তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৫ মার্চ ২০১৬

তথ্যবিবরণী ২৫ মার্চ ২০১৬

তথ্যবিবরণী                                                নম্বর : ১০০৭

বিপুল পরিমাণ জাটকাসহ ২ জেলে আটক করেছে কোস্টগার্ড

ঢাকা, ১১ চৈত্র (২৫ মার্চ) :

    বাংলাদেশ কোস্টগার্ড চাঁদপুর স্টেশনের একটি অপারেশন দল আজ মেঘনা নদীতে অভিযান চালিয়ে এমভি টিপু-৪ এবং মর্নিং সান হতে ১ হাজার ৫০ কিলোগ্রাম জাটকাসহ দু’জন জেলেকে আটক করেছে। আটককৃত জাটকার মূল্য প্রায় ৩ লাখ ১৫ হাজার টাকা।

    নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোবাইলকোর্টের মাধ্যমে আটককৃত জেলেদের প্রত্যেককে এক বছরের সশ্রম কারাদ- প্রদান করেন।

    আটককৃত জাটকা মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে এতিমখানা, মাদ্রাসা ও অসহায় গরিব মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

#

মারুফ/মিজান/নবী/মোশারফ/সেলিম/২০১৬/২০৫০ ঘণ্টা
 
তথ্যবিবরণী                                                                                        নম্বর : ১০০৬

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্যিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার তাগিদ শিল্পমন্ত্রীর
ঢাকা, ১১ চৈত্র (২৫ মার্চ) :
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আঞ্চলিক ইন্ট্রিগ্রেশন ও কানেকটিভিটি শক্তিশালী করে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কোনো কোনো সূচকে ভারত থেকে এগিয়ে গেছে। দু’দেশের মধ্যে বিদ্যমান ঐতিহাসিক সম্পর্কের ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক ব্যবসাবাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন।
শিল্পমন্ত্রী আজ রাজধানীর শিশু একাডেমি মিলনায়তনে ‘টেকসই উন্নয়নের জন্য পারস্পরিক সহযোগিতা (গঁঃঁধষ ঈড়ড়ঢ়বৎধঃরড়হ ভড়ৎ ঝঁংঃধরহধনষব উবাবষড়ঢ়সবহঃ)’ শীর্ষক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। ৪৬তম মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সমিতি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। মৈত্রী সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ কে. আজাদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশে ভারতের উপ-হাইকমিশনার ড. আদর্শ সোয়াইকা (উৎ. অফধৎংয ঝধিরশধ) এবং মৈত্রী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুবীর কুশারী বক্তব্য রাখেন।
আমির হোসেন আমু বলেন, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ভারতের সাথে বাংলাদেশের মৈত্রীর সূচনা হয়েছিল। এ যুদ্ধে ভারতের জনগণ ও সরকার যে সমর্থন ও সহযোগিতা করেছিল, তা বিশ্বের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত। তিনি বলেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন অর্থনৈতিক, সামরিক ও কূটনৈতিক সাহায্যের পাশাপাশি ভারত প্রায় এক কোটি বাংলাদেশি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছিল। এ যুদ্ধে বাংলাদেশের ত্রিশ লাখ শহিদদের পাশাপাশি সাড়ে ১১ হাজার ভারতীয় সৈন্য জীবন উৎসর্গ করেছিলেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য রাজনৈতিক বন্ধুত্বের পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করতে হবে। দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক ভারসাম্য আনতে প্যারাট্যারিফ ও ননট্যারিফ প্রতিবন্ধকতা পরিহারে আন্তরিকভাবে উদ্যোগ নিতে হবে। সাফ্টা চুক্তির আওতায় ভারত বাংলাদেশের ২৫টি আইটেম ছাড়া সকল পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দিলেও স্থানীয়ভাবে শুল্কারোপ করায় বাংলাদেশি পণ্য ভারতে প্রবেশ করতে পারছে না বলে তিনি ব্যবসায়ীদের অভিযোগের কথা তুলে ধরেন।
বাংলাদেশ ভারত থেকে প্রায় তিন হাজার আইটেম পণ্য আমদানি করছে উল্লেখ করে শিল্পমন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে আরো বেশি করে ব্যবহারিক পণ্য আমদানি করতে ভারতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ ভারত থেকে ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য আমদানি করেছে। একই অর্থবছরে বাংলাদেশ ভারতে মাত্র ৪শ’ ৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে। তিনি টেকসই আঞ্চলিক উন্নয়নের স্বার্থে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ভারতের উপ-হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণ এক অবিচ্ছেদ্য ঐতিহাসিক বন্ধনে আবদ্ধ। দু’দেশের মধ্যে খাদ্যাভ্যাস, ভাষা, শিল্প-সাহিত্য, সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক কর্মকা-ে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। তিনি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রশংসা করেন। টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তিনি দু’দেশের মধ্যে ব্যবসাবাণিজ্য, যোগাযোগসহ বহুমাত্রিক কানেকটিভিটি জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
#
জলিল/মিজান/নবী/মোশারফ/সেলিম/২০১৬/২০৩০ ঘণ্টা
 
তথ্যবিবরণী                                              নম্বর : ১০০৫  

মহান স¦াধীনতা দিবস থেকে তথ্য অধিদফতরের সেবাসমূহ অনলাইনে


ঢাকা, ১১ চৈত্র (২৫ মার্চ) :
    আগামীকাল মহান স¦াধীনতা দিবস থেকে সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজড হচ্ছে তথ্য অধিদফতরের তথ্যবিবরণী সেবা। এ দিন থেকে তথ্য অধিদফতর সংবাদ মাধ্যমে হার্ডকপি প্রেরণ বন্ধ করে শুধু অনলাইন সেবা প্রদান করবে। এ অধিদফতরের ওয়েবপোর্টালের ঠিকানা িি.িঢ়ৎবংংরহভড়ৎস.ঢ়ড়ৎঃধষ.মড়া.নফ।
    সংবাদ মাধ্যমে প্রচারের জন্য তথ্যবিবরণী, ছবি এবং সংবাদ সম্মেলন ও মিডিয়া কভারেজের চিঠি প্রেরণ সেবাসমূহ শুধু অনলাইনে প্রদান করা হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তথ্য অধিদফতরের সেবাসমূহ সংবাদ মাধ্যমে সহজে ও দ্রুততার সাথে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
#

