তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৫ জুন ২০২০

তথ্যবিবরণী ২৫ জুন ২০২০

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ২২৮৬

জিডিপি’র প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখতে ব্লু-ইকোনমি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে

                                                                        -- পরিকল্পনা মন্ত্রী

ঢাকা, ১১ আষাঢ় (২৫ জুন) :

          পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, জিডিপি’র প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখতে ব্লু-ইকোনমি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে ।

          মন্ত্রী আজ ঢাকায় সমুদ্র অর্থনীতি নিয়ে বাজেট পরবর্তী এক অনলাইন আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। ‘সেভ আওয়ার সি’ নামীয় একটি সংগঠন এই আলোচনার আয়োজন করে।

          অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শেরে-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিসারিজ ফ্যাকাল্টির ডিন প্রফেসর ড. কাজী আহসান হাবিব। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আয়োজক সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ আনোয়ারুল হক।

          মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সম্পদের সম্ভাবনাময় দেশ। আর সম্ভাবনার সব থেকে বড় ক্ষেত্র সাগর। তবে সাগরকে বারবরই কম গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, স্থলকে বেশি গুরুত্ব হয়েছে।

          ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি না থাকার কারণে বিশাল সমুদসীমা জয়ের পরও ব্লু-ইকোনমির সুফল বাংলাদেশ পাচ্ছে না বলে তিনি মনে করেন। তিনি সাগরের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

          কক্সবাজার উন্নয়ন কতৃপক্ষের চেয়ারম্যান লে. কর্নেল (অব.) ফোরকান আহমেদের সভাপতিত্বে অনলাইন আলোচনায় আরো বক্তব্য রাখেন সেভ আওয়ার সি’র প্রধান বিজ্ঞানী ড. আনিসুজ্জামান খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ড. মোজাদ্দেদী আলফেসানী, সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো জাকারিয়া, গ্রিক টেক ফাউন্ডেশনের সিইও মো লুৎফর রহমান, বাংলাদেশ মালয়েশিয়া চেম্বার অভ্‌ কমার্সের সাবেক সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন এবং কেপিসি পেপার কাপ ইন্ডাস্ট্রির চেয়ারম্যান কাজী সাজেদুর রহমান।

#

শাহেদ/ফারহানা/রফিকুল/রেজাউল/২০২০/২১২২ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ২২৮৫

রেমিটেন্স যোদ্ধাদের দুর্দশা লাঘবে বৈদেশিক মিশন প্রধানদের সচেষ্ট থাকতে হবে

                                                               -- পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা, ১১ আষাঢ় (২৫ জুন) :

          বর্তমান করোনা মহামারিকে একটি বড় যুদ্ধ পরিস্থিতি উল্লেখ করে মধ্যপ্রাচ্য-সহ এ সময়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের প্রবাসী শ্রমিকদের দুর্দশা লাঘবে সচেষ্ট থাকার জন্য বাংলাদেশের সকল বৈদেশিক মিশনপ্রধানদের প্রতি আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

          মন্ত্রী আজ মধ্যপ্রাচ্যের ৯টি দেশের রাষ্ট্রদূত ও মিশন প্রধানদের সাথে ভিডিও কনফারেন্সে এ আহ্বান জানান।

          এ সময় ড. মোমেন প্রবাসী শ্রমিকদের রেমিটেন্স-যোদ্ধা উল্লেখ করে তাদের কেউ যেন না খেয়ে থাকে সেটা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রদূতগণকে সচেষ্ট থাকতে নির্দেশনা দেন। মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের কৃষি শ্রমিকরা অত্যন্ত দক্ষ। তিনি বাংলাদেশের শ্রমিকদের জন্য কৃষি উৎপাদন, মৎস্য চাষসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিকল্প শ্রমবাজার অনুসন্ধানে রাষ্ট্রদূতগণকে সক্রিয় থাকতে নির্দেশনা প্রদান করেন। করোনা পরবর্তী পৃথিবীর খাদ্য চাহিদা পুরণে মধ্যপ্রাচ্যেসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কৃষিকাজে বাংলাদেশের শ্রমিকরা অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দিতে পারবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

