তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৩rd অক্টোবর ২০১৮

তথ্যবিবরণী ২ অক্টোবর ২০১৮

তথ্যবিবরণী                                                        নম্বর : ২৭০৮
 
সরকারের ডেল্টা প্লান উপকূলীয় এলাকায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে
                                                                     -- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
 
ঢাকা, ১৭ আশ্বিন (২ অক্টোবর) : 
 
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেছেন, সরকার উপকূলীয় অঞ্চলের যুগান্তকারী উন্নয়নের জন্য ‘বাংলাদেশ ডেল্টা প্লান (ইউচ) ২১০০’ গ্রহণ করেছে যাতে উপকূলীয় এলাকার জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়নসহ জীবনমানের ব্যাপক পরিবর্তন হয়। উপকূলের প্রাকৃতিক বিপর্যয়সহ সকল প্রকার প্রতিকূলতা রোধে ডেল্টা প্লান ২১০০ যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।     
 
আজ ঢাকায় বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে (ওঊই)  ‘ঝঁংঃধরহধনষব ঈড়ধংঃধষ উবাবষড়ঢ়সবহঃ: ঙঢ়ঢ়ড়ৎঃঁহরঃরবং, ঈযধষষবহমবং  ধহফ ঃযব ঝঃৎধঃবমরপ চষধহহরহম’ শীর্ষক এক সেমিনারে মন্ত্রী এ সব কথা বলেন।  
 
ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের পুরকৌশল বিভাগের ভাইস চেয়ারম্যান ড. ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মাহফুজুর রহমান ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিইআইপি-১ এর ডেপুটি টিম লিডার মোঃ হাবিবুর রহমান। এতে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের চিফ ইঞ্জিনিয়ার মোঃ হাবিবুর রহমান।  
 
বক্তারা সুন্দরবনসহ উপকূলীয় অঞ্চলে পর্যটন শিল্প গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়ে বলেন, সরকারের ‘ইউচ ২১০০’ মেগাপ্রকল্পটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রাখবে, যা সরকারের দূরদর্শিতার প্রমাণ। তারা মৎস্য খাতের স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, ইলিশের ব্যাপক উৎপাদন ও সহজলভ্যতার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ সরকারের প্রশংসা করেন। তারা দেশের চিংড়ি উৎপাদনে মন্দাভাব এবং চিংড়ির রপ্তানি আয় কমে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে এ ব্যাপারে মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।  
 
#
 
শাহআলম/মাহমুদ/পারভেজ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/২১০০ ঘণ্টা   
তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর :  ২৭০৭
 
২৭৪ বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তার বদলি
 
ঢাকা, ১৭ আশ্বিন (২ অক্টোবর) :
সুপ্রিম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে সিনিয়র সহকারী জজ, সহকারী জজ ও সমপর্যায়ের ২৭৪ জন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন আদালতে মামলাজটের পরিমাণ, বিদ্যমান কর্মস্থলে বিচারকদের মেয়াদপূর্তি, পদোন্নতি ও শিক্ষা ছুটির কারণে বিচারকদের পদ শূন্য হওয়া, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসগুলোর মাধ্যমে সরকারি আইনি সহায়তা কার্যক্রম জোরদারকরণ ইত্যাদি কারণ বিবেচনায় নিয়ে এই বদলি করা হয়েছে।  
গতকাল আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে তাঁদের বদলির প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বদলিকৃত কর্মকর্তাদের ৩ অক্টোবরের মধ্যে জেলা জজ/চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট/দপ্তর প্রধান কর্তৃক মনোনীত কর্মকর্তার নিকট দায়িত্বভার অর্পণ করে  বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান করতে বলা হয়েছে।
#
 
