তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৩rd এপ্রিল ২০১৬

তথ্যবিবরণী 3/4/2016

তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ১১২৬

অটিস্টিক শিশুদের সমাজের মূল ধারায় সম্পৃক্ত করতে হবে
                                                   -- শিক্ষামন্ত্রী
ঢাকা, ২০ চৈত্র (৩ এপ্রিল) :
    শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ অটিস্টিক শিশুদের উপযোগী কারিগরি দক্ষতার উপর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জনগোষ্ঠীর মূল স্র্রোতধারায় সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, অটিজম কোন রোগ নয়। এটি এক ধরনের ¯œায়ুবিক বৈকল্য। যথাযথ গবেষণার মাধ্যমে অটিস্টিক শিশুদের উপযোগী কারিগরি প্রশিক্ষণ খুঁজে বের করা সম্ভব।
    শিক্ষামন্ত্রী আজ ঢাকার সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে একথা বলেন।
    অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন অটিস্টিক একাডেমি স্থাপন প্রকল্পের পক্ষ থেকে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস উপলক্ষে অটিস্টিক শিশুদের নিয়ে আয়োজিত ক্রীড়া, চিত্রাংকন ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ করেন শিক্ষামন্ত্রী।
    মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ফাহিমা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিক্ষা সচিবের দায়িত্বে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ এস মাহমুদ, অটিস্টিক একাডেমি স্থাপন প্রকল্পের পরিচালক সালমা বেগম, সূচনা ফাউন্ডেশনের মহাসচিব ডা. মাজহারুল মান্নান এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডা. শাহিনা আক্তার বক্তৃতা করেন।
    জনাব নাহিদ বলেন, অভিভাবকদের মৃত্যুর পর অটিস্টিক শিশুদের দায়িত্ব রাষ্ট্র গ্রহণ করবে বলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এ ঘোষণা অটিস্টিক শিশুদের অভিভাবকদের দুশ্চিন্তা লাঘব করবে। শিক্ষামন্ত্রী অটিজম সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী জনসচেতনতা সৃষ্টিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা হোসেনের অবদানের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।
#

সাইফুল্লাহ/আফরাজ/মিজান/মোশারফ/জয়নুল/২০১৬/২১২০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                                                    নম্বর : ১১২৫

সাংবাদিক বজলুর রহমান ছিলেন জীবন্ত এনসাইক্লোপিডিয়া                                                                                                
                                                    -- স্পিকার
ঢাকা, ২০ চৈত্র (৩ এপ্রিল) :
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর আজ জাতীয় জাদুঘর প্রধান মিলনায়তনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাংবাদিকতার জন্য বজলুর রহমান স্মৃতিপদক -২০১৫ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন।
স্পিকার বলেন, বজলুর রহমান আমৃত্যু দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন। তিনি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও জনগণের অধিকার রক্ষার জন্য অবদান রেখে গেছেন। বাংলাদেশকে অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার ব্রত নিয়ে তিনি সাংবাদিকতা পেশাকে অবলম্বন করে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন।  
      মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাংবাদিকতা প্রবর্তন করায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরকে ধন্যবাদ জানিয়ে স্পিকার বলেন, বজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ভাবাদর্শে গভীরভাবে বিশ্বাসী ছিলেন এবং এ চেতনা বিস্তারে সাংবাদিকতাকে বেছে নিয়েছিলেন। গণতন্ত্রের পক্ষে জনমত তৈরিতে এ কলম সৈনিকের আত্মত্যাগ গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষের কাছে সবসময়ই পাথেয় হয়ে থাকবে। তাঁর স্মৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাংবাদিকতার জন্য তাঁর নামাঙ্কিত পদক প্রদান একটি যথোপযুক্ত পদক্ষেপ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বজলুর রহমান পদকে ভূষিত সাংবাদিকদ্বয়কে অভিনন্দন জানিয়ে স্পিকার  বলেন,  তাদের এ কৃতিত্ব এদেশে মুক্তিসংগ্রাম  ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস বর্তমান ও নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে অনুপ্রাণিত করবে। বজলুর রহমান যে আদর্শ রেখে গেছেন তা সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব হলে দেশবাসী বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম স্বাধীনতা সংগ্রামের বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসের সাথে পরিচিত হবে এবং গভীর দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে।
বজলুর রহমানের সাথে স্পিকারের ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, বজলুর রহমান শুধু একজন খ্যাতিমান সাংবাদিক ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব। সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জগতেও ছিল তার অবাধ বিচরণ। অফুরন্ত জ্ঞানভা-ারের এ মানুষটি ছিলেন জীবন্ত এনসাইক্লোপিডিয়া।  
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও জুরি বোর্ডের সভাপতি আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘরের ট্রাস্টি  ড. সারোয়ার আলী, জিয়াউদ্দিন তারেক আলী, জুরি বোর্ড সদস্য এ এস এম শামসুল আরেফিন ও নওয়াজেশ আলী খান বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী ও সংসদ সদস্যসহ সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রিন্ট মিডিয়ায় দৈনিক গণমুখের স্টাফ রিপোর্টার ইজাজ আহমেদ মিলন এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় মাছরাঙা টিভির স্টাফ রিপোর্টার মৌমিতা জান্নাতকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাংবাদিকতার জন্য বজলুর রহমান স্মৃতিপদক -২০১৫ প্রদান করা হয়।
#

