তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৪ জানুয়ারি ২০১৭

তথ্যবিবরণী 4 January 2017

তথ্যবিবরণী                                                                                                 নম্বর : ৪৭


ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে সমাজসেবার অভিযাত্রা শীর্ষক আলোচনা সভা

ঢাকা, ২১ পৌষ (৪ জানুয়ারি) :
    ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে সমাজসেবার অভিযাত্রা বিষয়ক আলোচনা সভা আজ ঢাকায় সমাজসেবা অধিদফতরের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. জিল্লার রহমান।
    প্রধান অতিথি এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ কাবলিওয়ালাদের যুগে প্রবেশ করেছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজসেবা অধিদফতর কাবলিওয়ালাদের যুগের অবসান ঘটিয়েছে। সমাজসেবা অধিদফতর প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশের স¦প্ন বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রধানমন্ত্রীর যে স¦প্ন সমাজসেবা অধিদফতর বাস্তবায়ন করছে সে দপ্তরকে সরকার ক্যাডারভুক্ত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
    সমাজসেবা অধিদফতরের মহাপরিচালক গাজী মোহাম¥দ নূরুল কবিরের  সভাপতিত্বে   মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) এ কে এম খায়রুল আলম (অতিরিক্ত সচিব)। আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সমাজসেবা কর্মচারী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. আসাদুজ্জামান খান, উপপরিচালক (ইউসিডি) মোহা. কামরুজ্জামান এবং  উপপরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) ও বাংলাদেশ সমাজসেবা অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি মো. ইকবাল হোসেন খান।
#

কামরুল/মাহমুদ/সেলিম/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৭/ ২১১০ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                              নম্বর : ৪৬

সরকার বিচার বিভাগের ওপর কোন হসত্মড়্গেপ করছে না 
                                             -- আইনমন্ত্রী                                                                                                                                                                                   
ঢাকা, ২১ পৌষ (৪ জানুয়ারি) : 
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বর্তমান সরকার সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুরোপুরিভাবে মেনে চলছে এবং বিচার বিভাগের ওপর কোন হসত্মড়্গেপ করছে না। তিনি বলেন, রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গ নির্বাহী বিভাগ, বিচার বিভাগ ও আইন সভার মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা থাকতে হবে। এটি থাকলেই গণতন্ত্রে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়। গণতন্ত্রে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা হলেই বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা হয় এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা হলে গণতন্ত্রের উন্নয়ন হয় ও দেশ শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়ায়। সরকার এই নীতিতে বিশ্বাস করে এবং এই নীতিই পালন করে যাবে।
আজ ঢাকায় বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনিস্টিটিউট আয়োজিত স্পেশাল জজ, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল জজ এবং সমপর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের ‘ওরিয়েন্টেশন ট্রেনিং কোর্সের’ উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। 
    সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দাঁড়িপালস্না বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রতীক। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট এক প্রশাসনিক আদেশে দাঁড়িপালস্নাকে নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে ব্যবহার না করার আদেশ জারী করেছে। এ আদেশ মোতাবেক নির্বাচন কমিশন দাঁড়িপালস্না প্রতীক ব্যবহার না করার বিষয়ে সিদ্ধানত্ম নিয়েছে এবং এটি ভেটিং এর জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। 
    তিনি জানান, প্রতীক নির্বাচনের এখতিয়ার হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের। নির্বাচন কমিশন যদি কোনো প্রতীককে বাদ দিতে চায় বা কোনো প্রতীককে অনত্মর্ভুক্ত করতে চায়, আইনত সেটা তারা পারে। আইনত যেহেতু তারা সেটা পারে, তাই আইন মন্ত্রণালয় মতামত দিয়েছে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধানত্ম সঠিক আছে। 
    আইনমন্ত্রী বলেন, আমাদের মানবতাবিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধের বিচারের অভিজ্ঞতা ছিল না। আমরা এই ট্রাইব্যুনাল ও প্রসিকিউশন টিম গঠন করেছি। ক্রমান্বয়ে তাদের অভিজ্ঞতা বেড়েছে। আজকে এটা সারাবিশ্বে স্বীকৃত কারণ এই ট্রাইব্যুনাল আমাদের সুষ্ঠু বিচার উপহার দিতে পেরেছে। 
     নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের বিষয়ে সরকারের আইন প্রণয়ন করার কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সংবিধানে এটা স্পষ্টভাবেই লেখা আছে, এটা রাষ্ট্রপতির এখতিয়ার। রাষ্ট্রপতি এ ব্যাপারে সিদ্ধানত্ম দেবেন। যদি আইন প্রণয়ন করতে হয় তাহলে রাষ্ট্রপতিই বলবেন। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের অত্যনত্ম মৌলিক এবং গুরম্নত্বপূর্ণ বিষয় নির্বাচন অবাধ ও নিরপেড়্গ করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
    হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগে নতুন বিচারপতি নিয়োগের বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি বিচারক নিয়োগ দেন। বিচারক নিয়োগ একটি চলমান প্রক্রিয়া। সে ক্ষেত্রে যখনই বিচারক নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিবে তখনই বিচারপতি নিয়োগ হবে। এ নিয়োগ যাতে বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকে এবং যোগ্য লোককে নিয়োগ দেয়া যায় সেটা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে এবং বিচারক নিয়োগের ব্যাপারে আইন প্রণয়ন এ বছরই হবে।
#
রেজাউল/মাহমুদ/সেলিম/সঞ্জীব/সেলিমুজ্জামান/২০১৭/১৯০০ ঘণ্টা 

