তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৫ জানুয়ারি ২০২০

তথ্যবিবরণী 5/1/2020

তথ্যবিবরণী                                                                                                  নম্বর : ৫০

জাতির পিতা ছিলেন কৃষকের বন্ধু

--- প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য

ঢাকা, ২১ পৌষ (৫ জানুয়ারি) :

            পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষকের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করেছেন। বঙ্গবন্ধু সবসময় বলতেন কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে।

            ঢাকার ফার্মগেটে কেআইবি মিলনায়তনে কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত তিন দিনব্যাপী জাতীয় সবজি মেলা ২০২০ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আজ পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ‘পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ সবজি’ এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে তিন দিনব্যাপী জাতীয় সবজি মেলার আজ ছিল সমাপনী দিন।

            প্রতিমন্ত্রী বলেন, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সাথে কৃষি মন্ত্রণালয়ের একটি যোগসূত্র রয়েছে। পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগও গ্রামের কৃষকদের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। পল্লী উন্নয়ন করতে হলে কৃষকদের উন্নয়ন করতে হবে। সরকার সেই আলোকে কৃষিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, কৃষিতে প্রযুক্তির ব্যবহার জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে হবে। সরকার কৃষির যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে নতুন নতুন প্রযুক্তি সাধারণ কৃষকদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। ফলে অল্প সময়ে অধিক চাষাবাদ করে কৃষক উপকৃত হচ্ছে।

            কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল মুঈদের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ নাসিরুজ্জামান।

#

আহসান/ফারহানা/মোশারফ/জয়নুল/২০২০/২০৩০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                                        নম্বর : ৪৯

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে

প্রবেশের জন্য দর্শকদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন শুরু

 

ঢাকা, ২১ পৌষ (৫ জানুয়ারি) :

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সর্বসাধারণের উপস্থিতির সুযোগ প্রদানের লক্ষ্যে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

আজ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি’র কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি’র সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর উপস্থিতিতে প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী গণমাধ্যমকে এ বিষয়ে বিস্তারিত অবহিত করেন।

প্রধান সমন্বয়ক উপস্থিত সাংবাদিকবৃন্দকে অবহিত করেন যে, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে এ ঐতিহাসিক মূহুর্তের অংশীদার হতে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। রেজিস্ট্রেশনের এই কার্যক্রম আগামীকাল ৬ জানুয়ারি বিকাল ৩টা হতে ৭ জানুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকবে। আসন সংখ্যা খালি থাকা সাপেক্ষে সফলভাবে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্নকারীগণ অনুষ্ঠানে প্রবেশের সুযোগ পাবেন। এ জন্য িি.িবাবহঃ.সঁলরন১০০.মড়া.নফ এই ওয়েবপেইজে সংযোজিত ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন ফরমে আবেদনকারীর নাম, জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা যথাযথভাবে পূরণ করে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। 

উল্লেখ্য, আগামী ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে তাঁর জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবেন।

#

নাসরীন/ফারহানা/রফিকুল/রেজাউল/২০২০/১৯৪৮ ঘণ্টা

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                                      নম্বর : ৪৮

 

সরকার নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে

                                                          --- মৎস্য প্রতিমন্ত্রী

 

ঢাকা, ২১ পৌষ (৫ জানুয়ারি) :

 

            মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মোঃ আশরাফ আলী খান খসরু বলেছেন, পোল্ট্রি শিল্প এবং প্রাণিসম্পদ খামারিদেরকে শুধু নিজেদের লাভ না দেখে দেশের ও জনগণের স্বার্থও দেখতে হবে এবং এ বিষয়ে সচেষ্ট থাকলে খাদ্যে মাত্রাতিরিক্ত এন্টিবায়োটিক ও অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদানের ব্যবহার কমে আসবে। এর ফলে নিরাপদ প্রাণিপুষ্টি ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত হবে।

 

            প্রতিমন্ত্রী আজ রাজধানীর ফার্মগেটে কেআইবি মিলনায়তনে বাংলাদেশ অ্যানিমেল নিউট্রিশন সোসাইটি (বিএএনএস) এর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

 

            প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার দেশের জনগণের জন্য নিরাপদ খাদ্য  নিশ্চিতকরণে সবধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে ক্ষতিকর এমবিএম ফিড আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং তা কঠোরভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, দেশ মাছ-মাংসে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও দুধ উৎপাদনে পিছিয়ে আছে। সেজন্য সবাই মিলে একসাথে কাজ করতে হবে যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া যায়।