মিজান/নবী/মোশারফ/আব্বাস/২০১৬/২১০২ ঘণ্টা

 
তথ্যবিবরণী                                                                             নম্বর : ১০০৪

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
ভর্তির আবেদন ও রেজিস্ট্রেশন ফি ‘সোনালী সেবা’ এর মাধ্যমে জমাদান

ঢাকা, ১১ চৈত্র (২৫ মার্চ) :

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি (পাস), ¯œাতক (সম্মান), ¯œাতক (প্রফেশনাল), মাস্টার্স ১ম পর্ব এবং মাস্টার্স শেষ পর্ব ভর্তি কার্যক্রমে যে সকল কলেজ প্রাথমিক আবেদন ফিস, রেজিস্ট্রেশন ফি নির্ধারিত সময়ে ‘সোনালী সেবা’ এর মাধ্যমে জমা দেয়নি, সে সকল কলেজকে আগামী ৩০ মার্চ থেকে ১৭ এপ্রিলের মধ্যে পে সিøপ (ঢ়ধু ংষরঢ়)  ডাউনলোড করে নির্ধারিত ফি নিকটস্থ সোনালী ব্যাংক শাখায় জমা দেয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

    যে সকল কলেজ সংশ্লিষ্ট ভর্তি কার্যক্রমে ইতোমধ্যে সোনালী সেবার মাধ্যমে প্রাথমিক আবেদন, রেজিস্ট্রেশন ফি জমা দিয়েছে কিন্তু জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢ়সং.হঁ.বফঁ.নফ/ ঢ়সং/ফবভধঁষঃ.ধংঢ়ী ওয়েবসাইটের ঈড়ষষবমব ঢ়ধুসবহঃ অপশনে চবহফরহম প্রদর্শিত হচ্ছে, সে সকল কলেজকে ‘সোনালী সেবা’ এর রশিদসহ সংশ্লিষ্ট ডিন দফতরে যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

    উল্লেখিত তারিখের পর আর কোনো সময় বর্ধিত করা হবে না।

#

ফয়জুল/মিজান/নবী/মোশারফ/সেলিম/২০১৬/১৯০০ ঘণ্টা
 
তথ্যবিবরণী                                                                             নম্বর : ১০০৩

হাতিরঝিলে আন্তর্জাতিকমানের অপেরা হাউস নির্মাণ করা হবে
                                      -- গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী

ঢাকা, ১১ চৈত্র (২৫ মার্চ) :

    হাতিরঝিলে আন্তর্জাতিকমানের একটি অপেরা হাউস নির্মাণ করা হবে। এ অপেরা হাউসে দেশি-বিদেশি বড় বড় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা যাবে। আন্তর্জাতিকমানের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করার মতো বর্তমানে দেশে ভালমানের মিলনায়তন বা অপেরা হাউস নেই। এ ছাড়াও এখানে একটি দ্বীপ তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে ঢাকার চোখ (উযধশধ ঊুব) নির্মাণ করা হবে।

    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন আজ ঢাকার হাতিরঝিল ও গুলশান-বনানী লেকের উন্নয়নকাজ পরিদর্শনকালে এ কথা জানান। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব মো. আবুল কালাম আজাদ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার, রাজউক চেয়ারম্যান
জি এম জয়নাল আবেদীন এবং মেজর জনারেল সাইদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

    গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, ভাসমান এমপি থিয়েটারের নির্মাণকাজ অতিদ্রুতই শেষ করা হবে। এখানে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মসূচির আয়োজন করা যাবে। এমপি থিয়েটারের কাছেই ১০তলা বিশিষ্ট অত্যাধুনিক গাড়ি পার্কিংয়ের ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। এ ভবনে গাড়ি পাকিংয়ের সুবিধা ছাড়াও একটি সম্মেলনকক্ষ, হাতিরঝিলের ইতিহাস সংক্রান্ত জাদুঘর, রেস্টুরেন্ট ও অন্যান্য সুবিধা থাকবে। হাতিরঝিলে ভাসমান রেস্টুরেন্টও করা হবে এবং ব্যাটারিচালিত ওয়াটার স্কুটার চালু করা হবে।

    মন্ত্রী পরে গুলশান-বনানী লেকের উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করেন। তিনি গুলশান লেকের মাটি অপসারণের কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেন। পানিতে যাতে ময়লা না ফেলে সেজন্য সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে লেকের পাড়ে ডাস্টবিন স্থাপনেরও তিনি নির্দেশ দেন।

    মন্ত্রী বনানীতে লেকের বিভিন্ন স্থানের মাটি অপসারণের কাজ পরিদর্শন করেন। গুলশান-বনানী লেকের মাটি অপসারণের কাজ শেষ হলে লেকের পানিতে বাসাবাড়ির বর্জ্য সংযোগগুলো বন্ধ করে দেয়ার নির্দেশ দেন, যাতে কোনোভাবে বর্জ্য দিয়ে লেকের পানি দূষিত না হয়। উল্লেখ্য, ৪১০ কোটি টাকা ব্যয়ে গুলশান-বনানীর লেকের উন্নয়ন করা হচ্ছে।