          মন্ত্রী বলেন, প্রবাসী শ্রমিকরা বিভিন্ন দেশের উন্নয়নে সরাসরি ভূমিকা রাখে। কেউ যেন হঠাৎ চাকুরিচ্যুত না হয় এবং চাকুরিচ্যুত হলে যেন ৬ মাসের বেতন ও অন্যান্য ভাতা পায় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দেশের সাথে রাষ্ট্রদূতগণকে যোগাযোগ অব্যাহত রাখতে অনুরোধ করেন। তিনি সকল বৈদেশিক মিশনকে আরো আন্তরিকতার সাথে কনস্যুলার সেবা প্রদান করার আহ্বান জানান।

          কাতার, কুয়েত, সৌদিআরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, লেবানন, ওমান, ইরাক এবং  জর্ডানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও মিশনপ্রধানগণ এ ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন।

          ভিডিও কনফারেন্সে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো: শাহরিয়ার আলম এবং পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন সংযুক্ত ছিলেন।

#

তৌহিদুল/ফারহানা/রফিকুল/রেজাউল/২০২০/২০৩২ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ২২৮৪

নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও গ্রিণ এনার্জি আগামী দিনের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে

                                                                   -- বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১১ আষাঢ় (২৫ জুন) :

          বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও গ্রিণ এনার্জি আগামী দিনের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে সরকার সহযোগিতা করছে। কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি হওয়ায় বাংলাদেশে বড় আকারের সোলার বিদ্যুৎ কেন্দ্র সেভাবে না করা গেলেও ছাদে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র বা ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে আগানো যেতে পারে। ২০১৮সালে সরকার নেট মিটারিং নির্দেশিকা  অনুমোদন করেছে। বায়ু ও বর্জ্য নিয়েও বিদ্যুৎ বিভাগ কাজ করছে।

          প্রতিমন্ত্রী  আজ ইনস্টিটিউট অভ্‌ এনার্জি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং গ্রিণটেক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, সোলার এনার্জি সোসাইটি এর যৌথ উদ্যোগে ‘২০তম জাতীয় নবায়ন যোগ্য শক্তি শীর্ষক’ ভার্চুয়াল সম্মেলনের সমাপনী প্রধান অতিথি হিসেবে সম্পৃক্ত হয়ে এসব কথা বলেন।

          ইলেকট্রিক ভিহেক্যালের ব্যবহার বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, জ্বালানি হিসেবে তেল ইঞ্জিনের চেয়ে ইলেকট্রিক ইঞ্জিনের দক্ষতা অনেক বেশি। তাই ইলেকট্রিক ভিহেক্যাল ব্যবহার করা লাভজনক।

          ভার্চুয়াল এই সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আখতারউজ্জামানের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মাঝে সংযুক্ত ছিলেন সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক, গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ কে এম সাইফুল মজিদ, ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টাস, বাংলাদেশ- এর চেয়ারম্যান অরুণ কর্মকার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শক্তি ইনস্টিটিউটের পরিচালক প্রফেসর ড. সাইফুল হক, গ্রিণটেক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর নির্বাহী পরিচালক মো. লুৎফর রহমান।

#

আসলাম/ফারহানা/রফিকুল/রেজাউল/২০২০/১৯৪০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ২২৮৩

করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ননএমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য ৪৬ কোটি টাকার বিশেষ অনুদান

ঢাকা, ১১ আষাঢ় (২৫ জুন) :

          বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ননএমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছেচল্লিশ কোটি তেষট্টি লাখ ত্রিশ হাজার টাকার বিশেষ অনুদান প্রদান করেছেন।

          দেশের এই ক্লান্তিলগ্নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় করোনা ভাইরাসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৪ জেলার ৮ হাজার ৪৯২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) ননএমপিও ৮০ হাজার ৭৪৭ জন শিক্ষকের প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা হারে এবং ২৫ হাজার ৩৮ জন ননএমপিও কর্মচারীর প্রত্যেককে ২ হাজার ৫শ’ টাকা হারে মোট ১ লাখ ৫ হাজার ৭৮৫ জন শিক্ষক-কর্মচারীর জন্য ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে শিক্ষা বান্ধব প্রধানমন্ত্রী তাঁর “বিশেষ অনুদান” এর খাত হতে ৪৬ কোটি ৬৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা ৬৪ জন জেলা প্রশাসকের অনুকূলে বরাদ্দ প্রদান করেছেন।

          শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের তালিকাভুক্ত EIIN ধারী ননএমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিশাল সংখ্যক শিক্ষক-কর্মচারীদের হালনাগাদ তথ্যাদি ইতিপূর্বে সংগ্রহ করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয় এবং স্থানীয় প্রাশাসনের মাধ্যমে নামের তালিকা যাচাই-বাছাই করা হয়। সেই তালিকার ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রীর “বিশেষ অনুদান” খাত হতে প্রাপ্ত অর্থ জেলা প্রশাসকগণ সংশ্লিষ্ট ননএমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের অনুকূলে চেক/ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে চলতি মাসের মধ্যে বিতরণ করবেন।

          উল্লেখ্য করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে শিক্ষার্থী, শিক্ষক-কর্মচারী এবং সর্বসাধারণের স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের সাথে সাথে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক গত ১৬মার্চ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও “শিক্ষা নিয়ে গড়বো দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ” শ্লোগানকে ধারণ করে এই দুর্যোগকালীন পরিস্থিতিতে ও  শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক “সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন” এর মাধ্যমে “আমার ঘরে, আমার স্কুল” প্রোগ্রাম চালু করে পাঠদান অব্যাহত রাখা হয়েছে। এছাড়া, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণ ডিজিটাল তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজ নিজ এলাকায় শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

#

খায়ের/ফারহানা/রফিকুল/রেজাউল/২০২০/১৯৭২ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                            নম্বর : ২২৮২

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ খাদ্যমন্ত্রীর

ঢাকা, ১১ আষাঢ় (২৫ জুন) :

            খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

            আজ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির সভায় অনলাইন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেন মন্ত্রী।

            প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত দেশের প্রতিটি বিভাগে একটি করে ল্যাবরেটরি স্থাপন করার কথা তুলে ধরে খাদ্যমন্ত্রী এর সর্বশেষ অবস্থা জানতে চান। ইতিমধ্যেই পাঁচটি বিভাগে পাঁচটি ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠার একতলার কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জানান। এছাড়া সভায় সারাদেশে ২০০টি প্যাডি সাইলো নির্মাণের জন্য প্রাথমিকভাবে ত্রিশটি প্যাডি সাইলো নির্মাণের কাজ দ্রুততম সময়ের মধ্যে শুরু করার জন্য খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

            সভায় উপস্থিত খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক বলেন, Covid-19 এর কারণে কাজের গতি কিছুটা কমেছে। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

            বিভিন্ন প্রকল্পের চলমান সার্বিক কার্যক্রমে গতি আনতে তিনি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, জাতীয় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য Action Plan থাকা দরকার। একটা স্ট্রাটেজিক প্ল্যান এবং রোডম্যাপ থাকা দরকার। কোন কাজ কখন, কোন সময়ের মধ্যে করতে হবে তা সুস্পষ্টভাবে থাকতে হবে। 

            মন্ত্রী প্রকল্প পরিচালকদের পাশাপাশি খাদ্য অধিদপ্তরের আরসি ফুড, ডিসি ফুডদেরও খাদ্য অধিদপ্তরের আওতাধীন প্রতিটি প্রকল্পের কাজ মনিটরিং করার জন্য নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, DPP অনুসারে কাজগুলো হচ্ছে কিনা সেদিকে প্রকল্প পরিচালকদের পাশাপাশি খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদেরও লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে কাজের কোয়ালিটি ভালো হয়।

            এর আগে অনুষ্ঠিত মাসিক সমন্বয় সভায় মন্ত্রী বলেন, FPMU এর মিটিংএ ৮ লাখ মেট্রিক টন ধান কেনার ত্বরিৎ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল বিধায় কৃষক তার ধানের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে। তিনি চালকল মালিকদের চুক্তি মোতাবেক সঠিক সময়ের মধ্যে সরকারি খাদ্যগুদামে চাল দেওয়র আহ্বান জানান। সরকারিভাবে চালের মূল্য বৃদ্ধি করা কোনোভাবেই হবে না জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এ সময় যারা সরকারকে সহযোগিতা করবে ভবিষ্যতে চালের সরকারি মূল্য যখন বেশি থাকবে; তখন এ সমস্ত মিল মালিকদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