 

            বাংলাদেশ অ্যানিমেল নিউট্রিশন সোসাইটি (বিএএনএস) আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ অ্যানিমেল নিউট্রিশন সোসাইটি (বিএএনএস) এর সভাপতি প্রফেসর মোঃ আলী আকবর।

 

#

কামরুল/ফারহানা/রফিকুল/জয়নুল/২০২০/১৮৩০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                                        নম্বর : ৪৭

 

সরকারি কর্মচারীদের জনকল্যাণে কাজ করতে হবে

                                 --- জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

 

ঢাকা, ২১ পৌষ (৫ জানুয়ারি) :

            জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সকল সরকারি কর্মচারীদের জনসাধারণের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সরকারি কর্মচারীদের মূল দায়িত্ব জনগণের সেবা করা। তাই, সরকারি কর্মচারীদের জনসাধারণের চাহিদা ভালোভাবে বুঝতে হবে এবং সে অনুযায়ী সমস্যাগুলো সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। দক্ষতা ও দ্রুততার সাথে সেবা প্রদান করে সরকারের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখার জন্য সরকারি কর্মচারীদের প্রতি তিনি এ আহ্বান জানান।

            আজ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমিতে ১১৬তম, ১১৭তম এবং ১১৮তম আইন ও প্রশাসন কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।

            প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, দেশের জনপ্রশাসনকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এজন্য জনপ্রশাসনে কর্মরতদের আরো দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিমন্ত্রী সরকারি কর্মকর্তাদের উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলার মত সক্ষম করে গড়ে তুলতে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমির ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি প্রশিক্ষণের সময় অর্জিত জ্ঞান সঠিকভাবে কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগের মাধ্যমে জনসেবা নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষণার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

            বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমির রেক্টর বদরুন নেছার সভাপতিত্বে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব শেখ ইউসুফ হারুন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন।

#

শিবলী/ফারহানা/রফিকুল/জয়নুল/২০২০/১৮০০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                        নম্বর : ৪৬

রংপুর বিভাগে শীত বস্ত্র ক্রয়ে ১ কোটি ১২ লাখ টাকা বরাদ্দ

                                                              --ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

রংপুর, ২১ পৌষ (৫ জানুয়ারি) :

 

           দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মোঃ এনামুর রহমান বলেছেন, বর্তমান অর্থবছরে এ পর্যন্ত সারা দেশে প্রায় ৩২ লাখ কম্বল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। শীত ও শৈত্যপ্রবাহ শুরু হবার পর থেকে শীতার্ত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য  শীতবস্ত্র (কম্বল) ক্রয়ের লক্ষ্যে রংপুর বিভাগের ৮টি জেলায় প্রতিটিতে ১০ লাখ করে ৮০ লাখ টাকা, শিশুদের শীতবস্ত্র ক্রয়ের জন্য ৩ লাখ করে ২৪ লাখ টাকা, শিশুখাদ্য ক্রয়ের জন্য ১ লাখ করে ৮ লাখ টাকা অর্থাৎ রংপুর বিভাগের ৮টি জেলায় মোট ১ কোটি ১২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ।

প্রতিমন্ত্রী গতকাল রংপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এসব কথা বলেন। এ সময় মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ শাহ কামাল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ মহসীন উপস্থিত ছিলেন ।

এছাড়াও এ বিভাগের ৮টি জেলায় প্রতিটিতে ২শ’ করে মোট ১৬শ’ শুকনো ও অন্যান্য খাবারের কার্টুন বরাদ্দ দেয়া হয়েছে । প্রতিটি কার্টুনে চাল, ডাল, তেল, চিনি, চিড়া, মুড়ি, মোমবাতি, নুডুলস্, লবণ, দিয়াশলাই ইত্যাদি উপকরণ রয়েছে । প্রতিটি কার্টুনে যে পরিমাণ খাবার সরবরাহ করা হয়েছে তাতে ৫ সদস্যের  ১টি পরিবার ৭দিন খেতে পারবে ।

          দু’দিনের সরকারি সফরে উত্তরবঙ্গের চারটি জেলা পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, রংপুর ও নীলফামারীতে স্থানীয় জেলা প্রশাসন আয়োজিত বিভিন্ন স্থানে প্রতিমন্ত্রী অসহায়, শীতার্ত ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে কম্বল, শিশুদের জন্য শীতবস্ত্র, শিশুখাদ্য এবং শুকনো খাবারের কার্টুন বিতরণ করেন।

