তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৫ মার্চ ২০২০

তথ্যবিবরণী 05/03/2020

তথ্যবিবরণী                                                                                                    নম্বর : ৮২৬

দুর্যোগ মোকাবিলায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে

                                   - ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ২১ ফাল্গুন (৫ মার্চ) :

          দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মোঃ এনামুর রহমান বলেছেন, প্রাকৃতিক এবং মানব সৃষ্ট যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলা করেই আমাদেরকে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হবে। দুর্যোগ কখনো বলে কয়ে আসে না, তাই দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে।

          প্রতিমন্ত্রী আজ ঢাকায় লালমাটিয়া গার্লস হাইস্কুল প্রাঙ্গণে আয়োজিত জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে অগ্নিকাণ্ড ও ভূমিকম্পে সচেতনতামূলক মহড়ায় এসব কথা বলেন।

           প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস এবং সিভিল ডিফেন্সের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৭০০ কোটি টাকার উদ্ধার সামগ্রী ক্রয় করা হবে। এছাড়া প্রতিবছর ২০টি করে দুর্যোগ সহনীয় নৌযান তৈরি করে বন্যাকবলিত এলাকাসমূহের জন্য প্রস্তুত রাখা হবে যেন বন্যাকবলিত মানুষজনকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া যায়। এসব নৌযান এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেন মানুষজন ছাড়াও গৃহপালিত পশুপাখি বহন করা যায়। এছাড়া প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য নৌযানসমূহে বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হবে।

          প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ এখন বিশ্বে রোল মডেল। গত বছরের ঘূর্ণিঝড় ফনি এবং বুলবুল সফলভাবে মোকাবিলা করে সরকার সারাবিশ্বে সুনাম কুঁড়িয়েছে। প্রায় ২২ লাখ দুর্যোগ কবলিত জনগোষ্ঠীকে যথাসময়ে সাইক্লোন শেল্টারে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছিল।

          অনুষ্ঠানে আরো বক্তৃতা করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ শাহ কামাল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ মোহসিন এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিল্লুর রহমান।

#

সেলিম/মাহমুদ/রফিকুল/জয়নুল/২০২০/২০২০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                         নম্বর : ৮২৫

টিকফা’র পঞ্চম সভা অনুষ্ঠিত

ঢাকা, ২১ ফাল্গুন (৫ মার্চ) :

আজ ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে টিকফা (Trade & Investment Cooperation Forum Agreement) এর পঞ্চম সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বাংলাদেশের পক্ষে ২৫ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব প্রদান করেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোঃ জাফর উদ্দীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে ১৮ সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব প্রদান করেন ইউনাইটেড স্টেটস ট্রেড রিপ্রেজেনটেটিভ (USTR) এর দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী ট্রেড রিপ্রেজেনটেটিভ Christopher Wilson এবং ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত Earl R. Miller ।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোঃ জাফর উদ্দীন স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র টিকফা সভায় আগত মার্কিন প্রতিনিধিদলকে মহান মার্চ ও মুজিববর্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। তিনি দু'দেশের মধ্যে বিদ্যমান সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করে টিকফার পঞ্চম সভার মাধ্যমে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা ভবিষ্যতে অধিকতর সমৃদ্ধ হবে মর্মে আশা প্রকাশ করেন। বাংলাদেশের বেসরকারি খাত পঞ্চম টিকফা সভার অগ্রগতির বিষয়ে অত্যন্ত আশাবাদী বলে তিনি জানান।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অনুষ্ঠিত পঞ্চম টিকফা বৈঠকে তৈরি পোশাক-সহ বাংলাদেশি পণ্যের যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে উচ্চ শুল্কহার হ্রাস, জিএসপি সুবিধা পুণঃপ্রবর্তন, বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা কামনা করা হয়। সভায় বাংলাদেশে বিদ্যমান বিনিয়োগ পরিস্থিতি সম্পর্কে আলোচনা হয়। 