#

সুমন/ফারহানা/রফিকুল/রেজাউল/২০২০/১৮৫৮ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ২২৮১

বিদ্যুৎ বিভাগের মে পর্যন্ত এডিপি বাস্তবায়ন শতকরা ৭২ দশমিক ৩৬

বিল নিয়ে গ্রাহক ভোগান্তির সাথে জড়িতদের বিষয়ে ব্যবস্থা নিবে বিদ্যুৎ বিভাগ

ঢাকা, ১১ আষাঢ় (২৫ জুন) :

          বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের সভাপতিত্বে আজ ঝোম ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিভাগ ও এর আওতাধীন দপ্তর ও কোম্পানির  বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও অগ্রগতির মে মাসের সভা অনুষ্ঠিত হয়।

          বিদ্যুৎ বিভাগ ২০১৯-২০ অর্থবছরে বিনিয়োগ বা জিওবি খাতে ৮৭টি, প্রকল্প সহযোগিতা খাতে ১১টি ও নিজস্ব অর্থায়নে ৬টি-সহ মোট ১০৪টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। মে পর্যন্ত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে অর্থিক শতকরা ৭২ দশমিক ৩৬ ও ভৌত শতকরা ৭০ দশমিক ৬১ অগ্রগতি হয়েছে । যা জুন ২০২০ এর মধ্যে শতকরা ৯০ এর আধিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

          সভায় আলোচনাকালে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল প্রদানের বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, আগামী ৭ দিনের ভিতর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল প্রদানের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ বিভাগ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিবে। কোন অবস্থায় অতিরিক্ত বিল গ্রহণ করা যাবে না। একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। সভায় বিতিরণ কোম্পানিগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকগণ দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল প্রদান সংক্রান্ত বিষয়টি নিয়ে সংস্থাগুলো পৃথক পৃথক ভাবে গণমাধ্যমের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে ব্যাখ্যা করবেন।

          বিদ্যু প্রতিমন্ত্রী সভায় মানব সম্পদ উন্নয়ন, সোলার বিদ্যুৎ প্রকল্প, পিডিবির বিদ্যুৎ হাব, স্মার্ট মিটারসহ প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে পেপারলেস অফিস করার ওপর গুরুত্ব দেন।

          বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও অগ্রগতি  সম্পর্কিত ভার্চুয়াল এই সভায় অন্যায়ের মাঝে বিদ্যুৎ সচিব ডঃ সুলতান আহমেদ, পিডিবির চেয়ারম্যান মোঃ বেলায়েত হোসেন, আরইবির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন (অব.), পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেন এবং দপ্তর ও কোম্পানিসমূহের ব্যবস্থাপনা পরিচালকগণ উপস্থিত ছিলেন।

#

আসলাম/ফারহানা/রফিকুল/রেজাউল/২০২০/১৮০৪ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ২২৮০

স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনেই এবছর বসবে পশুর হাট

                                   -- স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

ঢাকা, ১১ আষাঢ় (২৫ জুন) :

          স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনেই এবছর পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সকল পশুর হাট বসবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম। এছাড়া, নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানি এবং দ্রুততম সময়ে বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করতেও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

          মন্ত্রী আজ পবিত্র ঈদুল আজহা-২০২০ উপলক্ষে পশুর হাট ব্যবস্থাপনা, নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানি এবং দ্রুত বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিতকল্পে প্রস্তুতি পর্যালোচনা নিয়ে মন্ত্রণালয়ের নিজ কক্ষে এক অনলাইন সভায় এসব কথা বলেন।

          সভায় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম ও ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নুর তাপস-সহ দেশের সকল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা অংশ নেন।

          মন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারির এই দুর্যোগে রাজধানী-সহ দেশের সকল পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি মেনে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নির্দিষ্ট স্থানে পশুর হাট বসানো হবে। করোনা সংকটে ভীড় এড়াতে পবিত্র ঈদুল আজহার এক-দুই দিন পূর্বে পশু ক্রয়ের পরিবর্তে সময় হাতে রেখে পশু ক্রয় করার জন্য সবাইকে পরামর্শ দেন তিনি।

