তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৭ মার্চ ২০২০

তথ্যবিবরণী 7/3/2020

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ৮৫৩

 

বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ

কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে আলোচনা সভা
 

কলকাতা (ভারত), ২৩ ফাল্গুন (৭ মার্চ):


          কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে স্বাধীনতার মহান স্থপতি  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের ৪৯তম বছরপূর্তি উপলক্ষে উপ-হাইকমিশনের ‘বাংলাদেশ গ্যালারি’-তে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।


          উপ-হাইকমিশনার তৌফিক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সৌমিক বন্দোপাধ্যায়, বিশিষ্ট সাংবাদিক পঙ্কজ সাহা, বাংলাদেশের বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের মিনিস্টার (রাজনৈতিক) ও দূতালয় প্রধান বি এম জামাল হোসেন এবং কাউন্সিলর (শিক্ষা ও ক্রীড়া) শেখ শফিউল ইমাম।


           বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের গুরুত্ব বিষয়ে উপ-হাইকমিশনার বলেন, বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে অত্যন্ত সচেতনভাবে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও অসাম্প্রদায়িক এবং যুদ্ধের কৌশল সম্পর্কে পরিষ্কার ভাষায় যে দিক নির্দেশনা দিয়েছিলেন সে মোতাবেক বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পরিসমাপ্তি হয়েছে।


          বিশিষ্ট সাংবাদিক পঙ্কজ সাহা বলেন, বঙ্গবন্ধুর রেকর্ড করার জন্য আমি দমদম বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিলাম তখন জানলাম তিনি তাঁর দেশের জনগণের সাথে আগে দেখা করবেন তারপর কলকাতায় আসবেন। একজন দেশদরদী মহান নেতার আদর্শ এমনই হওয়া উচিত যা বঙ্গবন্ধু করেছেন। সৌমিক বন্দোপাধ্যায় বলেন, বঙ্গবন্ধুর অসাধারণ নেতৃত্বের কারণে মাত্র নয় মাসে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে।
নাসির উদ্দিন ইউসুফ তাঁর আলোচনায় বলেন, বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের একটি বক্তব্যে বিশ্বের মানচিত্র বদলে দিয়েছিলেন।


          আলোচনার শুরুতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। এরপর দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি এবং  প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।

 

#

 

মোফাকখারুল/রাহাত/মোশারফ/সেলিম/২০২০/২২২৫ ঘণ্টা

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ৮৫২

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বাঙালি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করেছিলো
                                                                --পরিবেশ মন্ত্রী

মৌলভীবাজার, ২৩ ফাল্গুন (৭ মার্চ):

          পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলো। এই ভাষণের কল্যাণেই আমরা পেয়েছি স্বাধীন বাংলাদেশ। মন্ত্রী আরও বলেন, জাতির পিতার এই ভাষণটিকে ইউনেস্কো বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্যের দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। বিশ্বে এখন এই মহাকাব্যিক ভাষণটি নিয়ে গবেষণা হচ্ছে।

          আজ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দাশের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ে একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার ১৭ মার্চ থেকে পরবর্তী এক বছর জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ  'মুজিববর্ষ' উদযাপন করবে। ১৭ মার্চ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সাফারিপার্ক, ইকোপার্কসহ সকল স্থাপনা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে, বিনামূল্যে পরিদর্শন করতে পারবে। পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, তাঁর মন্ত্রণালয় মুজিব শতবর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে ৫ জুন সারাদেশে একযোগে শতলক্ষ গাছের চারা রোপণ করবে।

          উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, তোমাদের আদর্শ মানুষ হতে হবে। কোনো কিছু না বুঝে মুখস্থ করা যাবে না। মন্ত্রী বলেন, জীবনে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এগুতে হবে এবং প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। তিনি  বলেন, বর্তমানে মানসম্মত শিক্ষাই সরকারের অগ্রাধিকার।

          উল্লেখ্য, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে চারতলা ভিত বিশিষ্ট একতলা ভবনটি  নির্মাণে মোট বিরাশি লাখ উনআশি হাজার টাকা ব্যয় হয়। একাডেমিক ভবনে তিনটি শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ করা হয়েছে। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে পরিবেশ মন্ত্রী বিদ্যালয়ের বার্ষিক ম্যাগাজিনের মোড়ক উন্মোচন করেন।

