তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৯ মে ২০২০

তথ্যবিবরণী ২৯.০৫.২০২০

তথ্যবিবরণী                                                                                                        নম্বর : ১৯৪৯

 

নৌপথে যাত্রী পরিবহণে করণীয়

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কারিগরি নির্দেশনা

 

ঢাকা, ১৫ জ্যৈষ্ঠ (২৯ মে) :

  • নৌপথে যাত্রীবাহী পরিবহন স্টেশনে জরুরি পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে, নিরাপত্তা এবং জীবণুমুক্তকরণ পদ্ধতি মানসম্মত করতে হবে, সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোভিড-১৯ এর প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হবে এবং মাস্ক, গ্লাভস ও জীবাণুমুক্তকরণ দ্রব্যাদির পর্যাপ্ত মজুদ থাকতে হবে।
  • কর্মকর্তা-কর্মচারীর স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে এবং তাদের স্বস্থ্যের অবস্থা প্রতিদিন লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং যারা অসুস্থতা অনুভব করবে তাদের যথাসময়ে চিকিৎসাসেবা দিতে হবে।
  • স্টেশনে আগত এবং নির্গত যাত্রীদের তাপমাত্রা মাপার জন্য ফেরি টার্মিনালে তাপমাত্রা নির্ধারকযন্ত্র স্থাপন করতে হবে। যথাযথ শর্তাবলী মেনে ফেরি টার্মিনালে একটি জরুরি এলাকা থাকতে হবে; যেসব যাত্রী শরীরের তাপমাত্রা ৩৭.৩ সে: বা ৯৯+ ফা: এর উপরে থাকবে, তাদের এই জরুরি এলাকায় অস্থায়ী কোয়রেন্টাইনে রাখতে হবে এবং প্রয়োজনমতো চিকিৎসাসেব দিতে হবে।
  • বায়ুনির্গমণ পদ্ধতি যেন স্বাভাবিক থাকে, তা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। নৌচলাচলের সময়ে সর্বোচ্চ বায়ুচলাচল করতে দিতে হবে; যথাযথ তাপমাত্রা বায়ুচলাচলের জন্য কেবিনের জানালা খুলে দেয়ার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
  • ফেরি টার্মিনালগুলোতে জনগণের জন্য ব্যবহার্য এবং জনসাধারণের চলাচলের স্থানগুলোকে পরিস্কার এবং জীবাণুমুক্তকরণের হার বাড়াতে হবে। টয়লেটগুলোতে তরলসাবান (অথবা সাবান) থাকতে হবে, সম্ভব হলে হ্যান্ডস্যানিটাইজার এবং হাতজীবাণুনাশক যন্ত্র স্থাপন করা যেতে পারে।
  • ফেরি টার্মিনাল এবং নৌযানগুলোকে তাদের পরিবেশ পরিস্কারপরিচ্ছন্ন রাখতে হবে, আবর্জনাকে যথাসময়ে সরিয়ে ফেলতে হবে এবং জনগণের জন্য ব্যবহার্য এবং জনসাধারণের চলাচলের স্থানসমূহকে পরিস্কার করতে হবে এবং প্রতিনিয়ত জীবাণুনাশক দিতে হবে।
  • প্রতিটি নৌযানে হাতে ধরা থার্মোমিটার থাকতে হবে; যথাযথ স্থানে একটি জরুরি এলাকা স্থাপন করতে হবে, যেখানে সন্দেহজনক উপসর্গগুলো যেমন জ্বর ও কাশি আছে, এমন যাত্রীদের অস্থায়ী কোয়ারেন্টাইনে রাখা যাবে।
  • যথাযথ শর্তসাপেক্ষে নৌযানের অভ্যন্তরীণ তথ্যকেন্দ্র বা সেবাকেন্দ্রে হ্যান্ডস্যানিটাইজার থাকতে হবে, সেবাপ্রক্রিয়া নিখুঁত থাকতে হবে।
  • প্রতিবার নৌযান ছেড়ে যাবার পূর্বে কেবিন ও ব্রিজের পৃষ্ঠতল পরিস্কার ও জীবাণূমুক্ত করতে হবে, সিটকভারগুলোকে প্রতিনিয়ত ধোয়া, পরিস্কার এবং জীবাণুমুক্ত করতে হবে।
  • যাত্রী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুরক্ষার জন্য ব্যক্তিগত সুরক্ষার ক্ষেত্রে জোর দিতে হবে। মাস্ক পরিধান করতে হবে এবং হাতের পরিস্কারপরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দিতে হবে।
  • যাত্রীদের অনলাইনে টিকেট ক্রয় করার জন্য পরামর্শ দেয়া হচ্ছে, সারিবদ্ধভাবে ওঠার সময়ে এবং নেমে যাবার সময়ে যাত্রীদের পরস্পর হতে একমিটারেরও বেশি দূরত্ব বজায়ে রাখতে হবে, এবং ভীড় এড়িয়ে চলতে হবে।
  • ফেরি টার্মিনাল ও নৌযানে যাত্রীদের স্বাস্থ্যসচেতন করার জন্য রেডিও, ভিডিও ও পোষ্টারের মাধ্যমে সচেতনতামূলক বক্তব্য প্রদান করতে হবে।
  • যুক্তিসংগতভাবে পরিবহনের ধারণ ক্ষমতা সজ্জিত করতে হবে এবং সীমিত আকারে টিকিট বিক্রির মাধ্যমে যাত্রীদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। যেসব নৌযান মাঝারি ও উচ্চ ঝুঁকিসম্পন্ন এলাকা হতে ছেড়ে যাবে অথবা পৌঁছাবে অথবা ঐ এলাকা দিয়ে যাবে, সেসব ক্ষেত্রে যাত্রীদের আলাদা সিটে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে বসতে হবে।
  • যদি নিশ্চিত কোভিড-১৯ এর রোগী পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গভাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গাইডলাইন অনুযায়ী  জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