রেজাউল/মাহমুদ/সঞ্জীব/রফিকুল/জয়নুল/২০১৮/১৯৩০ঘণ্টা  
 
তথ্যবিবরণী                                                        নম্বর : ২৭০৬
সামাজিক চেতনা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যমের ভূমিকা থাকা উচিত
                                       -- সমাজকল্যাণমন্ত্রী
ঢাকা, ১৭ আশ্বিন (২ অক্টোবর) : 
‘গণমাধ্যম হচ্ছে সমাজের দর্পণস্বরূপ। সামাজিক উন্নয়ন বা সামাজিক বঞ্চনা এর কোনটিই গণমাধ্যমের দৃষ্টির বাইরের কিছু নয়। এক্ষেত্রে গণমাধ্যমকে নেতিবাচক ও মুখরোচক বিষয়কে তুলে ধরলেই চলবে না, গণমাধ্যমকে সমাজের অসংগতিগুলোও তুলে ধরে তার সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে।’
আজ রাজধানীর সার্কিট হাউজ রোডের পিআইবিতে ‘পিআইবি- প্রবীণবন্ধু সম্মাননা ২০১৮ ও প্রবীণের অধিকার, টেকসই উন্নয়ন ও গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কথাগুলো বলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।
বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৪০ লাখ প্রবীণকে সরকারি ভাতা দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে মেনন আরো বলেন, সরকার দেশের সকল খাতের মতো প্রবীণ সহায়ক খাতেও ব্যাপক উন্নয়ন ঘটিয়েছে। যেখানে ২০০৮-০৯ অর্থ বছরে মোট ২০ লক্ষ প্রবীণ ব্যক্তিকে প্রায় ৬শ’ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল, সেখানে বর্তমানে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে প্রায় ৪০ লাখ প্রবীণ ব্যক্তির জন্য ২১শ’ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এভাবে গত ১০ বছরে সরকার প্রায় ২ কোটি ৬৭ লাখ ৭০ হাজার প্রবীণ ব্যক্তিকে ১১ হাজার ৭৯৯ কোটি টাকা প্রদান করেছে।
প্রবীণ জনগোষ্ঠীর অধিকারসংক্রান্ত বিদ্যমান নানা আইন প্রসঙ্গে সমাজকল্যাণমন্ত্রী আরো বলেন, শেষ বয়সে প্রবীণ ব্যক্তিদের অসহায়ত্বের কথা বিবেচনা করে দেশে এখন পিতা মাতার ভরণ-পোষণ বিষয়ক আইন রয়েছে। তবে এই আইনের যথার্থ বাস্তবায়ন করার প্রয়োজন আমাদের রয়েছে। প্রবীণ নীতিমালা করা হয়েছে যাতে প্রবীণ ব্যক্তিরা বাসে, ট্রেনে, হাসপাতালেসহ সকল যানবাহনে বিশেষ সুবিধা লাভ করে। প্রবীণদের জন্য প্রবীণ উন্নয়ন ফাউন্ডেশন আইনটি চালু করার ব্যাপারে আমরা নতুনভাবে উদ্যোগ নিতে যাচ্ছি। এছাড়াও দেশের বিমা কোম্পানিগুলো যেন তাদের অন্যান্য বিমার মত প্রবীণদের নামে বয়স্ক বিমা স্কিম চালু করে সে ব্যাপারে বিমা কোম্পানিগুলোকে কাজ করতে হবে।
পিআইবি’র মহাপরিচালক মোঃ শাহ আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলিকুজ্জামান আহমদ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক, সাংবাদিক কামাল লোহানী, প্রবীণ হিতৈষী সংঘ ও জরা বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠানের মহাসচিব অধ্যাপক ড. এ এস এম আতিকুর রহমান, মামস ইন্সটিটিউটের প্রধান নির্বাহী অধ্যাপক সায়েবা আক্তার, হেল্প এইজ ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর রাবেয়া সুলতানা, বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্রের চেয়ারম্যানের সহধর্মিণী মাসুদা খাতুন লিমা। মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন প্রবীণ বন্ধু ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মহসীন কবির। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পিআইবি’র অধ্যায়ন ও প্রশিক্ষণ বিভাগের পরিচালক আনোয়ারা বেগম।
অনুষ্ঠানে প্রবীণ ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিসরূপ ‘পিআইবি-প্রবীণবন্ধু সম্মাননা ২০১৮’ প্রদান হয় যথাক্রমে সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলিকুজ্জামান আহমদ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক, সাংবাদিক কামাল লোহানী, প্রবীণ হিতৈষী সংঘ ও জরা বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠানের মহাসচিব অধ্যাপক ড. এ এস এম আতিকুর রহমান, মামস ইন্সটিটিউটের প্রধান নির্বাহী অধ্যাপক সায়েবা আক্তার, হেল্প এইজ ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর রাবেয়া সুলতানা এবং বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্রের চেয়ারম্যানের পক্ষে তার সহধর্মিণী মাসুদা খাতুন লিমাকে।
#
মাইদুল/মাহমুদ/পারভেজ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৮০০ ঘণ্টা   
 
তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর : ২৭০৫
 
শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে বাটা সু কোম্পানির ৮৩ লাখ টাকা প্রদান
 
ঢাকা, ১৭ আশ্বিন (২ অক্টোবর) :
বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে বাটা সু কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড গত এক বছরের লভ্যাংশের নির্দিষ্ট অংশ ৮৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা প্রদান করেছে।
আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মোঃ মুজিবুল হকের সাথে সাক্ষাৎ করে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক চিটপান কানহাসিরি (ঈযরঃঢ়ধহ কধহযধংরৎর) -এর নেতৃত্বে ৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল কোম্পানির পক্ষে তাদের লভ্যাংশের ৮৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩শ’ ৬৫ টাকার একটি চেক হস্তান্তর করেন।
অনুষ্ঠানে শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের কল্যাণে বাংলাদেশ শ্রম আইনের আলোকে শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের তহবিল গঠন সরকারের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এ আইনের আওতায় বিভিন্ন কোম্পানিতে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বছর শেষে কোম্পানির লাভের ৫ শতাংশের ৮০ শতাংশ সমানভাবে ভাগ করে নেন। বাকি বিশ ভাগের ১০ শতাংশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে জমা দেন। শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের তহবিলে বিভিন্ন কোম্পানির দেয়া বর্তমান জমার পরিমাণ ৩১২ কোটি টাকা। এ তহবিল থেকে নিয়মিত শ্রমিকদের দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু, পঙ্গুত্ব, দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত এবং শ্রমিকের সন্তানদের শিক্ষা সহায়তা দেয়া হচ্ছে। এতে শ্রমিকদের জীবন মান, কোম্পানির কর্মপরিবেশ উন্নত হচ্ছে এবং উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
চেক প্রদান অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ডা. আনিসুল আউয়াল, বাটা সু কোম্পানি এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
#
 
আকতারুল/মাহমুদ/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৮/১৯২০ঘণ্টা 
 
তথ্যবিবরণী                                                                                                             নম্বর : ২৭০৪
 
লিগ্যাল এইড সফটওয়্যার এবং অ্যাপ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী
যে কেউ অনলাইনে আইনি সহায়তা চাইতে পারবে
 