হুদা/আফরাজ/মিজান/মোশারফ/জয়নুল/২০১৬/২০৪৫ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                                            নম্বর :১১২৪

৩৬০ কেজি জাটকা আটক করেছে কোস্টগার্ড

ঢাকা, ২০ চৈত্র (৩ এপ্রিল) :
    আজ বাংলাদেশ কোস্টগার্ড চাঁদপুর স্টেশনের একটি অপারেশন দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাঁদপুরে মেঘনা নদীর মোহনায় অভিযান চালিয়ে এমভি মর্নিং সান, আচল-৬ ও শরিয়তপুর-৩ হতে ৩৬০ কেজি জাটকা আটক করেছে। এর মূল্য প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
    আটককৃত জাটকা মৎস্য কর্মকর্তা এবং স্থানীয় সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে বিভিন্ন মাদ্রাসা, এতিমখানা ও গরিব-দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়।

#

মারুফ/আফরাজ/মোশারফ/জয়নুল/২০১৬/২১৩০১৯২০ঘণ্টা
 
তথ্যবিবরণী                                                                                       নম্বর : ১১২৩

ওএসএইচ প্রোফাইল প্রণয়নের লক্ষ্যে কর্মশালা

ঢাকা, ২০ চৈত্র (৩ এপ্রিল) :   

    সরকার পেশাগত নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্য বিষয়ে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। সকল প্রকার শিল্প কারখানা বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্পে নিয়োজিত শ্রমিকদের পেশাগত নিরাপত্তা এবং
স্বাস্থ্য (ঙপপঁঢ়ধঃরড়হধষ ঝধভবঃু ধহফ ঐবধষঃয-ওএসএইচ) প্রোফাইল চূড়ান্তকরণের লক্ষ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রাজধানীর একটি হোটেলে আজ এক কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালা থেকে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে ওএসএইচ প্রোফাইল চূড়ান্তকরণে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে।

    কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক (চুন্নু) বলেন, তৈরি পোশাক খাতের অগ্রগতি ব্যাহত করে এমন কোন অপতৎপরতা বরদাস্ত করা হবে না। শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যের বিষয়ে মালিক হোক আর শ্রমিক হোক কারো পক্ষ থেকে অবহেলা সহ্য করা হবে না।

    তিনি বলেন, তৈরি পোশাক খাতের উন্নয়নে মূল বিষয় হচ্ছে শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যসেবা। এ বিষয়ে সকল প্রকার কলকারখানায় একটি করে কমিটি গঠন করা হবে। এই কমিটি শ্রমিকদের পেশাগত নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ওএসএইচ প্রোফাইল বাংলাদেশে নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্য সম্পর্কে একটি স্বচ্ছ ধারণা দেবে। কলকারখানায় উৎপাদন বৃদ্ধি তথা এ খাতের উন্নয়নে মালিক-শ্রমিক সুসম্পর্ক বাঞ্ছনীয়।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের উন্নত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের লক্ষ্যে টঙ্গীঁ এবং নারায়ণগঞ্জে ৩’শ শয্যাবিশিষ্ট অত্যাধুনিক পেশাগত হাসপাতাল নির্মানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। শীঘ্রই দরপত্র আহবান করা হবে।

    অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মিকাইল শিপারের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সভাপতি সালাউদ্দিন কাশেম খান, ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেশন কমিটি ফর ওয়ার্কার এডুকেশনের চেয়ারপারসন ও জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ এবং আইএলও’র কান্ট্রি ডিরেক্টর শ্রীনিবাস বি রেড্ডি বক্তৃতা করেন। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত সচিব) সৈয়দ আহমেদ দিনব্যাপী তিন পর্বের কর্মশালায় জাতীয় ওএসএইচ নীতিমালা উপস্থাপন করেন। মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব খোন্দকার মোস্তান হোসেন পেশাগত নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্য-ওএসএইচ এর বর্তমান অবস্থা তুলে ধরেন ।  

    কর্মশালায় সংসদ সদস্য শিরীন আক্তারসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন এবং দাতা সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
#

আকতারুল/আফরাজ/মোশারফ/আব্বাস/২০১৬/১৯৩০ ঘণ্টা     
তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর : ১১২২

কাঁচামালের সহজলভ্যতা বিবেচনায় শিল্প স্থাপনে শিল্পমন্ত্রীর পরামর্শ

ঢাকা, ২০ চৈত্র (৩ এপ্রিল) :
এলাকাভিত্তিক কাঁচামালের সহজলভ্যতা বিবেচনা করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প স্থাপনে এগিয়ে আসতে উদ্যোক্তাদের প্রতি পরামর্শ দিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। তিনি বলেন, এক্ষেত্রে জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬ এর দিকনির্দেশনা অনুযায়ী উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় প্রণোদনা ও নীতি সহায়তা দেয়া হবে। দেশের কোথায় কোন ধরনের এসএমই শিল্প স্থাপন লাভজনক হবে, সে বিষয়ে কার্যকর সমীক্ষা ও গবেষণা চালাতে তিনি এসএমই ফাউন্ডেশনের প্রতি নির্দেশনা দেন।
শিল্পমন্ত্রী আজ চতুর্থ জাতীয় এসএমই মেলা-২০১৬ এর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ পরামর্শ ও নির্দেশনা দেন। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন এ মেলার আয়োজন করে। অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন।
এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন কে এম হাবিব উল্ল¬াহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে এফবিসিসিআই সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ, এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।  
শিল্পমন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পখাত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। এ খাতের ওপর ভর করেই দেশের অর্থনীতি দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। রপ্তানি প্রবৃদ্ধি, পণ্য বৈচিত্র্যকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্যবিমোচনসহ সার্বিক আর্থসামাজিক অগ্রগতিতে এখাতের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। দেশের শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ শিল্প ও ব্যবসা এসএমই খাতের আওতাভুক্ত। এখাত দেশের অর্থনৈতিক কর্মকা-ের শতকরা ৭০ ভাগ, শিল্প কর্মসংস্থানের ৮০ থেকে ৮৫ ভাগ এবং মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের শতকরা ৩০ থেকে ৩৫ ভাগ যোগান দিয়ে থাকে বলে তিনি জানান।
উল্লেখ্য, পাঁচ দিনব্যাপী এ মেলায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ২শ’টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। এতে কৃষিপণ্য, চামড়াজাত দ্রব্য, পাটজাতপণ্য, পোশাক, ডিজাইন ও ফ্যাশনওয়্যার, হস্ত ও কারুপণ্য, গৃহস্থালি পণ্য, প্ল¬াস্টিক ও সিনথেটিকস্, ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেক্ট্রনিক্স, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, আইটিসহ বিভিন্নখাতে উৎপাদিত দেশীয় এসএমই পণ্য প্রদর্শিত হচ্ছে। মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মেলা পরিদর্শনের জন্য কোনো প্রবেশমূল্য দিতে হবে না।
#

জলিল/আফরাজ/মিজান/মোশারফ/জয়নুল/২০১৬/১৯১০ঘণ্টা
 
তথ্যবিবরণী                                                                                                 নম্বর : ১১২১

চলচ্চিত্র বিকাশের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ হোন
                       ---তথ্যমন্ত্রী
ঢাকা, ২০ চৈত্র (৩ এপ্রিল) :    

 

 

 

 

    তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের পুনরুজ্জীবন ঘটাতে আধুনিক ডিজিটাল প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণ, পাইরেসি রোধ ও মানসম্মত সিনেমা নির্মাণ-এ তিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় চলচ্চিত্রসেবীদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।
    তথ্যমন্ত্রী আজ জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএফডিসি) যৌথ উদ্যোগে ঢাকায় বিএফডিসিতে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তথ্যমন্ত্রী এ আহ্বান জানান। এর আগে বিএফডিসি প্রাঙ্গণ থেকে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‌্যালিতে তথ্যমন্ত্রী এবং সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর নেতৃত্ব দেন।
    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন কুমার ঘোষের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মরতুজা আহমদ। বাংলাদেশ সিনেমা ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী ও বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক
ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, ‘দর্শক সংকট ও বিলুপ্তির পথে প্রেক্ষাগৃহ : বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের সমস্যা ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান ইমাম, মসিউদ্দীন সাকের, ম. হামিদসহ চলচ্চিত্র শিল্পী-কলাকুশলীবৃন্দ সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন।
    তথ্যমন্ত্রী বলেন, চলচ্চিত্র টিকে থাকার শিল্প। যতই টেলিভিশনে বা মোবাইলে দেখা হোক না কেন, বড় পর্দায় হলে বসে সিনেমা দেখার আবেদন অটুট থাকবে। এর একটি বড় কারণ হিসেবে তিনি বলেন, প্রেক্ষাগৃহে সিনেমা দেখতে গেলে যাপিত জীবন থেকে বেরিয়ে কিছুক্ষণের জন্য দর্শকেরা চলে যান মন ও মননের এক ভিন্ন জগতে। চলচ্চিত্রে বিনিয়োগ এবং ভাল চলচ্চিত্র নির্মাণে এগিয়ে আসতে তিনি আহ্বান জানান।     
    সাভারের কবিরপুরে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু ফিল্ম সিটিতে আগামী জুলাই থেকে শ্যুটিং করা যাবে এবং বিএফডিসি সংলগ্ন স্থানে বৃহদায়তন চলচ্চিত্র-শিল্পী-সাহিত্য মিলনকেন্দ্র নির্মাণ পরিকল্পনার কথাও তিনি জানান ।
    তথ্যমন্ত্রী পুনরায় স্মরণ করিয়ে দেন যে, মুক্তিযুদ্ধ ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আন্তর্জাতিকমানের দুটি সম্পূর্ণ চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হবে।
    তথ্যসচিব মরতুজা আহমদ চলচ্চিত্রের বিকাশে সংশ্লিষ্ট আইন যুগোপযোগী করা ও প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র বিভাগের চেয়ারম্যান ড.  আ জে ম শফিউল আলম ভূইয়া, স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সসিটির ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন মিডিয়া বিভাগের প্রধান মহিউদ্দিন ফারুক, চলচ্চিত্র পরিচালক মোরশেদুল ইসলাম ও কাজী হায়াৎ, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতির যুগ্ম আহ্বায়ক খোরশেদ আলম খসরু, জাজ মাল্টিমিডিয়ার চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির, সিনিয়র সহসভাপতি ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ, চলচ্চিত্রকার ও শিক্ষক মোহাম্মদ হোসেন জেমী এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাসচিব মুশফিকুর রহমান গুলজার সেমিনারে অংশ নেন।