##

তানভীর/সেলিম/সন্ধ্যা/মনোজিৎ/মিজান/২০২০/১৫৪৫ ঘন্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ১৯৪৮

রেলপথে যাত্রী পরিবহণে করণীয়

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কারিগরি নির্দেশনা

ঢাকা, ১৫ জ্যৈষ্ঠ (২৯ মে) :

  • রেলস্টেশনগুলোতে ব্যক্তিগত সুরক্ষাসরঞ্জাম যেমন: মাস্ক, জীবানুনাশক ইত্যাদি সংরক্ষণে, জরুরি পরিকল্পনা প্রয়োজন, আপদকালীন ডিসপোজাল/বর্জ্য নিষ্পত্তি ক্ষেত্রস্থাপন, প্রতিটি বিভাগের উপর অর্পিত কাজগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন, জবাবদিহিতা এবং কর্মীদের প্রশিক্ষণ জোরদার করুন।
  • কর্মীদের স্বাস্থ্যপর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা (Health Monitoring system) প্রতিষ্ঠা করুন, প্রতিদিন কর্মীদের স্বাস্থ্য বিষয়ক অবস্থা নথিভুক্ত করুন এবং যারা অসুস্থতা অনুভব করবে, তাদের সঠিক সময়ে চিকিৎসা নিতে হবে।
  • তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণের সরঞ্জামগুলো রেলস্টেশনগুলোর প্রবেশপথে স্থাপন করুন এবং স্টেশনে আগত সকলের তাপমাত্রা পরীক্ষা করুন; যেসব যাত্রীদের শরীরের তাপমাত্রা ৩৭.৩+ সেঃ বা ৯৯+ ফাঃ এর উপরে থাকবে তাদের ওই জরুরি এলাকায় অস্থায়ী কোয়ারেন্টাইনে রাখতে হবে এবং প্রয়াজনমতো চিকিৎসাসেবা দিতে হবে।
  • বায়ুচলাচল বৃদ্ধি করুন। সেন্ট্রাল এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহার করার ক্ষেত্রে এয়ার কন্ডিশনারের স্বাভাবিক ক্রিয়াকে নিশ্চিত করুন, বিশুদ্ধ বাতাস বৃদ্ধি করুন এবং সকল এয়ার সিস্টেমের ( all air system) ফিরে আসা বাতাসকে বন্ধ রাখুন।
  • জনসাধারনের ব্যবহার্য সামগ্রীসমূহ যেমন দরজার হাতলগুলি চেকআউট কাউন্টার, লিফট এবং পাবলিক টয়লেট পরিষ্কারক এবং জীবাণুনাশক দিয়ে প্রায়শই পরিষ্কার করতে হবে। টয়লেটগুলোতে তরলসাবান (অথবা সাবান) থাকতে হবে, সম্ভব হলে হ্যান্ডস্যানিটাইজার এবং হাত জীবাণুনাশক যন্ত্র স্থাপন করা যেতে পারে।
  • যাত্রীদের অপেক্ষা করার স্থান, ট্রেন কম্পার্টমেন্ট ও অন্যান্য এলাকা যথাযথ পরিষ্কারপরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
  • ট্রেনটিকে জীবাণুমুক্ত করতে হবে এবং সিটকভারগুলোকে প্রতিনিয়ত ধোয়া, পরিষ্কার এবং জীবাণুমুক্ত করতে হবে।
  • প্রতিটি ট্রেনে হাতে –ধরা ইনফ্রারেড থার্মোমিটার থাকতে হবে; যথাযথ স্থানে একটি জরুরি এলাকা স্থাপন করতে হবে, যেখানে সন্দেহজনক উপসর্গগুলো যেমন জ্বর ও কাশি আছে এমন যাত্রীদের অস্থায়ী কোয়ারেন্টাইনে রাখা যাবে।
