তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২nd জুলাই ২০২০

তথ্যবিবরণী ২ জুলাই ২০২০

তথ্যবিবরণী                                                                                                নম্বর : ২৩৯৪

 

করোনা চিকিৎসার জন্য আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালের

সাথে সাব-রেজিস্ট্রার ও জেলা রেজিস্ট্রারদের চুক্তি স্বাক্ষর

ঢাকা, ১৮ আষাঢ় (২ জুলাই):

          নিবন্ধন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যদেরকে অগ্রাধিকারভিত্তিতে করোনা চিকিৎসা সেবা প্রদানের লক্ষ্যে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে সাব-রেজিস্ট্রার ও জেলা রেজিস্ট্রারদের পেশাগত সংগঠন - বাংলাদেশ রেজিস্ট্রেশন সার্ভিস এসোসিয়েশন। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হকের পরামর্শ ও সহযোগিতায় এ চুক্তি স¦াক্ষরিত হয়েছে।

          আজ আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আনোয়ার হোসেন খান এবং বাংলাদেশ রেজিস্ট্রেশন সার্ভিস এসোসিয়েশনের পক্ষে সভাপতি মোঃ জিয়াউল হক ও মহাসচিব শেখ কাওসার আহমেদ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অধিদপ্তরের মহা-পরিদর্শক শহিদুল আলম ঝিনুক এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

#

রেজাউল/রাহাত/সঞ্জীব/জয়নুল/২০২০/২১৫৫ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                নম্বর : ২৩৯৩

 

শিক্ষা ক্যাডারের সব সমস্যা শীঘ্রই সমাধান করা হবে

                                                 -- শিক্ষামন্ত্রী

 

ঢাকা, ১৮ আষাঢ় (২ জুলাই) :

          শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, শিক্ষা ক্যাডারের যাবতীয় সমস্যা শীঘ্রই সমাধান করার চেষ্টা করবে সরকার। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে এনটিআরসি এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

          মন্ত্রী আজ ২৪ তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার ফোরামের ১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

          শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গত ১০ বছরে বাংলাদেশে শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। এক্ষেত্রে শিক্ষা ক্যাডারের অবদান অনস্বীকার্য। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে যত দুর্নীতি আছে তা নির্মূল করা হবে। সে ক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন এবং সকলকে তার নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

          ২৪ তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার ফোরামের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান লিখনের সভাপতিত্বে এ ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় আরো সংযুক্ত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন), ২৪ তম বিসিএস এর অল ক্যাডার ফোরামের সভাপতি এবং ২৪ তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের সদস্যবৃন্দ।

#

খায়ের/রাহাত/সঞ্জীব/জয়নুল/২০২০/২১৫০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                         নম্বর : ২৩৯২

 

টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর সাথে নরওয়ের রাষ্ট্রদূতের বিদায়ি সাক্ষাৎ

ডিজিটাল খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি

 

ঢাকা, ১৮ আষাঢ় (২ জুলাই) :

          ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশে বাংলাদেশ অভাবনীয় সফলতা অর্জন করেছে মন্তব্য করে এই অর্জনকে আরো বেগবান করতে নরওয়ে বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নরওয়ের রাষ্ট্রদূত সিডসেল ব্লেকেন। আজ ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের সাথে ডিজিটাল প্লাটফর্মে এক বিদায়ি সাক্ষাতে তিনি এসব কথা বলেন।

          বৈঠককালে তারা বাংলাদেশ ও নরওয়ের মধ্যকার দ্বি-পক্ষীয় বিভিন্ন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় বিশেষ করে কোভিড-১৯ দুর্যোগে জনগণকে ইন্টারনেট-সহ নিরবচ্ছিন্ন ডিজিটাল  টেলিকম সেবা প্রদান, দেশে ফাইভ-জি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ উৎক্ষেপণ কমর্সূচি এবং দুর্গম অঞ্চল ডিজিটাল নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত-সহ বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে মতবিনিময় করেন। তারা বলেন, কোভিডকালে ডিজিটাল টেলিকম প্রযুক্তিই মানুষের জীবনযাত্রা সচল রেখেছে। কোভিড পরবর্তী পৃথিবীতে ডিজিটাল এই প্রযুক্তিকে আরো কীভাবে মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানো যায় সেই বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে।

          ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বাংলাদেশ ও নরওয়ের ঐতিহাসিক সম্পর্ক তুলে ধরে বলেন, নরওয়ে বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু। বাংলাদেশ ও  নরওয়ের দ্বি-পক্ষীয় সম্পর্ক শক্তিশালী উল্লেখ করে তিনি ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

          রাষ্ট্রদূত সিডসেল ব্লেকেন বাংলাদেশকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্ধুপ্রতিম দেশ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বাংলাদেশের টেলিকম খাতে  নরওয়ের বিনিয়োগকে আন্তরিকতার সাথে বিবেচনায় নেওয়ায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর ভূমিকার প্রশংসা করেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় বিশেষ করে বাংলাদেশের টেলিকম খাতে নরওয়ের বিনিয়োগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

#

 

শেফায়েত/রাহাত/সঞ্জীব/কানাই/২০২০/২১০০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                       নম্বর : ২৩৯১

 

ঢাকার চারপাশের নদ-নদী দখল ও দূষণ মুক্ত করতে শীঘ্রই অভিযানে নামবে সরকার

                                                                             --স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

ঢাকা, ১৮ আষাঢ় (২ জুলাই) :

          স্থানীয় সরকার মোঃ তাজুল ইসলাম বলেছেন, ঢাকার চারপাশের নদীগুলো দখল মুক্ত ও দূষণ রোধ করে নাব্যতা বৃদ্ধির জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নিয়ে মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী শীঘ্রই একযোগে অভিযানে নামবে সরকার।

          মন্ত্রী আজ মন্ত্রণালয়ের অফিস কক্ষ থেকে অনলাইনে মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন কমিটির এক সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহ্‌মুদ চৌধুরী সভায় অংশগ্রহণ করেন।

          স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, সরকার দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নদ-নদী দূষণমুক্ত করা, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, উৎপাদনশীলতা ও নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে ঢাকার আশপাশের সকল নদ-নদী দখল ও দূষণ রোধে একটি মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন করা হয়েছে। এই মাস্টার প্ল্যান দ্রুত বাস্তবায়ন করার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, মাস্টার প্লানে যে সকল দিকনির্দেশনা, সমস্যা এবং চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করা হয়েছে সেগুলো বাস্তবায়ন করতে না পারলে আমাদের সকলের শ্রম কোনো সুফল বয়ে আনবে না।

          নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় কর্তৃক ঢাকার আশপাশের নদ-নদী দখলমুক্ত করার অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে মোঃ তাজুল ইসলাম বলেন, ঢাকা-সহ দেশের সকল নদ-নদীকে দখলমুক্ত, দূষণমুক্ত করতে এই অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি বলেন, অবৈধ নদ-নদী দখলদার যারা আইন বহির্ভূত কাজ করে তারা মনে করে সরকার থেকে চালানো অভিযান কিছুদিন চলার পর বন্ধ হয়ে যাবে এবং তারা আবার দখলদারিত্ব শুরু করবে। এসব দখলকারীরা যেন এই সুযোগ না পায় সেজন্য সব সময় তৎপর থাকতে হবে।

          এসময়, রাজধানীতে জলাবদ্ধতা রোধ করতে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এবং ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক-সহ এর সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী। নগরবাসীর জন্য জলাবদ্ধতা কোনোক্রমেই যেন দুর্ভোগের কারণ না হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।

          স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক, বিআইডব্লিউটিএ-এর চেয়ারম্যান এবং ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সভায় অংশগ্রহণ করেন।

 

#

হায়দার/রাহাত/সঞ্জীব/কানাই/২০২০/২০২৮ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                নম্বর : ২৩৯০

 

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও রেমিট্যান্সে অভূতপূর্ব রেকর্ড

 

ঢাকা, ১৮ আষাঢ় (২ জুলাই) :

          গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের শুধু জুন মাসেই দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১ দশমিক ৮৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা একক মাস হিসাবে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স প্রবাহের ইতিহাসে যে কোনো সময়ের তুলনায় সর্বোচ্চ।

