তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৬ জুন ২০২০

তথ্যবিবরণী ১৬ জুন, ২০২০

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ২১৮১

 

ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর মৃত্যুতে সৌদি মোয়াচ্ছাসা চেয়ারম্যান এর গভীর শোক প্রকাশ

 

ঢাকা, ২ আষাঢ় (১৬ জুন) : 

 

          ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ'র মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ  প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের দক্ষিণ এশীয় হাজী সেবা সংস্থা তথা মোয়াচ্ছাসা জুনুব এশিয়ার চেয়ারম্যান ড. রাফাত ইসমাইল ইব্রাহিম বদর।

 

          সৌদি আরবে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেলের মাধ্যমে প্রেরিত এক শোক বার্তায় মোয়াচ্ছাসা চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশের ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত এবং মর্মাহত।

 

          শোকবার্তায় ড. রাফাত আরো বলেন, আমরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং মহান আল্লাহর নিকট তাঁর জন্য জান্নাতুল ফেরদাউস প্রার্থনা করছি।

 

         

#

আনোয়ার/রাহাত/মোশারফ/আব্বাস/২০২০/২১১৪ ঘন্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ২১৮০

 

তরুণ ফুটবলার বাধনের মায়ের চিকিৎসায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অনুদান

 

ঢাকা, ২ আষাঢ় (১৬ জুন) : 

 

          দেশের বয়সভিত্তিক ফুটবল দলে খেলা উদীয়মান ফুটবলার জাহিদ আহসান বাধনের মায়ের দুটি কিডনিই অকেজো হয়ে যাচ্ছে। গণমাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে বাধনের মায়ের চিকিৎসায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি আজ সচিবালয়ে বাধনের হাতে এক লাখ টাকার চেক তুলে দেন।

 

           চেক হস্তান্তরকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা সবসময় অসহায় দুস্থ ক্রীড়াবিদ ও তাদের পরিবারের পাশে আছি। অতি সম্প্রতি আমরা করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় ক্রীড়াবিদদের এক কোটি টাকা দিয়েছি। আমরা তৃণমূল পর্যায়ে আরো বেশি সহায়তা করার লক্ষ্যে কাজ করছি। আজ বাধনের মায়ের চিকিৎসার জন্য এক লাখ টাকা প্রদান করেছি। ভবিষ্যতেও বাধন-সহ সকল অসহায় ক্রীড়াবিদদের পাশে থাকব।  

 

          চেক প্রদানকালে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

 

#

আরিফ/রাহাত/মোশারফ/আব্বাস/২০২০/১৯৫১ ঘন্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ২১৭৯

 

কোভিড-১৯ (করোনা ভাইরাস) সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন

 

ঢাকা, ২ আষাঢ় (১৬ জুন) : 

 

          ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স কো-অর্ডিনেশন সেন্টার (এনডিআরসিসি) থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ৬৪ জেলায় ইতোমধ্যে ২ লাখ ১১ হাজার ১৭ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়া শিশু খাদ্য-সহ অন্যান্য সামগ্রী ক্রয়ের জন্য ১২২ কোটি ৯৭ লাখ ৭২ হাজার ২৬৪ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বরাদ্দকৃত এ সাহায্য দেশের সকল জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বিতরণ করা হচ্ছে। ‌

 

          স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)-এর তথ্যানুযায়ী আজ দেশে নতুন করে আরো ৩ হাজার ৮৬২ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এ নিয়ে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৯৪ হাজার ৪৮১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৩ জন-সহ এ পর্যন্ত ১ হাজার ২৬২ জন এ রোগে মৃত্যুবরণ করেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ হাজার ২১৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।  করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৩৬ হাজার ২৬৪ জন।

 

          এখন পর্যন্ত সর্বমোট ২৪ লাখ ৮৫ হাজার ১৪২টি পিপিই সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে মোট বিতরণ করা হয়েছে ২৩ লাখ ১৭ হাজার ৫০৭টি এবং মজুদ আছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৪৩৭টি।

 

          সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ৬২৯টি প্রতিষ্ঠান এবং এর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের সেবা প্রদান করা যাবে ৩১ হাজার ৯৯১ জনকে।

 

#

তাসমীন/রাহাত/মোশারফ/আব্বাস/২০২০/১৮০০ ঘন্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ২১৭৮

 

করোনাকালে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে বৈশ্বিক পরিবর্তন ত্বরান্বিত হচ্ছে

                                                                   - আইসিটি প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ২ আষাঢ় (১৬ জুন) : 

