তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২২nd এপ্রিল ২০১৫

তথ্যবিবরণী 21/04/2015

তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর : ১১৪৭

জুনে ঢাকায় আয়োজন করা হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত বইমেলা
 

ঢাকা, ৮ বৈশাখ (২১ এপ্রিল) :
    এবছরের জুন মাসে ঢাকায় আয়োজন করা হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত বইমেলা।
    আজ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের সভাপতিত্বে একসভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
    মেলায় বাংলাদেশ ও ভারতের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক প্রকাশনাপ্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করবে। ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে মেলাটি অনুষ্ঠিত হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
    বাংলাদেশ-ভারত বইমেলার সফল আয়োজনের লক্ষ্যে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খানকে আহ্বায়ক ও জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের সচিব অসীম কুমার দেকে সদস্যসচিব করে ১০ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির উপদেষ্টা এমিরিটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান।
    সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, ভারত বাংলাদেশের অকৃত্রিম ও পরীক্ষিত বন্ধুরাষ্ট্র। ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে দু’দেশ একে অপরের সাথে অত্যন্ত আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জুনে অনুষ্ঠেয় বইমেলা দু’দেশর মধ্যে সংস্কৃতিবিনিময়ের ক্ষেত্রকে আরো বিস্তৃত করবে এবং এ প্রক্রিয়ায় বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
    আসাদুজ্জামান নূর বলেন, বই জ্ঞানের বাহন। একটি সৃজনশীল ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে বইয়ের ভূমিকা অপরিসীম। এ লক্ষ্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও এর অঙ্গপ্রতিষ্ঠানসমূহ বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সহযোগিতায় বইমেলা আয়োজনসহ নানাবিধ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এবছর  রংপুর, বরিশাল ও কুমিল্লা বিভাগীয় বইমেলার আয়োজন করা হয়েছে। ২৫ এপ্রিল যশোরে খুলনা বিভাগীয় বইমেলার আয়োজন করা হবে। ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য বিভাগীয় শহর ও গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহরগুলোতেও বইমেলার আয়োজন করা হবে। আয়োজিত বইমেলাগুলোতে স্থানীয় প্রকাশনাসংস্থার পাশাপাশি ঢাকা থেকে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানগুলো অংশ নেয়ায় সেগুলো সফল হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
    সভায় সংস্কৃতি সচিব ড. রণজিৎ কুমার বিশ্বাস, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ হাফিজুর রহমান, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক অসীম সাহা এবং জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশনা সমিতির সভাপতি ওসমান গনি উপস্থিত ছিলেন।

#

কুতুবুদ-দ্বীন/সাইফুল্লাহ/মিজান/আলম/নবী/জসীম/রেজাউল/২০১৫/২০০৫ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ১১৪৬  

ঢাকা- পটুয়াখালী নৌরুটে যাত্রীবাহী বৃহৎ লঞ্চের উদ্বোধন করেছেন নৌমন্ত্রী

ঢাকা, ৮ বৈশাখ (২১ এপ্রিল) :
    নৌপরিবহণমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, ঢাকা-বরিশাল নৌপথে চলাচলের জন্য বিআইডব্লিউটিসি’র বৃহৎ আকারের স্টিমার মডেলের লঞ্চ ‘মধুমতি’ জুলাই মাসে অপারেশনে আসবে। এছাড়া, ঢাকা-বরিশাল-খুলনা রুটে চলাচলের জন্য একই সংস্থার আরো দু’টি বড় জাহাজ নির্মিত হবে।
    মন্ত্রী আজ সদরঘাট টার্মিনালে ঢাকা থেকে পটুয়াখালী যাতায়াতকারী সুন্দরবন-১১ যাত্রীবাহী লঞ্চের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।
    বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌচলাচল (যাত্রী পরিবহণ) সংস্থার চেয়ারম্যান মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমোডর এম মোজাম্মেল হক, যাত্রী পরিবহণ সংস্থার ভাইস চেয়ারম্যান সাহাবুদ্দিন মিয়া এবং সুন্দরবন গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু বক্তব্য রাখেন।
    ‘সুন্দরবন-১১’ লঞ্চের যাত্রী ধারণক্ষমতা ৭২০ জন। সাধারণ কেবিন রয়েছে ৮০টি ও ভিআইপি ৬টি। সাধারণ কেবিনের ভাড়া সিঙ্গেল ১ হাজার টাকা ও ডাবল ২ হাজার টাকা। এতে রয়েছে হাইড্রোলিক গিয়ার, ইকোসাউন্ড ও রাডার। এছাড়া রয়েছে সার্বক্ষণিক চিকিৎসক।
    মন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নদীকে ভালবাসতেন। তাই বাঙালি নদীতে ঠিকানা খুঁজে পেয়েছে। নদীছাড়া বাংলাদেশ বাঁচবে না। নদীকে রক্ষার জন্য জাতীয় নদীরক্ষা কমিশন গঠন করা হয়েছে।
    মন্ত্রী সড়ক ও নৌপরিবহণের মালিক শ্রমিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, শত প্রতিকূলতার মাঝেও হরতাল অবরোধে তারা নৌপথ, সড়কপথ সচল রেখেছেন। কোনো রক্তচক্ষুকে তারা ভয় পাননি। জনগণকে সাথে নিয়ে সন্ত্রাসী, খুনি ও পেট্রোলবোমাবাজদের প্রতিহত করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
#
জাহাঙ্গীর/সাইফুল্লাহ/মিজান/আলম/জসীম/জয়নুল/২০১৫/১৯৩৫ঘণ্টা    
তথ্যবিবরণী                                                                                            নম্বর : ১১৪৫  