  • যাত্রীদের অনলাইনে টিকেট ক্রয় করার জন্য পরামর্শ দেয়া হচ্ছে, সারিবদ্ধভাবে উঠার সময়ে এবং নেমে যাবার সময়ে যাত্রীদের  পরস্পর হতে একমিটারেরও বেশি দূরত্ব বজায় রাখতে হবে এবং ভীড় এড়িয়ে চলতে হবে। প্রয়োজনে নির্দিষ্ট দূরত্বে দাগ দিয়ে বা বৃত্তাকার চিহ্ন দিয়ে রাখুন। শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে প্রয়োজনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
  • যাত্রীদের এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত সুরক্ষার ক্ষেত্রে জোর দিতে হবে, মাস্ক পরিধান করতে হবে এবং হাতের পরিষ্কারপরিচ্ছন্নতার দিকে নজর রাখতে হবে।
  • হাঁচি দেয়ার সময় মুখ এবং নাক টিস্যু/কনুই দিয়ে ঢেকে দেয়া উচিত।
  • পোস্টার, ইলেকট্রনিক স্ক্রিনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যজ্ঞান পরিবেশন জোরদার করতে হবে।
  • মাঝারি ও উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা দিয়ে যাতায়াত করা ট্রেনে, টিকিটের মাধ্যমে যাত্রীসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও যথাসম্ভব যাত্রীদের আলাদা বসার ব্যবস্থা করতে হবে।
  • যদি নিশ্চিত কোভিড-১৯ এর রোগী পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রে টার্মিনালগুলোকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গাইডলাইন অনুযায়ী  জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

 

##

            তানভীর/সেলিম/সন্ধ্যা/মনোজিৎ/মিজান/২০২০/১৫৩০ ঘন্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ১৯৪৭

 

ত্রাণ কার্যে বাধা দেয়ার অভিযোগে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বরখাস্ত

 

ঢাকা, ১৫ জ্যৈষ্ঠ (২৯ মে): 

করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবেলায় জরুরি সরকারি ত্রাণকার্য পরিচালনায় বাধা ও অবৈধ হস্তক্ষেপ এবং সরকারি কর্মকর্তা লাঞ্ছিত করার অভিযোগে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা নবীনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। গতকাল স্থানীয় সরকার বিভাগ হতে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। 

 

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হবার পর এ নিয়ে মোট ৭২ জন জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো।  এদের মধ্যে ২৩ জন ইউপি চেয়ারম্যান, ৪৫ জন ইউপি সদস্য, ১ জন জেলা পরিষদ সদস্য, ২ জন পৌর কাউন্সিলর এবং ১ জন উপজেলা ভাইসচেয়ারম্যান।

 