 

          তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, কোভিড-১৯ মহামরির প্রাদুর্ভাবে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার আরো ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বৈশ্বিক পরিবর্তন ত্বরান্বিত করছে। এ পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়াতে না পরলে দেশ পিছিয়ে যাবে।

          তিনি আজ জুম অনলাইনে এলআইসিটি প্রকল্প এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত আইটি-আইটিইএস খাতের ব্যবস্থাপনা পেশাজীবিদের জন্য ‘অ্যাডভান্সড সার্টিফিকেশন ফর ম্যানেজমেন্ট প্রোফেশনাল (এসিএমপি) ৪.০ গ্রীষ্মকালীন ২০২০’ প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

          আইবিএ’র পরিচালক অধ্যাপক ড. ফরহাত আনোয়ারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেব, এলআইসিটি প্রকল্প পরিচালক মো. রেজাউল করিম ও আইটি-আইটিইএস পলিসি অ্যাডভাইজার সামি আহমেদ, আইবিএ’র এমডিপি সমন্বয়ক সুতপা ভট্টাচার্য, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার এন্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার এন্ড আউটসোর্সিং (বাক্কো) সভাপতি ওয়াহিদুর রহমান শরীফ ।

          অনুষ্ঠানে আইবিএ’র অধ্যাপক শেখ মোরশেদ জাহান আইসিটি বিভাগের অধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) এলআইসিটি প্রকল্পের সহযোগিতায় ঢাবির আইবিএতে চালু হওয়া এসিএমপি বা মিডল ম্যানেজমেন্ট ট্রেনিংয়ের (এমএমটি) সামগ্রিক দিক তুলে ধরে একটি পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপন করেন।

          পলক বলেন, দেশে প্রযুক্তি ব্যবহারের বর্তমান বাস্তব পরিস্থিতির উল্লেখ করে বলেন, কোভিড-১৯ মহামারিকালে ইন্টারনেটের ব্যবহার বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ, ই-কমার্সে কেনাকাটা বেড়েছে ৫০ শতাংশ এবং মোবাইল ব্যাংকিংয়ে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে ৫০ লাখ। দুর্যোগ, মহামারিরকালে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করেই অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে সচল রাখার এটি একটি প্রকৃষ্টতম উদাহরণ। প্রতিমন্ত্রী বলেন, রোবট, মেশিন লার্নিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডাটা অ্যানালাইটিক্সের মতো অত্য্যধুনিক প্রযুক্তিই হবে আগামী দিনের অর্থনীতিসহ জীবনযাত্রার চালিকা শক্তি। এজন্য সবাইকে এসব প্রযুক্তি সম্পর্কে কিছুটা হলেও ধারনা থাকতে হবে। 

          পলক বলেন, কোভিড-১৯ মহামারির এই সময়ে আইসিটি বিভাগের এলআইসিটি প্রকল্প ও আইবিএ এসিএমপি ৪.০ কোর্স চালু করে মূলত ভার্চুয়াল বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। তিনি আইটি প্রতিষ্ঠানের পেশাজীবিদের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব উপযোগী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান। 

          এলআইসিটি প্রকল্পের আওতায় এসিএমপি ৪.০ কোর্সে ১১৫টি আইটি-আইটিইএস কোম্পানির মধ্যম এবং শীর্ষ পেশাজীবিদের ২৪০ জন কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবে। এর আগে ২০১৭ সালে একই প্রকল্পের আওতায় ৬৩৬ জন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে।

#

শহিদুল/গিয়াস/আসমা/২০২০/১৬০০ ঘণ্টা 

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                      নম্বর : ২১৭৭  

শামীমা কখনোই বাংলাদেশের নাগরিক ছিলেন না এবং

তাকে বাংলাদেশে প্রবেশের অধিকার দেয়া হবে না

 

ঢাকা, ২ আষাঢ় (১৬ জুন) : 

          ব্রিটিশ নাগরিক শামীমা বেগম বিষয়ক সংবাদ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে জানা যায়শামীমা ১৫ বছর বয়সে সিরিয়ায় গিয়ে আইএস এ যোগদান করেন। এরই প্রেক্ষিতে গত বছর ফেব্রুয়ারিতে ব্রিটিশ সরকার তার নাগরিকত্ব বাতিল করে। ব্রিটিশ সরকারের এ সিদ্বান্তের বিরুদ্ধে তিনি সে দেশের হাইকোর্ট এবং স্পেশাল ইমিগ্রেশন আপিলস কমিশনে আপিল করেন। উক্ত আদালতসমূহ শামীমা বেগমের আবেদন খারিজ করে দেন এবং তাকে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বলে
উল্লেখ করেন।

          এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সুস্পষ্ট অবস্থান হল - ব্রিটিশ নাগরিক শামীমা বেগম কখনোই বাংলাদেশের নাগরিক ছিলেন নাএ সংক্রান্ত তার কোন অধিকারও নেই এবং তাকে বাংলাদেশে প্রবেশের অনুমতি দেয়ারও কোন অবকাশ নেই। 

#

তৌহিদুল/গিয়াস/আসমা/২০২০/১৫৫০ ঘণ্টা

 

 

Handout                                                                                                                Number : 2176 

 

New High Commissioner of Bangladesh to South Africa

Dhaka, 16 June :         

            The Government has decided to appoint Noor-E Helal Saifur Rahman, currently serving as Deputy High Commissioner in Karachi, Pakistan, as the new High Commissioner of Bangladesh to South Africa.

            High Commissioner-designate Rahman is a career foreign service officer belonging to the 15th batch of Bangladesh Civil Service (BCS) Foreign Affairs cadre. In his distinguished diplomatic career, Rahman served in various capacities in Bangladesh Missions in Islamabad, Paris, Singapore and Kuwait. At the headquarters, he worked in various capacities in different wings including Director General (Africa) as well as Director General (External Publicity).

            Noor-E Helal Saifur Rahman obtained his Bachelor and Master Degree in Bangla Language and Literature from the Dhaka University, Bangladesh. He also obtained a Master of Business Administration (MBA) degree from the Nanyang Technological University of Singapore. He attended ‘International Management Program’ in the MIT, United States and also completed National Defense Course (NDC) in Bangladesh in 2013.

            Rahman is married and blessed with two children.

#

Khadiza/Gias/Asma/2020/1320 hours

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ২১৭৫

‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে জোনিং সিস্টেম চালু হচ্ছে

ঢাকা, ২ আষাঢ় (১৬ জুন) :

          নাগরিক সাধারণের জীবন-জীবিকা নির্বাহের বিষয়কে বিবেচনায় নিয়ে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার কর্তৃক সারাদেশে ঘোষিত ৬৬ দিন সাধারণ ছুটির পর গত ৩১ মে থেকে সীমিত পরিসরে বিভিন্ন অর্থনৈতিক কার্যক্রম চালু করা হয়। কিন্তু, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের পরিমাণ হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমতাবস্থায় মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সালের ৬১ নং আইন)-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকারের অনুমোদনক্রমে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় কোভিড-১৯ রোগের সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে ১০ জুন কতিপয় নির্দেশাবলী জারী করেন। এই নির্দেশাবলীর উদ্দেশ্য কোভিড-১৯ রোগের চলমান ঝুঁকি বিচেনায় বাংলাদেশের যে কোন ছোট বা বড় এলাকাকে লাল, হলুদ বা সবুজ জোন হিসাবে চিহ্নিত করা এবং তা বাস্তবায়ন করা।

          জোন ঘোষনার ক্ষমতা আইনানুযায়ী সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জনের নিকট অপর্ন করা হয় এবং বলা হয় তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সিভিল প্রশাসন, আইন শৃঙ্খলা ও সশস্ত্র বাহিনী এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় জোনিং কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবেন। জোন সুনির্দিষ্টভাবে সংশ্লিষ্ট এলাকার কোন অংশে কার্যকর হবে এবং এর পরিধি কি হবে তা স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে ও কোভিড-১৯ সংক্রান্ত স্থানীয় কমিটিগুলোকে নির্ধারণ করার দায়িত্ব দেয়া হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ বিষয়ে একটি বিস্তারিত কৌশল বা গাইড তৈরি করে স্থানীয় কর্তৃপক্ষগুলোর মধ্যে বিতরণ করেছে। এটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েব সাইটে (www.dghs.gov.bd) পাওয়া যাবে। এ ছাড়া জোনের সংজ্ঞা ও বাস্তবায়ন কৌশল সময়ে সময়ে পর্যালোচনা করে পরামর্শ দেয়ার জন্য একটি কেন্দ্রীয় কারিগরি গ্রুপ গঠন করা হয়েছে।  স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জোনিং সিস্টেমের হালনাগাদ সংজ্ঞা ও বাস্তবায়ন কৌশল অনুযায়ী অব্যাহতভাবে স্থানীয় পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবে এবং জোনিং সিস্টেম চালু করতে হলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মতামত সাপেক্ষে তা বাস্তবায়ন করবে।