নির্ধারিত কোটার অতিরিক্ত আবেদনকারী
হজযাত্রীদের এবছর হজে গমনের সুযোগ নেই
                           -- ধর্মমন্ত্রী
ঢাকা, ৮ বৈশাখ (২১ এপ্রিল) :
    ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এবছর নির্ধারিত কোটার চেয়ে বেশিসংখ্যক হজযাত্রী হজের জন্য আবেদন করেছেন। বাংলাদেশ সৌদি আরব হজচুক্তি ২০১৫ অনুসারে এবছর বাংলাদেশের জন্য সৌদি আরব কর্তৃক নির্ধারিত হজযাত্রীর কোটা ১ লাখ ১ হাজার ৭ শত ৫৮ জন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩ হাজার এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৯৮ হাজার ৭ শত ৫৮ জন হজযাত্রী হজ করতে পারবেন। নির্ধারিত সময়ে কোটা পূর্ণ হয়ে যাওয়ার পরেও বিভিন্ন এজেন্সির নিকট ৯ হাজার ২৫৪ জন হজযাত্রী হজে যাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন মর্মে তথ্য পাওয়া গেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষের বাধ্যবাধকতার কারণে অতিরিক্ত এসব আবেদনকারী হজযাত্রীদের এবছর হজে গমনের সুযোগ নেই। চলতিবছর হজে যাওয়ার নিয়ত করেও যেসব নিবন্ধনকারী হজযাত্রী হজে যেতে পারবেন না, তাদেরকে তিনি ধৈর্য ধরে পরবর্তী বছরের জন্য অপেক্ষা করার আহ্বান জানান।
    মন্ত্রী আজ ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে হজকার্যক্রম ২০১৫ এর অগ্রগতি বিষয়ে প্রেসব্রিফিংকালে এসব তথ্য জানান।
    ধর্মমন্ত্রী বলেন, চলতিবছর বাংলাদেশ সৌদি আরব হজচুক্তির সময় বাংলাদেশের হজযাত্রীর কোটাবৃদ্ধি করার জন্য তিনি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সৌদি হজমন্ত্রী বরাবর পত্রপ্রেরণ করেছিলেন। বিশ্বের অন্যান্য কয়েকটি দেশ যেমন: ভারত, মালয়েশিয়া এবং ইরান থেকেও হজযাত্রীর সংখ্যাবৃদ্ধির জন্য প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। কিন্তু সৌদি সরকার কোনো দেশের হজযাত্রীর কোটাবৃদ্ধি করেনি।
    প্রেসব্রিফিংয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. চৌধুরী মোঃ বাবুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।
#

আনোয়ার/সাইফুল্লাহ/মিজান/নবী/আলম/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৫/১৯৩০ঘণ্টা  

 

তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর : ১১৪৪

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত

ঢাকা, ৮ বৈশাখ (২১ এপ্রিল) :

    দশম জাতীয় সংসদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ৮ম বৈঠক আজ কমিটির সভাপতি এইচ এন আশিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সংসদভবনে অনুষ্ঠিত হয়।

    কমিটির সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, মোঃ আব্দুর রহমান, সুকুমার রঞ্জন ঘোষ, মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এবং খোরশেদ আরা হক বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া বিশেষ আমন্ত্রণে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক বৈঠকে যোগদান করেন।

 বৈঠকে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও জেলা শিক্ষা অফিসারদের বেতনস্কেলে সৃষ্ট বৈষম্য নিরসন এবং মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়ের স্বপক্ষে প্রাসঙ্গিক ও দালিলিক প্রমাণসাপেক্ষে মুক্তিযোদ্ধা সনদ ও সম্মাননা প্রদানের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

    সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও জেলা শিক্ষা অফিসারদের বেতনস্কেলে সৃষ্ট বৈষম্য আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে নিরসন করার বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কমিটি সুপারিশ করে।

    মুক্তিযুদ্ধের সঠিক সংজ্ঞা অনুযায়ী মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়ের স্বপক্ষে প্রাসঙ্গিক ও দালিলিক প্রমাণসাপেক্ষে মুক্তিযোদ্ধা সনদ ও সম্মাননা প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