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ভাইস চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা নবীন সরকারি জরুরী ত্রাণ তার ইচ্ছামত তালিকা বহির্ভূতভাবে তাকে প্রদান না করার কারণে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা পিআইও-কে মারধর, লাঞ্ছিতকরণ, প্রাণনাশের হুমকি, হেনস্থা ও সরকারি কর্তব্যপালনে অযাচিত হস্তক্ষেপ করেছেন। ইতিপূর্বে  তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ব্রিজের টেন্ডারকাজে বাধা প্রদান ও সিডিউল বিক্রি না করার জন্য হুমকি প্রদানসহ ভূমিহীনদের জন্য দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণে অবৈধ হস্তক্ষেপ ও পিআইও-র নিকট চাঁদা দাবি করেন। এছাড়াও তিনি করোনাভাইরাস জনিত বৈশ্বিক মহামারিতে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা হিসেবে কর্মহীনদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে তালিকা প্রণয়নে অযাচিত হস্তক্ষেপ করেন।

 

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, তার  এহেন কর্মকাণ্ড উপজেলা পরিষদে কর্মরত কর্মচারীদের মাঝে হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি করতে পারে যা সার্বিকভাবে উপজেলা পরিষদের কার্যক্রম বাস্তবায়নে অচলাবস্থার সৃষ্টি ও জনস্বার্থ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশংকাসহ অন্যান্য উপজেলায় বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে উপজেলা পরিষদ আইন-১৯৯৮ { উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন, ২০১১ দ্বারা সংশোধিত} এর ১৩ ধারা অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। 

 

তার স্বীয় পদে বহাল থেকে উপজেলা পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা করা রাষ্ট্র বা পরিষদের স্বার্থের হানিকর হতে পারে। তাই জনস্বার্থে তাকে উপজেলা পরিষদ আইন-১৯৯৮{উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন, ২০১১ দ্বারা সংশোধিত} এর ১৩খ ধারা অনুযায়ী স্বীয় পদ হতে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।

 

#

হাসান/সেলিম/মিজান/২০২০/১৩০০ ঘণ্টা 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ১৯৪৬

 

ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রেখেছে সরকার

ঢাকা, ১৫ জ্যৈষ্ঠ (২৯ মে): 


       করোনা ভাইরাসের মত দুর্যোগে সারাদেশের সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রেখেছে সরকার । এ পর্যন্ত সারা দেশে সোয়া এক কোটির বেশি পরিবারের ছয় কোটির বেশি মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছে সরকার ।


         ৬৪ জেলা প্রশাসন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ২৮ মে পর্যন্ত সারাদেশে জিআর চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে এক লক্ষ ৮২ হাজার ৬৭ মেট্রিক টন এবং বিতরণ করা হয়েছে এক লক্ষ ৬২ হাজার ১৯৩ মেট্রিক টন । এতে উপকারভোগী পরিবার সংখ্যা ১ কোটি  ৩৬ লক্ষ ১৩ হাজার ১৮৭ টি এবং উপকারভোগী লোকসংখ্যা ৬ কোটি ৮ লক্ষ ৪২ হাজার ৯০৩ জন ।


       নগদ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে প্রায় ১০৫ কোটি টাকা । এরমধ্যে জি আর নগদ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৮১ কোটি ৭৩ লক্ষ ৭২ হাজার ২৬৪ টাকা এবং বিতরণ করা হয়েছে ৭২ কোটি ৩৫ লক্ষ ২৬ হাজার ৬০১ টাকা ।  এতে উপকারভোগীর পরিবার সংখ্যা ৮০ লক্ষ ২৬ হাজার ৬১৬ টি এবং উপকারভোগী লোক সংখ্যা ৩ কোটি ৭৫ লক্ষ ১০ হাজার ৮৫৮ জন । শিশু খাদ্য সহায়ক হিসেবে বরাদ্দ ২২ কোটি ৩৪ লক্ষ টাকা এবং এ পর্যন্ত বিতরণ করা হয়েছে ১৮ কোটি ২১ লক্ষ ৬৫ হাজার ২২০ টাকা । এতে উপকারভোগী পরিবার সংখ্যা ৫ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩২৩ টি এবং লোক সংখ্যা ১২ লক্ষ ৪৪ হাজার ৮৭৮ জন ।


 

#

সেলিম/মিজান/২০২০/১১৩০ ঘণ্টা 

2020-05-29-15-43-2909f4bd768576795cebf1cb233c8402.doc 2020-05-29-15-43-2909f4bd768576795cebf1cb233c8402.doc

Share with :

Facebook Facebook