    #    

কিবরিয়া/মিজান/নবী/মোশারফ/সেলিম/২০১৬/১৮৩০ ঘণ্টা  
তথ্যবিবরণী                                                                                                    নম্বর : ১০০২
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণী  
ঢাকা, ১১ চৈত্র (২৫ মার্চ) :
       প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :
    “মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আমি দেশবাসী এবং প্রবাসী সকল বাঙালিকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
    ২৬ মার্চ আমাদের জাতির আত্মপরিচয় অর্জনের দিন। পরাধীনতার শিকল ভাঙার দিন। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে আমি গভীর শ্রদ্ধা জানাই বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের মহানায়ক, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যাঁর অবিসংবাদিত নেতৃত্বে আমরা অর্জন করেছি প্রিয় স্বাধীনতা।
    আমি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি মহান মুক্তিযুদ্ধের ত্রিশ লাখ শহীদ এবং দুই লাখ সম্ভ্রমহারা মা-বোনকে, যাঁদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে কাক্সিক্ষত বিজয়। শ্রদ্ধা জানাই জাতীয় চার নেতাকে, যাঁরা মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সম্মান জানাই যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাসহ সকল মুক্তিযোদ্ধাদের। যাঁরা স্বজন হারিয়েছেন, নির্যাতিত হয়েছেন তাঁদের প্রতি জানাচ্ছি গভীর সমবেদনা। আমি কৃতজ্ঞতা জানাই সকল বন্ধুরাষ্ট্র, সংগঠন ও ব্যক্তির প্রতি, যাঁরা আমাদের মুক্তিযুদ্ধে অকৃপণ সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন।
    একাত্তরের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অতর্কিতে নিরীহ ও নিরস্ত্র বাঙালির ওপর হত্যাযজ্ঞ শুরু করে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এই ঘোষণা টেলিগ্রাম, টেলিপ্রিন্টার ও তৎকালীন ইপিআর-এর ওয়ারলেসের মাধ্যমে সমগ্র বাংলাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও এই ঘোষণা প্রচারিত হয়।
    এর আগে ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতার ডাক দেন। তিনি বলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ তিনি বাঙালি জাতিকে শত্রুর মোকাবিলা করার নির্দেশ দেন। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে পরিচালিত ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ শেষে ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়।
    লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন। এই অর্জনকে অর্থপূর্ণ করতে সবাইকে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানতে হবে, স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করতে হবে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে পৌঁছে দিতে হবে।
      বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যখনই সরকার গঠন করেছে মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে  দেশ ও জাতির উন্নয়নে নিবেদিত থেকেছে। গত সাত বছরে আমরা কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, ক্রীড়া, তথ্যপ্রযুক্তি, বৈদেশিক সম্পর্ক, নগর উন্নয়ন, গ্রামীণ উন্নয়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা, নারী উন্নয়নসহ প্রতিটি সেক্টরে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকা- বাস্তবায়ন করেছি। এর ফলে আমাদের ক্রয়ক্ষমতা, মাথাপিছু আয়, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, রপ্তানি, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোলমডেল। জাতিসংঘসহ বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সংস্থা আমাদের প্রশংসা করেছে, পুরস্কৃত করেছে।
    আমরা সপরিবারে জাতির পিতা হত্যার বিচারের রায় কার্যকর করেছি। একাত্তরের মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকর করা হচ্ছে। বুদ্ধিজীবী হত্যাকারীদের বিচারের রায়ও কার্যকর হবে। স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এবং গণতন্ত্রবিরোধী অপশক্তি এখনও দেশের গণতন্ত্র ও সরকারের অব্যাহত উন্নয়নের ধারা বানচাল করতে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এসকল অপশক্তির যেকোনো অপতৎপরতা ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করার জন্য আজকের এদিনে আমি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাই।
    আমরা স্বাধীনতার সুফল বাংলার প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আমাদের লক্ষ্য ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যআয়ের দেশে উন্নীত করা এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করা। আমরা এই লক্ষ্য অর্জনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।  
    আমি আশা করি, বাংলাদেশকে একটি শান্তিপূর্ণ, অসাম্প্রদায়িক ও উন্নত-সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করতে প্রতিটি বাঙালি দেশপ্রেমের মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে স্ব-স্ব অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও সততার সঙ্গে দেশের উন্নয়নে আত্মনিয়োগ করবেন। বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে মর্যাদাপূর্ণ আসনে অধিষ্ঠিত করবেন।
    আসুন, সবাই মিলে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলি। আজকের দিনে এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।  
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”
#
নুরএলাহি/মিজান/মোশারফ/সেলিম/২০১৬/১৭০৫ ঘণ্টা      
 