          ২০১৯-২০ অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ হয়েছে ১৮ দশমিক ২০৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ছিল ১৬ দশমিক ৪২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এখাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০ দশমিক ৮৫ শতাংশ। পাশাপাশি গত ৩০ জুন পর্যন্ত দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬ দশমিক শূন্য ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের নতুন রেকর্ড ছুঁয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে যা এ যাবতকালের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিগত বছরের একই সময়ে এ রিজার্ভ ছিল ৩২ দশমিক ৭১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। রিজার্ভের এই উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে রেমিট্যান্সের অন্তঃপ্রবাহ। এ অভূতপূর্ব সাফল্যে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে এ অর্জন সেই সকল প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন।

          উল্লেখ্য, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও রেমিট্যান্স প্রবাহের এ উল্লম্ফনে সরকার কর্তৃক বাস্তবায়িত ২ শতাংশ নগদ প্রণোদনা প্রবাসীদের যথেষ্ট মাত্রায় অনুপ্রাণিত করেছে। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক নীতি সহায়তাও এক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে। প্রবাসীবান্ধব নীতির কারণে প্রবাসীরা এ বছর ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণ করেছেন। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর আমদানি দায় পরিশোধের সময়সীমা বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং সরকারি ও বেসরকারি খাত বিশেষ করে জ্বালানি খাতের সার্বিক আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলা হ্রাস পাওয়ার কারণেও রিজার্ভ বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য হ্রাস এবং দেশের অভ্যন্তরে তেলের চাহিদা হ্রাসও রিজার্ভ বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে।

 

#

তৌহিদুল/রাহাত/সঞ্জীব/জয়নুল/২০২০/২১৪০ঘণ্টা

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                নম্বর : ২৩৮৯

সংসদের সামনে বাজেটের কপি ছেঁড়া বিএনপি’র ঔদ্ধত্যের নতুন বহিঃপ্রকাশ

                                                                                -- তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ১৮ আষাঢ় (২ জুলাই) :

          ‘সংসদের সামনে বাজেটের কপি ছেঁড়া বিএনপি’র ঔদ্ধত্যের নতুন বহিঃপ্রকাশ’ বলেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহ্‌মুদ।

          আজ সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি এমন একটি রাজনৈতিক দল, যারা পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে মানুষকে হত্যা করেছিল। পেট্রোল বোমা নিক্ষেপের কর্মসূচি যে রাজনৈতিক দল দেয়, সংসদের সামনে গিয়ে তাদের বাজেটের কপি ছিঁড়ে ফেলা খুব স্বাভাবিক। যে উদ্ধত আচরণ তারা সবসময় করে আসছে, সেটিরই নতুন বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে সংসদের সামনে গিয়ে বাজেটের কপি ছিঁড়ে ফেলা।’

          মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি যে এবারই বাজেট প্রত্যাখ্যান করছে তা তো নয়, গত ১১ বছর ধরে প্রতিবারই তারা বাজেট প্রত্যাখ্যান করছে এবং প্রতিবারই বলেছে বাজেট বাস্তবায়নযোগ্য না, জনগণের কল্যাণে আসবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু গত ১১ বছর ধরে সমস্ত বাজেটই বাস্তবায়িত হয়েছে এবং বাস্তবায়নের হার ৯৭-৯৮ শতাংশ। সেই বাজেটগুলো বাস্তবায়নের প্রেক্ষিতে দেশের দারিদ্র্য কমে অর্ধেকে নেমেছে, মানুষের মাথাপিছু আয় সাড়ে তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, জিডিপি প্রায় চারগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশ খাদ্যে উদ্বৃত্ত হয়েছে, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের পথে উন্নীত হয়েছে। এটিই হচ্ছে বাস্তবতা। কিন্তু তারা কোনোবারই বাজেট গ্রহণ করতে পারেনি।’

          ড. হাছান বলেন, ‘বিএনপি সেখানে বলেছে, মাত্র একদিন বাজেট নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু আসলে তা নয়, পুরো বাজেট সেশনেই কিন্তু বাজেটের ওপর বক্তৃতা হয়েছে। তারা নিজেরা বাজেট অধিবেশনে অংশগ্রহণ করেনি, বাজেট অধিবেশনে যে আলোচনা হয়েছে সেটিও ঠিকমতো খেয়াল রাখেনি, সে কারণেই তারা এ ধরণের ভুল বক্তব্য দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রতিদিন সংসদ চালানো সম্ভব নয়। পৃথিবীর কোনো দেশে সেটি হচ্ছে না। আমাদের দেশে এখন করোনা ভাইরাস প্রায় তুঙ্গে, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৪ হাজার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে, গড়ে প্রায় ৪০ জন বা তার বেশি মানুষ মৃত্যুবরণ করছে। এই সময় তো সংসদ প্রতিদিন চালানো সম্ভব নয়, এই বাস্তবতা তারা বুঝেও এ ধরণের অসত্য, অপ্রাসঙ্গিক কথাগুলো বলে।

