তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২১st মার্চ ২০২০

তথ্যবিবরণী ২১ মার্চ ২০২০

তথ্যবিবরণী                                                                                                                নম্বর : ১০৪৮

 

কোভিড-১৯ (করোনা ভাইরাস) সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন

ঢাকা, ৭ চৈত্র (২১ মার্চ) :

 

            ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স কো-অর্ডিনেশন সেন্টার (NDRCC) এর আজ বিকাল ৫টা পর্যন্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী করোনা ভাইরাস শনাক্তকরণের জন্য এ পর্যন্ত দেশে ৬ লাখ ৫১ হাজার ৪ শত ৭০ জনকে স্ক্রিনিং করা হয়েছে। তন্মধ্যে ৩টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৩ লাখ ১৯ হাজার ১ শত ৯৬ জন,  দু’টি সমুদ্রবন্দরে ৮ হাজার ৯ শত ৪৬ জন, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট ও বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশনে ৭ হাজার ২৯ জন এবং অন্যান্য চালু স্থলবন্দরসমূহে ৩ লাখ ১৬ হাজার ২ শত ৯৯ জনকে স্ক্রিনিং করা হয়েছে। 

            দেশে আজ ২১ মার্চ পর্যন্ত হাসপাতালে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে ভর্তিকৃত রোগীর সংখ্যা ৬৫ জন, এর মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩৫ জন। বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ৩০ জন ভর্তি আছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ২৬ জন ও অন্যান্য বিভাগে ৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ৭ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে। ঢাকার বাইরে এ সংখ্যা শূন্য। রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এখন পর্যন্ত COVID-19 আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২৪ জন  এবং ২ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে।  

            আজ সকাল ৮টার পূর্বের ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৩ হাজার ৩৬৯ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইন করা হয়। এর মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৬৩৭ জন। এছাড়া বর্তমানে দেশে হাসপাতালগুলোতে কোয়ারেন্টেইনে অবস্থানরত রোগীর সংখ্যা  মোট ১১৫ জন। 

            করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে ইতোমধ্যে সরকার নিম্নরূপ পদক্ষেপ নিয়েছে :          

  • বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক কোভিড-১৯ মোকাবিলায় জনস্বার্থে আইনের প্রয়োগ বিষয়ে             একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন ২০১৮ এর বিভিন্ন ধারা, উপধারা প্রয়োজনে প্রয়োগ করা হতে পারে বলে গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ রয়েছে। 
  • স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালনায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসমূহ, সমুদ্রবন্দরসমূহ ও      স্থলবন্দরসমূহে বিদেশ থেকে আগত সকল যাত্রীর তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হচ্ছে; 
  • সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইতালিতে ও সৌদি আরবে কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশি কোভিড-১৯          আক্রান্ত হয়েছেন। সিঙ্গাপুরে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশি রোগীর অবস্থার উন্নতি হয়নি;
  • ইতালি-সহ ইউরোপের অন্যান্য আক্রান্ত দেশ হতে আগত প্রবাসী বাংলাদেশিদের হযরত শাহ্‌জালাল       আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর তাদের আশকোনা হজ ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয়       স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং ডকুমেন্টেশন শেষে তাদের গৃহ কোয়ারেন্টাইনে থাকার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে এবং    গৃহ কোয়ারেন্টাইনে করণীয় নির্দেশনা প্রদান করে তাদের নিজ নিজ বাড়িতে পাঠানো হয়েছে;  
  • সার্কভুক্ত দেশের সরকার প্রধানগণ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রয়াসে ভিডিও           কনফারেন্স করেছেন; 
  • অন এরাইভেল ভিসায় বাংলাদেশে আগত দুইজনকে বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

#

 

তাসমীন/নাইচ/সঞ্জীব/রেজাউল/২০২০/১৮১০ ঘণ্টা 

তথ্যবিবরণী                                                                                             নম্বর : ১০৫২

 

জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশন স্থগিত

 

ঢাকা, ৭ চৈত্র (২১ মার্চ) :

 

          রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ আগামীকাল ২২ মার্চ ডাকা একাদশ জাতীয় সংসদের দু’দিনব্যাপী ৭ম অধিবেশন (২০২০ খ্রিস্টাব্দের ২য় এবং মুজিববর্ষ, ২০২০ উপলক্ষে বিশেষ অধিবেশন) করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে জনসমাগম পরিহার করার জন্য জনস্বার্থে স্থগিত ঘোষণা করেছেন।

 

          জাতীয় সংসদের গণসংযোগ-১ শাখা প্রেরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

#

 

