তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৪ মার্চ ২০২০

তথ্যবিবরণী ১৪ মার্চ ২০২০

তথ্যবিবরণী                                                                                             নম্বর : ৯৪১

 

বর্তমান সরকারই বীরকন্যাদের সম্মান ও স্বীকৃতি দিয়েছে

                                               -- সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

 

ঢাকা, ৩০ ফাল্গুন (১৪ মার্চ):

 

          সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, বিএনপি-জামাত সরকারের আমলে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীরকন্যারা ছিলেন নীরবে-নিভৃতে। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাঁদের সম্মান ও স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি।  বর্তমান  সরকারই মুক্তিযোদ্ধা, বীরঙ্গনা-সহ বীরকন্যাদের যথোপযুক্ত সম্মান ও স্বীকৃতি দিয়েছে।

 

          প্রতিমন্ত্রী আজ রাজধানীর ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ চৌধুরী সেন্টারে স্বাধীনতার মাস এবং 'মুজিববর্ষ' উপলক্ষে নারী সংগঠন 'চেষ্টা' আয়োজিত বীরকন্যাদের সম্মাননা ও সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

 

          সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের নেতৃত্বে 'গণহত্যা নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্র' ২০টি জেলায় জরিপ চালিয়ে ইতোমধ্যে পাঁচ হাজারের অধিক বধ্যভূমি চিহ্নিত করেছে। তাঁদের জরিপ পুরোপুরি শেষ হলে দেশব্যাপী আরো কয়েক হাজার বধ্যভূমি চিহ্নিত হবে।  এ থেকে বোঝা যায়, পাকিস্তানি হানাদার চক্র মুক্তিযুদ্ধে কি ভয়াবহ গণহত্যা ও নির্যাতন চালিয়েছে। প্রতিমন্ত্রী এ সময় 'চেষ্টা' সংগঠনকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রতি বছর এক লাখ টাকা হারে এবং সংবর্ধিত বীর কন্যাদের মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান  প্রদানের ঘোষণা দেন।

 

          'চেষ্টা'র সভাপতি সংসদ সদস্য সেলিনা বেগম শেলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য মেহের আফরোজ চুমকি ও আরমা দত্ত, সাবেক সেনাপ্রধান লে. জেনারেল এম হারুন অর রশীদ বীরপ্রতীক এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হারুন অর রশিদ।

 

#

 

ফয়সল/রাহাত/মোশারফ/সেলিম/২০২০/২২০০ ঘণ্টা   

তথ্যবিবরণী                                                                                                  নম্বর: ৯৪০

 

 

অস্থায়ী কেমিকেল গোডাউন ঝুঁকিমুক্ত ও পরিবেশবান্ধব হবে

                                                         ---শিল্পমন্ত্রী

 

টঙ্গী (গাজীপুর), ৩০ ফাল্গুন (১৪ মার্চ):

টঙ্গীর অস্থায়ী কেমিকেল গোডাউন ঝুঁকিমুক্ত ও পরিবেশবান্ধব হবে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। তিনি বলেন, স্থানীয় ঘনবসতি বিবেচনা করে এই আধুনিক কেমিকেল গোডাউনে নিরাপত্তার সকল ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আজ গাজীপুরে টঙ্গীর কাঠালদিয়ায় নতুন অস্থায়ী কেমিকেল গোডাউন নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শিল্পমন্ত্রী একথা বলেন। শিল্পসচিব মোঃ আবদুল হালিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল।    

অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী অস্থায়ী কেমিকেল গোডাউন নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের কারণে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত বা গৃহহীন হবে না বলে আশ্বস্ত করেন। তিনি বলেন, টঙ্গী-সহ দেশের যেখানে সুযোগ রয়েছে, সেখানে নতুন শিল্প কারখানা স্থাপন করা হবে। সেই সঙ্গে শ্রমিকদের বাসস্থান, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে শিল্পমন্ত্রী উল্লেখ করেন।  

শিল্প প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে নির্মাণাধীন পরিবেশবান্ধব কেমিকেল গোডাউনটি ডিসেম্বর ২০২০-এর মধ্যেই নির্মাণ করা হবে।  গোডাউনে দুর্ঘটনার কোন সম্ভাবনা নেই উল্লেখ করে শিল্প প্রতিমন্ত্রী বলেন, অগ্নিনির্বাপন সুবিধাসহ প্রয়োজনীয় সকল নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখানে রাখা হয়েছে।  প্রতিমন্ত্রী এ সময় রাসায়নিক পদার্থসমূহের নিরাপত্তায় লাইসেন্স প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান-সহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে তৎপর থাকার আহ্বান জানান। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল রাসায়নিক পদার্থের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহবান জানান।    

শিল্প মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ-সহ প্রকল্প পরিচালক এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

#

মাসুম/নাইচ/সঞ্জীব/আব্বাস/২০২০/১৮১৫ ঘণ্টাতথ্যবিবরণী                                                                                                       নম্বর: ৯৩৯

বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

ঢাকা, ৩০ ফাল্গুন (১৪ মার্চ) :

          প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৫ মার্চ ‘বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস’ উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন:

          “বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস-২০২০ উপলক্ষে আমি দেশবাসী এবং প্রবাসী বাঙালিসহ বিশ্বের সকল ভোক্তা সাধারণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। ‘মুজিববর্ষের অঙ্গীকার- সুরক্ষিত ভোক্তা-অধিকার’ -এ প্রতিপাদ্যকে কেন্দ্র করে দিবসটি উদ্‌যাপনের কর্মসূচি গ্রহণ এবং এ দিবসেই ‘ভোক্তা বাতায়ন’ শিরোনামে হটলাইন সার্ভিস চালুর মাধ্যমে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস উদ্‌যাপনে বহুমাত্রিকতা যোগ হবে বলে আমি মনে করি।

          আওয়ামী লীগ সরকার আগের মেয়াদে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ প্রণয়ন করেছে- যা দেশের ভোক্তা সাধারণের অধিকার সমুন্নত রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই আইন দেশের ভোক্তাসাধারণের অধিকার লঙ্ঘনজনিত অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে সাহায্য করছে এবং জনগণ এর সুফল পেতে শুরু করেছে। ভোক্তা স্বার্থ সমুন্নত রাখতে অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে নকল, ভেজাল, মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বা ওষুধ, ধার্যকৃত মূল্যের অধিক কোনো পণ্য বা সেবা বিক্রয় এবং পরিমাপে কম দেওয়ার মতো ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্যক্রম প্রতিরোধ করা সম্ভব হচ্ছে। নিয়মিত বাজার তদারকির মাধ্যমে দ্রব্যমূল্য যৌক্তিক ও সহনশীল রাখতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। ভোক্তা স্বার্থ সংরক্ষণে প্রণীত আইনটি সময়োপযোগী ও কার্যকর হিসেবে ইতোমধ্যে পরিচিতি লাভ করেছে।

          আমরা মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। গত ১১ বছরে আমরা দেশের প্রতিটি সেক্টরে অভাবনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছি। আর্থসামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে রোল মডেল। ইতোমধ্যে আমরা উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উন্নীত হয়েছি। আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করব, ইনশাআল্লাহ।

          ভোক্তা অধিকারকে আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের সুফল প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী যথাযথ ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলবো।

          আমি ‘বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস-২০২০’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করছি।                                                                                                                                                                                        

                                                                                         জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু

                                                                                         বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

#

ইমরুল/নাইচ/সঞ্জীব/মোশারফ/রেজাউল/১৭৪০ ঘণ্টা

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                        নম্বর: ৯৩৮

 

বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী

ঢাকা, ৩০ ফাল্গুন (১৪ মার্চ) :

          রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ১৫ মার্চ ‘বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস’ উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :

 

          “বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস উপলক্ষে আমি ভোক্তাসাধারণকে জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে ‘মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার- সুরক্ষিত ভোক্তা অধিকার’ যা অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে আমি মনে করি।

 

          ভোক্তা অধিকার সর্বজনীন। পণ্যের ন্যায্যমূল্য ও গুণগত মান নিশ্চিত করার মাধ্যমে ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯’ প্রণয়ন করেছে। আইন প্রণয়নের পাশাপাশি এর যথাযথ প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি। আইনের যথাযথ বাস্তবায়নে প্রয়োজন জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী এবং জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টা।

 

          বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের ও ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে রূপান্তরের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন জরুরি। পণ্য ক্রয়-বিক্রয় ও সেবা প্রদানে যে কোনো অনিয়ম মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করে। বিশেষ করে খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের প্রতিটি ক্ষেত্রে গুণগতমান নিশ্চিত করা খু্বই জরুরি। তাই খাদ্যে ভেজাল মিশ্রণ প্রতিরোধে বিশেষ নজরদারি প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। ভোক্তাসাধারণের অধিকার রক্ষায় বিদ্যমান আইনের যথাযথ প্রয়োগে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করবে- বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবসে এটাই সকলের প্রত্যাশা।

 

          আমি ‘বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করছি।

 

খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

 

#

ইমরানুল/নাইচ/সঞ্জীব/মোশারফ/রেজাউল/২০২০/১৭৩০ ঘণ্টা

 

 

Handout                                                                                                              Number : 937

 

23 students were flown back to Bangladesh from India today

 

Dhaka, 14 March:

 

The Government of Bangladesh today repatriated 23 students from India. These students were earlier flown to India from Wuhan, China and were kept in quarantine facilities in Delhi. It may be mentioned that the Government of India was generous enough to bring them along with Indian nationals free of cost. The Government was always in touch with these students and also with the concerned authorities of the Government of India and took all initiatives for their wellbeing. As none of them were infected by the Corona virus, the concern authority India released them from quarantine facilities for repatriation them to Bangladesh. Accordingly, 23 students were flown back to Bangladesh by an IndiGo flight today.