তথ্যবিবরণী                                                                                                      নম্বর : ৪৪

নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতির সাথে বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের আলোচনা

ঢাকা, ২১ পৌষ (৪ জানুয়ারি) :
    বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়–য়ার নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদের সাথে আজ বঙ্গভবনে নির্বাচন কমিশন গঠন সংক্রান্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।
    রাষ্ট্রপতি সাম্যবাদী দলের প্রতিনিধিদলকে বঙ্গভবনে স্বাগত জানান। নির্বাচন কমিশন গঠনে সাম্যবাদী দলের প্রস্তাবনা ও মতামত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।  
    নির্বাচন কমিশন গঠন সংক্রান্ত আলোচনায় বঙ্গভবনে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য প্রতিনিধিদলটি রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তারা বলেন, নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতির উদ্যোগ একটি ফলপ্রসূ পদক্ষেপ। এ সময় তারা সার্চ কমিটি ও নির্বাচন কমিশন গঠনে তাদের ৯ দফা প্রস্তাব তুলে ধরেন। তারা নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য সংবিধান অনুযায়ী আইন প্রণয়নে প্রশাসনিকভাবে দক্ষ, অসাম্প্রদায়িক ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের নিয়ে কমিশন গঠনের প্রস্তাব করেন। সাম্যবাদী দল নির্বাচন কমিশন গঠনে প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেতা, স্পিকার, প্রধান বিচারপতি ও এটর্নি জেনারেলের সমন্বয়ে একটি সাংবিধানিক কাউন্সিল গঠনের প্রস্তাব করেন।
    রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়–য়া, রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মো. সরোয়ার হোসেন এবং রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
#
তথ্যবিবরণী                                                                                                       নম্বর : ৪৫

নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতির সাথে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)’র আলোচনা