বাংলাদেশ টিকফার বর্তমান বৈঠকে জিএসপি সুবিধা বিবেচনার দাবি করলে ইউএসটিআর এর প্রতিনিধিদলের নেতা রাজনৈতিক, যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীন ডব্লিউটিও এর বিধি-বিধানের বিষয়ে উল্লেখ করেন। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রদত্ত জিএসপি অনুরূপ ইবিএ সুবিধা পেয়ে আসছে বিবেচনায় ইউএসএ কে বিষয়টি পুনঃবিবেচনার আহ্বান জানান। ইউ এস প্রতিনিধিদলের নেতা বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার আশ্বাস দেন। 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে হতে মেধাস্বত্ব (আইপিআর), ডিজিটাল ট্রেড (ক্রস বর্ডার ডেটা ফ্লো), টেকনোলজি ট্রান্সফার বিষয়ে বাংলাদেশে বিদ্যমান বিধি বিধান ও বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। সভায় বাংলাদেশের লেবার পরিস্থিতি উন্নয়নের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। শ্রম আইনের আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চা ও আইএলও এর নীতিমালার সাথে সংগতিপূর্ণ করে ২০১৮ সালে সংশোধিত লেবার আইনের প্রবিধানসমূহ সভায় অবহিত করা হয়। শ্রমিক স্বার্থ সংরক্ষণে কোর্ট স্থাপন, লেবার ইন্সপেকশন বিষয়ে অবহিত করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ হতে শ্রমিক স্বার্থ সংরক্ষণে বাংলাদেশের গৃহীত কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়। 

বাণিজ্য ও কাস্টমস সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে Ôক্যাপাসিটি বিল্ডিংÕ-এ যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে সহায়তার আশ্বাস দেয়। সর্বশেষ এলডিসি হতে উত্তরণে এবং এসডিজি অর্জনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সম্মুখে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবিলার লক্ষ্যে টিকফার মাধ্যমে বাংলাদেশ বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা কামনা করে।

#

বকসী/মাহমুদ/রফিকুল/সেলিম/২০২০/২০২০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ৮২৪

নতুন প্রজন্ম সমতার বাংলাদেশ গড়ে তুলবে

             - মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ২১ ফাল্গুন (৫ মার্চ) :

          ‘প্রজন্ম হোক সমতার, সকল নারীর অধিকার’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পালিত হতে যাচ্ছে ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২০। এবছর আন্তর্জাতিক নারী দিবসে গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ ঢাকা-সহ দেশের সকল জেলা ও উপজেলায় সকাল দশটা থেকে এগারোটা পর্যন্ত উদ্যাপিত হল মহিলা সমাবেশ।

          আজ ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি নারী উন্নয়ন সংগঠনের অংশগ্রহণে মহিলা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেন, আমরা জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন অনুষ্ঠানের দ্বারপ্রান্তে। বঙ্গবন্ধু নারীর সমঅধিকার ও ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে সংবিধানে নারী-পুরুষের সমতার নিশ্চয়তা প্রদান করেন। জাতির পিতার আদর্শ অনুসারে সমতা সৃষ্টি ও নারীর ক্ষমতায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গৃহীত কার্যক্রম বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে। নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ বিশ্বের অনেক উন্নত দেশকে পিছনে ফেলে দিয়েছে যা বিশ্বে রোল মডেল। আমাদের নতুন প্রজন্ম সমতার বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। মুজিববর্ষে এটাই আমাদের অঙ্গীকার ও প্রত্যয়।

          আন্তর্জাতিক নারী দিবসের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা বলেন, ১৮৫৭ সালের যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে সূচ তৈরির কারখানায় কর্মরত নারী শ্রমিকরা সমমুজুরির দাবিতে সোচ্চার হয়। কারখানার কর্মপরিবেশ, অসম মজুরি ও বার ঘণ্টা কর্ম দিবসের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ মিছিল করে। সেই মিছিলে পুলিশ হামলা করে ও অনেক নারী শ্রমিককে বন্দি করে। এই দিনটিকে সামনে রেখে সম-অধিকারের দাবিতে চলতে থাকে বিভিন্ন আন্দোলন। এই দিনটি স্মরণ করার জন্য জার্মান নারী নেত্রী ক্লারা জেটকিন ১৯১০ সালে ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনের ঘোষণা দেন। বাংলাদেশে দিনটি যথাযথ মর্যাদায় উদ্যাপিত হয়ে আসছে।

          প্রতিমন্ত্রী বলেন, নারীর সার্বিক ক্ষমতায়ন, জাতীয় ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, শ্রম বাজারে প্রবেশগম্যতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যেম দক্ষ মানবসম্পদ রূপে গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি আরো বলে, বাংলাদেশে নারীরা রাজনীতি, প্রশাসন, বিচারবিভাগ, চিকিৎসা, প্রকৌশল, সামরিক বাহিনী, খেলাধুলা-সহ উন্নয়নের সর্ব ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে। বক্তারা  নারী উন্নয়নে তাদের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

