তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৬ মার্চ ২০১৮

তথ্যবিবরণী ৫/০৩/২০১৮

তথ্যবিবরণী                                                                               নম্বর : ৭০৩
বিশ্বকাপ ফুটবল সম্প্রচার কনসোর্টিয়ামে তথ্যমন্ত্রী
নিয়ম মেনেই খেলা, নিয়ম মেনেই রাজনীতি
ঢাকা, ২১ ফাল্গুন (৫ মার্চ ) :
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, খেলা ও রাজনীতি উভয় ক্ষেত্রেই নিয়ম মেনে চলতে হয়। নিয়ম ভাঙলে লাল ও হলুদ কার্ড পেতে হয়, মাঠের বাইরে থাকতে হয়। আগামী নির্বাচনও নিয়ম মেনেই হবে।
আজ ঢাকায় প্যানপ্যাসিফিক সোনারগাঁ হোটেলের বলরুমে বাংলাদেশে বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮ সরাসরি সম্প্রচার স্বত্বাধিকারী স্কয়ার গ্রুপের মিডিয়া কম, কে স্পোর্টস, জিরো মিডিয়া ও জাদু মিডিয়া লিমিটেড, এচার কোম্পানির কনসোর্টিয়াম আয়োজিত কিক অভ্ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী একথা বলেন। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, স্কয়ার গ্রুপের প্রধান অঞ্জন চৌধুরী এবং বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। এসময় নাগরিক টিভির চেয়ারপার্সন রুবানা হকের ভিডিও বার্তাও প্রচারিত হয়।
মন্ত্রী বলেন, ফুটবল মানেই আনন্দ। আর এ মুহূর্তে বাংলাদেশি দর্শকরা রাত জেগে ১৪ জুন থেকে রাশিয়ায় শুরু হতে যাওয়া পৃথিবীর সবচেয়ে বড় খেলার আয়োজন- ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল দেখার জন্য তৈরি হচ্ছে। নিজ ছাত্রজীবনে জাতীয় ফুটবল দলের গোলরক্ষক হাসানুল হক ইনু এসময় সম্প্রচার কনসোর্টিয়ামকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বিশ্বকাপের খেলা গ্যালারিতে বসে দেখার সৌভাগ্য হাতে গোনা ক’জনের হলেও টেলিভিশনে খেলা দেখার সুযোগ পাচ্ছেন ১৬ কোটি বাংলাদেশি। এটি নিঃসন্দেহে আনন্দের। বিশ্বকাপ ফুটবল দেখার সময় খেলোয়াড়দের নৈপুণ্য, কুশলতা, দলগত স্পৃহাসহ ক্রীড়াসুলভ বিষয়গুলো বোঝার চেষ্টা করার আহ্বান জানান তথ্যমন্ত্রী। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, নিয়মের বাইরে গেলে খেলোয়াড়দের সাজা হয়, রাজনীতিতেও তাই।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার বলেন, বিশ্বকাপ ফুটবল আমাদের নতুন প্রজন্মকে ক্রীড়ায় আগ্রহী করবে, জঙ্গি ও মাদক থেকে দূরে রাখবে।
আয়োজকরা জানান, বিশ্বকাপের ৬৪টি ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার করবে মাছরাঙা টেলিভিশন ও নাগরিক টেলিভিশন। এর মধ্যে ৫৬টি ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার হলেও আটটি ম্যাচ দেরিতে প্রচার করা হবে। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ৩৩টি ম্যাচ দেখাবে বাংলাদেশ টেলিভিশন। ফিফার কাছ থেকে মূল সম্প্রচার স্বত্ব কিনেছে সনি মিডিয়া। তাদের কাছ থেকে দুবাইভিত্তিক এলএসডি মিডিয়ার হাত বদল হয়ে বাংলাদেশের সম্প্রচার স্বত্ব কিনতে স্কয়ার গ্রুপের মিডিয়া কম, কে স্পোর্টস, জিরো মিডিয়া ও জাদু মিডিয়া লিমিটেড - চার কোম্পানি কনসোর্টিয়াম করেছে। চার কোম্পানির কনসোর্টিয়াম বিশ্বকাপ ফুটবল বাংলাদেশে সম্প্রচারের ঘোষণা দিতেই এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