ঢাকা, ২১ পৌষ (৪ জানুয়ারি) :
    বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) এর কার্যকরী সভাপতি ও সংসদ সদস্য আমিনা আহমেদের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদের সাথে আজ বঙ্গভবনে নির্বাচন কমিশন গঠন সংক্রান্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।
    রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) এর প্রতিনিধিদলকে বঙ্গভবনে স্বাগত জানান। রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠনে সহায়ক হবে। তিনি তাদের সুচিন্তিত মতামত প্রদানের জন্য ধন্যবাদ জানান।
    নির্বাচন কমিশন গঠন সংক্রান্ত আলোচনায় বঙ্গভবনে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তারা বলেন, দেশের মানুষ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন চায়। এ সময় তারা সার্চ কমিটি ও নির্বাচন কমিশন গঠনে ৭ দফা প্রস্তাব তুলে ধরেন। তারা নির্বাচন কমিশন গঠন সংক্রান্ত আইন ও বিধি প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণের প্রস্তাব করেন। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ও বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিদের নিয়ে সার্চ কমিটি গঠনের প্রস্তাব করেন। তারা সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন করার জন্য প্রার্থীদের একত্র করে সভা ও বিতর্ক অনুষ্ঠান আয়োজন করারও প্রস্তাব করেন।
    রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়–য়া, রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মো. সরোয়ার হোসেন এবং রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
#

মাহমুদুল হাসান/মাহমুদ/আলী/জয়নুল/২০১৭/১৯২০ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                            নম্বর : ৪৩ 

সমবায় ব্যাংক বিশেষ আয়বর্ধক কর্মসূচি বাসত্মবায়ন করছে 
                                            -- প্রতিমন্ত্রী রাঙ্গাঁ

নারায়ণগঞ্জ, ২১ পৌষ (৪ জানুয়ারি) : 

পলস্নী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মো. মসিউর রহমান রাঙ্গাঁ বলেছেন, দেশের সমবায়ীদের একমাত্র আর্থিক প্রতিষ্ঠান সমবায় ব্যাংক সমবায়ীদের জীবন মানোন্নয়নে রূপকল্প-২০২১ এর আলোকে বিশেষ আয়বর্ধক কর্মসূচি বাসত্মবায়ন করছে। সরকার পাঁচ হাজার টাকা পর্যনত্ম সমবায়ী কৃষকদের ঋণের সুদের ওপর ভরতুকির অর্থ প্রদান করছে। এতে সমবায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আজ ২৮ কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যয়ে নারায়ণগঞ্জে সমবায় ব্যাংকের বিএসবিএল কমপেস্নক্স ভবন নির্মাণ কাজ পরিশদর্শনের সময় এসব কথা বলেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ ও বাংলাদেশ কো-অপারেটিভ ইন্সুরেন্স কোম্পানী লিঃ এর চেয়ারম্যান আবুল কাশেমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

ভবনটির নির্মাণকাজে সনেত্মাষ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসের সময়সীমার আগেই প্রকল্পটি শেষ হবে। ভবনটি নির্মিত হলে নারায়ণগঞ্জের সমবায়ীদের আর্থসামাজিক অবস'ার ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটবে। 
 
#


আহসান/মাহমুদ/সঞ্জীব/সেলিমুজ্জামান/২০১৭/১৮৩০ ঘণ্টা 

তথ্যবিবরণী                                                                                                 নম্বর : ৪২

গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতি প্রণয়নের বর্ষপূর্তি উদযাপন শুরু