তথ্যবিবরণী                                                                                            নম্বর :  ১০০১
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী  
ঢাকা, ১১ চৈত্র (২৫ মার্চ) :
    রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :   
    “মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০১৬ উপলক্ষে আমি দেশবাসী ও প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন।  
    মহান স্বাধীনতা দিবস আমাদের জাতীয় জীবনে এক অনন্য গৌরবময় দিন। ঐতিহাসিক এ দিনে আমি পরম শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যিনি জাতিকে দু’দশকের অধিক সময় ধরে বাঙালি জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি স্বাধীনতার জন্য প্রস্তুত করে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তাঁরই নেতৃত্বে দীর্ঘ ন’মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয় আমাদের কাক্সিক্ষত স্বাধীনতা। আমি আজ সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করি মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহিদদের। আরও স্মরণ করি জাতীয় চার নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক-সমর্থকসহ সকল স্তরের জনগণকে, যাঁদের অসামান্য অবদান ও সাহসী ভূমিকা আমাদের বিজয় অর্জনকে ত্বরান্বিত করে।
    মহান স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল একটি সুখী ও সমৃদ্ধ দেশ গড়া। সে লক্ষ্য অর্জনে বর্তমান সরকার নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। জাতীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। কৃষির উন্নতিতে দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। স্বল্প পরিসরে হলেও খাদ্য রপ্তানি হচ্ছে। নারীর ক্ষমতায়ন হয়েছে। মাতৃ ও শিশু মৃত্যুহার কমেছে। বেড়েছে মানুষের গড় আয়ু। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর মতো বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। বেসরকারি খাতেও যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। ব্যাংক-বীমা ও আর্থিক খাতের বিকাশ হয়েছে। আর্থসামাজিক উন্ন্য়নের ফলে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোলমডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
    আন্তর্জাতিক পরিম-লেও আমাদের অর্জন প্রশংসনীয়। ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’ এ নীতির ভিত্তিতে সরকারের সফল পররাষ্ট্রনীতির কারণে প্রতিবেশী দেশ ভারত ও মিয়ানমারের সাথে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সীমানা বিরোধের সমাধান হয়েছে। পৃথিবীর বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্রসমূহের সাথে বাংলাদেশের পারস্পরিক সম্পর্ক গভীরতর ও সম্প্রসারিত হয়েছে। পরিবেশের উন্নয়নসহ বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের অবদান আজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা জাতিসংঘের আওতায় বিভিন্ন মিশনে পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। প্রবাসী বাংলাদেশিরাও তাঁদের কষ্টার্জিত রেমিটেন্স প্রেরণের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। এতদ্সত্ত্বেও স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য অর্জনে আমাদের আরও অনেক দূর যেতে হবে। এজন্য প্রয়োজন দলমত নির্বিশেষে সকলের আন্তরিক ও ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস।
    সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আমাদের ঐতিহ্য। এ দেশের জনগণ জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদসহ কোনো ধরনের সহিংসতা সমর্থন করে না। তারা সবসময় শান্তি ও সহাবস্থানের পক্ষে। গণতন্ত্র বিকাশের পূর্বশর্ত হলো গণতান্ত্রিক রীতি-নীতির অব্যাহত চর্চা, পরমতসহিষ্ণুতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ। এ জন্য জাতীয় জীবনে আমাদের আরও ধৈর্য, সংযম ও সহনশীলতার পরিচয় দিতে হবে। অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের অবিনাশী চেতনা ও অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধকে জাগ্রত করতে হবে। জাতির পিতা দেশকে ‘সোনার বাংলা’য় পরিণত করার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তাঁর সেই স্বপ্ন পূরণে বর্তমান সরকার ‘রূপকল্প ২০২১’ ও ‘রূপকল্প ২০৪১’ ঘোষণা করেছে। এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে আমাদের অব্যাহত প্রচেষ্টা চালাতে হবে।
    স্বাধীনতার এই মহান দিনে আমি দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানাই।
    খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”
#
আজাদ/মিজান/মোশারফ/সেলিম/২০১৬/১৭০৩ ঘণ্টা
 
ঐধহফড়ঁঃ                                                                                                        ঘঁসনবৎ : ১০০০

চৎরসব গরহরংঃবৎ’ং গবংংধমব ড়হ ঃযব ড়পপধংরড়হ ড়ভ
মৎবধঃ ওহফবঢ়বহফবহপব ধহফ ঘধঃরড়হধষ উধু