ঢাকা, ১৭ আশ্বিন (২ অক্টোবর) :
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বর্তমানে দেশের মোবাইল গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ১৩ কোটিতে উন্নীত হয়েছে। তাই বিডি লিগ্যাল এইড অ্যাপ সরকারিভাবে আইনি সহায়তা প্রাপ্তির এক ডিজিটাল দরজা হিসেবে কাজ করবে। কারণ এই লিগ্যাল এইড অ্যাপ ব্যবহার করে হাতের কাছেই পাওয়া যাবে সরকারি আইনি সেবাসমূহ। 
আজ ঢাকায় বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সরকারি আইনি সেবার মানোন্নয়নে সহায়তা প্রদান প্রকল্পের অর্থায়নে নির্মিত লিগ্যাল এইড অফিস ম্যানেজমেন্ট সফট্ওয়্যার এবং  বিডি লিগ্যাল এইড অ্যাপের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক  এবং কমিশনের সদস্য বিচারপতি ফজলে কবির উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার সকল ইউনিয়নে ডিজিটাল তথ্য কেন্দ্র স্থাপন করেছে। তৃণমূল পর্যায়ের সাধারণ মানুষ এইসব তথ্য কেন্দ্রে গিয়ে চাকুরির আবেদন থেকে শুরু করে সরকার প্রদত্ত বিভিন্ন ই-সেবা গ্রহণ করছেন। আজ থেকে ইউনিয়ন ডিজিটাল তথ্য কেন্দ্র থেকে তাদের আরো একটি ই-সেবা প্রাপ্তির সুযোগ তৈরি হলো। তিনি বলেন, এখন থেকে বিডি লিগ্যাল এইড অ্যাপ ব্যবহার করে যে কেউ অনলাইনে আইনি পরামর্শ চাইতে পারবেন। এছাড়া অনলাইনে আইনগত সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারবেন। শুধু তাই নয় লিগ্যাল এইড অফিস আবেদন অনুমোদনের সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীর মোবাইলে অনুমোদন সংক্রান্ত মেসেজ চলে যাবে, বিচারপ্রার্থী জনগণ তাদের মামলা সংক্রান্ত তথ্য মোবাইল অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানতে পারবেন। তিনি বলেন, এই ই-সেবার অন্যতম কার্যকর অংশ হলো মামলার তারিখ নির্ধারণের সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট ক্লায়েন্ট ও প্যানেল আইনজীবীর মোবাইলে মেসেজ চলে যাওয়া। মন্ত্রী বলেন, মামলার তারিখ বা পরবর্তী কার্যক্রম জানার জন্য বিচারপ্রার্থী মানুষদের নানাবিধ ভোগান্তিতে পরতে হয়। তাই সরকারি আইনি সেবায় এ ব্যবস্থাপনা  অন্তর্ভুক্তকরণ এ সেবার আরো গুণগত মান বৃদ্ধিতে অত্যন্ত সহায়ক হবে।
মন্ত্রী বলেন, ইংল্যান্ড, আমেরিকার মতো উন্নত দেশসমূহের আদলে লিগ্যাল এইড সার্ভিসকে আরো বেশি যুগোপযোগী ও সহজতর করার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন ওয়েবসাইট, সফটওয়্যার ও অ্যাপ  তৈরির কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।  এরই অংশ হিসেবে সরকারি আইনি সেবার মানোন্নয়নে সহায়তা প্রদান প্রকল্পের অর্থায়নে সরকারি আইনি সেবার যাবতীয় তথ্য ও কার্যক্রম ডিজিটাল ডাটাবেইজে সংরক্ষণের  উদ্দেশ্যে ‘লিগ্যাল এইড অফিস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার’ এবং এ সম্পর্কিত একটি অ্যাপ নির্মাণ করা হয়েছে যা উদ্বোধন করা হলো। তিনি বলেন, এ সফটওয়্যারের মাধ্যমে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার অধীন  সকল লিগ্যাল এইড অফিসে সরকারি আইনি  সেবা সংক্রান্ত যে সব কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে, তার যাবতীয়  তথ্য, উপাত্ত, পরিসংখ্যান ও বিবরণ অনলাইন সিস্টেমে সংরক্ষিত হবে এবং সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যালয় অনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে সকল লিগ্যাল এইড অফিসের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে পারবে। এই ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা  গুণগত মানসম্পন্ন লিগ্যাল এইড প্রদানের জন্য সহায়ক হবে এবং প্রতিটি অফিসের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে। তিনি বলেন, এই সফট্ওয়্যারটির কার্যকর ব্যবহারের জন্য সকল লিগ্যাল এইড অফিসে ইতিমধ্যে খধঢ়ঃড়ঢ়, চৎরহঃবৎ, ঝপধহহবৎ, গঁষঃরসবফরধ চৎড়লবপঃড়ৎ, ঝসধৎঃ চযড়হব, ঈড়সঢ়ঁঃবৎ ঞধনষব ্ ঈযধরৎ  সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়া সেখানে ফাইবার অপটিক্যালের মাধ্যমে উবফরপধঃবফ ওহঃবৎহবঃ সংযোগ  প্রদানও নিশ্চিত করা হয়েছে।
আইন ও বিচার বিভাগের সচিব আবু সালেহ শেখ মোঃ জহিরুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বিচারপতি খোন্দকার মূসা খালেদ, আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্মসচিব বিকাশ কুমার সাহা এবং জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার পরিচালক মোঃ জাফরোল হাছান বক্তৃতা করেন।
#
 