#
আকরাম/মাহমুদ/রফিকুল/জয়নুল/২০১৮/২০৪৫ঘণ্টা  
তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর : ৭০২
চিত্রকরেরা ইতিহাসের বাহন
---তথ্যমন্ত্রী
ঢাকা, ২১ ফাল্গুন ( ৫ মার্চ) : 
চিত্রকরদের ইতিহাসের বাহন হিসেবে বর্ণনা করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তিনি বলেন, সামনের পথ নির্ধারণেই শিল্পের সবচেয়ে বড় ভূমিকা, সমাজ-রাজনীতি-দর্শনের পথ বাতলে দেয়া। কোন্ পথে যাবো আমরা! কোন্ পথে যাবে দেশ। বাংলাদেশের নিজের পথে চলতে তাই শিল্পীদের কাজের কোনো বিকল্প নেই। 
মন্ত্রী আজ ঢাকার ধানম-িতে গ্যালারি চিত্রকে ১১ দিনব্যাপী ১১জন চিত্রকরের চিত্রকলা প্রদর্শনী ফ্রেম ৭৪ উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন। প্রখ্যাত চিত্রকর সমরজিৎ রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে চিত্রকর শহীদ কবির, ড. আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
মন্ত্রী বলেন, মানুষের মনের অসম্ভব সব কল্পনা, বিচিত্র অনুভবের প্রকাশ ঘটে চিত্রকলায়। চলমান জীবন ও চিন্তার শৈল্পিক প্রকাশ শুধু চেতনার ইতিহাসকেই ধরে রাখে না, তৈরি করে নতুন ইতিহাস। সেখানে থাকে তার সৌন্দর্যবোধ, রসবোধ, বিনোদন-ভাবনা, জীবন ও সমাজের ঘাত-প্রতিঘাত, বঞ্চনা, ভালো লাগা, ভালোবাসা, প্রেম, ঘৃণা, বিদ্রোহ, অনুরাগ, কপটতা, বৈষম্যসহ নেতিবাচক ও ইতিবাচক অসীম চেতনার প্রকাশ। চিত্রকলার এমনই শক্তি, যা আমাদের হাসাতে পারে, কাঁদাতে পারে, আন্দোলিত করতে পারে, পারে বিস্ময়ে বিমূঢ় করতে। যেমন, দুর্ভিক্ষের চিত্র জাগিয়ে তুলতে পারে অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করার চেতনা। মিছিলের চিত্র দিতে পারে গণজাগরণের উন্মাদনা, বলেন তিনি। 
ইনু বলেন, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের আঁকা ছবির সামনে দাঁড়িয়ে, এস এম সুলতানের ছবির সামনে দাঁড়িয়ে, ভিনসেন্ট ভ্যানগগ, সালভাতোর দালি, পাবলো পিকাসো, রেমব্রান্ট বা লিওনাদো দ্য ভিঞ্চির পেইন্টিংয়ের সামনে দাঁড়িয়ে আমরা অনন্য এক চেতনার জগতে চলে যাই। আর যদি ঢাকার অদূরেই উয়ারী-বটেশ্বরে কান পাতেন- শুনতে পাবেন চার হাজার বছরের পুরোনো সভ্যতার গান। চলে যান যদি মহাস্থানগড়ে, কিংবা ছুটে যান ময়নামতিতে- দেখবেন হাজার বছরের পুরোনো স্থাপত্য আপনাকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে। হ্যাঁ, ওখানেই, ঐ জায়গাগুলোতেই শুয়ে আছেন আমাদের পূর্বপুরুষেরা। রেখে গেছেন তাদের যাপিত জীবনের চিহ্ন- কলায়, স্থাপত্যে। আর এই মঞ্চ থেকে আমি শ্রদ্ধা জানাই সেই সকল চিত্রকরদের যারা শিল্পের বীজ বুনে চলেছেন আর আমরা তাদের সৃষ্টি থেকে চিনে নিচ্ছি আমাদের পথ, জেনে নিচ্ছি কোন পথে আমরা এগুবো, উচ্চারণ করেন ইনু।