উযধশধ, গধৎপয ২৫:  
    চৎরসব গরহরংঃবৎ ঝযবরশয ঐধংরহধ যধং মরাবহ ঃযব ভড়ষষড়রিহম সবংংধমব ড়হ ঃযব ড়পপধংরড়হ ড়ভ ঃযব মৎবধঃ ওহফবঢ়বহফবহপব ধহফ ঘধঃরড়হধষ উধু :   
    "ও পড়হাবু সু যবধৎঃরবংঃ মৎববঃরহমং ঃড় সু পড়ঁহঃৎুসবহ ধং বিষষ ধং ঃড় ধষষ বীঢ়ধঃৎরধঃব ইধহমধষরং ড়হ ঃযব ড়পপধংরড়হ ড়ভ ঃযব মৎবধঃ ওহফবঢ়বহফবহপব ধহফ ঘধঃরড়হধষ উধু ড়ভ ইধহমষধফবংয.
    ২৬ গধৎপয রং ঃযব ফধু ড়ভ বধৎহরহম ংবষভ-রফবহঃরঃু ড়ভ ড়ঁৎ হধঃরড়হ. ওঃ'ং ঃযব ফধু ড়ভ নৎবধশরহম ঃযব ংযধপশষবং ড়ভ ংঁনলঁমধঃরড়হ. ঙহ ঃযব বাব ড়ভ ঃযব ওহফবঢ়বহফবহপব ফধু, ও ৎবপধষষ রিঃয ফববঢ় মৎধঃরঃঁফব ঃযব মৎবধঃবংঃ ইধহমধষর ড়ভ ধষষ ঃরসব, ঋধঃযবৎ ড়ভ ঃযব ঘধঃরড়হ ইধহমধনধহফযঁ ঝযবরশয গঁলরনঁৎ জধযসধহ, ঁহফবৎ যিড়ংব ফুহধসরপ ষবধফবৎংযরঢ় বি বধৎহবফ ড়ঁৎ মৎবধঃ রহফবঢ়বহফবহপব.
    ও ঢ়ধু সু ফববঢ় যড়সধমব ঃড় ঃযব ৩ সরষষরড়হ সধৎঃুৎং ধহফ ২০০ ঃযড়ঁংধহফ ড়িসবহ যিড় ষড়ংঃ ঃযবরৎ রহহড়পবহপব রহ ঃযব ডধৎ ড়ভ খরনবৎধঃরড়হ. ও ধষংড় ঢ়ধু সু ঃৎরনঁঃবং ঃড় ভড়ঁৎ হধঃরড়হধষ ষবধফবৎং যিড় ষবফ ঃযব ডধৎ ড়ভ খরনবৎধঃরড়হ. গু যড়সধমব মড়বং ঃড় ঃযব াধষরধহঃ ভৎববফড়স ভরমযঃবৎং, রহপষঁফরহম ঃযব ড়িঁহফবফ ড়হবং. ও বীঃবহফ সু ংুসঢ়ধঃযরবং ঃড় ঃযড়ংব যিড় ষড়ংঃ ঃযবরৎ হবধৎ ধহফ ফবধৎ ড়হবং, ধহফ বিৎব ংঁনলবপঃবফ ঃড় নৎঁঃধষ ঃড়ৎঃঁৎব ফঁৎরহম ঃযব ধিৎ. ও ৎবপধষষ রিঃয মৎধঃরঃঁফব ড়ঁৎ ভড়ৎবরমহ ভৎরবহফং যিড় যধফ বীঃবহফবফ ঃযবরৎ যিড়ষব-যবধৎঃবফ ংঁঢ়ঢ়ড়ৎঃ ধহফ পড়ড়ঢ়বৎধঃরড়হ ভড়ৎ ঃযব পধঁংব ড়ভ ড়ঁৎ ষরনবৎধঃরড়হ.
    ঞযব ড়পপঁঢ়ধঃরড়হ ভড়ৎপবং ষধঁহপযবফ ংঁফফবহ ধঃঃধপশ ধহফ ংঃধৎঃবফ শরষষরহম রহহড়পবহঃ ধহফ ঁহধৎসবফ ইধহমধষরং ড়হ ঃযব নষধপশ হরমযঃ ড়ভ ২৫ গধৎপয, ১৯৭১. ঋধঃযবৎ ড়ভ ঃযব ঘধঃরড়হ ইধহমধনধহফযঁ ঝযবরশয গঁলরনঁৎ জধযসধহ ঢ়ৎড়পষধরসবফ ঃযব রহফবঢ়বহফবহপব ড়ভ ইধহমষধফবংয ধঃ ঃযব ভরৎংঃ যড়ঁৎ ড়ভ ২৬ গধৎপয, ১৯৭১. ইধহমধনধহফযঁ'ং ঢ়ৎড়পষধসধঃরড়হ ধিং ংঢ়ৎবধফ ধষষ ড়াবৎ ঃযব পড়ঁহঃৎু ঃযৎড়ঁময ঃবষবমৎধসং, ঃবষব-ঢ়ৎরহঃবৎং ধহফ ঊচজ রিৎবষবংং. ঞযব রহঃবৎহধঃরড়হধষ সবফরধ ধষংড় যধফ পরৎপঁষধঃবফ ইধহমনধহফযঁ'ং ঢ়ৎড়পষধসধঃরড়হ ড়ভ রহফবঢ়বহফবহপব.
    ঊধৎষরবৎ, ইধহমধনধহফযঁ রহ যরং ৭ গধৎপয যরংঃড়ৎরপ ধফফৎবংং ধঃ ঃযব ঝঁযৎধধিৎফু টফুধহ, সধফব ধ ভবৎাবহঃ পধষষ ড়ভ রহফবঢ়বহফবহপব. ঐব ংধরফ, "ঞযব ংঃৎঁমমষব ড়ভ ঃযরং ঃরসব রং ভড়ৎ ড়ঁৎ ভৎববফড়স, ঃযব ংঃৎঁমমষব ড়ভ ঃযরং ঃরসব রং ভড়ৎ রহফবঢ়বহফবহপব." ঐব রহংঃৎঁপঃবফ ঃযব ইধহমধষর হধঃরড়হ ঃড় ৎবংরংঃ ঃযব বহবসরবং. টহফবৎ ঃযব নৎধাব ধহফ ফধঁহঃষবংং ষবধফবৎংযরঢ় ড়ভ ইধহমধনধহফযঁ, বি বধৎহবফ ঃযব ঁষঃরসধঃব ারপঃড়ৎু ড়হ ১৬ উবপবসনবৎ, ১৯৭১ ধভঃবৎ ধ ৯-সড়হঃয নষড়ড়ফু ধিৎ.  