#

আকরাম/আফরাজ/মিজান/মোশারফ/আব্বাস/২০১৬/ ১৮৫৬ ঘণ্টা    
 
তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ১১২০

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার তদারকি হচ্ছে
                                 -- বাণিজ্যমন্ত্রী
ঢাকা, ২০ চৈত্র (৩ এপ্রিল) :
    বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, আসন্ন রমজান মাসসহ সারা বছর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর দেশব্যাপী তদারকি অব্যাহত রেখেছে। এ বিষয়ে দেশের প্রচার মাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রচারিত সংবাদের উপর বাজারদর ও সরবরাহে প্রভাব পরে। ভোক্তা অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভোক্তাদের সচেতন থাকতে হবে।
    বাণিজ্যমন্ত্রী আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের এক জরুরি সভাশেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে এ কথা বলেন।
    মন্ত্রী বলেন, ভোজ্যতেল, ডাল, সোলা, চিনি, পেঁয়াজ, রসুনসহ নিত্যপ্রয়েজেনীয় সকল পণ্যের আমদানি, সরবরাহ ও মূল্য তদারকি করা হচ্ছে। আসন্ন রমজান মাসের আগেই এ সকল নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানিকারক, ডিলার, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ী, কনজুমার্স এসোসিয়েশন অভ্ বাংলাদেশ (ক্যাব)সহ সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে মতবিনিময় করে ভোক্তার অধিকার নিশ্চিত করা হবে। আসন্ন রমজান মাসকে সামনে রেখে কোন মহল নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মজুত বা সরবরাহে বাধার সৃষ্টি করে বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে আইন মোতাবেক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
    বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর সফলভাবে দেশব্যাপী বাজার তদারকির দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে, রমজান মাসসহ আগামী দিনগুলোতে এ তদারকি আরো জোরদার করা হবে। জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ আইনের ধারা প্রয়োগ করে ১৫ হাজার ৯শ’ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে ১ কোটি ২৯ লাখ ৭৪ হাজার ৫৫০ টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়েছে এবং ২৫৭ জন অভিযোগকারীকে জরিমানার ২৫ শতাংশ হিসেবে ৫ লাখ ৩৪ হাজার ৭৫০ টাকা নগদ প্রদান করা হয়েছে। দেশের ভোক্তাগণ আগের যে কোন সময়ের চেয়ে এখন অনেক বেশি সচেতন।
    মন্ত্রী বলেন, একসময় খাদ্যপণ্যে মানুষের জন্য ক্ষতিকর ফরমালিন ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে এখন আর খাদ্য পণ্যে ফরমালিন ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে না।
    সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আবুল হোসেন মিয়া ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার পরিষদের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
#
বকসী/আফরাজ/মোশারফ/জয়নুল/২০১৬/১৮৩০ঘণ্টা
 
তথ্যবিবরণী                                                                                   নম্বর : ১১১৯

 ট্যানারি সাভারে সরিয়ে নিতে হবে
               ---শিল্পমন্ত্রী
ঢাকা, ২০ চৈত্র (৩ এপ্রিল) :   

অবিলম্বে হাজারীবাগের ট্যানারি সাভারে সরিয়ে নিতে হবে বলে আবারও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। তিনি বলেন, ট্যানারি স্থানান্তর নিয়ে সরকার আর কোনো খেলা খেলতে দেবে না। গুটিকয়েক মানুষের জন্য কোটি কোটি মানুষের জীবন বিপন্ন হতে দেয়া হবে না বলে তিনি দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন।

শিল্পমন্ত্রী আজ রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে পাঁচ দিনব্যাপী জাতীয় এসএমই মেলা-২০১৬ এর উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে সাভারের চামড়া শিল্পনগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি) ৪০-৬০টি কারখানা চালুর মতো অবস্থানে রয়েছে। গত দেড় মাস আগেও বলেছি, মার্চের পর থেকে হাজারীবাগে কোনো কাঁচা চামড়া ঢুকবে না। এতে ব্যবসায়ীরা কর্ণপাত করেননি। যুগ যুগ ধরে যে সব ব্যবসায়ী মানুষকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে, তাদেরকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। এখন পচে গেলেও হাজারীবাগে কোনো চামড়া ঢুকবে না। যে কোনো মূল্যে হাজারীবাগ থেকে ট্যানারিগুলো সাভারে সরিয়ে নিতে হবে।

চামড়া শিল্পনগরীতে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ পাচ্ছে না মর্মে ব্যবসায়ীদের অভিযোগের জবাবে আমির হোসেন আমু বলেন, ‘আমরা গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার জন্য সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত রয়েছি। কিন্তু কাদের সংযোগ দেয়া হবে? কেউ তো আবেদনই করেনি। যারা আবেদন করবেন, তাদের এখনই গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে’।  
 
ট্যানারি স্থানান্তর বিষয়ে গত দুই দিনে কয়েকটি পত্রিকার সংবাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে শিল্পমন্ত্রী বলেন, এতদিন ট্যানারি স্থানান্তর না হওয়ায়, পত্রিকাগুলো সরকারকে দায়ী করে সংবাদ ছাপিয়েছে। এখন হাজারীবাগে কাঁচা চামড়া ঢুকতে না দেয়ায় চামড়া স্তুপের ছবি ছাপিয়ে ব্যবসায়ীদের জন্য মায়াকান্না করছে। চামড়া ব্যবসায়ীরা যখন লাখ লাখ মানুষকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে, তখন কিছু মিডিয়ার চামড়া ব্যবসায়ীদের পক্ষে অবস্থান নেয়া বিভ্রান্তিকর ও দুঃখজনক বলে তিনি মন্তব্য করেন।

