে নয়, এটি সমগ্র পৃথিবীর চিত্র। প্রকৃতি আগের চেয়ে এখন অনেক নির্মল। এতে প্রমাণিত হয়, স্বাভাবিক সময়ে আমরা প্রকৃতির প্রতি কতোটা নির্দয় আচরণ করি, যেকারণে পরিবেশ ও প্রকৃতি তার স্বকীয়তায় বিকশিত হতে পারে না।

          পরিবেশ রসায়নে পিএইচডি অর্জনকারী ড. হাছান মাহ্‌মুদ  বলেন, আমি পরিবেশ বিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে মনে করি, এখনকার প্রকৃতির এ নির্মলতা থেকে এও প্রমাণিত হয়, আমরা যদি আমাদের প্রকৃতি ও পরিবেশকে সংরক্ষণ করি, তাহলে অনেক রোগব্যাধি, অনেক ভাইরাস থেকেও মানুষকে সুরক্ষা দেয়া সহজতর হতো।

          করোনাভাইরাসের কারণে প্রধানমন্ত্রী মুজিববর্ষের সমস্ত অনুষ্ঠান এমনকি জনসম্মুখে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও বাতিল করে দিয়েছিলেন উল্লেখ করে মন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ  জানান, এ পরিস্থিতিতে মুজিববর্ষ উপলক্ষে আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ উপকমিটি দেশব্যাপী ১০০ প্রজাতির চারা গাছ রোপণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে, যা একটি চমৎকার উদ্যোগ।

          আওয়ামী লীগের পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

#

আকরাম/ফারহানা/সঞ্জীব/জয়নুল/২০২০/২০৩০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ২০৪৫

অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষরাই ডিজিটাল বিপ্লবে নেতৃত্ব দেবেন

                                                  -- আইসিটি প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ২২ জ্যৈষ্ঠ (৫ জুন) :

          তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ভবিষ্যতের চাহিদা পূরণে সরকার ফ্রন্টিয়ার (অত্যাধুনিক) প্রযুক্তিতে দক্ষ মানুষ তৈরি করছে। যারা প্রত্যেকেই ভবিষ্যতে ডিজিটাল বিপ্লবে নেতৃত্ব দেবেন।

          প্রতিমন্ত্রী আজ জুম অনলাইনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) লিভারেজিং আইসিটি ফর এমপ্লয়মেন্ট এন্ড গ্রোথ অভ্ দ্য আইটি-আইটিইএস ইন্ডাস্ট্রি (এলআইসিটি) প্রকল্পের উদ্যোগে ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজির অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

          প্রতিমন্ত্রী বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবকে সামনে রেখে সরকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), বিগ ডেটা, মেশিন লার্নিং, অগমেন্টেড রিয়ালিটি, ভার্চুয়াল রিয়ালিটির মতো ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজিতে দক্ষ মানুষ তৈরি করছে।

          আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, বিসিসি’র নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেব, এলআইসিটি প্রকল্প পরিচালক মোঃ রেজাউল করিম, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অভ্ সফটওয়্যার ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেসর (বেসিস) সভাপতি আলমাস কবির বক্তব্য রাখেন।

#

শহিদুল/ফারহানা/সঞ্জীব/জয়নুল/২০২০/১৮৫০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ২০৪৪

কোভিড-১৯ (করোনা ভাইরাস) সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন

ঢাকা, ২২ জ্যৈষ্ঠ (৫ জুন) :  

          ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স কো-অর্ডিনেশন সেন্টার (এনডিআরসিসি) থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ৬৪ জেলায় ইতোমধ্যে ২ লাখ ১ হাজার ৪ শত ১৭ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়া শিশু খাদ্য-সহ অন্যান্য সামগ্রী ক্রয়ের জন্য ১১৬ কোটি ৬৭ লাখ ৭২ হাজার ২৬৪ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বরাদ্দকৃত এ সাহায্য দেশের সকল জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বিতরণ করা হচ্ছে । ‌

          স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)-এর তথ্যানুযায়ী আজ দেশে নতুন করে আরো ২ হাজার ৮২৮ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এ নিয়ে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৬০ হাজার ৩৯১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩০ জন-সহ এ পর্যন্ত ৮১১ জন এ রোগে মৃত্যুবরণ করেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ হাজার ৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