    ঞযব রহফবঢ়বহফবহপব বধৎহবফ ঃযৎড়ঁময ংঁঢ়ৎবসব ংধপৎরভরপবং ড়ভ সরষষরড়হং ড়ভ ঢ়বড়ঢ়ষব রং ঃযব মৎবধঃবংঃ ধপযরবাবসবহঃ ড়ভ ইধহমধষর হধঃরড়হ. ঞড় বহংঁৎব ঃযধঃ ঃযরং ধপযরবাবসবহঃ ৎবসধরহং সবধহরহমভঁষ, ধষষ ংযড়ঁষফ শহড়ি ঃযব যরংঃড়ৎু ড়ভ ড়ঁৎ মৎবধঃ ষরনবৎধঃরড়হ ধিৎ ধহফ ৎবঃধরহ ঃযব ংঢ়রৎরঃ ড়ভ রহফবঢ়বহফবহপব. ঞযব যরংঃড়ৎু ংযড়ঁষফ নব ঢ়ধংংবফ ড়হ ঃড় মবহবৎধঃরড়হ ঃড় মবহবৎধঃরড়হ.  
    ডযবহবাবৎ ইধহমষধফবংয অধিসর খবধমঁব ভড়ৎসবফ মড়াবৎহসবহঃ, রঃ ৎবসধরহবফ পড়সসরঃঃবফ ঃড় ফবাবষড়ঢ়রহম ঃযব পড়ঁহঃৎু ধহফ ঃযব হধঃরড়হ ঁঢ়যড়ষফরহম ঃযব ংঢ়রৎরঃ ড়ভ ড়ঁৎ মৎবধঃ রহফবঢ়বহফবহপব ধহফ ভৎববফড়স ংঃৎঁমমষব. উঁৎরহম ঃযব ষধংঃ ৭ ুবধৎং, বি যধাব রসঢ়ষবসবহঃবফ াধংঃ ফবাবষড়ঢ়সবহঃ ঢ়ৎড়মৎধসসবং রহ ধষষ ংবপঃড়ৎং, রহপষঁফরহম ধমৎরপঁষঃঁৎব, বফঁপধঃরড়হ, যবধষঃয, ষধি ধহফ ড়ৎফবৎ, রহভড়ৎসধঃরড়হ ঃবপযহড়ষড়মু, বহবৎমু ধহফ ঢ়ড়বিৎ, পড়সসঁহরপধঃরড়হং, ংঢ়ড়ৎঃং, ভড়ৎবরমহ ৎবষধঃরড়হং, ঁৎনধহ ধহফ ৎঁৎধষ ফবাবষড়ঢ়সবহঃ, যঁসধহ ফবাবষড়ঢ়সবহঃ, ংড়পরধষ ংধভবঃু-হবঃ ধহফ ড়িসবহ ফবাবষড়ঢ়সবহঃ. অং ধ ৎবংঁষঃ, ড়ঁৎ ঢ়ঁৎপযধংরহম পধঢ়ধপরঃু, ঢ়বৎ পধঢ়রঃধ রহপড়সব, ভড়ৎবরমহ পঁৎৎবহপু ৎবংবৎাব, বীঢ়ড়ৎঃ, রহাবংঃসবহঃ ধহফ বসঢ়ষড়ুসবহঃ যধাব সঁষঃরঢ়ষরবফ সধহরভড়ষফ. ইধহমষধফবংয যধং বসবৎমবফ ধং ধ ৎড়ষব সড়ফবষ ড়ভ ফবাবষড়ঢ়সবহঃ. ঠধৎরড়ঁং পড়ঁহঃৎরবং ধহফ ড়ৎমধহরংধঃরড়হং, রহপষঁফরহম ঃযব টঘ, যধাব ষধঁফবফ ইধহমষধফবংয ধহফ যড়হড়ঁৎবফ.
    ডব যধাব বীবপঁঃবফ ঃযব াবৎফরপঃ ড়ভ ঃযব শরষষরহম পধংব ড়ভ ইধহমধনধহফযঁ ধহফ সড়ংঃ ড়ভ যরং ভধসরষু সবসনবৎং. ঞযব াবৎফরপঃং ড়ভ পধংবং ধমধরহংঃ ঃযড়ংব যিড় পড়সসরঃঃবফ পৎরসবং ধমধরহংঃ যঁসধহরঃু ধৎব ধষংড় নবরহম বীবপঁঃবফ. ঞযব ফবভবধঃবফ ধহঃর-ষরনবৎধঃরড়হ, পড়সসঁহধষ ভড়ৎপবং ধৎব ংঃরষষ বহমধমবফ রহ ঁহফড়রহম ঃযব ফবসড়পৎধঃরপ ধহফ ফবাবষড়ঢ়সবহঃ ঢ়ৎড়পবংং ড়ভ ঃযব পড়ঁহঃৎু. ঙহ ঃযরং ধঁংঢ়রপরড়ঁং ফধু, ও ঁৎমব ঃযব পড়ঁহঃৎুসবহ ঃড় ভড়রষ ধহু ঢ়ষড়ঃ ড়ভ ঃযব বারষ-ভড়ৎপবং ঃড়মবঃযবৎ.
    ডব ধৎব পড়সসরঃঃবফ ঃড় ৎবধপযরহম ঃযব ভৎঁরঃং ড়ভ ঃযব রহফবঢ়বহফবহপব ঃড় বাবৎু হড়ড়শ ধহফ পৎধহহু. ঙঁৎ ঃধৎমবঃ রং ঃড় ঃঁৎহ ইধহমষধফবংয রহঃড় ধ সরফফষব-রহপড়সব পড়ঁহঃৎু নু ২০২১, ধহফ ধ ফবাবষড়ঢ়বফ ধহফ ঢ়ৎড়ংঢ়বৎড়ঁং ড়হব নু ২০৪১. ডব যধাব নববহ ংঃৎরারহম যধৎফ ঃড় ধপপড়সঢ়ষরংয ঃযব ঃধৎমবঃ.
    ও যড়ঢ়ব ঃযধঃ ধষষ পরঃরুবহং ড়ভ ড়ঁৎ পড়ঁহঃৎু ড়িঁষফ বহমধমব ঃযবসংবষাবং রিঃয ঃযবরৎ ঁঃসড়ংঃ ংরহপবৎরঃু, যড়হবংঃু ধহফ ফবফরপধঃরড়হ ঃড় নঁরষফ ইধহমষধফবংয ধং ধ ঢ়বধপবভঁষ, হড়হ-পড়সসঁহধষ, ফবাবষড়ঢ়বফ ধহফ ঢ়ৎড়ংঢ়বৎড়ঁং পড়ঁহঃৎু ধহফ যবষঢ় ঢ়ষধপব রঃ ড়হ ধ ঢ়ৎবংঃরমরড়ঁং ঢ়ড়ংরঃরড়হ রহ ঃযব পড়সরঃু ড়ভ হধঃরড়হং.