#

জলিল/আফরাজ/মোশারফ/আব্বাস/২০১৬/ ১৭৩০ ঘণ্টা    


 
তথ্যবিবরণী                                                                                                             নম্বর : ১১১৮

ঢাকা শহরে সাবওয়ে নির্মাণে মতামত ও পরামর্শসভা অনুষ্ঠিত

ঢাকা, ২০ চৈত্র (৩ এপ্রিল) :   
    বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঢাকা সাবওয়ে (আন্ডার গ্রাউন্ড মেট্রো) নির্মাণে মতামত ও পরামর্শ গ্রহণের লক্ষ্যে বনানীর সেতু ভবনে আজ এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।   
    অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী’র সভাপতিত্বে সভায় বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম, সেতু বিভাগের সচিব খোন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন, ডিটিসিএ’র নির্বাহী পরিচালক মো. কায়কোবাদ হোসেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল মো. ছিদ্দিকুর রহমান সরকার ও আবু সাঈদ মো. মাসুদ উপস্থিত ছিলেন।
    সভায় জানানো হয় যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা শহরে সাবওয়ে নির্মাণের বিষয়ে সেতু বিভাগকে নির্দেশনা দেন। প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ প্রাথমিক কার্যক্রম হাতে নেয়। ঢাকা শহরের যানজট নিরসন ও গণপরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়নে পাতাল রেল নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ একটি প্রস্তাবনা প্রণয়ন করেছে। সভায় প্রস্তাবনার বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ও মতামত গ্রহণ করা হয়।
    ঢাকা শহরের বর্তমান অবস্থায় এলিভেটেড এবং এইট-গ্রেড আকারের রাস্তা নির্মাণে জটিলতার বিষয়গুলো বিবেচনা করে শহরের অভ্যন্তরে এমআরটি এর বেশির ভাগ অংশ মাটির নিচে সাবওয়ে নির্মাণ করা সমীচীন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞগণ।
    প্রস্তাবটিতে আরএসটিপি এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে চার লাইনের পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে প্রাথমিকভাবে আরএসটিপি এর এমআরটি-১ এবং এমআরটি-২ অ্যালাইনমেন্ট বরাবর দু’টি সাবওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
    ৩২ কি.মি.এর সাবওয়ে লাইন-১ টঙ্গী হতে শুরু করে এয়ারপোর্ট-কাকলী-মহাখালী-মগবাজার-পল্টন-শাপলা চত্বর হয়ে সায়েদাবাদ পর্যন্ত হবে। পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হবে। সম্ভাব্য নির্মাণ ব্যয় হবে ৫ দশমিক ২৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
    ১৬ কি.মি. এর সাবওয়ে লাইন-২ আমিনবাজার থেকে শুরু করে গাবতলী-শ্যামলী-আসাদগেট-নিউমার্কেট-টিএসসি-ইত্তেফাক হয়ে সায়েদাবাদ পর্যন্ত হবে। পরবর্তীতে উভয়দিকে সম্প্রসারিত হবে। সম্ভাব্য নির্মাণ ব্যয় হবে ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
    মোট ৪৮ কি.মি. সাবওয়ে দু’টির মোট সম্ভাব্য নির্মাণ ব্যয় হবে প্রায় ৮ দশমিক ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা পরবর্তীতে সমীক্ষা সম্পাদনের মাধ্যমে প্রকৃত ব্যয় নিরূপণ করা হবে।
    সভায় সার্ভে বিষয়ক উপস্থাপন করেন ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অভ্ টেকনোলজি’র অধ্যাপক ড. হোসেইন মো. শাহীন। অন্যানের মধ্যে বুয়েটের প্রফেসর শামসুল হক, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ইবনে আলম হাসান, সেতু বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী কবির আহম্মেদসহ সেতু বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

#

ফয়েজ/অনসূয়া/নুসরাত/খাদীজা/রেজ্জাকুল/কামাল/২০১৬/১৬০০ ঘণ্টা    
 
তথ্যবিবরণী                                                                                        নম্বর : ১১১৭
এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের  জন্য সবধরণের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে
                                                                             -শিক্ষামন্ত্রী