১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রদর্শনী উন্মুক্ত রয়েছে।
#
আকরাম/মাহমুদ/রফিকুল/আব্বাস/২০১৮/২০৩৩ ঘণ্টা 
তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর :৭০১ 
স্বাধীনতা পুরস্কার ঘোষণা 
ঢাকা, ২১ ফাল্গুন (৫ মার্চ) : 
জাতীয় পর্যায়ে ‘গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ’ অবদানের স¦ীকৃতিস¦রূপ সরকার ১৬ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ‘স¦াধীনতা পুরস্কার’ ২০১৮ প্রদানের জন্য চূড়ান্তভাবে মনোনীত করেছে।
মনোনীত ব্যক্তিরা হলেন : স¦াধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে মরহুম কাজী জাকির হাসান (মরণোত্তর), শহিদ বুদ্ধিজীবী এস. এম. এ রাশীদুল হাসান (মরণোত্তর), প্রয়াত শংকর গোবিন্দ চৌধুরী (মরণোত্তর), এয়ার ভাইস মার্শাল সুলতান মাহ্মুদ বীর উত্তম এসিএসসি (অব.), মরহুম এম আব্দুর রহিম (মরণোত্তর), প্রয়াত ভূপতি ভূষণ চৌধুরী ওরফে মানিক চৌধুরী (মরণোত্তর), শহিদ লে. মোঃ আনোয়ারুল আজিম (মরণোত্তর), মরহুম হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী (মরণোত্তর), শহিদ আমানুল্লাহ্ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (মরণোত্তর), শহিদ মতিউর রহমান মল্লিক (মরণোত্তর), শহিদ সার্জেন্ট জহুরুল হক (মরণোত্তর) ও আমজাদুল হক; চিকিৎসাবিদ্যায় অধ্যাপক ডা. এ. কে. এমডি আহসান আলী; সমাজসেবায় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান; সাহিত্যে সেলিনা হোসেন এবং খাদ্য নিরাপত্তায় ড. মোঃ আব্দুল মজিদ।  
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২৫ মার্চ ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘স¦াধীনতা পুরস্কার’ ২০১৮ প্রদান করবেন।
#
সালেহ/মাহমুদ/ফারহানা/রফিকুল/আব্বাস/২০১৮/ঘণ্টা 
তথ্যবিবরণী                                                                               নম্বর : ৭০০
বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রীর সাথে কাতারের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
ঢাকা, ২১ ফাল্গুন (৫ মার্চ ) :
বাংলাদেশ ও কাতারের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও জনশক্তি রপ্তানি ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে এ দু’দেশের মধ্যে দু’দেশের নাগরিকদের যাতায়াতও ব্যাপক হারে বেড়ে গেছে। এ অবস্থা বিবেচনায় দু’দেশের মধ্যে এএসএ (এয়ার সার্ভিস এগ্রিমেন্ট) নবায়নও জরুরি হয়ে পড়েছে। 
বাংলাদেশে নিযুক্ত কাতারের রাষ্ট্রদূত আহমেদ মোহাম্মদ আল-দিহাইমি আজ সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী একেএম শাহজাহান কামালের সাথে সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন। মন্ত্রী দ্রুত এএসএ নবায়নের আশ্বাস দেন এবং এ সংক্রান্ত একটি সভা আহ্বানের আশ্বাস প্রদান করেন। 