    খবঃ ঁং ঃধশব ধ ভৎবংয াড়ি ঃড় নঁরষফ ধ এড়ষফবহ ইধহমষধ ধং ফৎবধসঃ নু ঃযব ঋধঃযবৎ ড়ভ ঃযব ঘধঃরড়হ নবরহম রসনঁবফ রিঃয ঃযব ংঢ়রৎরঃ ড়ভ ঃযব ধিৎ ড়ভ ষরনবৎধঃরড়হ.
ঔড়র ইধহমষধ, ঔড়র ইধহমধনধহফযঁ
গধু ইধহমষধফবংয খরাব ঋড়ৎবাবৎ."
#
 ঘড়ড়ৎবষধযর/গরুধহ/গড়ংযধৎধভ/ঝবষরস/২০১৬/১৭০২  যড়ঁৎং    
ঐধহফড়ঁঃ                                                                                                                    ঘঁসনবৎ :  ৯৯৯
চৎবংরফবহঃ'ং গবংংধমব ড়হ ঃযব ড়পপধংরড়হ ড়ভ
মৎবধঃ ওহফবঢ়বহফবহপব ধহফ ঘধঃরড়হধষ উধু
উযধশধ,  গধৎপয ২৫ :
    চৎবংরফবহঃ গফ. অনফঁষ ঐধসরফ যধং মরাবহ ঃযব ভড়ষষড়রিহম সবংংধমব ড়হ ঃযব ড়পপধংরড়হ ড়ভ ঃযব মৎবধঃ ওহফবঢ়বহফবহপব ধহফ ঘধঃরড়হধষ উধু :
    "ঙহ ঃযব বাব ড়ভ ড়ঁৎ মৎবধঃ ওহফবঢ়বহফবহপব ধহফ ঘধঃরড়হধষ উধু ২০১৬, ও বীঃবহফ সু যবধৎঃভবষঃ মৎববঃরহমং ধহফ ধিৎস ভবষরপরঃধঃরড়হং ঃড় সু ভবষষড়ি পড়ঁহঃৎুসবহ ষরারহম ধঃ যড়সব ধহফ ধনৎড়ধফ.
    ঞযব মৎবধঃ ওহফবঢ়বহফবহপব উধু রং ধ মষড়ৎরড়ঁং ড়হব রহ ড়ঁৎ হধঃরড়হধষ ষরভব. ঙহ ঃযরং যরংঃড়ৎরপ ফধু, ও ৎবপধষষ রিঃয ঢ়ৎড়ভড়ঁহফ ৎবংঢ়বপঃ ঋধঃযবৎ ড়ভ ঃযব ঘধঃরড়হ ইধহমধনধহফযঁ ঝযবরশয গঁলরনঁৎ জধযসধহ যিড় ঢ়ৎড়পষধরসবফ পড়ঁহঃৎু’ং রহফবঢ়বহফবহপব ড়হ গধৎপয ২৬, ১৯৭১ ধভঃবৎ রহংঢ়রৎরহম ঃযব যিড়ষব হধঃরড়হ রিঃয ইধহমধষর হধঃরড়হধষরংস ধহফ ঢ়ৎবঢ়ধৎরহম ঃযবস ভড়ৎ রহফবঢ়বহফবহপব ভড়ৎ ড়াবৎ ঃড়ি ফবপধফবং. টহফবৎ যরং পযধৎরংসধঃরপ ষবধফবৎংযরঢ়, বি ধপযরবাবফ ড়ঁৎ ষড়হম-পযবৎরংযবফ রহফবঢ়বহফবহপব ঃযৎড়ঁময ধ হরহব-সড়হঃয ষড়হম ধৎসবফ ংঃৎঁমমষব. ও ঢ়ধু সু ফববঢ় মৎধঃরঃঁফব ঃড় ঃযব যবৎড়রপ সধৎঃুৎং যিড় সধফব ংঁঢ়ৎবসব ংধপৎরভরপবং রহ ঃযব ধিৎ ড়ভ ষরনবৎধঃরড়হ. ও ধষংড় ৎবপধষষ রিঃয ফববঢ় ৎবাবৎবহপব ড়ঁৎ ভড়ঁৎ হধঃরড়হধষ ষবধফবৎং, াধষরধহঃ ভৎববফড়স-ভরমযঃবৎং, ড়ৎমধহরুবৎং, ংঁঢ়ঢ়ড়ৎঃবৎং ধহফ ঢ়বড়ঢ়ষব ভৎড়স ধষষ ধিষশং ড়ভ ষরভব ভড়ৎ ঃযবরৎ ঁহসধঃপযবফ পড়হঃৎরনঁঃরড়হং ধহফ পড়ঁৎধমবড়ঁং ৎড়ষব ঃযধঃ ধপপবষবৎধঃবফ ঃযব ঢ়ৎড়পবংং ড়ভ ড়ঁৎ ারপঃড়ৎু.
    ঙহব ড়ভ ঃযব ঢ়ৎরসব ড়নলবপঃরাবং ড়ভ ড়ঁৎ যধৎফ-বধৎহবফ রহফবঢ়বহফবহপব ধিং ঃড় নঁরষফ ধ যধঢ়ঢ়ু ধহফ ঢ়ৎড়ংঢ়বৎড়ঁং ইধহমষধফবংয. কববঢ়রহম ঃযধঃ রহ সরহফ, ঃযব এড়াবৎহসবহঃ যধং নববহ সধশরহম ঁহঃরৎরহম বভভড়ৎঃং রহ সধঃবৎরধষরুরহম ঃযব ড়নলবপঃরাবং ড়ভ রহফবঢ়বহফবহপব. ওহ ঃযব সবধহঃরসব, বি যধাব ধপযরবাবফ হড়ঃধনষব ঢ়ৎড়মৎবংং রহ বাবৎু ংঢ়যবৎব ড়ভ ড়ঁৎ হধঃরড়হধষ ষরভব. ঈড়ঁহঃৎু যধং ধঃঃধরহবফ ভড়ড়ফ-ংঁভভরপরবহপু ফঁব ঃড় যঁমব ফবাবষড়ঢ়সবহঃ রহ ধমৎরপঁষঃঁৎব. ঋড়ড়ফ মৎধরহং ধৎব নবরহম