 

It may be mentioned that all the cost related to their repatriation from Delhi to Dhaka were borne by the Government of Bangladesh. The government of Bangladesh is also taking other necessary measures in coordination with the World Health Organization for the safety and security of all the Bangladesh expatriates living in various countries.

 

 

#

Tohidul/Nice/Sanjib/Abbas/2020/1724 Hours
 

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                       নম্বর: ৯৩৬

 

আক্রান্ত দেশ থেকে আগত যাত্রীদের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে

                                                           ----স্বাস্থ্যমন্ত্রী

 

ঢাকা, ৩০ ফাল্গুন (১৪ মার্চ):

          স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘দেশে মাত্র ৩ জন করোনা আক্রান্ত রোগী ছিলো যাদের সবাই এখন সুস্থ। একজন ইতোমধ্যেই বাড়িতে চলে গেছেন, অন্য দুইজনও আগামীকাল সুস্থ অবস্থায় বাড়ি চলে যাবেন। এই মুহুর্তে বিশ্বের ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো থেকে আসা কয়েকজন মানুষকে অরক্ষিত অবস্থায় ছেড়ে দিয়ে দেশের কোটি কোটি মানুষকে আমরা ঝুঁকিতে ফেলতে পারি না। আজ ইতালি থেকে দেশে এসেছে ১৪২ জন, রাতে আসবে ৩০-৫০ জন, আবার আগামীকাল আসবে আরো ১৫০ জন। আমরা এই সময় আক্রান্ত দেশগুলো থেকে লোকজন না আসার জন্য অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু তারা যেভাবে দেশে আসতে শুরু করেছে এতে  পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই আমরা তাদেরকে বাড়িতে যেতে দিতে পারি না। এজন্য এখন থেকে আক্রান্ত দেশ থেকে আসা সবাইকে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। কোয়ারেন্টাইনে ভালোভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তারপর সরকারি উদ্যোগে তাদেরকে বাড়ি ফিরতে হবে। এর পর থেকে অন্য আক্রান্ত দেশগুলো থেকে কোনো যাত্রী দেশে এলে তাকেও বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন করা হবে। প্রয়োজনে এই নির্দেশনা অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে।’

আজ দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত জরুরি বৈঠক শেষে মন্ত্রী এসব কথা বলেন ।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. বার্ধন জাং রানা-সহ অধিদপ্তরের অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

#

 

মাইদুল/নাইচ/সঞ্জীব/আব্বাস/২০২০/১৭৫০ ঘণ্টা
 

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                       নম্বর: ৯৩৫

 

    এখন নদী দখলদাররা আত্মগোপনে থাকে

                        ---নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

 

ঢাকা, ৩০ ফাল্গুন (১৪ মার্চ):

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহ্‌মুদ চৌধুরী বলেছেন, নদী রক্ষায় সরকারের অভিযানের ফলে এখন  নদী দখলদাররা আত্মগোপনে থাকে। নদী রক্ষায় সরকারের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

প্রতিমন্ত্রী আজ জাতীয় প্রেস ক্লাবে আন্তর্জাতিক নদী কৃত্য দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ নদী বাঁচাও আন্দোলন আয়োজিত ‘দখল ও দূষণমুক্ত নদী প্রবাহ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদীগুলোকে চিহ্নিত করতে হবে। সেক্ষেত্রে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় গবেষণার কাজটি সম্পন্ন করতে পারে। সরকার নদী গবেষণার ক্ষেত্রে জোর দিচ্ছে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় নৌপথ রক্ষায় কাজ করছে। নদী রক্ষায় সরকার টাস্কফোর্স গঠন করে দিয়েছে।

#

 

জাহাঙ্গীর/নাইচ/সঞ্জীব/আব্বাস/২০২০/১৭১০ ঘণ্টা
 

 

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                  নম্বর: ৯৩৪

 

করোনা বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিজ্ঞপ্তি
 

ঢাকা, ৩০ ফাল্গুন (১৪ মার্চ):

 

          ইতালী ও অন্যান্য দেশ থেকে যারা সম্পতি দেশে ফিরেছেন তাদের কর্তৃপক্ষের নজরদারিতে ১৪ দিন পর্যন্ত হোম কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক। নিজের অবস্থান অবলিম্বে স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষেকে জানান। আইন লংঘন করলে জেল ও জরিমানা উভয় দণ্ড দণ্ডিত হতে পারেন-স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

 

#

 

লায়লা/আফরোজা/২০২০/১৩৫৫ ঘণ্টা
 

2020-03-14-22-24-ed3d338195ee7929c4937b0829491953.docx 2020-03-14-22-24-ed3d338195ee7929c4937b0829491953.docx

Share with :

Facebook Facebook