তারিক/নাইচ/সঞ্জীব/সেলিম/২০২০/২০৪০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                             নম্বর : ১০৫১

 

কলকারখানা চালু রাখার সিদ্ধান্ত 

 

ঢাকা, ৭ চৈত্র (২১ মার্চ) :

 

          শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান বলেছেন, কলকারখানা চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, পরে পরিবর্তিত পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়া হবে।

 

          আজ রাজধানীর বিজয়নগরে শ্রম ভবনের সম্মেলন কক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকার, মালিক ও শ্রমিক ত্রিপক্ষীয় সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়। 

 

          আলোচনা সভায় শ্রমিকদের করোনা ভাইরাস সম্পর্কে আরো সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়। বিশেষ করে কারখানায় শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সরবরাহ করার জন্য মালিকপক্ষকে অনুরোধ করা হয়। সভায় মালিকপক্ষ থেকে জানানো হয়, বৈশ্বিক অবস্থা বিবেচনায় ক্রেতারা ইতোমধ্যে অনেক ক্রয়াদেশ বাতিল করেছেন। এতে উৎপাদন এবং রপ্তানিতে বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের আহ্বানের দাবি জানান। 

 

          কারখানা পর্যায়ে শ্রমিকদের মাঝে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কোনো লক্ষণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি বলে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর থেকে সভায় তথ্য উপস্থাপন করা হয় এবং সারা দেশের কারখানা পর্যায়ে এক লাখ পোস্টার ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় সার্বিক বিষয়ে সরকার মালিক-শ্রমিক আলোচনা অব্যাহত রাখবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত হয়। 

           

          উল্লেখ্য, কর্মক্ষেত্রে নিয়মিত বিরতিতে হাত ধোয়া, আইইডিসিআর কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় হাঁচি-কাশি দেয়া, করমর্দন বা কোলাকুলি থেকে বিরত থাকা, জনসমাগম পরিহার করা সর্বোপরি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার বিষয়ে কর্মীদেরকে উৎসাহিত করা এবং এ বিষয়ে সহযোগিতা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করা হয়।

 

#

 

আকতারুল/নাইচ/সঞ্জীব/সেলিম/২০২০/২০২০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                    নম্বর : ১০৫০   

 

করোনা মোকাবিলায় দেশে আরো ৪০০ নতুন আইসিইউ বেড যুক্ত হচ্ছে

                                                                     ----স্বাস্থ্যমন্ত্রী

 

ঢাকা, ৭ চৈত্র (২১ মার্চ):


          স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় দেশে নতুন ১০০ আইসিইউ বেড স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। পাশাপাশি আরো ৩০০ আইসিইউ সরঞ্জামাদিও আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে আগের ছিল ২০০ বেডের মতো আইসিইউ বেড। এগুলো যুক্ত করতে পারলে ৬০০ এরও বেশি থাকবে আইসিইউ বেড।’


          আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আয়োজিত ‘করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে
আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক’ শেষে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।


          স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ইটালির মতো উন্নত দেশে সাড়ে ছয়শো আইসিইউ বেড আছে। আমাদের দেশে সম্পদের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। এরপরও সময়মতো ৬০০ আইসিইউ বেড স্থাপন করা গেলে এগুলো দিয়েই অনেক মানুষ উপকৃত হবেন।’


          সম্মেলনে মন্ত্রী চায়নার উহান প্রদেশে করোনা মোকাবিলায় অভিজ্ঞ ডাক্তার-নার্সদের দেশে এনে দেশীয় চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেবার ব্যাপারে গুরুত্ব দেন। চীনের সংকটের সময় বাংলাদেশ যেভাবে চীন সরকারকে সহায়তা করেছিলো, চীন সরকারও বাংলাদেশের খারাপ সময়ে পাশে থাকবে বলে মন্ত্রী জানান।


          করোনায় দেশের সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো জানান, দেশে আগের ২০ জন করোনা রোগীর সাথে আজ আরো ৪ জন নতুন করোনা রোগী যুক্ত হয়েছে এবং প্রায় ৭৪ বছর বয়স্ক একজন ব্যক্তি আজ করোনায় মারা গেছেন। সারা দেশে প্রায় ১৪ হাজার মানুষ হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন এবং আনুষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে ৫০ জনের মতো ব্যক্তি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলেও মন্ত্রী সভায় অবগত করেন।

          স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম, বিএমএ সভাপতি মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর আবুল কালাম আজাদসহ মন্ত্রণালয়, সেনাবাহিনীর ও অধিদপ্তরের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন।

#

 