বীঢ়ড়ৎঃবফ রহ ধ ংসধষষ ংপধষব. ঊসঢ়ড়বিৎসবহঃ ড়ভ ড়িসবহ রং পড়হঃরহঁরহম. গধঃবৎহধষ ধহফ পযরষফ সড়ৎঃধষরঃু ৎধঃব যধং নববহ ৎবফঁপবফ ধহফ ষরভব বীঢ়বপঃধহপু ৎধঃব যধং ংরসঁষঃধহবড়ঁংষু নববহ ৎধরংবফ. ঞযব সবমধ ঢ়ৎড়লবপঃ ড়ভ পড়হংঃৎঁপঃরহম ঃযব চধফসধ ইৎরফমব রং ঁহফবৎধিু নু ড়ঁৎ ড়হি ভঁহফ. অঃ ঃযব ংধসব ঃরসব বি যধাব ধষংড় ধঃঃধরহবফ ৎবসধৎশধনষব ফবাবষড়ঢ়সবহঃ রহ ঢ়ৎরাধঃব ংবপঃড়ৎ. ঈড়ঁহঃৎু’ং ভরহধহপরধষ ংবপঃড়ৎ ধষড়হম রিঃয ইধহশং ধহফ ওহংঁৎধহপবং যধং নববহ বীঢ়ধহফবফ. ইধহমষধফবংয রং হড়ি নবরহম নৎধহফবফ ধং ধ ৎড়ষব সড়ফবষ ড়ভ ফবাবষড়ঢ়সবহঃ ঃযৎড়ঁমযড়ঁঃ ঃযব ড়িৎষফ.
    ঙঁৎ ধপযরবাবসবহঃ রহ রহঃবৎহধঃরড়হধষ ধৎবহধ রং ধষংড় পড়সসবহফধনষব. ঞযব ষড়হমংঃধহফরহম ষধহফ ধহফ সধৎরঃরসব নড়ঁহফধৎু ফরংঢ়ঁঃব রিঃয ওহফরধ ধহফ গুধহসধৎ যধং নববহ ৎবংড়ষাবফ ভড়ৎ ড়ঁৎ ংঁপপবংংভঁষ ভড়ৎবরমহ ঢ়ড়ষরপু নধংবফ ড়হ "ঋৎরবহফংযরঢ় ঃড় ধষষ ধহফ সধষরপব ঃড়ধিৎফং হড়হব". ঞযব সঁঃঁধষ ৎবষধঃরড়হং রিঃয ঃযব ভৎরবহফষু পড়ঁহঃৎরবং ধৎড়ঁহফ ঃযব মষড়নব যধং নববহ বীঢ়ধহফবফ ধহফ ংঃৎবহমঃযবহবফ. ঞযব পড়হঃৎরনঁঃরড়হ ড়ভ ইধহমষধফবংয রহ সরঃরমধঃরহম ঃযব হবমধঃরাব রসঢ়ধপঃ ড়ভ মষড়নধষ পষরসধঃব পযধহমব ধষড়হম রিঃয ঢ়ৎড়ঃবপঃরহম বহারৎড়হসবহঃ রং নবরহম ধপপষধরসবফ নু ঃযব ড়িৎষফ পড়সসঁহরঃু. ইধহমষধফবংযর চবধপবশববঢ়বৎং, ঁহফবৎ ঃযব ধঁংঢ়রপবং ড়ভ ঃযব টহরঃবফ ঘধঃরড়হং, যধাব ঁঢ়যবষফ ঃযব পড়ঁহঃৎু’ং রসধমব ধনৎড়ধফ ঢ়ৎবংবহঃরহম ঃযবরৎ ঢ়ৎড়ভবংংরড়হধষরংস ধহফ পড়সঢ়বঃবহপব. ঙঁৎ বীঢ়ধঃৎরধঃব ইধহমষধফবংযরং যধাব ধষংড় নববহ সধশরহম ংরমহরভরপধহঃ পড়হঃৎরনঁঃরড়হং ঃড় ড়ঁৎ হধঃরড়হধষ বপড়হড়সু ঃযৎড়ঁময ংবহফরহম ঃযবরৎ যধৎফ-বধৎহবফ ৎবসরঃঃধহপবং. ঘবাবৎঃযবষবংং, বি যধাব ঃড় মড় ধ ষড়হম ধিু ভড়ৎ ধপযরবারহম ঃযব ফবংরৎবফ মড়ধষং ড়ভ রহফবঢ়বহফবহপব. ও নবষরবাব ঃযধঃ ংরহপবৎব ধহফ পড়হপবৎঃবফ বভভড়ৎঃং ভৎড়স ধষষ ংঃৎধঃধ রৎৎবংঢ়বপঃরাব ড়ভ ঢ়ধৎঃু ধভভরষরধঃরড়হ ধৎব রসঢ়বৎধঃরাব ঃড় ৎবধপয ঃযব মড়ধষং.
    ঈড়সসঁহধষ যধৎসড়হু রং ড়ঁৎ ঃৎধফরঃরড়হ. ঞযব ঢ়বড়ঢ়ষব ড়ভ ড়ঁৎ পড়ঁহঃৎু ফড় হড়ঃ ংঁঢ়ঢ়ড়ৎঃ ারড়ষবহপব রহপষঁফরহম সরষরঃধহপু ধহফ ঃবৎৎড়ৎরংস. ঞযবু ধষধিুং ঁঢ়যড়ষফ ঢ়বধপব ধহফ নবষরবাব রহ পড়বীরংঃবহপব. ঊীবৎপরংরহম ফবসড়পৎধঃরপ হড়ৎসং ধহফ াধষঁবং, সধরহঃধরহরহম ঃড়ষবৎধহপব ধহফ ভড়ৎঃরঃঁফব ধহফ ংযড়রিহম সঁঃঁধষ ৎবংঢ়বপঃ ধৎব ঃযব ঢ়ৎবপড়হফরঃরড়হং ভড়ৎ ভষড়ঁৎরংযরহম ফবসড়পৎধপু. ঞযবৎবভড়ৎব, বি যধাব ঃড় সধরহঃধরহ ঢ়ধঃরবহপব, ংবষভ-ৎবংঃৎধরহঃ ধহফ ভড়ৎনবধৎধহপব ধষড়হম রিঃয ংযড়রিহম ৎবংঢ়বপঃ ঃড় ড়ঃযবৎং’ ড়ঢ়রহরড়হ রহ ধ ফব

Todays Handout (8).doc Todays Handout (8).doc

Share with :

Facebook Facebook