ঢাকা, ২১ পৌষ (৪ জানুয়ারি) :
    ‘ঘরে ঘরে সুসম্পর্ক গড়ে তুলি’ এ স্লোগানকে সামনে রেখে গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতি ২০১৫ প্রণয়নের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মাসব্যাপী প্রচারণা অভিযান শুরু হয়েছে।
    আজ জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে মাসব্যাপী প্রচারণার উদ্বোধন করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক (চুন্নু)।
    মাসব্যাপী প্রচার অভিযান উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন গৃহকর্মী এবং এনজিওদের সম্পৃক্ত করে গৃহকর্মীদের সুরক্ষায় মনিটরিং সেল গঠন করেছে। মানুষ যাতে গৃহকর্মী সুরক্ষা নীতিমালা মেনে চলে সে জন্য ব্যাপক প্রচারণার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। নীতিমালা বাস্তবায়নে জনসচেতনতা বৃদ্ধি পেলে এবং গৃহকর্মীসহ সমাজের সব স্তরের জীবনমানের আরো উন্নয়ন হলে গৃহকর্মীর কাজকর্মকে শ্রম আইনের আওতায় আনার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
    শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, শ্রমিকবান্ধব বর্তমান সরকার গত বছর গৃহকর্মীদের কল্যাণে গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতি প্রণয়ন করেছে। তিনি বলেন, সরকার গৃহকর্মীসহ সকল প্রকার প্রাতিষ্ঠানিক অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিকদের কল্যাণের লক্ষ্যে শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিল গঠন করেছে। তিনি বলেন, যে সকল শ্রমিকের সন্তান সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি মেডিকেল অথবা ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করে তাদের সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত শিক্ষা সহায়তা প্রদান করা হবে।
    প্রতিমন্ত্রী গৃহশ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠা নেটওয়ার্ক এর নেতৃবৃন্দের হাতে প্রচারপত্র এবং পোস্টার তুলে দেন। এ উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাব এলাকায় একটি র‌্যালি বের করা হয়।
    অনুষ্ঠানে বিলস্ এর চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান সিরাজের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. আমিনুল ইসলাম, বিলস্ এর মহাসচিব ও শ্রমিক নেতা ডা ওয়াজেদুল ইসলাম খান, বিলস্ এর নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তৃতা করেন।
#

আকতারুল/মাহমুদ/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৭/১৮৪৫ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                      নম্বর : ৪১

জাতীয় সবজি মেলা উপলড়্গে প্রধানমন্ত্রীর বাণী 

ঢাকা, ২১ পৌষ (৪ জানুয়ারি) : 

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সবজি  মেলা ২০১৭ উপলড়্গে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :

    “কৃষি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ‘জাতীয় সবজি  মেলা ২০১৭’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলড়্গে আমি সংশিস্নষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।

    এবারের সবজি মেলার প্রতিপাদ্য ‘সুস' সবল স্বাস'্য চান, বেশি করে সবজি খান’ অত্যনত্ম সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি। 
    
    বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি  দেশ।  দেশের চাহিদা মিটিয়ে খাদ্যশস্য  দেশের বাইরে রপ্তানিও করা হচ্ছে। আমাদের সামনে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ পুষ্টি নিরাপত্তা অর্জন। পুষ্টি চাহিদা  মেটাতে শাকসবজি গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শাকসবজি ভিটামিন ও খনিজ লবণের প্রয়োজন মিটিয়ে শরীরকে সুস' রাখে। আমাদের উর্বর মাটি ও আবহাওয়া সবজি চাষের জন্য অত্যনত্ম উপযোগী। স্বল্পসময়ে অল্প খরচে সারাবছর আবাদ করা যায় বিধায় শাকসবজি চাষ অত্যনত্ম লাভজনক।

    আওয়ামী লীগ সরকার সবসময়ই কৃষির উন্নয়নে কাজ করেছে। আমরা কৃষির সার্বিক উন্নয়নে কৃষিবান্ধব নীতি ও বাসত্মবমুখী বিভিন্ন পদড়্গেপ গ্রহণ করেছি। সার, বীজসহ সকল কৃষি উপকরণের মূল্যহ্রাস, কৃষকদের সহজশর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ সুবিধা প্রদান, ১০ টাকায় ব্যাংক একাউন্ট  খোলার সুযোগসহ তাঁদের নগদ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

    আমাদের বিজ্ঞানীরা বছরব্যাপী আবাদ উপযোগী শাকসবজির জাত উদ্ভাবন করেছেন। আমরা আরও উন্নত ও উচ্চ ফলনশীল শাকসবজির জাত উদ্ভাবনে কাজ করে যাচ্ছি। এসকল পদড়্গেপের ফলে সাম্প্রতিক সময়ে শাকসবজিসহ সকল কৃষি উৎপাদনে আমরা ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছি। উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ড়্গুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত, পুষ্টিসমৃদ্ধ, মেধাবী জাতি গঠনে আমাদের এ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।

