তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৪ জানুয়ারি ২০১৯

তথ্যবিবরণী ৩ জানুয়ারি ২০১৯

তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর : ২৪
 
জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শোক
 
ঢাকা, ২০ পৌষ (৩ জানুয়ারি) :
 
জনপ্রশাসন মন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বর্তমান প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক ও  দুঃখ প্রকাশ করেছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, স¦াস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, এলজিআরডি মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী মুহাঃ ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক, নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক, পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, ভূমি মন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এ  কে এম শাহজাহান কামাল, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মোঃ মুজিবুল হক এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মোঃ মশিউর রহমান রাঙ্গাঁ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোঃ শাহ্রিয়ার আলম, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি। এছাড়া শোক প্রকাশ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক (মন্ত্রী পদমর্যাদা) আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ। 
 
শোক বার্তায় তাঁরা বলেন, সৈয়দ অশরাফুল ইসলাম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে দিকপালের ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ছড়িয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করেছেন। তিনি বাংলাদেশের রাজনীতিতে একজন সাদা মনের মানুষ ছিলেন, তার প্রয়াণে জাতি একজন নিবেদিত প্রাণ দেশপ্রেমিক রাজনীতিককে হারালো। 
 
মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রিবর্গ মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত  কামনা  করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
 
#
 
জলিল/মাহমুদ/মোশারফ/সেলিমুজ্জামান/২০১৯/২৪০০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                                            নম্বর :  ২৩
 
জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে 
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জনপ্রশাসন সচিবের শোক 
 
ঢাকা, ২০ পৌষ (৩ জানুয়ারি) :
 
জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক, মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম এবং জনপ্রশাসন সচিব ফয়েজ আহমেদ গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
 
পৃথক শোকবার্তায় তাঁরা পরলোকগত মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
 
#
 
মুমিনুল/মাহমুদ/মোশারফ/সেলিমুজ্জামান/২০১৯/২৩০০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                                            নম্বর :  ২২
 
জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে 
তথ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিবের শোক 
 
ঢাকা, ২০ পৌষ (৩ জানুয়ারি) :
 
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বর্তমান প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক ও  দুঃখ প্রকাশ করেছেন তথ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম এবং সচিব আবদুল মালেক।
 
তথ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিব আজ রাতে ব্যাংককে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরলোকগত প্রবীণ রাজনীতিক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
 
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ১৯৫০ সালের ১লা জানুয়ারি ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা বাংলাদেশের মুজিবনগর অস্থায়ী সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম। আশরাফুল ইসলাম ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর একজন সদস্য ছিলেন। তিনি ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি বৃহত্তর ময়মনসিংহের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০০৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি দু'বার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ও পরে ২০১৫ সাল  থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
 
#
 
আকরাম/মাহমুদ/মোশারফ/সেলিমুজ্জামান/২০১৯/২৩০০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                                            নম্বর :  ২১
 
বিভাগীয় পর্যায়ে বিনিয়োগ হতে হবে
           -- বিডা নির্বাহী চেয়ারম্যান
 
ঢাকা, ২০ পৌষ (৩ জানুয়ারি) :
 
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এর নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেছেন, গত দশ বছরের সাফল্য সরকারের ওপর আরও দায়িত্ব নিয়ে এসেছে। নির্বাচনী ইশতেহারে বিনিয়োগের ওপর তাই অধিক গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি উভয় খাতের সমন্বিত কার্যক্রমের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করতে হবে।
 
আজ ঢাকা চেম্বার অভ্ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এর কনফারেন্স রুমে ইঁংরহবংং ওহরঃরধঃরাব খবধফরহম উবাবষড়ঢ়সবহঃ (ইটওখউ) আয়োজিত ‘ঊীঢ়বৎরবহপবং ধহফ খবংংড়হং ভৎড়স ওহফরধ’ং ইঁংরহবংং জবভড়ৎসং’ নামক সংলাপে বিডা নির্বাহী চেয়ারম্যান প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানের সময় এসব কথা বলেন। 
 