ঢাকা, ২০ চৈত্র (৩ এপ্রিল) :  
    শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, পুরোপুরি শান্তিপূর্ণভাবে নকলমুক্ত পরিবেশে এইচএসসি, আলিম ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠানের সকল প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়িয়ে পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বিঘিœত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি এ ধরনের অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সজাগ থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
    শিক্ষামন্ত্রী আজ দেশব্যাপী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রথম দিনে ঢাকায় সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শনকালে অভিভাবক ও সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ আহ্বান জানান।
    নাহিদ বলেন, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র মুদ্রণ, পরিবহণ ও পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছানো পর্যন্ত কঠোর নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের আশঙ্কা দূর করতে কোচিং সেন্টার, ফটোকপির দোকান ও ফেইসবুক নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
    মন্ত্রী বলেন, পুলিশ, র‌্যাব, এসবি, ডিবি, সিআইডি, বিটিআরসিসহ সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগ সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ব্যতীত অন্যান্যদের কেন্দ্রে প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে নিষেধ বলে মন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন।
    উল্লেখ্য, সারাদেশে ৮ টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, ১ টি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, ১টি কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং ডিআইবিএস এর আওতায় এ বছর ২ হাজার ৪৫২ টি পরীক্ষাকেন্দ্রে মোট ১২ লাখ ১৮ হাজার ৬২৮ জন পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। এর মধ্যে ৬ লাখ ৫৪ হাজার ১১৪ জন ছাত্র এবং ৫ লাখ ৬৪ হাজার ৫১৪ জন ছাত্রী। বিদেশে ৭টি কেন্দ্রে ২৬২ জন পরীক্ষার্থী এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। এসব কেন্দ্র দোহা, আবুধাবি, রাস-আল-খাইমা, রিয়াদ, জেদ্দা, ত্রিপলি ও বাহরাইনে অবস্থিত।
#

সাইফুল্লাহ/অনসূয়া/খাদীজা/মিজান/রেজ্জাকুল/কামাল/২০১৬/১৫৩২ ঘণ্টা    

 
তথ্যবিবরণী                                                                                            নম্বর :১১১৬

স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি’র  বৈঠক

ঢাকা, ২০ চৈত্র (৩ এপ্রিল) :
জাতীয় সংসদের স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি’র ১১তম বৈঠক আজ জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়।
কমিটির সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্র সভাপতিত্বে কমিটির সদস্য আলহাজ এডভোকেট মো. রহমত আলী , ফজলে হোসেন বাদশা  এবং রহিমা আকতার  বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।
কমিটি ‘আরবান পাবলিক এন্ড এনভায়রনমেন্টাল হেলথ সেক্টর ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট’ এর আওতায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনসহ আরো ৫টি সিটি কর্পোরেশন- চট্টগ্রাম, রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা ও সিলেট এর হিসাব ও রাজস্ব বিষয়ক কার্যক্রম অটোমেশন,কম্পিউটারাইজেশনের কাজটি আরো বেগবান করার সুপারিশ করে। তাছাড়া গুড গভার্নেন্স এর লক্ষ্যে হোল্ডিং ট্যাক্স বকেয়ার সাথে সাথে বর্তমান ট্যাক্স আদায়েরও সুপারিশ করে।
বৈঠকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে পূর্বের নিয়োগকৃত আইন কর্মকর্তা পরিবর্তন করে নতুন আইন কর্মকর্তা নিয়োগের সুপারিশ করা হয় ।
কমিটি ঢাকা ওয়াসা কর্তৃক বাস্তবায়িত ‘পলিউশান কন্ট্রোল মেজারস অভ্ গুলশান-বারিধারা লেক বাই ডাইভার্টিং দ্য ড্রেনেজ আউটলেটস’ শীর্ষক প্রকল্পে ব্যয়িত অর্থের যথার্থ ব্যবহার এবং উপযোগিতার সঠিক তথ্যাদি পরবর্তী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করে।
ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাদেক হোসেন খোকার দায়িত্ব পালনকালে সংঘটিত অনিয়ম সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদন আইন বিশেষজ্ঞ দ্বারা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষানিরীক্ষা করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আবদুল মালেকসহ মন্ত্রণালয় এবং জ

Todays Handout (7).doc Todays Handout (7).doc

Share with :

Facebook Facebook