#

এমাদুল/মিজান/সঞ্জীব/রফিকুল/রেজাউল/২০১৫/১৭৫৫ঘণ্টা

 

 
তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ১১৪২  

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত

ঢাকা, ৮ বৈশাখ (২১ এপ্রিল) :

দশম জাতীয় সংসদের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ১৩তম বৈঠক  আজ জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সভাপতি মো. মোতাহার হোসেন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান, আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. আব্দুর রহমান, মো. আবুল কালাম, আলী আজম, উম্মে রাজিয়া কাজল অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠকে জানানো হয়, রস্ক প্রকল্পের ২য় পর্যায়ে মোট ২১ হাজার ৭ শত আনন্দ স্কুল স্থাপনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে যার মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা হবে ৭ লাখ ২০ হাজার জন। এর মধ্যে ১ শত ৪৪ টি উপজেলায় ১৫ হাজার ২৭টি চলমান আনন্দ স্কুলে মোট ৩ লাখ ৯৮ হাজার ৭ শত ৭৭ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।  
রস্ক প্রকল্পের আওতায় যে সকল স্কুল যথাযথ নীতিমালা অনুসরণপূর্বক স্থাপন করা হয়নি, সেগুলোর তালিকা প্রণয়ন করার পরামর্শ প্রদান করা হয় বৈঠকে। এছাড়া কমিটি বিদ্যমান অন্যান্য আনন্দ স্কুলসমূহের ব্যবস্থাপনায় কোন ধরনের অনিয়ম থাকলে তা তদন্তপূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে।  
কমিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহের শিক্ষক সংকট নিরসণ ও শিক্ষার মানোন্নয়নে অধিক সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগের দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ প্রদান করে।
    বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবসহ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
#

শিবলী/মোহাম্মদ আলী/শুকলা/রেজ্জাকুল/আসমা/২০১৫/১৫৩০ ঘণ্টা     

 

 
তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ১১৪৩  

দুর্নীতি দমন কমিশনের তিন দিনব্যাপী কর্মশালা সমাপ্ত

ঢাকা, ৮ বৈশাখ (২১ এপ্রিল) :

    ‘দুর্নীতি প্রতিরোধে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশলের (এনআইএস) ফোকালপয়েন্টদের ভূমিকা’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী কর্মশালা আজ শেষ হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এবং জাইকা (ঔওঈঅ) এর সহযোগিতায় সেগুনবাগিচাস্থ দুর্নীতি দমন কমিশন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালা শুরু হয় ১৯ এপ্রিল।  
    সমাপনী দিনে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান মো: বদিউজ্জামান তার বক্তব্যে বলেন দুর্নীতি কমিশন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী সরকারি ও বেসরকারি খাতে দুর্নীতি প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা দুর্নীতি দমন কমিশনকে দেয়া হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন এ দায়িত্ব পালনে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
    তিনি বলেন, এই কর্মশালার মাধ্যমে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তাদের সহযোগীতায় দুর্নীতি প্রতিরোধে সরকারি কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণসচেতনতা সৃষ্টি, দুর্নীতি প্রতিরোধে কমিশনের সাথে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রসমূহ চিহ্নিত করে তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।
    কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কমিশনের কমিশনার ড. নাসিরউদ্দীন আহমেদ, সচিব মো. মাকসুদুল হাসান খান, মহাপরিচালক ড. শামসুল আরেফিন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সমন্বয় ও সংস্কার বিভাগের সচিব মো: নজরুল ইসলাম, জাইকার সিনিয়র ন্যাশনাল কনসালটেন্ট এবং সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার, জাইকার প্রতিনিধি কেই কি কুচি প্রমুখ।
    উল্লেখ্য যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার প্রায় ৬০ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল এর ফোকালপয়েন্ট হিসেবে কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন।
#

প্রণব/মোহাম্মদ আলী/শুকলা/রেজ্জাকুল/আসমা/২০১৫/১৫৩০ ঘণ্টা     

 
তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর :  ১১৪১

আগামীকাল থেকে ২০১৩ সালের ২য় বর্ষ অনার্র্স পরীক্ষা শুরু
ঢাকা, ৮ বৈশাখ (২১ এপ্রিল) :
    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৩ সালের ২য় বর্ষ অনার্র্র্স পরীক্ষা পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে। সারাদেশের ৪১৭টি কলেজের ১৭১টি কেন্দ্রে সর্বমোট ২ লাখ ২৫ হাজার  পাঁচ জন পরীক্ষার্থী ৩০টি বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। পরীক্ষা অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠানে প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট কলেজ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকগণের সহযোগিতা কামনা করেছে।
    উল্লেখ্য- বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য সকল পরীক্ষা যথানিয়মে সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।
#


ফয়জুল/মোহাম্মদ আলী/শুকলা/রেজ্জাকুল/আসমা/২০১৫/১৫৩০ ঘণ্টা      

 

Todays handout (3).doc Todays handout (3).doc

Share with :

Facebook Facebook