তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৩rd জুলাই ২০১৮

তথ্যবিবরণী ৩ জুলাই ২০১৮

তথ্যবিবরণী                                                                                         নম্বর :  ১৮৭১
 
ঢাকার চারপাশের নদী রক্ষায় মাস্টার প্ল্যান শীঘ্রই বাস্তবায়িত হবে
                                               -- এলজিআরডি মন্ত্রী
 
ঢাকা, ১৯ আষাঢ় (৩ জুলাই) :
 
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ঢাকার চারপাশের নদীসমূহের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে সরকার একটি সমন্বিত মাস্টার প্ল্যান গ্রহণের দ্বারপ্রান্তে। শীঘ্রই এ মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়িত হবে।
 
মন্ত্রী আজ সচিবালয়ে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীসহ ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর দূষণ রোধ এবং নাব্যতা বৃদ্ধির জন্য মাস্টার প্ল্যান তৈরি সংক্রান্ত কমিটির এক সভায় সভাপতিত্বকালে এসব কথা বলেন। সভায় অন্যান্যের মধ্যে পানি সম্পদ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাসির উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মোঃ নজিবুর রহমান, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব কবির বিন আনোয়ারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
 
মন্ত্রী বলেন, ঢাকার চারপাশের নদীসমূহ ও কর্ণফুলী নদী দূষণে পরিবেশের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী অর্পিত দায়িত্ব পালনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাসমূহকে দ্রুততার সাথে কাজ করতে হবে। 
 
নদীসমূহের নাব্যতা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, নাব্যতা না থাকলে নদী তার গতিপথ হারাবে। শুষ্ক মৌসুমে যেমন পর্যাপ্ত পানি প্রবাহ থাকবে না তেমন বর্ষা মৌসুমেও তীরবর্তী অঞ্চলে জলাবদ্ধতা ও বন্যা দেখা দিতে পারে। পাশাপাশি বাস্তুসংস্থানের ওপরও বিরূপ প্রভাব পড়বে।
 
মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিতভাবে এ মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেন।
 
  নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান নদীসমূহের দূষণ রোধ ও নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে নদী তীর অবৈধ দখলমুক্ত রাখার ওপর জোর দিয়ে বলেন, জনগণের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা এ অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে পারে।
 
পানি সম্পদ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু নদী রক্ষায় দ্রুতগতিতে এ মাস্টার প্ল্যান গ্রহণ ও বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের কাজ করার আহ্বান জানান।
#
 
জাকির/মাহমুদ/ফারহানা/পারভেজ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৯০০  ঘণ্টা 
তথ্যবিবরণী                                                                                      নম্বর :  ১৮৭০
 
শাহ মখদুম বিমান বন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে রূপান্তর করা হবে
 
রাজশাহী, ১৯ আষাঢ় (৩ জুলাই) :
 
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী একেএম শাহজাহান কামাল বলেছেন, উত্তরাঞ্চলের শিল্পায়ন, বাণিজ্যের সুযোগ ও পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগাতে রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমান বন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে রূপান্তর করা হবে। এ জন্য রাজশাহী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) কর্তৃক সমীক্ষার কাজ পরিচালিত হচ্ছে। তিনি বলেন, এ বন্দরের উন্নয়নে ৫৫ কোটি টাকার কাজ হাতে নেয়া হয়েছে যার মধ্যে রয়েছে রানওয়ে, সাইট স্ট্রিপ, টেক্সিওয়ে ও ড্রেনেজ সিস্টেমের আধুনিকায়ন। 
 
মন্ত্রী আজ সকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শাহ মখদুম বিমান বন্দরের সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন সম্পর্কিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। 
 
জেলা প্রশাসক এসএম আবদুল কাদেরের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তৃতা করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা, সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক, আখতার জাহান, সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম নাইম হাসান প্রমুখ।
 