রেজাউল/মাহমুদ/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৮/১৯১০ঘণ্টা 
 
তথ্যবিবরণী                                                                                         নম্বর : ২৭০৩
 
 
বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সোনালি ব্যাগ উৎপাদন হবে
 
ঢাকা, ১৭ আশ্বিন (২ অক্টোবর ) :
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম বলেন, আগামি ছয় থেকে নয় মাসের মধ্যে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সোনালি ব্যাগ উৎপাদন হবে। সোনালি আঁশ পাটের উৎপাদন ও বহুমুখী ব্যবহার উৎসাহিত করে  বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় করার মাধ্যমে পাটচাষিদের সোনালি স্বপ্নপূরণে জোরদার পদক্ষেপ নিচ্ছে  বর্তমান সরকার।
আজ বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পাট থেকে সোনালি ব্যাগ বাণিজ্যিক ভাবে উৎপাদনের জন্য যুক্তরাজ্যের খ্যাতনামা কোম্পানি ঋঁঃধসঁৎধ  ঈযবসরপধষ খঃফ. এর সাথে বিজেএমসির একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ও একটি এনডিএ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন বিজেএমসির পক্ষে সংস্থাটির সচিব এ কে এম তারেক (উপসচিব) এবং ঋঁঃধসঁৎধ  ঈযবসরপধষ  খঃফ.  এর পক্ষে  কোম্পানিটির জেনারেল ম্যানেজার  গ্রিমি কোউলহার্ড।
সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর আবিষ্কৃত পলিথিনের বিকল্প পচনশীল সোনালি ব্যাগ দেখতে প্রচলিত পলিথিনের মতোই হালকা, পাতলা ও টেকসই। পাটের সূক্ষ্ম সেলুলোজকে প্রক্রিয়াজাত করে এ ব্যাগ তৈরি করা হয়েছে। পাটের তৈরি সোনালি ব্যাগ মাটিতে ফেললে তা মাটির সঙ্গে মিশে যাবে। ফলে পরিবেশ দূষিত হবে না। এই ব্যাগ দামে সাশ্রয়ী হবে। এভাবে পাটের ব্যবহার বাড়লে ন্যায্য দাম পাবেন কৃষক। অতীতের মতোই বাংলাদেশ পাট দিয়েই বিশ্বব্যাপী সুপরিচিত হবে  ।
এ অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব  ফয়জুর রহমান চৌধুরী, বিজেএমসি’র চেয়ারম্যান ড. মো. মাহমুদুল হাসান, বিজেএমসি’র বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা ড. মোবারক আহম্মেদ খান, ঋঁঃধসঁৎধ  ঈযবসরপধষ খঃফ. এর গ্রুপ ম্যানেজার মার্টিন রির্চাড কক্ রফি, অপারেশন ম্যানেজার অ্যান্ডিউ জেমস ডাক্ উপস্থিত ছিলেন । 
 
#
 
সৈকত/অনসূয়া/সেলিনা/শামীম/২০১৮/১৬২৮ ঘণ্টা 
তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর : ২৭০২
 