মাইদুল/নাইচ/সঞ্জীব/আব্বাস/২০২০/১৯৩৫ ঘণ্টা   

তথ্যবিবরণী                                                                                                                নম্বর : ১০৪৮

কোভিড-১৯ (করোনা ভাইরাস) সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন

ঢাকা, ৭ চৈত্র (২১ মার্চ) :

 

            ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স কো-অর্ডিনেশন সেন্টার (NDRCC) এর আজ বিকাল ৫টা পর্যন্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী করোনা ভাইরাস শনাক্তকরণের জন্য এ পর্যন্ত দেশে ৬ লাখ ৫১ হাজার ৪ শত ৭০ জনকে স্ক্রিনিং করা হয়েছে। তন্মধ্যে ৩টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৩ লাখ ১৯ হাজার ১ শত ৯৬ জন,  দু’টি সমুদ্রবন্দরে ৮ হাজার ৯ শত ৪৬ জন, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট ও বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশনে ৭ হাজার ২৯ জন এবং অন্যান্য চালু স্থলবন্দরসমূহে ৩ লাখ ১৬ হাজার ২ শত ৯৯ জনকে স্ক্রিনিং করা হয়েছে। 

            দেশে আজ ২১ মার্চ পর্যন্ত হাসপাতালে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে ভর্তিকৃত রোগীর সংখ্যা ৬৫ জন, এর মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩৫ জন। বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ৩০ জন ভর্তি আছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ২৬ জন ও অন্যান্য বিভাগে ৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ৭ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে। ঢাকার বাইরে এ সংখ্যা শূন্য। রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এখন পর্যন্ত COVID-19 আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৭ জন  এবং ১ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে।  

            আজ সকাল ৮টার পূর্বের ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ২ হাজার ৬৯৮ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইন করা হয়। এর মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৬৫ জন। এছাড়া দেশে হাসপাতালগুলোতে কোয়ারেন্টাইন অবস্থানরত রোগীর সংখ্যা ১৫ জন। 

            করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে ইতোমধ্যে সরকার নিম্নরূপ পদক্ষেপ নিয়েছে :          

  • বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক কোভিড-১৯ মোকাবিলায় জনস্বার্থে আইনের প্রয়োগ বিষয়ে             একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন ২০১৮ এর বিভিন্ন ধারা, উপধারা প্রয়োজনে প্রয়োগ করা হতে পারে বলে গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ রয়েছে। 
  • স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালনায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসমূহ, সমুদ্রবন্দরসমূহ ও      স্থলবন্দরসমূহে বিদেশ থেকে আগত সকল যাত্রীর তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হচ্ছে; 
  • সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইতালিতে ও সৌদি আরবে কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশি কোভিড-১৯          আক্রান্ত হয়েছেন। সিঙ্গাপুরে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশি রোগীর অবস্থার উন্নতি হয়নি;
  • ইতালি-সহ ইউরোপের অন্যান্য আক্রান্ত দেশ হতে আগত প্রবাসী বাংলাদেশিদের হযরত শাহ্‌জালাল       আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর তাদের আশকোনা হজ ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয়       স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং ডকুমেন্টেশন শেষে তাদের গৃহ কোয়ারেন্টাইনে থাকার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে এবং    গৃহ কোয়ারেন্টাইনে করণীয় নির্দেশনা প্রদান করে তাদের নিজ নিজ বাড়িতে পাঠানো হয়েছে;  
  • সার্কভুক্ত দেশের সরকার প্রধানগণ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রয়াসে ভিডিও           কনফারেন্স করেছেন; 
  • অন এরাইভেল ভিসায় বাংলাদেশে আগত দুইজনকে বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

#

তাসমীন/নাইচ/সঞ্জীব/রেজাউল/২০২০/১৮১০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                      নম্বর : ১০৪৭   

 

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের সাথে জড়িত

 সকলকে সহযোগিতা করা হবে

                         --পানি সম্পদ উপমন্ত্রী

 

ঢাকা, ৭ চৈত্র (২১ মার্চ):

 

পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেছেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের সাথে জড়িত সাংবাদিক, ডাক্তার, ড্রাইভার-সহ সকলকে সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করা হবে। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবে তাদের সদস্য ও তাদের পরিবারের জন্য যে বিশেষ অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে তা জাতিকে পথ দেখালো, সেটা সবার জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।   

আজ ২১ মার্চ রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে বিশেষ অ্যাম্বুলেন্স সেবা কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে পানি সম্পদ উপমন্ত্রী প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে এসব কথা বলেন।