          স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরামর্শক্রমে প্রাথমিকভাবে ৩টি জেলায় (গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদী) এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের রাজাবাজার (পূর্ব রাজাবাজার) এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ওয়ারীতে পরীক্ষামূলকভাবে জোনিং সিস্টেম চালু করা হয়েছে। ঢাকার ওয়ারীতে জোনিং সিস্টেম চালুর জন্য সুনির্দিষ্ট এলাকা চিহ্নিতকরণের কাজ চলছে। এই পরীক্ষামূলক জোনিং সিস্টেমের অভিজ্ঞতা দেশের অন্যান্য এলাকায় জোনিং সিস্টেম চালু বা পরিবর্তনের বিষয়ে সহায়ক হবে। দেশের বিভিন্ন জেলা ও সিটি করপোরেশনও বর্ণিত কৌশল ও গাইড অনুসারে স্থানীয় পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছে। তদনুযায়ী তারা প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়নপূর্বক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মতামত অনুযায়ী জোনিং সিস্টেম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিচ্ছে।

          কেন্দ্রীয় কারিগরি গ্রুপও অব্যাহতভাবে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ব্যবহার করে এলাকা-ভিত্তিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছে এবং অধিকতর বাস্তবমুখী সংজ্ঞা ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নির্ধারণের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তদনুযায়ী ঢাকা সিটি করপোরেশনসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সংজ্ঞানুযায়ী যেখানে যখন প্রয়োজন তখন রেড জোন ঘোষনা করা হবে। কাজেই রেড জোন ঘোষনা বা রেড জোন পরিবর্তন একটি চলমান প্রক্রিয়া। স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েই যখন প্রয়োজন তা করা হবে এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তা বাস্তবায়ন করবে। এই বিষয়ে সকলের বিভ্রান্তি নিরসন হওয়া প্রয়োজন।

       

চলমান পাতা-২

 

 

=২=

প্রাথমিকভাবে রেড জোনের জন্য যেসব বিধিনিষেধ নির্ধারণ করা হয়েছে সেগুলো নিম্নরূপঃ

1.       স্বাস্থ্যবিধি মেনে বর্ধিত সময়ে কৃষিকাজ কাজ করা যাবে।

2.      স্বাস্থ্যবিধি মেনে গ্রামাঞ্চলে কলকারখানা ও কৃষি পণ্য উৎপাদন কারখানায় কাজ করা যাবে। তবে শহরাঞ্চলে সব বন্ধ থাকবে।

3.      বাসা থেকেই অফিসের কাজ করতে হবে।

4.      কোন ধরণের জনসমাবেশ করা যাবে না। কেবলমাত্র অসুস্থ ব্যক্তি হাসপাতালে যেতে পারবেন।

5.      স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুধুমাত্র প্রয়োজনে বাসা থেকে বের হতে পারবেন। রিক্সা ভ্যান, সিএনজি, ট্যাক্সি বা নিজস্ব গাড়ী চলাচল করবে না।

6.      সড়ক পথ, নদীপথ ও রেলপথে জোনের ভিতরে কোন যান চলাচল করবে না।

7.      জোনের ভিতরে ও বাহিরে মালবাহী নৌযান ও জাহাজ কেবলমাত্র রাতে চলাচল করতে পারবে।

8.      প্রত্যেক এলাকায় সীমিত পরিমাণে প্রবেশ ও বহিরাগমন পয়েন্ট নির্ধারণ করে কঠোরভাবে জনগণের যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

9.      এই জোনের অন্তর্গত মুদি দোকান ও ওষুধের দোকান খোলা থাকবে। রেষ্টুরেণ্ট ও খাবার দোকানে কেবলমাত্র হোম ডেলিভারী সার্ভিস চালু থাকবে। বাজারে শুধুমাত্র প্রয়োজনে যাওয়া যাবে। তবে শপিংমল, সিনেমা হল, জিম/ স্পোর্টস কমপ্লেক্স, বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

10.   আর্থিক লেনদেন বিষয়ক কার্যক্রম যেমন টাকা জমাদান/ উত্তোলন স্বাস্থ্যবিধি মেনে কেবলমাত্র এটিএম-এর মাধ্যমে করা যাবে। তবে সীমিত ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে।