#

দীপংকর/নাইচ/মোশারফ/শামীম/২০২০/২০৩৩ ঘণ্টা

তথ্যববিরণী                                                                                                 নম্বর :  ৮৫১

 

ইস্তাম্বুলে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালিত

 

ইস্তাম্বুল (তুরস্ক), ২৩ ফাল্গুন (৭ মার্চ) : 

 

            বাংলাদশে কনস্যুলেট, ইস্তাম্বুল যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে ৭ই মার্চ কনস্যুলেট প্রাঙ্গনে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ  পালন করে । এ দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করার পাশাপাশি Ôবঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও প্রবাসীদের ভূমিকাÕ র্শীষক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

 

            আলোচনার শুরুতে কনসাল জেনারেল ড. মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম তাঁর স্বাগত বক্তব্যে ৭ই মার্চের ভাষণের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, বঙ্গবন্ধুর এ কালজয়ী ভাষণটি আজ বিশ্ব সম্পদে পরিণত হয়েছে। UNESCO এ ভাষণটিকে  World’s Documentary Heritage এর মর্যাদা দিয়েছে, যা জাতি হিসেবে আমাদেরকে করেছে গর্বিত ও আনন্দিত । এ দিবসটি আজ এক নতুন মাত্রা পেয়েছে কারণ জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এ ১৭ মার্চ ২০২০ থেকে মার্চ  ২০২১ সময়কে সরকার ′মুজিববর্ষ′ হিসেবে ঘোষণা করেছে।

 

            আলোচনার প্রারম্ভে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী প্রেরিত বাণী পাঠ করা হয় এবং বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের কালজয়ী ভাষণের ভিডিও প্রর্দশন করা হয় । 

 

#

 

নাইচ/সঞ্জীব/সেলিম/২০২০/২০০০ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ৮৫০

ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালন

ইসলামাবাদ (পাকস্তিান), ৭ র্মাচ:

          বাংলাদেশ হাইকমিশন পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যথাযথ মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ ও বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ ভাষণ দিবস পালন করেছে।

          বিকেলে চান্সারি প্রাঙ্গণে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতেই পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার তারিক আহসানের নেতৃত্বে হাইকমিশনের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।

          অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে হাইকমিশনার তারিক আহসান ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে ইউনেস্কো কর্তৃক ইন্টারন্যাশনাল মেমোরি অভ্ দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্তির কথা উল্লেখ করে বলেন, অগ্নিঝরা মার্চে মুক্তিপাগল বাঙালি তার মনের কথারই প্রতিধ্বনি খুঁজে পায় এই ভাষণটিতে।

          অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের ওপর নির্মিত একটি ভিডিওচিত্র প্রদর্শিত হয়। অনুষ্ঠানে হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন।

#

নাজমুল/নাইচ/মোশারফ/শামীম/২০২০/১৯৪১ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                             নম্বর :  ৮৪৮

বান্দরবানে দুঃস্থদের মাঝে গাভী বিতরণ করলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রী

বান্দরবান, ২৩ ফাল্গুন (৭ মার্চ) : 

বান্দরবান জেলার লামা ও আলীকদম উপজেলায় দুঃস্থ ও অসহায় নারীদের মাঝে গাভী বিতরণ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং।  পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে গ্রামীণ দুঃস্থ মহিলাদের স্বাবলম্বী করতে গাভী বিতরণ করা হয়েছে। 

আাজ বান্দরবানের লামা ও আলীকদম উপজেলা সদরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গাভী বিতরণ করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং। 

মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নের জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড গঠন করেছিলেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড পার্বত্য এলাকার জনগণের আত্মকর্মসংস্থানের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। তিনি বলেন, গাভী পালনের মাধ্যমে অসহায় ও দুঃস্থ নারীরা নিজেদের স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি জাতীয় উন্নয়নেও অবদান রাখতে পারবে।   

লামা উপজেলায় ৭০টি এবং আলীকদম উপজেলায় ৫০টি গাভী বিতরণ করা হয়েছে।   

পরে মন্ত্রী লামা বাজারে জলবায়ু ট্রাস্টের অর্থায়নে সোলার স্ট্রিট লাইট উদ্বোধন, নারকাটা ঝিরি রাস্তা আরসিসি ও নয়াপাড়া মিশন রাস্তা আরসিসি কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। 

 