          এখন পর্যন্ত সর্বমোট ২৫ লাখ ৯ হাজার ১৪২টি পিপিই সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে মোট বিতরণ করা হয়েছে ২২ লাখ ৩ হাজার ৭৫টি এবং মজুত আছে ৩ লাখ ৬ হাজার ৬৭টি।

          সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ৬২৯টি প্রতিষ্ঠান এবং এর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের সেবা প্রদান করা যাবে ৩১ হাজার ৯৯১ জনকে।

#

তাসমীন/ফারহানা/সঞ্জীব/ জয়নুল/২০২০/১৭৫০ঘন্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                         নম্বর :  ২০৪৩

 

স্ক্রলে প্রচারের জন্য

সকল ইলেকট্রনিক মিডিয়া

 

ঢাকা, ২২ জ্যৈষ্ঠ (৫ জুন) :

 

          সকল ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় নিম্নোক্ত বিষয়টি স্ক্রলে প্রচারের জন্য অনুরোধ করা হলো :

 

মূল বার্তা :   

 

        ই-নামজারি বাস্তবায়নের জন্য ইউনাইটেড নেশনস পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড-২০২০পেয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

#

নাহিয়ান/ফারহানা/সঞ্জীব/সেলিম/২০২০/১৭০০ ঘণ্টা  

Handout                                                                                                           Number : 2042

Prime Minister’s message on the  occasion of 23rd BIMSTEC Day-2020

Dhaka, 5 June 2020 :        

            Prime Minister Sheikh Hasina has given the following message on the occasion of the of 23rd BIMSTEC Day 2020 :

            "On behalf of the Government and the people of Bangladesh and my behalf, I am delighted to extend the warmest felicitations to the Government and the people of the Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation (BIMSTEC) Member States on the joyous occasion of 23rd BIMSTEC Day 2020. I also extend my special greetings to the Secretary-General of BIMSTEC and the officials of the BIMSTEC Secretariat.

            I am pleased to observe that BIMSTEC has come a long way in its commitment to harness shared and accelerated growth through intimate cooperation in different areas of common interests. I firmly believe that BIMSTEC will advance in accelerated pace towards making a peaceful, prosperous and sustainable Bay of Bengal Region as we agreed in the 4th BIMSTEC Summit along with the BIMSTEC Leaders.

            The COVID-19 pandemic posed the world a serious challenge. It will leave long-lasting multiple impacts on the lives and living of people of this region causing repercussions in the economic and socials progress. BIMSTEC forum provides an excellent platform to combat the devastating impact of COVID-19. We should not leave any stone unturned to utilize this platform in addressing the challenges of the post- COVID-19 era.

            We are also celebrating the Birth Centenary of the Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman who for the first time had dreamt of working together with the neighbors in the region for collective progress. Regional cooperation has since been a part of our constitution and foreign policy priorities. As a founding member of BIMSTEC and host of BIMSTEC Secretariat and in the spirit of pursuing regional cooperation, Bangladesh is committed to closely work with all BIMSTEC Members on all areas of cooperation including the promotion of trade and investment cooperation, strengthening energy cooperation, increasing connectivity and people-to-people contact, disaster management and public health, combating terrorism and extremism, dealing with the adverse effects of climate change and poverty alleviation.

            On this very auspicious occasion, I wish BIMSTEC all the success in its future endeavors. Let us all work together with the noble mission to transform BIMSTEC into a strong, effective, result-oriented and mutually beneficial organization for the 1.5 billion people of the BIMSTEC region.

Joi Bangla, Joi Bangabandhu

May Bangladesh Live Forever."

#

Sarwer/Mamun/Rezzakul/Shamim/2020/1255 hours

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ২০৪১

করোনা মোকাবিলা

   ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রেখেছে সরকার

ঢাকা, ২২ জ্যৈষ্ঠ (৫ জুন) :

          করোনা ভাইরাসের দুর্যোগে দেশের সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রেখেছে সরকার। এ পর্যন্ত সারাদেশে প্রায় দেড় কোটি পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছে সরকার।

          ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী গতকাল পর্যন্ত সারাদেশে চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে  ২ লাখ ১ হাজার ৪ শত ১৭ মেট্রিক টন। বিতরণ করা হয়েছে এক লাখ ৬৩ হাজার ১৭ মেট্রিক টন। এতে উপকারভোগী পরিবার সংখ্যা ১ কোটি  ৪৪ লাখ ৫১ হাজার ৫৮১ টি ।