বিদেশ ফেরতদের ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার অনুরোধ জানিয়ে এনামুল হক শামীম আরো বলেন, এই ১৪ দিন খুব বড় সময় নয়। একটি মহল আতঙ্ক সৃষ্টি করে চাল-ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে এটা খুবই দুঃখজনক। দেশে কোনো ধরনের খাদ্য সংকট নেই। বর্তমান সরকার ও দেশের জনগণ যে কোনো সংকট মোকাবিলার সক্ষমতা রাখে। আপনারা যেখানেই কোনো অনিয়মের খবর পাবেন সরকারকে জানাবেন। সরকার এসব অসাধু ব্যবসায়ীদের ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

 

#

 

আসিফ/নাইচ/সঞ্জীব/আব্বাস/২০২০/১৭৫৬ ঘণ্টা   

 

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                    নম্বর : ১০৪৬   

 

সকলে মিলে বনজ সম্পদ রক্ষা করতে হবে
                                 ---পরিবেশ মন্ত্রী

 

ঢাকা, ৭ চৈত্র (২১ মার্চ):


          পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেছেন, গাছ থেকে জীবনের জন্য অপরিহার্য অক্সিজেনসহ বিভিন্ন ধরনের সুফল পাওয়ার পরও প্রতি বছর পৃথিবীতে ১৩ মিলিয়ন হেক্টর বন ধ্বংস হচ্ছে। সময় এসেছে নিজেদের বেঁচে থাকার স্বার্থেই প্রকৃতির সবুজ বন-বনানী রক্ষায় একযোগে কাজ করার। 


          বন মন্ত্রী আজ ঢাকার আগারগাঁওস্থ বন অধিদপ্তরে ‘বন ও জীববৈচিত্র্য মূল্যবান অতি, হারালে অপূরণীয় ক্ষতি’ প্রতিপাদ্য ধারণ করে আয়োজিত আন্তর্জাতিক বন দিবস-২০২০ এর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মোহাম্মদ সফিউল আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এবং সচিব জিয়াউল হাসান উপস্থিত ছিলেন।


          বন মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে সফল সামাজিক বনায়নের আবর্তকাল উত্তীর্ণ গাছ আহরণ করে এ পর্যন্ত ১ লাখ ৬৮ হাজার ৫শত ৬৪ জন দরিদ্র উপকারভোগীর মধ্যে ৩শত ৫৬ কোটি ৮২ লাখ ৩৪ হাজার ৫২২ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, দেশে এ পর্যন্ত ২ হাজার বর্গকিলোমিটার নতুন জেগে ওঠা উপকূলীয় চরে বন সৃজন করা হয়েছে। বর্তমানে দেশের বৃক্ষ আচ্ছাদিত ভূমির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে দেশের মোট আয়তনের ২২ দশমিক ৩৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

 

          বন মন্ত্রী বলেন, বন সেক্টরের প্রধান লক্ষ্য বনভূমির টেকসই ব্যবস্থাপনার ভিত্তিতে ‘ফরেস্ট ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান' তৈরি। মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের বন ও বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনাকে অধিকতর গুরুত্ব প্রদান করে ৪৮টি এলাকাকে ‘রক্ষিত এলাকা’ ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি তাঁর বক্তব্যে বন রক্ষায় বন অধিদপ্তরের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

 

          অনুষ্ঠানে মন্ত্রী সামাজিক বনায়নে সাত জন উপকারভোগীর মাঝে বিশ লাখ টাকার চেক বিতরণ করেন।


#

 

দীপংকর/নাইচ/সঞ্জীব/আব্বাস/২০২০/১৭৩৭ ঘণ্টা 

তথ্যবিবরণী                                                                                                    নম্বর : ১০৪৩  

 

বিশ্ব পানি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী

 

ঢাকা, ৭ চৈত্র (২১ মার্চ):

 

          রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ২২ মার্চ ‘বিশ্ব পানি দিবস’ উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :  

 

‘‘বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব পানি দিবস’
উদ্‌যাপনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। ‘বিশ্ব পানি দিবস’ এর এবারের প্রতিপাদ্য ‘Water and Climate Change’ অর্থাৎ ‘পানি ও জলবায়ু পরিবর্তন’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।