#

নাছির/নাইচ/সঞ্জীব/সেলিম/২০১৯/১৭৩০ ঘণ্টা        

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ৮৪৭

মুম্বাইয়ে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালিত

মুম্বাই (ভারত), ৭ মার্চ:

          যথাযোগ্য মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সাথে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন, মুম্বাই আজ ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ দিবসটি পালন করে। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে উপ-হাইকমিশন প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। এর পর কবিতা পাঠ এবং ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের সচিত্র ভাষণ উপস্থিত সকলের জন্য বড় পর্দায় প্রদর্শিত হয়।

          আলোচনা পর্বে উপস্থিত সকলেই তাঁদের বক্তব্যে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ও  ঐন্দ্রজালিক এই ভাষণের সার্বজনীন আবেদন তুলে ধরেন। এ ভাষণের মাধ্যমে বাঙালির সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামে জাতির পিতার এই দিক নির্দেশনার গুরুত্ব তুলে ধরেন। সমাপনী বক্তব্যে উপ-হাইকমিশনার মোঃ লুৎফর রহমান বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ যুগে যুগে বাঙালি জাতির জাতীয় ঐক্যের মূলমন্ত্র হয়ে কাজ করবে। জাতিকে শক্তি ও সাহস যোগাবে। আমাদের মহান নেতার এই ঐতিহাসিক ভাষণ বাঙালি জাতির ইতিহাসে যেমন চিরন্তন তেমনি আন্তর্জাতিক বিশ্ব পরিমন্ডলেও আজ তা স্বীকৃত ও সমাদৃত।’ তিনি উপস্থিত সকলকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোকে বাংলাদেশের অগ্রগতি ও উন্নতির জন্য এবং বিশ্বসভায় বাংলাদেশের মর্যাদাপূর্ণ আসন অর্জনের লক্ষ্যে স্ব স্ব অবস্থানে থেকে অবদান রাখার আহ্বান জানান।

#

নাফিসা/নাইচ/সঞ্জীব/শামীম/২০২০/১৮২৬ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ৮৪৬

ভিয়েতনাম মিশনে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালিত

হ্যানয় (ভিয়েতনাম), ৭ র্মাচ :

          জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেস্কোর মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টার-এ অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্যের’ স্বীকৃতি লাভের অসামান্য অর্জনকে স্মরণ করে বাংলাদেশ দূতাবাস, হ্যানয়, ভিয়েতনাম, চ্যান্সারি ভবনে ৭ই মার্চ এক বিশেষ কর্মসূচি ও অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ, দোয়া ও মোনাজাত, আলোচনা এবং ডকুমেন্টারি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ভিয়েতনামে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা, স্থানীয় ভিয়েতনাম অতিথি, দূতাবাসে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

          অনুষ্ঠানের প্রারম্ভে চার্জ দ্যা এফেয়ার্স মোঃ আলী মহসীন রেজা সমবেত অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য প্রদান করেন । আলোচনার শুরুতে চার্জ দ্যা এফেয়ার্স জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন যে, বাঙ্গালী জাতি/বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু একাকার। চার্জ দ্যা এফেয়ার্স বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দিয়ে ইউনেস্কো শুধু বঙ্গবন্ধুকেই সম্মান জানায়নি বরং পুরো বাঙালি জাতিকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বঙ্গবন্ধুর উদ্দীপ্ত ও প্রেরণাপ্রদানকারী ভাষণ নতুন প্রজন্মের জন্য এক মাইলফলক হিসেবে সর্বদাই বিরাজমান এবং আজ সারা পৃথীবীতে এ অবিস্মরণীয় ভাষণের মর্মবাণী বিভিন্ন জাতির অনুপ্রেরণা সৃষ্টি এবং গবেষণার বিষয় বস্তুতে পরিণত হয়েছে ।

          পরে ৭ই মার্চের ভাষণের ওপর নির্মিত ১টি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

#

মহসীন/নাইচ/সঞ্জীব/শামীম/২০২০/১৮২৬ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ৮৪৫

স্বাধীনতা সংগ্রামের মহাকাব্য ৭ মার্চের ভাষণ

টাঙ্গাইল, ২৩ ফাল্গুন (৭ মার্চ) :

          কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহাকাব্য  হলো বঙ্গবন্ধুর
৭ মার্চের  ১৮ মিনিটের ভাষণ। নিরস্ত্র বাঙালিকে জীবনবাজি রেখে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উৎসাহিত করেছিলেন, জীবনদানের জন্য প্রস্তুত করেছিলেন।

          ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে আজ শনিবার জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এ কথা বলেন।  

          মন্ত্রী বলেন,  বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের মধ্যেই স্বাধীনতার ঘোষণা নিহিত ছিল। ইতিহাসে চিরকাল এটি উজ্জ্বল, চিরভাস্বর এবং হিরন্ময় হয়ে থাকবে।

          উপস্থিত তরুণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে কৃষিমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রকৃত ইতিহাস সবাইকে জানতে হবে। বঙ্গবন্ধুর ভাষণের 'এবারের সংগ্রাম, মুক্তির সংগ্রাম’  আহ্বানের উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার সে ধারায় অর্থনৈতিক মুক্তির পথে এগিয়ে চলেছে।

#

কামরুল/নাইচ/সঞ্জীব/শামীম/২০২০/১৭৫৫ ঘণ্টা

Handout                                                                                                                  Number: 844

Bd New Delhi Mission observes historic 7th March

New Delhi, 7 March:

            Bangladesh High Commission in New Delhi paid homage to Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman today to mark his historic 7th March speech in 1971 that galvanized the people of Bangladesh to prepare for the war of liberation.

            Bangladesh High Commissioner to India Muhammad Imran led the members of the mission to place a floral wreath at the portrait of Bangabandhu at the chancery building.

            He also presided over a discussion meeting underlining the significance of the
18-minute speech that was recognized as the Memory of the World Register by UNESCO in 2017.

            He said the historic speech, delivered extempore before a sea of crowd at then-Race Course (now Suhwardy Uddyan) in Dhaka will remain ever inspiring for the people of Bangladesh as they work hard, under the leadership of Prime Minister Sheikh Hasina, to build Sonar Bangla as dreamt by Bangabandhu.

            Minister (Press) Farid Hossain, at the mission was the key note speaker at the meeting.

#

Nice/Sanjib/Shamim/2020/1710 hours

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ৮৪৩

জাপানে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উদ্‌যাপিত

টোকিও (জাপান), ৭ মার্চ :

          বাংলাদেশ দূতাবাস, টোকিও যথাযথ মর্যাদায় ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উদযাপন করেছে। আজ দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আজ সকালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে বঙ্গবন্ধু-সহ তাঁর পরিবারের সদস্য এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

          দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও  প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করেন যথাক্রমে দূতাবাসের কাউন্সেলর
ড. জিয়াউল আবেদিন ও ড. আরিফুল হক।

          অনুষ্ঠানে দূতাবাসের চার্জ দ্যা এফেয়ার্স  ড. শাহিদা আকতার বলেন, ৭ই মার্চে বঙ্গবন্ধুর সেই অগ্নিঝরা ভাষণ, পুরো বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতা যুদ্ধে অনুপ্রাণিত করেছিলো, এই ভাষণ ছিলো স্বাধীনতার অমর কবিতা ।

          অনুষ্ঠানের পরবর্তী অংশে উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন জাপান প্রবাসী বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যবৃন্দ। জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (ইউনেস্কো) কর্তৃক বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসাবে স্বীকৃতি পাওয়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বজ্রকন্ঠে ৭ই মার্চের ভাষণের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এ সময় দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা- কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন ।

#

শিপলু/নাইচ/সঞ্জীব/শামীম/২০২০/১৭৫১ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                        নম্বর :  ৮৪২         

                  ৭ মার্চ পালন না করা প্রকারান্তরে স্বাধীনতা সংগ্রামকেই অস্বীকার করার শামিল

                                                       -- বিএনপির উদ্দেশে তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ২৩ ফাল্গুন (৭ মার্চ) : 

'৭ মার্চ পালন না করা প্রকারান্তরে স্বাধীনতা সংগ্রামকেই অস্বীকার করার শামিল' বলেছেন তথ্যমন্ত্রী  ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহ্‌মুদ। 

আজ ঢাকায় সার্কিট হাউজ রোডের তথ্য ভবন মিলনায়তনে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে তথ্য মন্ত্রণালয়ের চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর আয়োজিত আলোচনা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিএনপি’র উদ্দেশে মন্ত্রী একথা বলেন। 

            তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আজ সেই ৭ই মার্চ, যেদিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন, তার ঐতিহাসিক ভাষণ বাঙালির রক্তে আগুন ধরিয়েছিল, নিরস্ত্র বাঙালি জাতি সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হয়েছিল। আজ সমগ্র জাতি পালন করলেও বিএনপি ৭ই মার্চ পালন করতে পারে না এবং করে না। এটি তাদের রাজনৈতিক দীনতা।'

'৭ই মার্চ কোনো দলের নয়, এটি সমগ্র জাতির' উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান বলেন, 'সমস্ত বিচার বিশ্লেষণ করে জাতিসংঘের ইউনেস্কো যে ৭ই মার্চের ভাষণকে পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম প্রামাণ্য দলিল হিসেবে গ্রহণ করেছে, স্বীকৃতি দিয়েছে, সেই ৭ই মার্চের ভাষণকে বিএনপি-সহ কিছু গোষ্ঠী স্বীকৃতি দিতে পারে না, পালন করে না। ৭ই মার্চ পালন না করা প্রকারান্তরে স্বাধীনতা সংগ্রামকেই অস্বীকার করার শামিল।'

বিএনপি’র উদ্দেশে তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, 'বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর দ্বারপ্রান্তে এসে আমি আশা করবো, বিএনপি যে ভুলের রাজনীতি করছে, তা থেকে তারা বেরিয়ে আসবে এবং ভবিষ্যতে তারা ৭ই মার্চও পালন করবে। তাহলেই বরং বাংলাদেশের মানুষ তাদের বাহবা দেবে এবং তারাও তাদের নেতিবাচক ও ভুলের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে।'

বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় তথ্যসচিব কামরুন নাহার বলেন, 'জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী যখন সমাগত, আজ ৭ই মার্চের এই দিনে দেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলাই হোক আমাদের শপথ।’

চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর (ডিএফপি)’র ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক স ম গোলাম কিবরিয়ার সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক প্রধান তথ্য অফিসার ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ও ডিএফপি'র সাবেক মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইসতাক হোসেন। 

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঢাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ ধারণ ও সংরক্ষণে দুঃসাহসী ভূমিকা পালনকারী ৮ জনের দলের দুই জীবিত সদস্য আমজাদ আলী খন্দকার ও সৈয়দ মইনুল আহসান এ সময় স্মৃতিচারণ করেন। তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ তাদের দু'জন ও অপর ছয় প্রয়াত সদস্য আবুল খায়ের মোঃ মহিব্বুর রহমান, জি জেড এম এ মতিন, এম এ রউফ, এস এম তৌহিদ, মোঃ হাবিব চোকদার ও মোঃ জোনায়েদ আলীর পরিবারের হাতে ৭ মার্চ সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।

প্রধান তথ্য অফিসার সুরথ কুমার সরকার, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জাহানারা পারভীন, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক বিধান চন্দ্র কর্মকার, চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান নিজামুল কবীর, তথ্য ক্যাডারের কর্মকর্তাবৃন্দ ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন। 

#

আকরাম/নাইচ/সঞ্জীব/সেলিম/২০১৯/১৭৩০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ৮৪১

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবের মাতার মৃত্যুতে প্রতিমন্ত্রীর শোক

ঢাকা, ২৩ ফাল্গুন (৭ মার্চ) :

          প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আকরাম -আল-হোসেনের  মাতা, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সর্বজন শ্রদ্ধেয়  নুরজাহান বেগম আজ ঢাকায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না-লিল্লাহি........রাজিউন)। মরহুমার বয়স হয়েছিল ১০০ বছর। মৃত্যুকালে তিনি ৩ পুত্র,  ১ কন্যা ও নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও আত্মীয়স্বজন রেখে গেছেন।  

          প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেন  মন্ত্রণালয়ের সচিবের মাতার মৃত্যুতে গভীর শোক  ও দুঃখ  প্রকাশ করেছেন। তিনি মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

#

রবীন্দ্র/নাইচ/সঞ্জীব/শামীম/২০২০/১৭৪৮ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ৮৪০

আরো ১৭শ’ কোটি টাকার উদ্ধার সরঞ্জাম কেনা হবে

                                            -ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ২৩ ফাল্গুন (৭ মার্চ) :

          দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মোঃ এনামুর রহমান বলেছেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়াতে আরো ১৭শ’ কোটি টাকার উদ্ধার সরঞ্জাম কেনা হবে । উদ্ধার সামগ্রীর মধ্যে হেলিকপ্টার এবং রোভার ক্রাফট সংযোজন করা হবে। এসব সরঞ্জাম ক্রয় করা হলে জল, স্থল ও আকাশপথে যে কোনো দুর্যোগ মোকাবিলা এবং উদ্ধারকার্য চালানোর ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ হবে ।       

          প্রতিমন্ত্রী আজ ঢাকায় স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রাঙ্গণে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত মহড়ায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন ।       

          প্রতিমন্ত্রী বলেন, যে কোনো দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ও ঝুঁকি হ্রাসে মহড়ার বিকল্প নেই । মহড়ার মাধ্যমে যে সচেতনতা সৃষ্টি হয় তা মহড়া পরবর্তী যেকোনো দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সারা দেশের ঝুঁকিপূর্ণ হাসপাতাল, মার্কেট ও ভবনসমূহের আশপাশে মহড়া করার ব্যবস্থা নেয়া হবে, যেন অগ্নিকাণ্ড ও ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগে জনসাধারণ করণীয় বিষয়ে সচেতন হতে পারে।          

          অনুষ্ঠানে আরো বক্তৃতা করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব
মোঃ শাহ কামাল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ মোহসিন, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোর্শেদ রশিদ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক উত্তম কুমার পাল এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিল্লুর রহমান ।

#

সেলিম/নাইচ/সঞ্জীব/শামীম/২০২০/১৭২৪ ঘণ্টা

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ৮৩৯

 

এক সপ্তাহের জন্য কুয়েতে বিমান চলাচল স্থগিত  

 

ঢাকা, ২৩ ফাল্গুন (৭ মার্চ) :

 

          করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে কুয়েতের বেসামরিক বিমান চলাচল অধিদপ্তর বাংলাদেশ-সহ সাতটি দেশের সঙ্গে এক সপ্তাহের জন্য বিমান চলাচল স্থগিত করেছে। এ কারণে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৭ মার্চ ও ১০ মার্চের কুয়েতগামী ফ্লাইট দু’টি বাতিল করা হয়েছে। বাতিল হওয়া ফ্লাইটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে। উল্লেখ্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ঢাকা-কুয়েত রুটে সপ্তাহে দুটি ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে।

          বাংলাদেশ ছাড়া অন্য দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে মিসর, লেবানন, সিরিয়া, ফিলিপাইন, ভারত ও শ্রীলঙ্কা। এক সপ্তাহের জন্য বিমান চলাচল স্থগিত থাকবে। এছাড়া গত দুই সপ্তাহ বাংলাদেশসহ এই সাত দেশে অবস্থানকারীদের কুয়েত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তবে কুয়েতি নাগরিকরা দেশে ফিরতে পারবেন। তাদেরকে কোয়ারেন্টাইন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।

#

 

তানভীর/গিয়াস/আব্বাস/২০২০/১৪০৭ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                          নম্বর : ৮৩৭

 

আন্তর্জার্তিক নারী দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী

 

ঢাকা, ২৩ ফাল্গুন (৭ মার্চ) :

 

            রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ৮ মার্চ ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন : 

 

            “বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২০’ উদ্‌যাপিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে আমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল নারীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। 

 

            সভ্যতার উষালগ্ন থেকে শুরু করে সকল কর্মকাণ্ডে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছে। বর্তমান সরকার নারী-পুরুষের সমতা বিধানে নারী শিক্ষার বিস্তার, নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা, নারীর ক্ষমতায়নসহ নারীর প্রতি সবধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এ লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১’, পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন-২০১০’, ‘ডিএনএ আইন-২০১৪’, ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন-২০১৭’ ও ‘যৌতুক নিরোধ আইন-২০১৮’। ভিজিডি, মাতৃত্বকালীন ভাতা, ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা কার্যক্রমসহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মাধ্যমে নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে।  নারীর ক্ষমতায়নে এসব সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ কর্তৃক ‘প্ল্যানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন’ ও ‘এজেন্ট অভ চেঞ্জ’ অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত  হয়েছে।  আমি আশা করি, দেশের টেকসই উন্

2020-03-07-22-43-711460e7d0a7f7ceeba978affb3a689e.docx 2020-03-07-22-43-711460e7d0a7f7ceeba978affb3a689e.docx

Share with :

Facebook Facebook