মন্ত্রী এভিয়েশন সেক্টরসহ অন্যান্য সেক্টরে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি নিয়োগের আহ্বান জানালে রাষ্ট্রদূত এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক পত্র দিতে অনুরোধ জানান। 
বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এএইচএম জিয়াউল হক ও মন্ত্রীর একান্ত সচিব মফিজুল ইসলাম পাটওয়ারী এ সময় উপস্থিত ছিলেন। 
#
তুহিন/মাহমুদ/রফিকুল/জয়নুল/২০১৮/১৮১০ঘণ্টা   
তথ্যবিবরণী                                                                               নম্বর : ৬৯৯
পুষ্টিতে সফলতা ছাড়া এসডিজি অর্জিত হবে না
                  --- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
ঢাকা, ২১ ফাল্গুন (৫ মার্চ ) :
২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জন করতে হলে শুধু মাথাপিছু আয় বাড়ালেই চলবে না, দেশের জনগণের যথাযথ পুষ্টিসাধনেও সফলতা অর্জন করতে হবে। অন্যথায় সঠিকভাবে এসডিজি অর্জিত হবে না। এছাড়া মৎস্য ও মাংসে সাম্প্রতিক স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনকে টেকসই করতে হবে। পাশাপাশি গবাদিপশু ও পাখির রোগপ্রতিরোধক টিকা আবিষ্কার এবং টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রেও আমাদের স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে হবে যাতে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হয়।    
প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের অগ্রগতি এবং সমস্যা-সম্ভাবনা বিষয়ক এক সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ আজ একথা বলেন। প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মিলনায়তনে অধিদফতরের মহাপরিচালক মোঃ আইনুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মন্ত্রী জানান, সরকার জনগণের পুষ্টিচাহিদা পূরণকারী একমাত্র মন্ত্রণালয় হিসেবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়কে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে যাচ্ছে। গবাদিপশুর খাদ্যের অস্বাভাবিক মূল্য কমানোর ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, জনস্বার্থ বিবেচনা করে আমাদের কমখরচে গবাদিপশুর ফিড তৈরির পদক্ষেপ নিয়ে তা স্বল্পমূল্যে বাজারজাত করণেরও ব্যবস্থা করা জরুরি। 
সভায় অন্যান্যের মধ্যে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য নীতিশ চন্দ্র দেবনাথ, লাইভ স্টক এসোসিয়েশনের সভাপতি মাহবুব আলম ফারুক, ভেটেরিনারি এসোসিয়েশনের সভাপতি এসএম নজরুল ইসলাম এবং অধিদফতরের পরিচালক (সম্প্রসারণ) ধীরাজ রঞ্জন ভৌমিক বক্তৃতা করেন। 
#
শাহ আলম/মাহমুদ/রফিকুল/জয়নুল/২০১৮/১৮০০ঘণ্টা   
তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ৬৯৮ 
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী
ঢাকা, ২১ ফাল্গুন (৫ মার্চ) :    
রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :
“প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৮’ উদযাপিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে আমি কোমলমতি শিক্ষার্থীদেরকে জানাই আমার প্রাণঢালা ভালোবাসা। 
শিক্ষা জাতির সার্বিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির চাবিকাঠি। এ উপলব্ধি থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রাথমিক শিক্ষাকে সর্বজনীন ও বাধ্যতামূলক করে নিরক্ষরমুক্ত সোনার বাংলা বিনির্মাণে দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিলেন। জাতির পিতা মেধা ও দক্ষতাসম্পন্ন মানবসম্পদ গড়ার লক্ষ্যে দূরদর্শী ও ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় তাঁরই সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার শিক্ষাখাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণে নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। 
বিদ্যালয়ে গমনোপযোগী শিশুদের ভর্তির হার বৃদ্ধি, ঝরেপড়া হার কমানো, বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি, শিক্ষাচক্র সমাপনের হার বৃদ্ধিসহ মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা অর্জনের জন্য সরকার নানামুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ ও মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ব্যবহার করে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে শ্রেণি পাঠদান অব্যাহত আছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা সপ্তাহের প্রতিপাদ্য ‘মানসম্মত শিক্ষা, শেখ হাসিনার দীক্ষা’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি। 
জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের জন্য মানসম্মত ও জীবনমুখী শিক্ষার বিকল্প নেই। সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় মানসম্মত ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, সকলের সম্মিলিত এবং সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষাক্ষেত্রে নির্ধারিত জাতীয় লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছানো সম্ভব হবে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন এবং ‘রূপকল্প ২০২১’ বাস্তবায়নে আমি সকলের সম্মিলিত অংশগ্রহণের আহ্বান জানাই। 
স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সবসময় একটি সুখী-সমৃদ্ধ ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন। একটি সুশিক্ষিত, মেধাভিত্তিক ও বিজ্ঞানমনস্ক জাতি গঠনের মাধ্যমে জাতির পিতার সেই স্বপ্ন পূরণ সম্ভব। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা অর্জিত হবে এবং বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে সমৃদ্ধির পথে। 
আমি ‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৮’র সার্বিক সাফল্য কামনা করি।
খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”
#
হাসান/অনসূয়া/রিফাত/রেজ্জাকুল/আসমা/২০১৮/১৫০০ ঘণ্টা 
তথ্যববিরণী                                                                                                               নম্বর : ৬৯৭
জাতীয় প্রাথমকি শক্ষিা সপ্তাহ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণী
ঢাকা, ২১ ফাল্গুন (৫ র্মাচ) :  
প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনিা জাতীয় প্রাথমকি শক্ষিা সপ্তাহ উপলক্ষে নম্নিােক্ত বাণী প্রদান করছেনে :
"সবার জন্য মানসম্মত প্রাথমকি শক্ষিা নশ্চিতি করার লক্ষ্যে প্রাথমকি ও গণশক্ষিা মন্ত্রণালয়রে উদ্যোগে 'জাতীয় প্রাথমকি শক্ষিা সপ্তাহ ২০১৮' উদ্যাপন করা হচ্ছে জনেে আমি আনন্দতি।  
র্সবকালরে র্সবশ্রষ্ঠে বাঙাল,ি জাতরি পতিা বঙ্গবন্ধু শখে মুজবিুর রহমান যুদ্ধবধ্বিস্ত সদ্য স্বাধীন দশেকে পুর্নগঠনে র্সবশক্তি দয়িে কাজ শুরু করছেলিনে। তনিি এক্ষত্রেে সবচয়েে অগ্রাধকিার দয়িছেলিনে শক্ষিাখাতক।ে তনিি হাজার হাজার বধ্বিস্ত, পুড়য়িে  দওেয়া স্কুল-কলজে পুর্নগঠন করনে। নতুন নতুন বদ্যিালয় ও কলজে ভবন নর্মিাণ করনে। জাতরি পতিা প্রাথমকি শক্ষিাকে অবতৈনকি ঘােষণা করনে। দশেরে ৩৭ হাজার ১৬৫টি প্রাথমকি বদ্যিালয়কে জাতীয়করণ করনে।
তথ্যপ্রযুক্তি নর্ভির আধুনকি জাতি গঠনরে পাশাপাশি দশেে সুষম ও টকেসই উন্নয়ন ত্বরান্বতি করতে সুশক্ষিতি ও দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে আমাদরে সরকার দশেরে শক্ষিাখাত বশিষে করে প্রাথমকি শক্ষিার ওপর র্সবাধকি গুরুত্বারােপ করছে।ে ইতমিধ্যে প্রাথমকি বদ্যিালয়ে গমনোপযোগী প্রায় শতভাগ শশিুর র্ভতি নশ্চিতি করা হয়ছে।ে সমাপনী পরীক্ষায় প্রায় শতভাগ উর্ত্তীণ হচ্ছ।ে প্রাথমকি শক্ষিারক্ষত্রেে লঙ্গি সমতা র্অজতি হয়ছেে এবং তা বশ্বিব্যাপী প্রশংসতি হয়ছে।ে শক্ষিায় অর্ন্তভুক্ত করে লঙ্গি সমতা আনার স্বীকৃতস্বিরূপ আমরা ইউনস্কেো 'শান্তবিৃক্ষ' পুরস্কারে ভূষতি হয়ছে।ি ২০১০ সালে আমরা মাধ্যমকি র্পযন্ত ছাত্রছাত্রীদরে মধ্যে বনিামূল্যে পাঠ্যবই বতিরণ র্কমসূচি শুরু কর।ি ৯ বছরে র্সবমোট প্রায় ২৬০ কোটি ৮৫ লাখ ৯১ হাজার ২৯০টি বই বতিরণ করা হয়ছে।ে ২০১৭ সাল হতে সরকার ৫টি নৃগোষ্ঠীর ভাষায় ৭৭ লাখ ২৮২টি বই ছাপয়িে বতিরণ করছে।ে আমরা ২৬ হাজার ১৯৩টি প্রাথমকি বদ্যিালয় জাতীয়করণ করছে।ি এ র্পযন্ত ৩১ হাজার ১৩১টি শক্ষিাপ্রতষ্ঠিানে কম্পউিটার ল্যাব ও মাল্টমিডিয়িা ক্লাসরুম স্থাপন করা হয়ছে।ে  বদ্যিালয়বহিীন ১ হাজার ১২৫টি গ্রামে নতুন প্রাথমকি বদ্যিালয় স্থাপন করা হয়ছে।ে 
র্বতমানে দশেে সাক্ষরতার হার ৭২ দশমকি ৩ শতাংশ। শক্ষর্িাথীদরে জন্য বশিুদ্ধ পানীয়জল সরবরাহ, ছলেে ও ময়েে শক্ষর্িাথীদরে পৃথক ওয়াশ ব্লক নর্মিাণ অব্যাহত রয়ছে।ে পাশাপাশি স্কুল ফডিংি র্কমসূচতিে অভভিাবক ও স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছ।ে শশিুদরে মধ্যে নতেৃত্ববোধ জাগ্রত করার জন্য স্টুডন্টেস কাউন্সলি গঠন ও পাঠ্যপুস্তক সহজলভ্য করার জন্য ই-বুক চালু করার র্কাযক্রম বাস্তবায়তি হচ্ছ।ে  