 

কুয়েতে কর্মী রপ্তানির ক্ষেত্রে আমাদের ওপর কোনো প্রভাব পড়বে না

          সাংবাদিকরা এসময় কুয়েতে মানবপাচারের দায়ে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শহিদ ইসলাম পাপলু গ্রেপ্তারের ফলে সেখানে কর্মী রপ্তানি ব্যাহত হবে কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে ড. হাছান বলেন, ‘কুয়েতের তদন্তে সেখানকার সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদদের সম্পৃক্ততা বেরিয়ে এসেছে। তাদের সম্পৃক্ততা, সহযোগিতা ছাড়া এই কাজগুলো হতো না, সুতরাং তারাও সমভাবে দায়ী। সুতরাং এ ঘটনা আমাদের শ্রমবাজারে অর্থাৎ কুয়েতে কর্মী রপ্তানির ক্ষেত্রে কোনো প্রভাব ফেলবে বলে আমি মনে করি না।’

চলমান পাতা-২

 

 

- ২ -

করোনা পরীক্ষার ফি পুনর্বিবেচনার জন্য তথ্যমন্ত্রীর অনুরোধ

          করোনা পরীক্ষার ফি নিয়ে সমালোচনার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এটি নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। আমি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেছি এটি পুনর্বিবেচনা করার জন্য। তবে একেবারেই বিনামূল্যের কারণে অনেক সময় যাদের প্রয়োজন নেই তারাও পরীক্ষা করে। কিন্তু গরিব মানুষ যাতে প্রয়োজনে বিনামূল্যে পরীক্ষা করাতে পারে, সেটি নিয়ে তার সাথে আমি ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেছি।’

চট্টগ্রামের সল্টগোলায় ৫০ শয্যার বিজিএমইএ কোভিড-১৯ ফিল্ড হাসপাতাল উদ্বোধন

          এর আগে তথ্যমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে চট্টগ্রামের সল্টগোলায় ৫০ শয্যার বিজিএমইএ কোভিড-১৯ ফিল্ড হাসপাতাল উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত হন। তিনি বলেন, বৈশ্বিক মহামারি মোকাবিলায় সমন্বিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই। এ উদ্যোগে সম্পৃক্ত হবার জন্য তিনি বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি-বিজিএমইএ’কে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানান। তৈরিপোশাক রপ্তানি খাত বাংলাদেশের অর্থনীতির ‘লাইফ-লাইন’ বলেন মন্ত্রী।

          বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে হাসপাতালটি উদ্বোধন করেন। বিজিএমইএ’র সভাপতি রুবানা হক, প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম ও বোর্ড সদস্যবৃন্দ উদ্বোধনী সভায় অংশ নেন।

          তথ্যমন্ত্রী জানান, করোনার শুরুতে চট্টগ্রামে রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক প্রতিকূলতা, সীমাবদ্ধতা ছিল, কিন্তু আমরা ক্রমাগতভাবে সমন্বয় সভা করে প্রশাসন, পুলিশ, ব্যবসায়ী-স্বেচ্ছাসেবী সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করেছি, সে কারণে আগের পরিস্থিতি এখন নেই, অনেক উত্তরণ ঘটেছে। আইসিইউ, ভেন্টিলেটর-সহ যে সুবিধাগুলোর অপ্রতুলতা ছিল, আমরা সেই সংকট সমাধান করতে সক্ষম হয়েছি, জানান তিনি।

#

আকরাম/রাহাত/সঞ্জীব/জয়নুল/২০২০/১৮৫৫ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                       নম্বর : ২৩৮৮

কোভিড-১৯ (করোনা ভাইরাস) সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন

ঢাকা, ১৮ আষাঢ় (২ জুলাই) :

          ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স কো-অর্ডিনেশন সেন্টার (এনডিআরসিসি) থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ৬৪ জেলায় ইতোমধ্যে ২ লাখ ১১ হাজার ১৭ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়া শিশু খাদ্য-সহ অন্যান্য সামগ্রী ক্রয়ের জন্য ১২২ কোটি ৯৭ লাখ ৭২ হাজার ২৬৪ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বরাদ্দকৃত এ সাহায্য দেশের সকল জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বিতরণ করা হচ্ছে।

 ‌         স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)-এর তথ্যানুযায়ী আজ দেশে নতুন করে আরো ৪ হাজার ১৯ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এ নিয়ে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৭৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৮ জন-সহ এ পর্যন্ত ১ হাজার ৯২৬ জন এ রোগে মৃত্যুবরণ করেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮ হাজার ৩৬২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৬৬ হাজার ৪৪২ জন।

          এখন পর্যন্ত সর্বমোট ২৫ লাখ ২৮ হাজার ২৪৫টি পিপিই সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে মোট বিতরণ করা হয়েছে ২৪ লাখ ২ হাজার ৬৪টি এবং মজুত আছে ১ লাখ ২৬ হাজার ১৮১টি।

          সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ৬২৯টি প্রতিষ্ঠান এবং এর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের সেবা প্রদান করা যাবে ৩১ হাজার ৯৯১ জনকে।

 

#

তাসমীন/রাহাত/সঞ্জীব/কানাই/২০২০/১৮২০ঘণ্টা

 

Handout                                                                                                                     No. 2387

 

Foreign Minister stressed close collaboration and strong partnership between BD and the UN to manage the COVID-19 impact

 

Dhaka, 18 Ashar (2 July)

 

            Foreign Minister stressed close collaboration and strong partnership between Bangladesh and the UN to manage the COVID-19 impact. He mentioned it during a call on by a five member UN country team led by Mia Seppo, UN Resident Coordinator in Bangladesh held yesterday at the State Guest House Jamuna.

 

            During the meeting, Dr. Momen highlighted the impressive economic growth of Bangladesh including our spectacular progress in the areas of poverty reduction, improvement in the life expectancy, reduction of maternal and child mortality, women empowerment and other socio-economic sectors. He also informed that despite the onslaught of COVID-19, Bangladesh successfully submitted on time its second Voluntary National Response of SDG implementation. ‘However, COVID-19 may impede the progresses in the area of SDG achievements and our graduation trajectory’, the Foreign Minister apprehended. In this regard, he emphasized the need to have a coordinated partnership with the UN so that our ongoing endeavours remain on track.

 

            The Foreign Minister feared the negative impact of the pandemic in RMG and expatriate employment-two of the mainstays of Bangladesh’s economy. He expressed concern about the returnee migrant workers and sought UN’s assistance for re-skilling, re-employment and re-integration of them. He expressed hope that considering the large population size, Bangladesh should receive a substantial allocation from the UN's response and recovery fund.

 

            The Foreign Minister highlighted the climate vulnerability of Bangladesh and reminded about the responsibility of the developed countries in mitigation of climatic impact in light of the Paris Agreement. ‘Bangladesh as the current Chair of the Climate Vulnerable Forum will work with all concerned to ensure climate justice.’ He also sought support from the UN bodies for the establishment of the Global climate adaptation center as well as an Innovation and knowledge center to promote South-South Cooperation. ‘The world has a lot to learn from Bangladesh on climate adaptation’,  says the UN Resident Coordinator.

 

            While Dr. Momen thanked the UN agencies for their continued support on the Rohingya issue, he expressed deep concern that there was no progress in repatriation of Rohingyas to Myanmar. The ongoing violence and continued military offensive and resultant instability in the Rakhine province are forcing Myanmar nationals to flee and take perilous journeys by the land and sea in search for safety and security. It has broader ramifications on the overall repatriation as Myanmar is failing to create conditions conducive for safe and sustainable return of the Rohingyas. In this regard, the Foreign Minister pressed the UN to work with Myanmar more constructively under the framework of the existing tripartite mechanism.