এসব অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের একটি শীতার্ত মানুষকেও কষ্টে রাখা হবে না। সরকারের নিকট পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র ও শুকনো খাবার মজুত আছে। জেলা প্রশাসন ও এলাকার চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করা হবে।

#

সেলিম/ফারহানা/সঞ্জীব/রেজাউল/২০২০/১৮০০ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                               নম্বর : ৪৫

সরকারি হাসপাতালে বঙ্গবন্ধু কর্নার স্বাস্থ্য সহায়তা কেন্দ্র চালু করা হবে

              --স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ২১ পৌষ (৫ জানুয়ারি) :

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে স্মরণীয় করে রাখতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সকল হাসপাতালে স্বাস্থ্য ও তথ্য সহায়তা নিশ্চিত করতে আলাদা করে একটি বঙ্গবন্ধু কর্নার নামে ‘হেলপ সেন্টার’ চালু করা হবে। এর পাশাপাশি দেশের সকল সরকারি ক্লিনিক, হাসপাতালে প্রায় ২০ হাজার গাছও লাগানো হবে।’

আজ সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত কর্মপরিকল্পনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

সভায় প্রাথমিকভাবে প্রতিটি সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অন্তত একটি করে দীর্ঘজীবী গাছ রোপণ, পরিচ্ছন্ন হাসপাতাল কর্মসূচি গ্রহণ, প্রত্যেক হাসপতালে স্বাস্থ্য সহায়তার জন্য হেলপ ডেস্ক স্থাপন, ঢাকায় ৫টি বড় হাসপাতালে সমন্বিত জরুরি বিভাগ চালুকরণ এবং বিভাগীয় হাসপাতাল ও দেশের বৃহত্তর হাসপাতালগুলোর প্রতিটিতে কিডনি, ডায়ালাইসিস চালু করতে উদ্যোগের ব্যাপারে সভায় একাত্মতা ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি দেশের ৮টি বিভাগে শিশুদের জন্য বিনামূল্যে ইনস্যুলিন প্রদান করার ব্যাপারেও উদ্যোগ নেয়া হবে বলে সভায় জানানো হয়।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মোঃ আসাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ আলী নূর, অতিরিক্ত সচিব সুপ্রিয় কুমার কুন্ডু, মোঃ হাবিবুর রহমান খান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ এইচ এম  এনায়েত হোসেন-সহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।  

#

মাইদুল/ফারহানা/রফিকুল/রেজাউল/২০২০/১৭৫২ ঘণ্টা

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                                          নম্বর : ৪৪

রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্রের প্রধান পৃষ্ঠপোষক বিএনপি

                                                   -- তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ২১ পৌষ (৫ জানুয়ারি) :

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ বলেছেন, ‘বিএনপি হচ্ছে রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্রের প্রধান পৃষ্ঠপোষক। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবের দল বিএনপি। পরিবারতন্ত্রের মধ্যে বসে তিনি যে কথাটি বলেছেন, সেটি তার বেলায় প্রযোজ্য, তার দলের বেলায় প্রযোজ্য।’

আজ সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে বিএনপি নেতা মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাম্প্রতিক মন্তব্য- ‘আওয়ামী লীগে পরিবারতন্ত্র চলছে’ এর প্রতি সাংবাদিকবৃন্দ মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি একথা বলেন। 

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি প্রশ্ন রাখি, ইশরাক হোসেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে মনোনয়ন পেয়েছেন। তিনি রাজনীতি করেছেন, সাদেক হোসেন খোকার ছেলে সেই যোগ্যতায় তাকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। তাবিথ আউয়ালের বাবা বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান। প্রথমবার যখন মনোনয়ন দেয়া হয়, তখন তিনি কোন যোগ্যতায় পেয়েছিলেন? ভাইস চেয়ারম্যানের ছেলে যোগ্যতায়।’ 

আরো উদাহরণ টেনে ড. হাছান বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া তো তার দলের মধ্যে পুরোপুরি পরিবারতন্ত্র চালু করেছেন। তার বোন খুরশিদ জাহান হককে তিনি প্রথমে মহিলা দলের নেতৃত্ব দেন, দলের ভাইস চেয়ারম্যান বানান এরপর তাকে তিনি মহিলা ও শিশু বিষয় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বানান। তার ভাই সাঈদ ইস্কান্দরকে তিনি এমপি বানান এবং দলে তার জন্য বিশেষ সম্পাদকের পোস্ট খোলা হয়েছিল। তার আরেক ভাই শামীম ইস্কান্দর কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে না থাকলেও বিমানের ব্যবসা বাণিজ্য থেকে শুরু করে সবকিছু তিনিই নিয়ন্ত্রণ করতেন।’ 