11.   এলাকার রোগীদের পর্যাপ্ত কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষা করা হবে। সনাক্ত রোগীরা হোম আইসোলেশন বা প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে থাকবে।

12.   শুধুমাত্র মসজিদের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মসজিদ/উপাসনালয়ে সামাজিক  দুরত্ব রেখে ইবাদত করতে পারবেন।

13.   সাধারণভাবে রেড জোন ২১ দিনের জন্য বলবত হবে। পরিস্থিতির উন্নতি হলে রেড জোন পরিবর্তন করা হবে।

এ ছাড়া রেড জোনসহ বাংলাদেশের সকল অঞ্চলে নিম্নোক্ত সাধারণ নিয়মাবলী পালন করতে হবেঃ

1.       সকলকে বাধ্যতামূলক মাস্ক পরতে হবে। হাত ধোয়া, জীবানুমুক্তকরণ ও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

2.      করোনা রোগ/ সংক্রমণ সনাক্তকরণ, তাদের আইসোলেশন ও চিকিৎসা প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে।

3.      সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং ও কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে হবে।

4.      স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র, হাসপাতাল ও জরুরী সেবামূলক প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে। অসুস্থ ব্যক্তি পরিবহনকারী যান/ ব্যক্তিগত গাড়ী ও অ্যাম্বুলেন্স কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে চলাচল করবে।

5.      সকল প্রকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান- স্কুল, কলেজ, কোচিং সেন্টার পরবর্তি নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

6.      এ সকল কার্যক্রমের তদারকির জন্য কার্যকরী সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মাঠকর্মীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

এ ছাড়াও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ১৫ জুন ২০২০ তারিখে জারিকৃত প্রজ্ঞাপন অনুসরণ করতে হবে (সংযুক্ত)। উল্লেখ্য রেড জোন বাস্তবায়নকালে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সকলের প্রযোজনীয় নাগরিক সেবাসহ অন্যান্য সুবিধা-অসুবিধার দিকে খেয়াল রাখবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। 

 

#

জহিরুল/গিয়াস/মাসুম/২০২০/১২০০ঘণ্টা 

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ২১৭৪

‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍করোনা পরিস্থিতিতে ‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত

ঢাকা, ২ আষাঢ় (১৬ জুন) :

          করোনা পরিস্থিতিতে সৃষ্ট দুর্যোগে দেশের সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে মানবিক সহায়তা হিসেবে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রেখেছে সরকার। এ পর্যন্ত সারা দেশে দেড় কোটির বেশি পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দেয়া হয়েছে।

          ৬৪ জেলা প্রশাসন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী গতকাল পর্যন্ত সারাদেশে চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে
দুই লাখ ১১ হাজার ১৭ মেট্রিক টন এবং বিতরণ করা হয়েছে এক লাখ ৭৫ হাজার ৩৫ মেট্রিক টন। এতে উপকারভোগী পরিবার সংখ্যা এক কোটি ৫৩ লাখ ৬২ হাজার ৭৬৬ টি এবং উপকারভোগী লোকসংখ্যা ছয় কোটি ৭৪ লাখ ২৯ হাজার ৩০৭ জন।

          শিশুখাদ্যসহ অন্যান্য সামগ্রী ক্রয়ের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে প্রায় ১২৩ কোটি টাকা। এরমধ্যে সাধারণ ত্রাণ হিসেবে নগদ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৯৫ কোটি ৮৩ লাখ ৭২ হাজার ২৬৪ টাকা এবং বিতরণ করা হয়েছে ৮১ কোটি ৭৭ লাখ ১৫ হাজার ৭২০ টাকা।

          শিশু খাদ্য সহায়ক হিসেবে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ২৭ কোটি ১৪ লাখ টাকা এবং এ পর্যন্ত বিতরণ করা হয়েছে ২২ কোটি ৫৫ লাখ ৭৪ হাজার ২০৯ টাকা। এতে উপকারভোগী পরিবার সংখ্যা সাত লাখ ২৭ হাজার ১৯৭টি এবং উপকারভোগী লোকসংখ্যা ১৫ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ জন।

#

সেলিম/গিয়াস/মাসুম/২০২০/১১০০ ঘণ্টা 

 

2020-06-16-21-15-36e75c97a787954cdfaeb0cef4cf6b14.docx 2020-06-16-21-15-36e75c97a787954cdfaeb0cef4cf6b14.docx

Share with :

Facebook Facebook