 

            The UN team thanked the Foreign Minister for highlighting issues of importance to Bangladesh and providing guidance on how the UN agencies in Bangladesh can effectively partner with Bangladesh in its journey towards economic prosperity. The UN team mentioned that since Bangladesh joined the UN in 1974, the UN agencies are constructively engaged with Bangladesh in its pursuit of socio-economic development. The Resident coordinator assured of UN’s full support for Bangladesh to recover from the socio-economic shocks of the COVID-19. They reiterated the UN’s commitment to remain seized with the issue of Rohingya repatriation including through engaging more constructively with Myanmar.

 

Tohidul/Rahat/Sanjib/Kanai/2020/1755hour

তথ্যবিবরণী                                                                                                                 নম্বর : ২৩৮৬

হাসপাতাল তৈরি এবং চিকিৎসার উন্নয়নের সাথে দরকার ভেজালমুক্ত খাবার

                                                                  - স্থানী সরকার মন্ত্রী

ঢাকা, ১৮ আষাঢ় (২ জুলাই):

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম বলেছেন, মানুষের স্বাস্থ্যের উন্নয়নের জন্য হাসপাতাল তৈরি এবং চিকিৎসার মান উন্নয়নের পাশাপাশি দরকার ভেজালমুক্ত খাবার।

তিনি আজ রাজধানীর দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আধুনিক খাদ্য পরীক্ষাগারের উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন ।

মন্ত্রী বলেন, আমাদেরকে যেমন হাসপাতাল তৈরি করতে হবে, চিকিৎসার মান উন্নয়ন করতে হবে তেমনি মানুষকে বিশুদ্ধ এবং ভেজালমুক্ত খাদ্য সরবরাহ করতে হবে। মানুষের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বিশুদ্ধ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবারের বিকল্প নেই। তিনি বলেন, মানুষের ইমিউনিটি বাড়লে, ভাইরাস সহজেই তাকে কাবু করতে পারে না। আর মানুষের ইমিউনিটি নির্ভর করে খাদ্যচক্রের ওপর। খাদ্যে ভেজাল থাকলে মানুষ সহজেই ছোট-খাটো ভাইরাসে আক্রান্ত হয়।

এসময় মন্ত্রী উদাহরণ দিয়ে বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে অধিকাংশ মানুষ প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ায় তাদের ইমিউনিটি কমে গিয়েছিলো। ফলে যুদ্ধের চাইতেও যুদ্ধপরবর্তী সময়ে ছোট-খাটো ভাইরাসের আক্রমণে অনেক বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল। ‘আধুনিক খাদ্য পরীক্ষাগারটি ইউরোপীয় দেশসমূহের মত উন্নতমানের’ উল্লেখ করে এটি নগরবাসীকে ভেজালমুক্ত খাবার উপহার দিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মন্ত্রী জানান, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর এই দেশ ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সেই ক্ষত থেকে ধীরে ধীরে দেশকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য এবং যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটিয়ে উন্নত সমৃদ্ধির দিকে নিয়ে যাচ্ছেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নুর তাপস এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদসহ স্থানীয় সরকার বিভাগ ও ডিএসসিসি'র উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ  অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এডিবির অর্থায়নে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় ‘আরবান পাবলিক এন্ড এনভায়রনমেন্টাল হেলথ সেক্টর ডেভেলপমেন্ট’ প্রকল্পের অধীনে ৭টি সিটি কর্পোরেশনে এই আধুনিক খাদ্য পরীক্ষাগার নির্মাণ করা হচ্ছে।

#

হায়দার/পরীক্ষিৎ/খোরশেদ/২০২০/১৫০০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                                  নম্বর: ২৩৮৫

৯৭ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা পাচ্ছে

                          ----বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১৮ আষাঢ় (২ জুলাই):

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বর্তমানে ২৩ হাজার ৪৩৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা হওয়ায় দেশে বিদ্যুৎ সুবিধাপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠী শতকরা ৯৭ ভাগে উন্নীত হয়েছ। ৫৮ লক্ষ সোলার হোম সিষ্টেম স্থাপনের মাধ্যমে অফ-গ্রিড এলাকার মানুষের জন্য বিদ্যুৎ সুবিধা প্রদান করা হয়েছে।