    আমি আশা করি, ‘জাতীয় সবজি মেলা ২০১৭’ শাকসবজি ও পুষ্টির বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি করে সুস' জাতি গঠনে ভূমিকা রাখবে।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”
#

মাহমুদ/সঞ্জীব/সেলিমুজ্জামান/২০১৭/১৭০০ ঘণ্টা 

তথ্যবিবরণী                                                                                                 নম্বর : ৪০

রমনা পার্কের সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শুরু

ঢাকা, ২১ পৌষ (৪ জানুয়ারি) :
    রমনা পার্কের সৌন্দর্যবর্ধন, ঐতিহ্য সুরক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের কাজ শুরু হলো আজ। একটি পয়েনসেটিয়া গাছের চারা লাগিয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এ কাজের উদ্বোধন করেন। এর আগে মন্ত্রী সৌন্দর্যবর্ধন কাজের ভিত্তিফলক উন্মোচন করেন। গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম, প্রধান স্থপতি কাজী গোলাম নাসির, স্থপতি তুগলক আজাদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
    এ সময় পার্কের কোন্ এলাকায় কী জাতীয় গাছ লাগানো হবে সে বিষয়ে মন্ত্রীকে সচিত্রভাবে অবহিত করা হয়। কোন্ গাছ অপসারণ করা হবে এ বিষয়ে জরিপ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানানো হয়। জরিপ অনুযায়ী অপ্রয়োজনীয় গাছ অপসারণ করে পরিকল্পনা মোতাবেক সুনির্দিষ্ট বৃক্ষরোপণ, উন্মুক্ত স্থান নির্ধারণ, প্রতিটি গাছের ইতিহাসসহ পরিচিতি ফলক লাগানো এবং অপ্রয়োজনীয় স্থাপনা অপসারণ করা হবে বলে জানানো হয়।
    গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, রমনা পার্কের সৌন্দর্যবর্ধনে সবাই এগিয়ে এসেছে। ফলে এর সংস্কার কাজ করা অনেক সহজ হবে। ইতোমধ্যে ছায়ানটের বর্ষবরণ ছাড়া আর কোন অনুষ্ঠানের অনুমতি না দেওয়ার বিষয়ে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারী করা হয়েছে। এ পার্কের সৌন্দর্যবর্ধন ও ঐতিহ্য রক্ষায় সম্ভব সকল কিছুই করা হবে। পার্কের লেকে পরিকল্পিতভাবে জাতীয় ফুল শাপলাসহ অন্যান্য জলজ উদ্ভিদ লাগানো হবে।
    তিনি বলেন, অনিয়ন্ত্রিতভাবে রমনা পার্ক ব্যবহার হওয়ায় এর সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে অনেক দুর্লভ বৃক্ষ ও তরুলতা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং পার্কের ঐতিহ্য নষ্ট হচ্ছে। অস্থায়ী ও ভ্রাম্যমাণ হকারদের উপদ্রপের কারণে রমনা পার্কের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে।  
#

কিবরিয়া/মাহমুদ/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৭/১৮১৫ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                নম্বর : ৩৯

হাতিরঝিলকে ঢাকার আইকন হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে
                                  -- গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী

ঢাকা, ২১ পৌষ (৪ জানুয়ারি) :
    হাতিরঝিলকে ঢাকার আইকন হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। এখানে একটি উন্নতমানের কনভেনশন সেন্টার স্থাপন করা হবে। অত্যাধুনিক অপেরা হাউসও নির্মাণ করা হচ্ছে। উন্মুক্ত মঞ্চটির নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং এটি শীঘ্রই খুলে দেওয়া হবে। ঢাকাকে বিশেষভাবে পরিচিত করতে হাতিরঝিলে লন্ডন আই বা সিঙ্গাপুরের মতো একটি স্থাপনা নির্মাণ করা হবে।
    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন আজ হাতিরিঝিল পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন। হাতিরঝিল প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মেজর জেনারেল আবু সাঈদ মো. মাসুদ, রাজউকের চেয়ারম্যান এম বজলুল করিম চৌধুরীসহ ঊর্ধতন কর্মকর্তাগণ এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন।
    মন্ত্রী বলেন, ঢাকার নাগরিক জীবনে স্বস্তি প্রদানের জন্য একটি নান্দনিক ও আদর্শ বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে হাতিরঝিলকে গড়ে তোলা হচ্ছে। নগরবাসীর চলাচলের সুবিধার্থে এখানে সার্কুলার বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে। ওয়াটার ট্যাক্সি চালু করার ফলে খুব কম সময়ে কম খরচে জনসাধারণ ঝিলের পশ্চিম প্রান্ত থেকে বাড্ডা বা গুলশান চলাচল করতে পারছে। গুলশান লেকের খনন কাজ চলছে। এ লেককে সম্প্রসারণ করে বনানী ও বারিধারা পর্যন্ত বিস্তৃত করা হচ্ছে। তখন ওয়াটার ট্যাক্সির রুট বনানী-বারিধারা পর্যন্ত বিস্তৃত করা হবে।
    তিনি বলেন, একটি পরিত্যক্ত দুর্গন্ধময় নোংরা জায়গা হাতিরঝিলকে দর্শনীয় স্থানে পরিণত করা হয়েছে। এ স্থান হয়েছে ঢাকাবাসীর প্রধান বিনোদন কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন ছিল দর্শনীয় স্থান হিসেবে গড়ে তোলার সাথে সাথে ঢাকার উন্মুক্ত জলাধার হিসেবে হাতিরঝিলকে গড়ে তোলা। সেই স্বপ্ন আজ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ঢাকাবাসীর স্বস্তিদায়ক স্থান হয়েছে হাতিরঝিল। একটি পরিকল্পিত আবাসিক এলাকার জন্য লেক বা জলাধার রাখার বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে গুলশান বারিধারায় লেক নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু বিগত সরকারগুলো লেক ভরাটের মাধ্যমে প্লট তৈরি করে তা বরাদ্দ প্রদান করেছে। এখন সেই লেকেরই সংস্কার কাজ করতে হচ্ছে।
#

কিবরিয়া/মাহমুদ/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৭/১৮১০ঘণ্টা
 

তথ্যবিবরণী                                                                                                 নম্বর : ৩৮

স্পিকারের সাথে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

ঢাকা, ২১ পৌষ (৪ জানুয়ারি) :
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সাথে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত লিওনি কুয়েলেন্যারি (খবড়হর ঈঁবষবহধৎব) আজ তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তাঁরা আসন্ন ১৩৬তম ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ) সম্মেলন এবং দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
স্পিকার বলেন, ১৩৬তম আইপিইউ সম্মেলন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। আগামী  
১ থেকে ৫ এপ্রিল এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এ সম্মেলনে আইপিইউ’র সদস্য রাষ্ট্রসমূহের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকারসহ পার্লামেন্টারিয়ানগণ অংশগ্রহণ করবেন।
রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
#

কামাল/মাহমুদ/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৭/১৬০০ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                      নম্বর : ৩৭ 
জাতীয় সবজি মেলা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী

ঢাকা, ২১ পৌষ (৪ জানুয়ারি) : 
    রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ‘জাতীয় সবজি মেলা-২০১৭’  উপলক্ষে নি¤েœাক্ত বাণী প্রদান করেছেন : 

    “কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ৫-৭ জানুয়ারি ‘জাতীয় সবজি মেলা-২০১৭’ অনুষ্ঠিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। জাতীয় সবজি মেলার এবারের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ সবল স্বাস্থ্য চান, বেশি করে সবজি খান’ অত্যন্ত যৌক্তিক ও সময়োপযোগী বলে আমি মনে করি।