          তাজুল ইসলাম বলেন, পশুরহাটে প্রবেশকারী সকলকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সুশৃংখলভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে প্রবেশ ও বের হওয়া নিয়ন্ত্রণ এবং পশু কেনা-বেচা করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রতিটি পশুর হাটে আগত ক্রেতা-বিক্রেতাদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি হাত ধোঁয়ার ব্যবস্থা থাকবে, জীবাণুনাশক স্প্রে করা হবে বলেও জানান তিনি।

          মন্ত্রী বলেন, ঈদের দিন পশু কুরবানি করার পরে অতীতের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পশুর বর্জ্য অপসারণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি বলেন, পশুর হাটগুলোতে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যেকোনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মাঠে প্রস্তুত থাকবে।

          এবছর যেহেতু ভিন্ন এক প্রেক্ষাপটে পশুর হাট এবং ঈদ উদ্‌যাপন করতে হচ্ছে তাই মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে টেলিভিশন, রেডিও-সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচার প্রচারণা চালানো হবে।

#

হায়দার/ফারহানা/রফিকুল/রেজাউল/২০২০/১৮০০ ঘণ্টা

তথ্যববিরণী                                                                                                      নম্বর: ২২৭৯
 
স্বাস্থ্যবিধি মেনে উন্নয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে হবে
                     -- সমবায় প্রতিমন্ত্রী
 
ঢাকা, ১১ আষাঢ় (২৫ জুন):
 
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য বলেছেন, করোনা পরিস্থিতির এই জাতীয় সংকটকালে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে উন্নয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে হবে। উন্নয়ন কার্যক্রমের গতি ও ঋণ আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অব্যাহত রেখে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের পদক্ষেপ নিতে হবে। 
 
প্রতিমন্ত্রী আজ পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সম্মলেন কক্ষে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন দপÍর ও সংস্থার প্রধান এবং প্রকল্প পরিচালকগের সাথে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত প্রকল্পসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।  
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক করোনা মহামারির কারণে সারা পৃথিবীতেই এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে। বাংলাদেশও এ বিপর্যয়ের বাইরে নয়। বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে। 
অনলাইন সভায় প্রকল্প পরচিালকগণ নজি নজি  প্রকল্পরে বাস্তবায়ন  অগ্রগতি তুলে ধরনে।  একই সাথে পরিবর্তিত পরস্থিতিতিে প্রকল্প বাস্তবায়নে চ্যালঞ্জেসমূহের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে  প্রতমিন্ত্রী প্রয়োজনীয় দকি নর্দিশেনা  প্রদান করনে।
ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় অংশগ্রহণ করেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের  সচিব মো. রেজাউল আহসান-সহ বিভিন্ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
 
#
 
আহসান/ফারহানা/রফিকুল/রেজাউল/২০২০/১৭৩০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ২২৭৮

কোভিড-১৯ (করোনা ভাইরাস) সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন

ঢাকা, ১১ আষাঢ় (২৫ জুন) :

          ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স কো-অর্ডিনেশন সেন্টার (এনডিআরসিসি) থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ৬৪ জেলায় ইতোমধ্যে ২ লাখ ১১ হাজার ১৭ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়া শিশু খাদ্য-সহ অন্যান্য সামগ্রী ক্রয়ের জন্য ১২২ কোটি ৯৭ লাখ ৭২ হাজার ২৬৪ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বরাদ্দকৃত এ সাহায্য দেশের সকল জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বিতরণ করা হচ্ছে ।

 ‌         স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)-এর তথ্যানুযায়ী আজ দেশে নতুন করে আরো ৩ হাজার ৯৪৬ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এ নিয়ে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২৬ হাজার ৬০৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৯ জন-সহ এ পর্যন্ত ১ হাজার ৬২১ জন এ রোগে মৃত্যুবরণ করেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ হাজার ৯৯৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৫১ হাজার ৪৯৫ জন ।

          এখন পর্যন্ত সর্বমোট ২৫ লাখ ২৮ হাজার ২৪৫টি পিপিই সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে মোট বিতরণ করা হয়েছে ২৩ লাখ  ৬২ হাজার ৮১৪টি এবং মজুত আছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৪৩১টি।

          সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ৬২৯টি প্রতিষ্ঠান এবং এর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের সেবা প্রদান করা যাবে ৩১ হাজার ৯৯১ জনকে।