তিনি বলেন, জমির প্রাপ্যতা, জ্বালানি পরিবহন সুবিধা এবং লোড সেন্টার বিবেচনায় পায়রা, মহেশখালী ও মাতারবাড়ি এলাকাকে ‘পাওয়ার হাব’ হিসেবে চিহ্নিত করে মেগাপ্রকল্পসমূহ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কয়লাভিত্তিক রামপাল ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট মৈত্রী সুপার থার্মাল প্রজেক্ট, মাতারবাড়ি ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট আল্ট্রাসুপার ক্রিটিক্যাল কোল প্রজেক্ট এবং পায়রা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট প্রকল্প স্থাপনের কার্যক্রম পুরোদমে চলছে।

প্রতিমন্ত্রী গতকাল রাতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সোশ্যাল রিসার্চ গ্রুপের আয়োজনে “বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের ভবিষ্যৎ” শীর্ষক লাইভ ওয়েবিনারে তরুণ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

নসরুল হামিদ বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি হতে প্রায় ৬২৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে এবং মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ১০% নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যে সৌরবিদ্যুৎভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বেসরকারী পর্যায়ে বিল্ডিংয়ের ছাদে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনকে জনপ্রিয় করার জন্য “নেট মিটারিং গাইডলাইন” প্রণয়ন করা হয়েছে। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও টেকসই জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ২০৩০ সালের মধ্যে ২০% জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

 

তিনি জানান, বর্তমানে ভারত হতে ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হচ্ছে। নেপালের সাথে দ্বিপক্ষীয় বিদ্যুৎ বাণিজ্যের জন্য সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং একটি আইপিপি হতে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির জন্য নেগোসিয়েশন চূড়ান্ত করা হয়েছে। ভুটান হতে জলবিদ্যুৎ আমদানির বিষয়ে ত্রিদেশীয় সমঝোতা স্বাক্ষর চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। তিনি বলেন, প্রাকৃতিক গ্যাস বাণিজ্যিক জ্বালানির অধিকাংশ পূরণ করে। দেশে বর্তমানে আবিস্কৃত গ্যাস ক্ষেত্রের সংখ্যা ২৭ টি, যার মধ্যে ২০টি বর্তমানে উৎপাদনে আছে। ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে গ্যাসের উৎপাদন ছিল দৈনিক ১৭৪৪ মিলিয়ন ঘনফুট, যা বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ২৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হয়েছে। পাশাপাশি দৈনিক প্রায় ৬০০মিলিয়ন ঘনফুট আমদানিকৃত এলএনজি জাতীয় গ্রীডে যুক্ত হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, তরুণদের আগ্রহ ও সচেতনতাই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে আরও সুসংহত করবে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ি হওয়া আবশ্যক। সচেতনতাই বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দক্ষ ও সাশ্রয়ি ব্যবহার নিশ্চিত করবে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক কৃষ্ণ কুমার সাহা অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

#

আসলাম/পরীক্ষিৎ/খোরশেদ/২০২০/১৪০০ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                       নম্বর : ২৩৮৪

বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিকতা দিবসে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

ঢাকা, ১৮ আষাঢ় (২ জুলাই) :

          বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিকতা দিবস ২০২০ উপলক্ষে দেশের প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সকল ক্রীড়া সাংবাদিকদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল । 

          এক শুভেচ্ছা বার্তায় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, আধুনিক বিশ্বে ক্রীড়া সাংবাদিকতার ভূমিকা এবং গুরুত্ব অপরিসীম। ক্রীড়া সাংবাদিক এবং লেখকরা হলেন ক্রীড়াঙ্গনের চোখ, মানুষের শব্দ এবং কণ্ঠস্বর। ক্রীড়া সাংবাদিকতা আর ক্রীড়াঙ্গন অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। একটি বাদ দিয়ে অন্যটি ভাবা যায় না। ক্রীড়া সাংবাদিকতার মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্রীড়া সাংবাদিকরা দেশের খেলাকে আরো উঁচুতে নিতে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবেন বলে প্রতিমন্ত্রী বিশ্বাস করেন।

          তিনি বলেন, করোনাকালীন এ দুর্যোগের সময়েও ক্রীড়া সাংবাদিকরা তাঁদের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রেখে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন সাংবাদিক মৃত্যু বরণ করেছেন। প্রতিমন্ত্রী তাঁদের বিদেহী

2020-07-02-22-03-d1d875445dd4f96c3bded5a9fce51887.docx 2020-07-02-22-03-d1d875445dd4f96c3bded5a9fce51887.docx

Share with :

Facebook Facebook