    নানা ভিটামিন ও খনিজ লবণে সমৃদ্ধ শাকসবজি আমাদের দেহ ও মনকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি কর্মোদ্যমী করে তোলে। দৈনন্দিন পুষ্টি চাহিদা পূরণের মাধ্যমে শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে শাকসবজির ভূমিকা অপরিসীম। বর্তমান সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপ এবং সংশ্লিষ্ট সকলের প্রচেষ্টায় বিগত কয়েক বছরে বাংলাদেশ দানাদার খাদ্যে শুধু স্বয়ংসম্পূণতাই অর্জন করেনি, উদ্বৃত্ত খাদ্যের দেশ হিসেবে রপ্তানিও করছে। সুস্থ জাতি গঠনে জনগণের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের পর পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও জরুরি।

    আমাদের মাটি ও জলবায়ু বিভিন্ন শাকসবজি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। প্রতিটি আবাদযোগ্য জায়গায় পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন মৌসুমি শাকসবজির চাষাবাদ করলে একদিকে যেমন পুষ্টি চাহিদা পূরণ হবে অন্যদিকে আর্থিকভাবে যথেষ্ট লাভবান হওয়া যাবে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশে সবজি আবাদ ও উৎপাদন রেকর্ড পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে যা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। অগ্রযাত্রার এ ধারাকে টেকসই রূপ দিতে সারাবছর চাষ উপযোগী সবজির জাত ও কলাকৌশল উদ্ভাবন এবং সম্প্রসারণের জন্য আমি সংশ্লিষ্টদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাই।

         জাতীয় সবজি মেলা-২০১৭ এর আয়োজনের মধ্য দিয়ে সবজি আবাদ, সরবরাহ ও বিপণন, সংরক্ষণ, পুষ্টি চাহিদা পূরণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং জনগণ যথেষ্ট উপকৃত হবে বলে আমার বিশ্বাস। 

    ‘জাতীয় সবজি মেলা ২০১৭’ সফল হোক-এ কামনা করি। 

খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

#

আজাদ/অনসূয়া/নুসরাত/শহিদুল/রফিকুল/শামীম/২০১৭/১৫৫৫ ঘণ্টা 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                          নম্বর: ৩৬

স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক  
ঢাকা, ২১ পৌষ (৪ জানুয়ারি) :  
জাতীয় সংসদের স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি’র ১৫তম বৈঠক আজ জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়।  
কমিটির সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্রে সভাপতিত্বে কমিটির সদস্য ও স্থানীয় সরকার পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, স্থানীয় সরকার পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মো. মসিউর রহমান রাঙ্গাঁ, আলহাজ এডভোকেট মো. রহমত আলী, ফজলে হোসেন বাদশা এবং এ কে এম সেলিম ওসমান বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে বিশেষ আমন্ত্রণে উপস্থিত ছিলেন মো. আব্দুস শহীদ। 
বৈঠকে জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ‘বাংলাদেশ পল্লি উন্নয়ন একাডেমি বিল ২০১৬’ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কমিটি জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ‘বাংলাদেশ পল্লি উন্নয়ন একাডেমি বিল ২০১৬’ আনীত বিল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষানিরীক্ষা করে এবং অতিথিবৃন্দের মতামতের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সংযোজনসহ সংসদে উপস্থাপনের সুপারিশ করে।   
স্থানীয় সরকার বিভাগ, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ এবং ল্যাজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিবগণসহ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।  
#
হালিম/অনসূয়া/নুসরাত/সাহেলা/শহিদ/রেজ্জাকুল/আসমা/২০১৭/১৪৩০ ঘণ্টা  

তথ্যবিবরণী                                                                                                      নম্বর : ৩৫ 

বাজার তদারকি
৫১ প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ ১৬ হাজার টাকা জরিমানা
ঢাকা, ২১ পৌষ (৪ জানুয়ারি) : 
    জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়, বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা কার্যালয় ২ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর, টাঙ্গাইল, মুন্সিগঞ্জ, শেরপুর, ফরিদপুর, রংপুর, কুষ্টিয়া, নওগাঁ, বরগুনা, ঝিনাইদহ, যশোর, বরিশাল, ভোলা, খুলনা, সিলেট ও মৌলভীবাজারে বাজার তদারকি করে। বাজার তদারকিকালে ৫১টি প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ ১৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    ঢাকা মহানগরীর ধানমন্ডি এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরির অপরাধে মালঞ্চ  রেস্টুরেন্টকে ৪০ হাজার টাকা, এনবি ফুড কর্নারকে ৫ হাজার টাকা, শর্মা ক্লাবকে ৫ হাজার টাকা এবং লাব্বাইক রেস্টুরেন্টকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়।