ড. হাছান মাহ্‌মুদ বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার আরেক বোন আছে ব্রুনাইতে থাকেন। তার ছেলে সাইফুল ইসলাম ডিউককে ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার পর বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন। এ পদে থেকে তিনি যেমন ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন, তেমনি অনেক কলংকেরও জন্ম দিয়েছেন। ক্ষমতার অপব্যবহার করে একটি সরকারি বাড়ি দখল করেছিলেন। তার আরেক ভাই তুহিন নীলফামারী বিএনপির সভাপতি অর্থাৎ খালেদা জিয়ার ভাগ্নে।’ 

‘এছাড়া আমরা একদিন সকাল বেলা দেখতে পেলাম, বেগম খালেদা জিয়ার পুত্র জনাব তারেক রহমান হঠাৎ বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তিনি (তারেক রহমান) কোনো রাজনীতির মধ্যে ছিলেন না, ওয়ান ফাইন মর্নিং আমরা দেখলাম তিনি বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব। এখন বিএনপি চেয়ারম্যান হচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া আর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হচ্ছেন খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান। দু’জনই শাস্তিপ্রাপ্ত আসামী, দুর্নীতি এবং ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার দায়ে তারেক রহমানের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে।’ 

মন্ত্রী বলেন, ‘শুধু এখানেই সীমাবদ্ধ নেই। আপনারা দেখেন নিতাই রায় চৌধুরীর মেয়ে দীপন রায় চৌধুরী, বাবা মেয়ে দুজনই বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। তারপর, গয়েশ্বর বাবুও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং উনার ছেলেও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। মির্জা আব্বাস বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, মির্জা আব্বাসের স্ত্রী মহিলা দলের সভাপতি। পুরো পরিবারতন্ত্রের মধ্যে বসে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব যে কথাটি বলেছেন এটি তাদের দলের মেয়র প্রার্থীর বেলায়ই প্রযোজ্য।’ 

‘আমাদের দলে কাউকে পারিবারিক কারণে কোনো পদ দেয়া হয় না’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল, তারেক রহমান হাওয়া ভবন সৃষ্টি করে সমান্তরাল সরকার পরিচালনা করেছিলেন। আমাদের দলে এ ধরণের কোনো কিছু হয়নি। এবং ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস দেশের একজন শীর্ষস্থানীয় আইনজীবী ও তিনবারের সংসদ সদস্য। জনপ্রিয়তার বিচারে, যোগ্যতার বিচারে তাকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। 

আমার প্রশ্ন, কোন বিচারে ইশরাক হোসেনকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে? সুতরাং যে কথাটি তিনি বলেছেন, এটি বিএনপির বেলায় প্রযোজ্য, আমাদের দলে সেই চর্চা নাই।’ 

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের সভাপতি এডভোকেট সুলতানা কামালের সাম্প্রতিক মন্তব্য ‘রাজনৈতিক নেতারা যখন ক্ষমতা যান, তখন পরিবেশের কথা ভুলে যান’- এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি বেগম সুলতানা কামালের প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই বলতে চাই, তিনি সব সময় কড়াকড়া কথা বলে দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেন। তিনি যেভাবে ঢালাওভাবে কথাটি বলেছেন, এটি কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমি তাকে একটু তথ্য-উপাত্তগুলো দেখার জন্য সবিনয় অনুরোধ জানাবো।’ 

সবিস্তার তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরে পরিবেশ গবেষক ও আওয়ামী লীগের প্রথম পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ড. হাছান বলেন, ‘বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা আসার আগে বাংলাদেশে বৃক্ষ আচ্ছাদিত এলাকা ছিল ১৮ শতাংশের কম। এখন বাংলাদেশে বৃক্ষআচ্ছাদিত এলাকা ২২.৪%। বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ ছিল আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা আসার আগে ৯ শতাংশ, এখন সেটি ১২.৭ শতাংশ। আমরা যখন ২০০৯ সালের সরকার গঠন করি তখন বাংলাদেশে ৩০ শতাংশ শিল্প কারখানায় ইটিপি (এফফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট) ছিল, এখন সেটি ৮৫ শতাংশের বেশি শিল্প কারখানায় আছে।’ 