#
 
মাহবুবুর/মাহমুদ/পারভেজ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৮৪৫  ঘণ্টা 
তথ্যবিবরণী                                                                                             নম্বর :  ১৮৬৯
আরো ১৬টি পাসপোর্ট অফিস নির্মাণ করা হচ্ছে
ঢাকা, ১৯ আষাঢ় (৩ জুলাই) :
পাসপোর্ট সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার জন্য আরো ১৬টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস নির্মাণ করা হচ্ছে। সারাদেশের মানুষ ঢাকা কিংবা চট্টগ্রামের মতো বড় শহরগুলোতে যাতে ভিড় না করে, এজন্য জেলা পর্যায়েই এসব সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে “১৬টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস স্থাপন” প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ১৬ জেলায় ১৬টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস নির্মাণ করা হচ্ছে। 
আজ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি উপস্থাপন করা হয়েছে। চলতি বছর থেকে ২০২১ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি যৌথভাবে বাস্তবায়ন করবে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর এবং গণপূর্ত অধিদপ্তর। আজ মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে  পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এসব কথা জানান।
পরিকল্পনা মন্ত্রী আরো জানান, জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী স্পেশালাইজড জুট টেক্সটাইল মিল নির্মাণের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে খরচ হবে ৫১৮ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। এটি নির্মাণ করা হলে পোশাক শিল্পের তিন স্তরের জিএসপি সুবিধা আদায় করার জন্য পরিবেশবান্ধব সংমিশ্রিত সুতা ও কাপড় উৎপাদন করা যাবে। এছাড়া প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে চাকরির সুযোগ তৈরি এবং বহুমুখী পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানিতে প্রকল্পটি সহায়ক হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পাট ও তুলার সংমিশ্রণে সাশ্রয়ী মূল্যে সুতা উৎপাদন করে সুতা থেকে কাপড় ও পোশাক তৈরি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব। পাশাপাশি দেশীয় তৈরি পোশাক শিল্পকে সাশ্রয়ী মূল্যে সুতা ও কাপড় সরবরাহ করে তিন স্তরের জিএসপি সুবিধা অর্জনে সহায়তা করা সম্ভব হবে।
আজকের একনেকের আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হলো- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতায় কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ প্রকল্প; ইনস্টিটিউট অভ্ নিউক্লিয়ার মেডিসিন এন্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেস (ইনমাস) ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রামে সাইক্লোট্রন ও পেট-সিটি এবং ইনস্টিটিউট অভ্ নিউক্লিয়ার মেডিকেল ফিজিক্স প্রকল্প (আইএনএমপি), সাভারে সাইক্লোট্রন সুবিধাদি স্থাপন প্রকল্প; স্থানীয় সরকার বিভাগের “পদ্মা (যশলদিয়া) পানি শোধনাগার নির্মাণ (ফেজ-১)” প্রকল্প; বিদ্যুৎ বিভাগের “ঢাকাস্থ গুলশানে ১৩২/৩৩/১১ কেভি ভূ-গর্ভস্থ গ্রিড উপকেন্দ্র নির্মাণ” প্রকল্প; বিদ্যুৎ বিভাগের “মোল্লাহাট ১০০ মেঃ ওঃ সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ ও ভূমি উন্নয়ন” প্রকল্প এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের “সোনাইমুড়ী-সেনবাগ-কল্যান্দী-চন্দেরহাট-বসুরহাট সড়ক উন্নয়ন” প্রকল্প।
আজকের উপস্থাপিত ৮টি (নতুন ও সংশোধিত)) প্রকল্পের মোট ব্যয় ৬ হাজার ৪৯৩ কোটি ৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে জিওবি ৩ হাজার ২৭৯ কোটি ২২ লাখ টাকা, সংস্থার নিজস্ব তহবিল ১৭৯ কোটি ৯৮ লাখ টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য ৩ হাজার ৩৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।
আজকের একনেক সভায় মন্ত্রিবর্গসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সভা শেষে অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পগুলো নিয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
#
তৌহিদুল/মাহমুদ/ফারহানা/মোশারফ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৮০০ ঘণ্টা 
তথ্যবিবরণী                                                                                      নম্বর : ১৮৬৮
 