ভূমি অফিসগুলো ২০২০ সালের মধ্যে ডিজিটলাইজেশন হবে
                                                    - ভূমিমন্ত্রী
ঢাকা, ১৬ আশ্বিন (২ অক্টোবর ) :
ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ বলেছেন, ২০২০ সালের মধ্যে ভূমি অফিসগুলোর ডিজিটালাইজেশনের কাজ এবং দেশের সকল ভূমি অফিসের অবকাঠামোর উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হবে। ভূমিমন্ত্রী আজ রাজধানীর তেজগাঁও সাতরাস্তায় নির্মাণাধীন ভূমি ভবন কমপ্লেক্স পরিদর্শনকালে একথা জানান।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে বেশ কিছু এলাকায় ভূমি ব্যবস্থাপনায় ই-সেবা চালু হয়েছে। ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়া বাস্তবায়িত হলে সেবাপ্রত্যাশী প্রান্তিক জনগণ জমিসংক্রান্ত জটিলতা থেকে রক্ষা পাবে। আধুনিক প্রযুক্তিবান্ধব ১৫ তলা বিশিষ্ট ভূমি ভবন কমপ্লেক্সটি ২০১৯ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে তিনি জানান। 
ভূমিসচিব আব্দুল জলিল, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মতিন-উল- হক (অতিরিক্ত সচিব) ও ভূমি ভবন কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী জামিলুর রহমানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন। 
 
#
 
রেজুয়ান/অনসূয়া/রেজ্জাকুল/শামীম/২০১৮/১৫৩৯ ঘণ্টা 
তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ২৭০১ 
জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবসে শোভাযাত্রা 
ঢাকা, ১৭ আশ্বিন (২ অক্টোবর) :   
 
জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস উপলক্ষে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ন্যাশানাল প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও) কর্তৃক আয়োজিত আজ এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। 
রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন গেট থেকে শুরু হয়ে জিরো পয়েন্ট ও গুলিস্তান সড়ক অতিক্রম করে নগর ভবনের পাশ দিয়ে জাতীয় স্টেডিয়াম মোড় ঘুরে শোভাযাত্রাটি শিল্প মন্ত্রণালয়ে এসে শেষ হয়।  
ভারপ্রাপ্ত শিল্পসচিব মো. আবদুল হালিমের নেতৃত্বে শিল্প মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন বিভিন্ন সেক্টর-কর্পোরেশন ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, এনপিও, এপিও সোসাইটি ফর বাংলাদেশ, নাসিব, ট্রেডবডি ও উদ্যোক্তা সংগঠনের প্রতিনিধি, শিল্প-কারখানার মালিক, শ্রমিক ও কর্মচারীরা শোভাযাত্রায় অংশ নেন। 
শোভাযাত্রাশেষে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সামনে এক পথসভার আয়োজন করা হয়। ভারপ্রাপ্ত শিল্পসচিব মো. আবদুল হালিম পথসভায় বলেন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জনগণের জীবনমান কাক্সিক্ষত পর্যায়ে উন্নীত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উৎপাদনশীলতাকে ‘জাতীয় আন্দোলন’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। শিল্প, কৃষিসেবাসহ সকলখাতে উৎপাদনশীলতা বাড়িয়ে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যমআয়ের বাংলাদেশ গড়ে তোলাই এ আন্দোলনের লক্ষ্য। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে পরিকল্পিতভাবে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়ে পণ্য ও সেবার গুণগতমানে উৎকর্ষতা আনতে হবে। এজন্য বিভিন্নখাতে কর্মরত শ্রমিক, মালিক, কর্মচারী, ব্যবস্থাপকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে উৎপাদনশীলতা বিষয়ক আন্দোলনে শামিল হওয়ার জন্য তিনি আহ্বান জানান। 
জলিল/অনসূয়া/রেজ্জাকুল/আসমা/২০১৮/১১০০ ঘণ্টা 
 
 
তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ২৭০০ 
 
জাতীয় স্যানিটেশন মাস এবং বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বাণী
 