আমি আশা কর,ি সকলরে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসরে মাধ্যমে আমরা জ্ঞান, বজ্ঞিান ও প্রযুক্ততিে বাংলাদশেকে বশ্বিসভায় র্মযাদার আসনে প্রতষ্ঠিা করতে পারব। র্সবকালরে র্সবশ্রষ্ঠে বাঙাল,ি জাতরি পতিা বঙ্গবন্ধু শখে মুজবিুর রহমানরে ক্ষুধা-দারদ্র্যিমুক্ত এবং নরিক্ষরতা ও সাম্প্রদায়কিতামুক্ত স্বপ্নরে সোনার বাংলাদশে বনির্মিাণ করতে সক্ষম হব। 
আমি জাতীয় প্রাথমকি শক্ষিা সপ্তাহ ২০১৮ উপলক্ষে গৃহীত সকল র্কমসূচরি র্সাবকি সাফল্য কামনা করছ।ি 
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদশে চরিজীরী হোক।"  
#
নজরুল/অনসূয়া/রফিাত/জসীম/রজ্জোকুল/আসমা/২০১৮/১৩৩০ ঘণ্টা  
তথ্যববিরণী                                                                                                     নম্বর : ৬৯৬
জাতীয় পাট দবিসে প্রধানমন্ত্রীর বাণী
ঢাকা, ২১ ফাল্গুন (৫ র্মাচ) :  
প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনিা জাতীয় পাট দবিস উপলক্ষে নম্নিােক্ত বাণী প্রদান করছেনে : 
"দশেব্যাপী দ্বতিীয়বাররে মতাে ৬ র্মাচ ২০১৮ 'জাতীয় পাট দবিস' পালতি হতে যাচ্ছে জনেে আমি আনন্দতি। এ উপলক্ষে আমি পাটচাষসিহ এ খাতরে সঙ্গে সংশ্লষ্টি সকলকে শুভচ্ছো জানাচ্ছ।ি 
এক সময়রে প্রধান র্অথকরী ফসল পাট এখনও দশেরে ৩য় বৃহত্তম বদৈশেকি মুদ্রা র্অজনকারী খাত। বাঙালরি স্বাধকিার আন্দোলন এবং র্অথনতৈকি মুক্তরি হাতয়িার হসিবেে পাটরে ভূমকিা একটি স্বীকৃত ইতহিাস।
১৯৭৫ সালে জাতরি পতিা বঙ্গবন্ধু শখে মুজবিুর রহমানকে সপরবিারে হত্যার পর পাটখাতকে ধ্বংস করা হয়। রাষ্ট্রায়াত্ব পাটকলগুলোকে বক্রিি করে দওেয়া হয়। পাটরে দাম না পয়েে চাষদিরে দ্বারা উৎপাদতি পাট পুড়য়িে ফলোর মতো ঘটনাও ঘটছে।ে 
আমরা ১৯৯৬ সালে সরকার পরচিালনার দায়ত্বি নয়িে পাটখাতরে উন্নয়নে মনোযোগী হই। ২০১৬ সালে পাটকে কৃষজিাত পণ্য হসিবেে ঘোষণা করা হয়ছে।ে 'পণ্যে পাটজাত মোড়করে বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০' এবং এ সংক্রান্ত বধিমিালা ইতমিধ্যে দশেরে পরবিশে রক্ষায় ও জনর্স্বাথ সুরক্ষায় ইতবিাচক ভূমকিা রাখতে সক্ষম হয়ছে।ে র্বতমানে ১৭টি পণ্যে পাটজাত মোড়ক ব্যবহৃত হচ্ছ।ে পাট আইন, ২০১৭ প্রণয়ন করা হয়ছে।ে আমরা বন্ধ পাটকলগুলো চালু করছে।ি
কৃত্রমি পলথিনিরে পরর্বিতে আজ দশেে পাট থকেে পলথিনি সদৃশ পচনশীল ও পরবিশেবান্ধব সুন্দর 'সোনালি ব্যাগ' তরৈি হয়ছে।ে একদনি এর সম্প্রসারণ পৃথবিীজুড়ে হবে বলইে আমি বশ্বিাস রাখ।ি 
বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদশে গড়ায় সোনালি আঁশরে সোনালি অধ্যায় আজ আর স্বপ্ন নয়। আমাদরে মাটি পাট চাষরে উপযোগী। মাটরি গুণাগুণ ধরে রাখতে ফসলচক্রে পাট সবচয়েে উপযোগী লাভজনক ফসল। সুতরাং আমাদরে শ্রম, মধো, গবষেণালব্ধ ফলাফল, পাটরে বহুমুখী পণ্যরে সম্ভার ও তার বাজার সম্প্রসারণ, সরকার-িবসেরকারি সকলরে সমন্বতি প্রচষ্টো পাটরে হৃত গৌরব ফরিয়িে আনতে অবশ্যই সক্ষম হব।ে   
আমি 'জাতীয় পাট দবিস ২০১৮' এর র্সাবকি সাফল্য কামনা করছ।ি
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদশে চরিজীরী হোক।"  
#
নজরুল/অনসূয়া/রফিাত/জসীম/রজ্জোকুল/আসমা/২০১৮/১৩৩০ ঘণ্টা  
তথ্যববিরণী                                                                                                            নম্বর : ৬৯৫ 
জাতীয় পাট দবিসে রাষ্ট্রপতরি বাণী 
ঢাকা, ২১ ফাল্গুন (৫ র্মাচ) :  
রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামদি জাতীয় পাট দবিস উপলক্ষে নম্নিোক্ত বাণী প্রদান করছেনে :  
"বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়রে তত্ত্বাবধানে দ্বতিীয়বাররে মতো ‘জাতীয় পাট দবিস-২০১৮’ উদ্‌যাপনরে উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই।
সোনালি আঁশ হসিবেে খ্যাত পাটরে সাথে বাংলাদশেরে ইতহিাস ও ঐতহ্যি গভীরভাবে জড়য়িে আছ।ে এ দশেরে সংস্কৃতি ও কৃষ্টরি সাথে মানানসই পাট ও পাটজাত পণ্য দশেে যমেন গুরুত্বর্পূণ তমেনি বশ্বিবাজারওে এটি একটি অনন্য পরবিশেবান্ধব পণ্য হসিবেে সমাদৃত। তাই কৃত্রমি তন্তুর পরর্বিতে পাটরে ব্যবহার পরবিশে সুরক্ষার পাশাপাশি দশেরে র্অথনতৈকি উন্নয়নে ইতবিাচক ভূমকিা রাখবে বলে আমার বশ্বিাস। 
র্বতমান সরকার রাষ্ট্রীয় পাটকলসমূহরে আধুনকিায়নসহ এ খাতরে অতীত গৌরব ফরিয়িে আনতে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করছে।ে দশেরে অভ্যন্তরে পাটরে চাহদিা বাড়াতে ইতমিধ্যে 'পণ্যে পাটজাত মোড়করে বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০’ এবং ‘পণ্যে পাটজাত মোড়করে বাধ্যতামূলক ব্যবহার বধিমিালা, ২০১৩' র্কাযকর করা হয়ছে।ে প্রণয়ন করা হয়ছেে পাট আইন, ২০১৭। পাটপাতা থকেে পানীয়, পাটরে আঁশ থকেে ভসিকস ও পচনশীল পরবিশেবান্ধব ‘সোনালি ব্যাগ’, জওি জুট টক্সেটাইল, পাটকাঠি থকেে চারকােলসহ ২৩৫ প্রকাররে পাটরে বহুমুখী ব্যবহাররে ফলে পাটরে সোনালি অতীত ফরিে আসতে শুরু করছে।ে পরবিশেবান্ধব পাটজাত পণ্য ব্যবহার নশ্চিতি করা গলেে পাটশল্পিরে বকিাশ ত্বরান্বতি হব।ে আমি আশা করি এর ফলে পাটচাষগিণ পাটরে ন্যায্যমূল্য পাবে এবং পাট ও পাটজাত পণ্যরে বাজার সম্প্রসারণরে মাধ্যমে দশেরে র্অথনীতি সমৃদ্ধ হব।ে পাটশল্পিরে উন্নয়নে সকল সরকার-িবসেরকারি প্রতষ্ঠিানরে সমন্বতি প্রচষ্টো অব্যাহত থাকব-েএ প্রত্যাশা কর।ি
আমি ‘জাতীয় পাট দবিস ২০১৮’ এর র্সাবকি সাফল্য কামনা কর।ি
খোদা হাফজে, বাংলাদশে চরিজীবী হোক।"
#
হাসান/অনসূয়া/রফিাত/জসীম/রজ্জোকুল/আসমা/২০১৮/১২৩০ ঘণ্টা  
Todays handout (5) (1).docx Todays handout (5) (1).docx

Share with :

Facebook Facebook