ভাষাসৈনিক ও সাহিত্যিক হালিমা খাতুনের মৃত্যুতে সংস্কৃতিমন্ত্রীর শোক
 
ঢাকা, ১৯ আষাঢ় (৩ জুলাই) :
 
ভাষাসৈনিক ও সাহিত্যিক হালিমা খাতুনের মৃত্যুতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
 
আজ এক শোকবার্তায় সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, হালিমা খাতুন ছিলেন বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক। বিশেষ করে ভাষা আন্দোলনে নারীদের সংগঠিত ও উদ্বুদ্ধ করতে তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তিনি বলেন, যতদিন এ জনপদে বাংলা ভাষা টিকে থাকবে, ততদিন ভাষাসৈনিক হালিমা খাতুনের অবদান বাঙালি জাতি স্মরণে রাখবে।
 
মন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
 
#
 
ফয়সল/মাহমুদ/ফারহানা/সঞ্জীব/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৮০০  ঘণ্টা 

তথ্যবিবরণী                                                                                             নম্বর : ১৮৬৭

মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যার স্বীকৃতির জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি বাংলাদেশের আহ্বান 

নিউইয়র্ক, ৩ জুলাই : 

জাতিসংঘ সদরদপ্তরে ‘সুরক্ষাবিধানের দায়িত্ব এবং গণহত্যা প্রতিরোধ, জাতিগত নির্মূল, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ বিষয়ক এক উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশে সংঘটিত গণহত্যার স্বীকৃতির জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন চাইলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ও উপস্থায়ী প্রতিনিধি তারেক মো. আরিফুল ইসলাম। উল্লেখ্য, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এই উন্মুক্ত আলোচনার আয়োজন করে। 
জাতিগত নির্মূল, গণহত্যা ও সহিংসতা প্রসঙ্গে বাংলাদেশে আশ্রিত বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর কথা উল্লেখ করে তারেক বলেন, ‘এই সহিংসতা এবং সঙ্কটের ব্যাপকতা বিশ্ব বিবেককে নাড়া দিয়েছে’।
চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স তাঁর বক্তব্যে রাখাইন প্রদেশে জাতিসংঘের সম্পৃক্ততার সাম্প্রতিক যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে তা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর পুনরায় যে কোন সহিংসতা প্রতিরোধ এবং বাংলাদেশে আশ্রিত বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে বা তাদের পছন্দনীয় কোন স্থানে স্ব-প্রণোদিত, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে সহায়ক হবে মর্মে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ২০১৭ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর বক্তব্যে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষার জন্য মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে যে ‘সেফ জোন’ তৈরির কথা বলেছিলেন তা পুনঃউল্লেখ করেন উপস্থায়ী প্রতিনিধি।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবদানের অংশ হিসেবে জাতীয় পর্যায়ে টেকসই ও অগ্রগতিশীল প্রচেষ্টার সাথে মিল রেখে বাংলাদেশ সবসময়ই আন্তর্জাতিক মানবিক ও মানবাধিকার আইন সমুন্নত রাখবে মর্মে উল্লেখ করেন বাংলাদেশ মিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স। গণহত্যা প্রতিরোধ বিষয়ক জাতিসংঘ কনভেনশন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের রোম সংবিধি’র সার্বজনীনীকরণে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতির কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
বিশ্ব সম্মেলন ২০০৫-এ ঘোষিত ও গৃহীত ‘সুরক্ষাবিধানের দায়িত্ব নীতিমালার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন উপস্থায়ী প্রতিনিধি। 
#
অনসূয়া/জসীম/রেজ্জাকুল/আসমা/২০১৮/১১১০ ঘণ্টা 

Todays handout (2).docx Todays handout (2).docx

Share with :

Facebook Facebook