কাজী আমিনুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য অর্থনৈতিক রূপান্তরের প্রয়োজন। দেশের বিভাগীয় অঞ্চলগুলোকে সক্রিয় করতে হবে। বিনিয়োগ ঢাকা ও চট্টগ্রামভিত্তিক না হয়ে বিভাগীয় পর্যায়ে হতে হবে। এজন্য বিভাগগুলোকে একে অন্যকে সহযোগিতা করার পাশাপাশি পরস্পরের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়তে হবে। তিনি আরও বলেন, বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যেসব নীতি সংস্কারের প্রয়োজন তার সংস্কারের সাথে সাথে ফিডব্যাকও নিতে হবে। তাহলেই সংস্কারের সুফল পাওয়া যাবে।
 
সেমিনারে অন্য বক্তারা হলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মফিযুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব তপন কান্তি ঘোষ, অতিরিক্ত সচিব মোঃ ওবায়দুল আজম, ঢাকা চেম্বার অভ্ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিস (ডিসিসিআই) এর সভাপতি অসামা তাসির, ইটওখউ এর সিইও ফেরদৌস আরা বেগম, বিশ্বব্যাংকের নয়াদিল্লির সিনিয়র প্রাইভেট সেক্টর স্পেশালিস্ট সিহাব আনসারি আজহার, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের আন্তর্জাতিক ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের সিনিয়র ইকোনমিস্ট ড. মোঃ মাসরুর রিয়াজ।
 
#
 
শরীফা/মাহমুদ/মোশারফ/সেলিমুজ্জামান/২০১৯/২২১০ ঘণ্টা  
তথ্যবিবরণী                                                                                             নম্বর : ২০
 
শপথ নিলেন একাদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যবৃন্দ
 
ঢাকা, ২০ পৌষ (৩ জানুয়ারি) :
একাদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যবৃন্দ আজ জাতীয় সংসদভবনে শপথ গ্রহণ করেছেন। জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে চারটি ভাগে এ শপথ অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সংবিধান ও কার্যপ্রণালীবিধি অনুযায়ী প্রথমে নিজে শপথ গ্রহণ করেন এবং শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
দ্বিতীয় ধাপে তিনি জাতীয় সংসদের শপথ গ্রহণ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যদের (২৫৫ জন) শপথ বাক্য পাঠ করান। 
তৃতীয় ধাপে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি (৩ জন), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) (২জন), বিকল্পধারা বাংলাদেশ (২জন), তরিকত ফেডারেশন (১জন), জাতীয় পার্টি (মঞ্জু) (১জন) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ৩জন নির্বাচিত সংসদ সদস্যগণ শপথ গ্রহণ করেন।
চতুর্থ ধাপে জাতীয় পার্টির ২১ জন সংসদ সদস্য শপথ গ্রহণ করেন। শপথ গ্রহণ শেষে সকলে শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
জাতীয় সংসদের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালন করেন। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে শপথ শুরু হয়। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গত মঙ্গলবার একাদশ জাতীয় সংসদের ২৯৮টি আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নাম এবং পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা সম্বলিত গেজেট নোটিফিকেশন প্রকাশ করে। এর আগে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে 
গাইবান্ধা-৩ আসনের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। অসুস্থতার কারণে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম শপথ নিতে পারেননি। চারটি ধাপে মোট ২৮৯ জন সংসদ সদস্য শপথ নিয়েছেন।
নির্বাচনের দিন ব্রাক্ষণবাড়িয়া-২ আসনের তিনটি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত হওয়ায় ঐ আসনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি। 
#
তারিক/অনসূয়া/জসীম/শামীম/২০১৯/১৫২৬ ঘণ্টা  
Todays handout (7).docx Todays handout (7).docx

Share with :

Facebook Facebook