ঢাকা, ১৭ আশ্বিন (২ অক্টোবর) :
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩ অক্টোবর জাতীয় স্যানিটেশন মাস এবং বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে নি¤েœাক্ত বাণী প্রদান করেছেন :
“স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রতি বছরের মতো এবারও ‘জাতীয় স্যানিটেশন মাস-অক্টোবর ২০১৮’ এবং ‘বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস ২০১৮’ পালন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে আমি সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সালে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জাতিসংঘ স্যানিটেশনকে মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছে। স্যানিটেশন শুধুমাত্র জনসাধারণের মৌলিক অধিকারই নয়; জনস্বাস্থ্য, শিক্ষা, চিকিৎসাসহ প্রায় সব মৌলিক অধিকারের সঙ্গে সম্পর্কিত। আমরা সকলের জন্য স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নানামুখী কর্মসূচি গ্রহণ করছি। সকলের দোরগোড়ায় স্যানিটেশন সুবিধা পৌঁছে দিতে আমরা বাস্তবমুখী কৌশলপত্র ও নীতিমালা প্রণয়ন করেছি। জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য জাতীয় স্যানিটেশন মাস উদ্যাপনসহ বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম ও স্যানিটেশন ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।
আমরা প্রতিবছর স্যানিটেশন মাস অক্টোবরে বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে দেশব্যাপী ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদের ধারাবাহিক কার্যক্রমের ফলে স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশনের অভাবজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। স্যানিটেশন আজ সামাজিক আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। এ আন্দোলনকে আরো বেগবান করে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও গণমাধ্যমসহ দেশের প্রতিটি নাগরিককে আমি আহ্বান জানাচ্ছি।
আমি আশা করি, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জনসচেতনতামূলক এ আয়োজন সবার জন্য স্যানিটেশন নিশ্চিত করে জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখবে।  
আমি ‘জাতীয় স্যানিটেশন মাস-অক্টোবর ২০১৮’ এবং ‘বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস ২০১৮’ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি। 
                                                                                          জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
                                                                                         বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”
 
#
ইমরুল/অনসূয়া/সুবর্ণা/শামীম/২০১৮/১০১৪ ঘণ্টা 
 
তথ্যবিবরণী                                                                                         নম্বর : ২৬৯৯
 
জাতীয় স্যানিটেশন মাস এবং বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী
 
ঢাকা, ১৭ আশ্বিন (২ অক্টোবর) :   
রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ৩ অক্টোবর জাতীয় স্যানিটেশন মাস এবং বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে নি¤েœাক্ত বাণী প্রদান করেছেন :
“দেশব্যাপী স্যানিটেশন কার্যক্রমকে গতিশীল করতে এবং জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশব্যাপী ‘জাতীয় স্যানিটেশন মাস এবং বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস ২০১৮’ উদ্যাপিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।
জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে সকলের জন্য স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। বাংলাদেশ স্যানিটেশন কর্মসূচিতে ‘সহ¯্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা’ অর্জনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে যা আন্তর্জাতিক পরিম-লে প্রশংসিত হয়েছে। বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে স্যানিটেশন ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম বাস্তবায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। ইতিমধ্যে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যমসহ দেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের আন্তরিক সহায়তায় এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। ‘জাতীয় স্যানিটেশন মাস’ এবং ‘বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস ২০১৮ উপলক্ষে গৃহীত বিভিন্ন কর্মকা- দেশব্যাপী জনস্বাস্থ্য বিষয়ে গণজাগরণ সৃষ্টিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আমার বিশ্বাস।
সহ¯্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের ধারাবাহিকতায় ২০৩০ সালের মধ্যে ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা’ অর্জনে আমাদের নিরলস প্রচেষ্টা চালাতে হবে। এজন্য দেশব্যাপী স্যানিটেশন ব্যবস্থাপনায় জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। আমি আশা করি দেশব্যাপী ‘জাতীয় স্যানিটেশন মাস’ এবং ‘বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস ২০১৮’ উদ্যাপনের সকল কর্মসূচি কাক্সিক্ষত লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
আমি ‘জাতীয় স্যানিটেশন মাস’ এবং বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস ২০১৮’ উদ্যাপনের সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করি। 
খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”
#
হাসান/অনসূয়া/সুবর্ণা/শামীম/২০১৮/১০৪৪ ঘণ্টা 
 
 
Todays Handout.docx Todays Handout.docx

Share with :

Facebook Facebook