মন্ত্রী আরো বলেন, ‘গতকাল আপনারা একটি শীর্ষস্থানীয় পত্রিকায় দেখেছেন সুন্দরবনে কার্বন স্টক বেড়েছে। সুন্দরবনে আগে কার্বন স্টক ছিল ১০৩ মিলিয়ন মেট্রিক টন এখন সুন্দরবনে কার্বন স্টক হচ্ছে ১৩৯ মিলিয়ন মেট্রিক টন। আমি সুলতানা কামালকে অনুরোধ জানাবো এই ‘ডাটা’গুলো দেখার জন্য। এগুলো আমার দেয়া ‘ডাটা’ নয়, বিভিন্ন স্বাধীন সংস্থা এই ডাটাগুলো তৈরি করেছেন। সুতরাং এগুলোর দিকে তাকালে তিনি তার ভুল বুঝতে পারবেন। সুলতানা কামাল নিজে দেখতে না পারলেও জাতিসংঘ কিন্তু লক্ষ্য করেছে।’

ড. হাছান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার অর্থাৎ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ক্ষমতা আসার পর রাজনীতিবিদরা এই সমস্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে যে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে যে অনেক কাজ হয়েছে, সেটি বেগম সুলতানা কামাল লক্ষ্য না করলেও জাতিসংঘ লক্ষ্য করেছে।  এই জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চ্যাম্পিয়ন অভ্ দ্য আর্থ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। আপনারা জানেন জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণকে উৎসাহিত করার জন্য বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু ওয়াইল্ড লাইফ এওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশে ব্যাপক বনায়ন করা হয়েছে। এবং একইসাথে পরিবেশ সংরক্ষণে যারা কাজ করে, তাদেরকে পুরস্কৃত করার জন্য ২০০৯ সালে জাতীয় পরিবেশ পদক চালু করা হয়েছে। এবং এই জাতীয় পরিবেশ পদক আমরা বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন-বাপাকেও দিয়েছি।’ 

চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগের কাউন্সিলের প্রয়াত মেয়র মহিউদ্দিনের পুত্র ব্যারিস্টার নওফেলকে পিতার মৃত্যুর পরদায়িত্ব দেয়া প্রসঙ্গে প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ‘তাকে সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব এবং তৎপরবর্তিতে শিক্ষা উপমন্ত্রী হিসেবে যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, তিনি তার যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন। এই সিদ্ধান্ত যে সঠিক, সেটি তিনি প্রমাণ করেছেন। এবং শেখ ফজলে শামস পরশের ব্যাপারেও আপনারা নিশ্চয় লক্ষ্য করবেন পরশ একজন উচ্চ শিক্ষিত মানুষ। কেউ কেউ বলে যে, রাজনীতিতে শিক্ষিত মানুষের বড় অভাব। সেই ক্ষেত্রে আমি মনেকরি মতো একজন উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তিকে যুবলীগের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সেটি সমুচিত পদক্ষেপ ছিল। এটি সারাদেশে প্রশসিংত হয়েছে।’ 

#

আকরাম/ফারহানা/রফিকুল/রেজাউল/২০২০/১৭৫০ ঘণ্টা

 

Handout                                                                                                              Number: 43

Foreign Minister seeks support of Australia in expediting the repatriation of Rohingyas

Dhaka5 January 2020:

Foreign Minister Dr. A K Abdul Momen sought support of Australian government in expediting the repatriation process of Rohingyas to Myanmar from Bangladesh. In this regards, Foreign Minister thanked Australian government for providing aid to them. 

Australian High Commissioner Julia Niblett made a farewell call on with Foreign Minister Dr. A K Abdul Momen at his office today.

Dr. Momen requested the departing Julia Niblett to pursue her government to recognize Bangladesh’s diploma degree, to operate direct flight and cargo from Bangladesh to Australia, to open visa office in Bangladesh and to invest in Bangladesh in a large scale. The High Commissioner assured to take up the requests with her government.  

While exchanging pleasantries, the Foreign Minister expressed his concern on the ongoing bushfire in Australia which made serious damages to lives, property and environment.

#

Tohidul/Anasuya/Zulfikar/Shamim/2020/1600 hours.

 

 

 

 

 

 

2020-01-05-22-31-0188546588031af62b367b74ab3a421f.docx 2020-01-05-22-31-0188546588031af62b367b74ab3a421f.docx

Share with :

Facebook Facebook