     বিভিন্ন অপরাধে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় ২টি প্রতিষ্ঠানকে ২ হাজার টাকা, মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলায় ৩টি প্রতিষ্ঠানকে ৮ হাজার টাকা, শেরপুর সদর উপজেলায় ২টি প্রতিষ্ঠানকে ৮ হাজার টাকা এবং ফরিদপুর সদর উপজেলায় ৩টি প্রতিষ্ঠানকে ৮ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়। 

    রংপুর সদর উপজেলায় ২টি প্রতিষ্ঠানকে ৭ হাজার টাকা, কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় ৩টি প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা, নওগাঁ এর মান্দা উপজেলায় ৫টি প্রতিষ্ঠানকে ৩৮ হাজার ৫শ’ টাকা, বরগুনার বামনা উপজেলায় ৩টি প্রতিষ্ঠানকে ৩ হাজার টাকা, ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় ৩টি প্রতিষ্ঠানকে ৮ হাজার টাকা ও যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় ১টি প্রতিষ্ঠানকে ৪ হাজার টাকা বিভিন্ন অপরাধে জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়। এছাড়া বরিশালের কাউনিয়া থানা এলাকায় ৩টি প্রতিষ্ঠানকে ৭ হাজার টাকা, ভোলা সদর উপজেলায় ১টি প্রতিষ্ঠানকে ২ হাজার টাকা, রংপুর সদর উপজেলায় ২টি প্রতিষ্ঠানকে ৪ হাজার টাকা, খুলনার রূপসা উপজেলায় ৪টি প্রতিষ্ঠানকে ৭ হাজার টাকা, সিলেট মহানগরের এয়ারপোর্ট এলাকায় ৪টি প্রতিষ্ঠানকে ১১ হাজার টাকা, শাহপরান এলাকায় ১টি প্রতিষ্ঠানকে ১৬ হাজার টাকা  এবং মৌলভীবাজার সদর উপজেলায় ২টি প্রতিষ্ঠানকে ৩ হাজার টাকা একই অপরাধে জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়।

    এছাড়া ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ে অভিযোগ শুনানির মাধ্যমে ধার্যকৃত মূল্যের অধিক মূল্যে পণ্য বিক্রয়ের অপরাধে নিউ সোহাগ রেস্টুরেন্টকে ১ হাজার টাকা, চধহধ’ং চধহরহর কে ৩ হাজার টাকা ও ঈধভব এৎববহ ঐড়ঃবষ ধহফ জবংঃধঁৎধহঃ কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং ৩ জন অভিযোগকারীকে জরিমানার শতকরা ২৫ ভাগ হিসেবে ১ হাজার ২৫০ টাকা প্রদান করা হয়।
   
#

আফরোজা/অনসূয়া/নুসরাত/দীপংকর/শহিদ/রফিকুল/শামীম/২০১৭/১৪০৫ ঘণ্টা 

তথ্যবিবরণী                                                                                                      নম্বর : ৩৪

তথ্য মন্ত্রণালয়ের সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট দিচ্ছে চলমান তথ্যসেবা
ঢাকা, ২১ পৌষ (৪ জানুয়ারি) :
    তথ্য মন্ত্রণালয় ও এর সংস্থাগুলো ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তথ্যসেবা দানে অগ্রণী ভূমিকা রেখে চলেছে।
    মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব ওয়েব এবং তথ্য অধিদফতর, বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, গণযোগাযোগ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ, বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা, জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ড, ব

Todays handout (7).docx Todays handout (7).docx

Share with :