জীবনের সাথে পানির রয়েছে নিবিড় যোগসূত্র। পানি ব্যবস্থাপনার ওপর খাদ্য নিরাপত্তা অনেকাংশে নির্ভরশীল। এক্ষেত্রে কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে ফসল উৎপাদনের জন্য সেচ কাজে পর্যাপ্ত পানি প্রাপ্তির নিশ্চয়তার কোনো বিকল্প নেই। কৃষিসহ দৈনন্দিন বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভূ-গর্ভস্থ পানি ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর ক্রমশ নেমে যাচ্ছে। ভূ-উপরিস্থ পানির অপ্রতুলতার কারণে ভূ-উপরিস্থ ও ভূ-গর্ভস্থ পানির সমন্বিত ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সরকার ভূ-গর্ভস্থ পানির বিদ্যমান পরিস্থিতির যৌক্তিক উন্নয়ন এবং নিয়মিতভাবে ঘাটতি পূরণে ভূ-উপরিস্থ পানির ধারণক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। নদী এবং খাল পুনঃখননের পাশাপাশি বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য প্রাকৃতিক জলাধারসমূহের রক্ষণাবেক্ষণসহ নতুন জলাধার ও অবকাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সঠিক পানি ব্যবস্থাপনায় সরকারের এ সকল উন্নয়ন কার্যক্রম ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আমার বিশ্বাস।

পানির সাথে জলবায়ুর রয়েছে নিবিড় সম্পর্ক। গৃহস্থালি, কল-কারখানা, কৃষিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্র্রে পানির ব্যবহারে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। জলবায়ুর পরিবর্তনের অনিবার্য পরিণতি হিসেবে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি, খরা, অতিবৃষ্টি, বন্যাসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রকোপ ক্রমশ বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে ক্রমবর্ধমান পানির চাহিদা যেন কোনোভাবেই পরিবেশের ভারসাম্য ব্যাহত না করে সে দিকে আমাদের দৃষ্টি রাখতে হবে। টেকসই পানি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সক্ষম হবে - এ প্রত্যাশা করি।

আমি ‘বিশ্ব পানি দিবস ২০২০’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।

জয় বাংলা।

খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।’’

#

 

ইমরানুল/নাইচ/সঞ্জীব/মোশারফ/আব্বাস/২০২০/১৭০০ ঘণ্টা

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ১০৪৪

 

বিশ্ব পানি দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

 

ঢাকা, ৭ চৈত্র (২১ মার্চ) :

         

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২২ মার্চ বিশ্ব পানি দিবস ২০২০ উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :

 

          “বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব পানি দিবস ২০২০’ উদযাপিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘পানি ও জলবায়ু পরিবর্তন-Water and Climate Change’ বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রাসঙ্গিক ও অর্থবহ হয়েছে বলে আমি মনে করি।

 

          নদীমাতৃক বাংলাদেশে পানি ও টেকসই উন্নয়ন একে অপরের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। আবহমানকাল হতে নদী-নালা-খাল-বিল-হাওর-বাঁওড় তথা পানি আমাদের জীবনের সর্বক্ষেত্রে অপরিহার্য উপাদান হিসেবে উপকার  পৌঁছে দিচ্ছে। তাই পানি সম্পদকে দক্ষতার সঙ্গে আহরণ এবং এর ফলপ্রসূ ব্যবহারের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে আমাদেরকে পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। পানির প্রজ্ঞাপূর্ণ ব্যবস্থাপনা আমাদের জলবায়ু ও প্রকৃতির জন্য আশির্বাদ বয়ে আনবে। অন্যদিকে পানি ব্যবস্থাপনায় বিশৃঙ্খলা আমাদের জলবায়ু তথা টেকসই উন্নয়নের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।

 

          বাংলাদেশকে দ্রুত একটি উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে আমাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে উন্নয়নের  যে গতিধারা আমরা অর্জন করেছি তা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হচ্ছে।

 

          আওয়ামী লীগ সরকার টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট-৬ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে নিরাপদ পানির নিশ্চয়তা, প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা ও পানি দূষণ কমানোর বিষয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন সহিষ্ণু উন্নত প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং তার যথাযথ ব্যবহারের লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

 

          আমি আশা করি, বিশ্ব পানি দিবস ২০২০ পালনের মাধ্যমে আমাদের দেশের উন্নয়নে জনগণের মধ্যে প্রকৃতি, পানি ও জলবায়ু বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দারিদ্র্য বিমোচনের মাধ্যমে ইতোমধ্যে আমরা মধ্য-আয়ের দেশে পরিণত হয়েছি। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ এবং বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে উত্তরণের মাধ্যমে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।

         

আমি ‘বিশ্ব পানি দিবস ২০২০’ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি। 

                                                                                                জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু

                                                                                         বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

#

 

ইমরুল/নাইচ/সঞ্জীব/মোশারফ/সেলিম/২০২০/১৭০৫ ঘণ্টা

2020-03-21-21-40-cee78c1ea06d9f6537049e588e02bbcf.docx 2020-03-21-21-40-cee78c1ea06d9f6537049e588e02bbcf.docx

Share with :

Facebook Facebook