          নগদ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১১৬ কোটিরও বেশি টাকা। বিতরণ করা হয়েছে ৭৬ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। এতে উপকারভোগী লোক সংখ্যা ৩ কোটি ৮৫ লাখ ৯০ হাজার ৪৪৩ জন ।

          শিশু খাদ্য সহায়ক হিসেবে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ২৩ কোটি ৯৪ লাখ টাকা এবং এ পযর্ন্ত বিতরণ করা হয়েছে ২০ কোটি ২৯ লাখ ৭৬ হাজার ৪০৮ টাকা । এতে উপকারভোগী পরিবার সংখ্যা ৬ লাখ ৪৭ হাজার ৫৩৭ টি এবং লোক সংখ্যা ১৩ লাখ ৫৬ হাজার ১৯৮ জন ।  

#

সেলিম/মামুন/রেজ্জাকুল/শামীম/২০২০/১২১৮ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                               নম্বর :  ২০৪০

জাতিসংঘের পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড ২০২০ জয় করল বাংলাদেশ ভূমি মন্ত্রণালয়

নিউইয়র্ক, জুন, ২০২০:

মর্যাদাপূর্ণ ‌"ইউনাইটেড ন্যাশন্স পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড-২০২০" জয় করল বাংলাদেশ ভূমি মন্ত্রণালয়। জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমাকে একটি চিঠির মাধ্যমে এ পুরস্কারের কথা জানায় জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ক বিভাগের (ডেসা) আন্ডার সেক্রেটারি-জেনারেল লিউ ঝেনমিন (Liu Zhenmin)। ‘ই-মিউটেশন’উদ্যোগ বাস্তবায়নের স্বীকৃতি স্বরূপ "স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিকাশ" ক্যাটেগরিতে এই অ্যাওয়ার্ড অর্জন করল ভূমি মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধিকে লেখা চিঠিতে জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল উল্লেখ করেন, "জনস্বার্থে সেবার ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়টির অসামান্য অর্জন শ্রেষ্ঠত্বের দাবীদার। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, ভূমি মন্ত্রণালয়ের এই উদ্যোগ আপনার দেশে জনপ্রশাসনের উন্নয়নে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রেখেছে। প্রকৃতপক্ষে, এই কাজ জনসেবায় ব্রতী হতে অন্যান্যদেরকে অনুপ্রেরণা ও উৎসাহ জোগাবে"।

পুরস্কার জয়ের এই চিঠি পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বলেন, "আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের এ ধরনের সাফল্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’বিনির্মাণের দূরদর্শী উদ্যোগেরই ফসল"। অসামান্য এই অর্জনের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়কে অভিনন্দন জানান বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি।

স্থানীয়, জাতীয় ও বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের জন্য প্রদত্ত সেবার গুণগত মান ও উৎকর্ষ উদযাপনের উদ্দেশ্যে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ রেজুলেশন ৫৭/২৭৭ এর মাধ্যমে ২৩ জুনকে ‘জাতিসংঘ পাবলিক সার্ভিস দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে। প্রতিবছর ২৩ জুন, যথাযোগ্য আনুষ্ঠানিকতার সাথে জাতিসংঘ দিবসটি উদযাপন করে। এসময় বিশ্বজুড়ে সরকারি সেক্টরে গৃহীত সর্বোত্তম উদ্ভাবনী উদ্যোগসমূহকে পুরস্কারের মাধ্যমে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

          বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ এর প্রাদূর্ভাবের প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘ এবারের পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড বিতরণ অনুষ্ঠান স্থগিত করেছে। তবে জাতিসংঘ এর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্নমূখী প্রচার কার্যক্রমের মাধ্যমে এই পুরস্কার বিজয়ের বিষয়টি তুলে ধরার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

#

মামুন/রেজ্জাকুল/কানাই/২০২০/১১.১০ ঘণ্টা

 

 

2020-06-05-20-48-9faa8500046c0ff002fd1c2505356b55.docx 2020-06-05-20-48-9faa8500046c0ff002fd1c2505356b55.docx

Share with :

Facebook Facebook