#

তাসমীন/ফারহানা/রফিকুল/রেজাউল/২০২০/১৭২৫ ঘন্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                    নম্বর: ২২৭৭

ওয়েব সিরিজ নিয়ে গ্রামীণফোন ও রবি’র কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়

ঢাকা, ১১ আষাঢ় (২৫ জুন):

          গ্রামীণফোন ও রবি’র প্ল্যাটফর্ম এবং নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সম্প্রতি ওয়েব সিরিজের নামে সেন্সরবিহীন কুরুচিপূর্ণ ভিডিও কন্টেন্ট ওয়েবে আপলোড ও প্রচারের বিষয়ে মোবাইল কোম্পানি দু’টির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়। 

          গতকাল তথ্য অধিদফতর থেকে কোম্পানি দু’টির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর পৃথক পত্র জারি করা হয়। পত্র দু’টিতে বলা হয়-

          ‘আপনার প্ল্যাটফর্ম এবং নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সম্প্রতি ওয়েব সিরিজের নামে সেন্সরবিহীন নগ্ন, অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ দৃশ্য, কাহিনী ও সংলাপ সংবলিত ভিডিও কন্টেন্ট ওয়েবে আপলোড করে প্রচার করা হয়েছে বলে জানা গেছে, বিষয়টি সরকারের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। বিষয়টি সম্পর্কে দেশের গণমাধ্যম অত্যন্ত নেতিবাচকভাবে প্রচার করেছে এবং সমাজে এর ব্যাপক বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এ ধরনের ভিডিও কন্টেন্ট আপনার প্ল্যাটফর্ম এবং নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ওয়েবে আপলোড এবং প্রচার করার জন্য আপনার প্রতিষ্ঠান সরকারের কোন রেজিস্ট্রেশন বা লাইসেন্স প্রাপ্ত কিনা এবং থাকলে তা কি -তা সরকারের জানা প্রয়োজন।’ 

          চিঠিতে ওয়েব সিরিজের নামে সেন্সরবিহীন অশালীন ভিডিও কন্টেন্ট আপলোড ও প্রচার করা দেশের প্রচলিত আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন ও সামাজিক মূল্যবোধের পরিপন্থী জানিয়ে বলা হয়-

          ‘এ ধরণের সেন্সরবিহীন, নগ্ন ও অশালীন দৃশ্য, কাহিনী ও সংলাপ সংবলিত ভিডিও কন্টেন্ট প্রচার দেশের প্রচলিত আইন যেমন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) আইন, ২০১০ এর ৬৯ ধারা, পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২ এর ৪ ও ৮ ধারা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর পেনাল কোড, ১৮৬০ এর সম্পূর্ণ পরিপন্থী। এ ধরণের ভিডিও কন্টেন্ট প্রচার আমাদের সমাজের প্রচলিত মূল্যবোধের পরিপন্থী। আপনার প্রতিষ্ঠানের মতো বৃহৎ একটি প্রতিষ্ঠানের নিকট এ ধরনের কার্যকলাপ মোটেই কাম্য নয়।’

          উল্লিখিত ধরনের ভিডিও কন্টেন্ট আপলোড ও প্রচারে প্রতিষ্ঠান দু’টির সরকারি কোনো রেজিস্ট্রেশন বা লাইসেন্স থাকলে তার বিবরণ-সহ আগামী সাত দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য চিঠিতে বলা হয়েছে।

#

আকরাম/ফারহানা/রফিকুল/রেজাউল/২০২০/১৭১৮ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                        নম্বর: ২২৭৬

শ্রম মন্ত্রণালয়ের শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন তিনজন

ঢাকা, ১১ আষাঢ় ( ২৫ জুন):

 

          শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এবছরের শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন তিন জন কর্মকর্তা-কর্মচারী । ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে দাপ্তরিক কাজে পেশাগত দক্ষতাসহ শুদ্ধাচার চর্চা বিষয়ক বিভিন্ন সূচকে সন্তোষজনক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

          শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মনোয়ারা বেগম স্বাক্ষরিত  এক পত্রের মাধ্যমে পুরস্কার প্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়। পুরস্কার হিসেবে নির্বাচিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে সনদ ও এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ প্রদান করা হবে।

          পুরস্কার প্রাপ্তগণ হলেন, দপ্তর বা সংস্থা প্রধান পর্যায়ে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক শিবনাথ রায়, মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব বেগম শাকিলা জেরিন আহমেদ এবং অফিস সহায়ক মোঃ ফেরদৌস জামান।

          সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শুদ্ধাচার চর্চায় উৎসাহ দেওয়ার লক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ‘শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান নীতিমালা,২০১৭’ প্রণয়ন করে। নীতিমালার ৪ ধারা অনুযায়ী ১১টি ক্ষেত্র ও ১৯টি সূচক বিবেচনায় নিয়ে শুদ্ধাচার পুরস্কার দেওয়ার জন্য এ তিন জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নির্বাচন করা হয়।  

#

আকতারুল/পরীক্ষিৎ/কুতুব/২০২০/১৬২৫ ঘণ্টা  তথ্যববরিণী                                                                                                         নম্বর: ২২৭৫
 
অপ্রচলতি ফসলরে প্রক্রয়ািজাতে সব সহযোগতাি দওয়ো হবে 
                                                   -কৃষমন্ত্রিী
 
ঢাকা, ১১ আষাঢ় (২৫ জুন):
 
কাজু বাদাম,কফ,ি ড্রাগন ফলসহ অপ্রচলতি ফসলরে চাষাবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধি এবং প্রক্রয়ািজাতে সব ধরনরে সহযোগতাি প্রদান করা হবে বলে জানয়ছিনেে কৃষমন্ত্রিী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক। আজ তাঁর সরকারি বাসভবন থকেে অনলাইনে উপজলোর্ পযায়ে কৃষির্ কাযক্রম জোরদার করার লক্ষ্যে উপজলো কৃষি অফসািরদরে অনুকূলে গাড়ি বতরিণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতথরিি বক্তৃতায় তনিি এ কথা বলন।ে 
 
            কৃষমন্ত্রিী বলন,ের্ পাবত্য চট্টগ্রাম ও উত্তরাঞ্চলরে অনকে জলোতে কাজু বাদাম,কফি প্রভৃতি চাষ সম্ভব। র্আন্তজাতকি বাজারে এগুলোর চাহদাি অনকে বশ,েি দামও বশ।েি সজন্যে এসব ফসলরে চাষাবাদ ও প্রক্রয়ািজাত বাড়াতে হব।ে তনিি আরও বলন,ে চাষাবাদরে জমি বাড়ানোর সুযোগ খুব একটা নই,ে বরং জমি দনি দনি কমে যাচ্ছ।ে সজন্যে একই জমতেি বার বার ফসল উৎপাদন করতে হব,ে ফসলরে নবড়িতিা বাড়াতে হবে এবং ফসলে বচত্র্যৈি আনতে হব।ে 
 
কৃষমন্ত্রিী বলন,ে প্রধানমন্ত্রী কৃষকেি বাণজ্যকিীিকরণ ও যান্ত্রকীিকরণে অত্যন্ত গুরুত্ব দচ্ছনি।ে কৃষখািতে এ সরকাররে মূল লক্ষ্য হলো খোরপোশরে কৃষকেি বাণজ্যকিীিকরণ ও লাভজনক করা। কৃষকািজ করে কৃষকরো যাতে লাভবান হতে পার,ে নজদিরেে জীবনে গুণগত পর্রবতিন আনতে পারে এবং ভবষ্যতি প্রজন্মকে উন্নত ও সমৃদ্ধ জীবন উপহার দতেি পারে সে লক্ষ্যে সকলর্ কর্মকতার্-কমচারকেি নষ্ঠাির সাথে কাজ করার জন্য মন্ত্রী আহ্বান জানান।
 
উল্লখ্য,ে ‘উপজলোর্ পযায়ে প্রযুক্তি হস্তান্তররে মাধ্যমে কৃষক প্রশক্ষণি (৩য়র্ পযায়) প্রকল্পর’ে মাধ্যমের্ বতমানর্ অথ বছরে প
2020-06-25-21-24-85f6198b2129918d1657d77a5a7b7851.docx 2020-06-25-21-24-85f6198b2129918d1657d77a5a7b7851.docx

Share with :

Facebook Facebook