          সমাবেশে আরো বক্তৃতা করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী রওশন আক্তার, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পারভীন আকতার, জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম এডভোকেট-সহ মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ। সমাবেশে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ, বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি, কন্যা শিশু এডভোকেসি ফোরাম, স্টেপ টুয়ার্ডস ডেভেলপমেন্ট, সেভ দ্য চিলড্রেন, গার্লস গাইড ও ইউসেফ-সহ বিভিন্ন সংগঠন।

#

আলমগীর/মাহমুদ/রফিকুল/জয়নুল/২০২০/১৯৪০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ৮২৩

উৎপাদনশীল কর্মকাণ্ডে নারীর অংশগ্রহণ ৫০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে

ঢাকা, ২১ ফাল্গুন (৫ মার্চ) :

          শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন, ২০৩০ সাল নাগাদ উৎপাদনশীল কর্মকাণ্ডে নারীর অংশগ্রহণ ৫০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সরকার কাজ করছে। এটি অর্জনে শিল্প মন্ত্রণালয় এসএমইখাতকে মূল চালিকাশক্তি হিসেবে গ্রহণ করেছে। এসএমইখাতে অল্প পুঁজিতে শিল্প স্থাপনের সুযোগ বেশি বিধায় নারীরা এ খাতে বেশি পরিমাণে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন। ফলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ছে এবং তাদের জন্য নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।

          আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক আয়োজিত ব্যাংকার-নারী উদ্যোক্তা সমাবেশ ও পণ্য প্রদর্শনী ২০২০ এর উদ্বোধনকালে শিল্পমন্ত্রী এ কথা বলেন। রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমির এ কে এন আহমেদ মিলনায়তনে আজ এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। 

          অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ও সিনিয়র সচিব ড. শামসুল আলম, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস,এম, মনিরুজ্জামান, এসোসিয়েশন অভ্ ব্যাংকার্স বাংলাদেশ লিমিটেডের চেয়ারম্যান আলী রেজা ইফতেখার, বাংলাদেশ লিজিং এন্ড ফাইন্যান্সিয়াল কোম্পানিস এসোসিয়েশন চেয়ারম্যান মোমিনুল ইসলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই এন্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস্ ডিপার্টমেন্টের মহাব্যবস্থাপক লীলা রশিদ বক্তব্য রাখেন। 

          শিল্পমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে বর্তমান সরকার জাতীয় এসএমই নীতিমালা ২০১৯ প্রণয়ন করেছে। এ নীতিমালা বাস্তবায়নে গৃহীত ১১টি কৌশলের মধ্যে ৮নং কৌশলে সুনির্দিষ্টভাবে নারী উদ্যোক্তাদের উন্নয়নভিত্তিক কর্মসূচির প্রসার ও বিশেষায়িত সেবা প্রদানের নির্দেশনা রয়েছে। এর আলোকে নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসা শুরু ও ব্যবসা পরিচালনায় অর্থায়ন, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি, ব্যবসা সম্পর্কিত তথ্য সহজলভ্যকরণ, ঋণ প্রবাহ বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি নারী উদ্যোক্তাদের জন্য উন্নয়ন তহবিল গঠন, উইম্যান চেম্বার ও ট্রেড বডির প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বাজার সংযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্য বিপণনের সুযোগ জোরদার করা হচ্ছে। 

          শিল্পমন্ত্রী আরো বলেন, এসএমইখাতের উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্য বেচা-কেনায় বিদ্যমান সমস্যা মোকাবেলায় শিল্প মন্ত্রণালয় রাজধানীর পূর্বাচলে একটি স্থায়ী ‘সেলস্ এন্ড ডিসপ্লে সেন্টার’ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। এসএমই ফাউন্ডেশন এটি স্থাপন করবে। এছাড়া বিসিক শিল্পনগরীতে ১০ শতাংশ শিল্পপ্লট নারী উদ্যোক্তাদের মধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। সিঙ্গেল ডিজিট সুদে ঋণ প্রদানের বিষয়টি ইতোমধ্যে কার্যকর হতে শুরু করেছে। এর ফলে নারী উদ্যোক্তারা আর পুঁজির অভাবে শিল্প স্থাপনে বিমুখ হবেন না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

          বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অভ্ ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) প্রাঙ্গণে চার দিনব্যাপী এ মেলা আয়োজন করা হয়। এতে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত এসএমই নারী উদ্যোক্তারা তাদের উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শন করছেন। মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

#

জলিল/মাহমুদ/মোশারফ/জয়নুল/২০২০/১৯০০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                         নম্বর : ৮২২

 

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নামে বিভ্রান্তিকর

সংবাদ পরিবেশন বন্ধের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুরোধ

ঢাকা, ২১ ফাল্গুন (৫ মার্চ) :

          প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নাম ও উৎস উল্লেখ করে বিভিন্ন পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের নামে সম্মান হানিকর, বিভ্রান্তিকর ও অসত্য সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুরোধ জানিয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সম্প্রতি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে র‌্যাব কর্তৃক শামীমা নূর পাপিয়া ওরফে পিউ, স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে মতি সুমন-সহ ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নাম ও উৎস উল্লেখ করে বিভিন্ন পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের নামে বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও সম্মান হানিকর সংবাদ পরিবেশিত হচ্ছে, যা জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করছে এবং এতে সামাজিক বিশৃঙ্খলা  তৈরি হচ্ছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক বিভিন্ন অভিযানে আটক ব্যক্তিদের সাথে বিভিন্ন পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের নাম জড়িয়ে অযথা সম্মান হানিকর, বিভ্রান্তিকর ও অসত্য সংবাদ প্রচার করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

         #

অপু/মাহমুদ/মোশারফ/সেলিম/২০২০/১৮২০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                        নম্বর : ৮২১

 

কৃষিমন্ত্রীর সাথে কসোভো রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

 

ঢাকা, ২১ ফাল্গুন (৫ মার্চ) :

 

বাংলাদেশে নিযুক্ত কসোভোর রাষ্ট্রদূত Guner Ureya আজ  কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাকের সাথে  সচিবালয়ে তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন।

 

সাক্ষাৎকালে দু’দেশের কৃষি, প্রাণিসম্পদ এবং ডেইরি  নিয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়। এ সময় কসোভোর রাষ্ট্রদূত কৃষির উপর পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে বাংলাদেশের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং বাংলাদেশ থেকে শীতকালীন শাক-সবজি আমদানির আগ্রহ ব্যক্ত করেন। এছাড়াও তিনি যুদ্ধের সময় কসোভোর ধ্বংসপ্রাপ্ত পোল্ট্রি এবং ডেইরি শিল্পের উন্নয়নে বাংলাদেশের  সহযোগিতা কামনা করেন।

 

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে এক সময় কৃষি খাত কম উৎপাদনশীল ছিল। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের নানাবিধ উদ্যোগ এবং প্রণোদনার ফলে কৃষিতে অভাবনীয় সাফল্য এসেছে। বাংলাদেশের এসব অভিজ্ঞতাকে কসোভো কাজে লাগাতে পারে। সেক্ষেত্রে দু’দেশের একসাথে কাজ করার অনেক সুযোগ রয়েছে।

 

পরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে কিছু দেশ থেকে খাদ্য পণ্য আমদানি বন্ধ থাকলেও বাংলাদেশে খাদ্যে কোনো ঘাটতি হবে না। বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি আমদানি করে ভোজ্য তেল যার সিংহভাগ আসে মালয়েশিয়া থেকে। এক্ষেত্রে করোনা ভাইরাসের প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কম।

 

মন্ত্রী জানান, সফল কৃষক ও ভাল উৎপাদনকারীকে সিআইপি (CIP) এর মতো এআইপি (AIP) পুরস্কার প্রদানের প্রস্তাব কেবিনেটে অনুমোদিত হয়েছে। এআইপি (AIP) অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্তগণ সিআইপির মতো সুযোগ-সুবিধা পাবেন। অ্যাওয়ার্ডের জন্য খুব শীঘ্রই সফল কৃষক ও ভালো উৎপাদনকারীদের নিকট থেকে দরখাস্ত আহ্বান করা হবে।

#

কামরুল/মাহমুদ/মোশারফ/সেলিম/২০২০/১৭৫০ ঘণ্টা 

তথ্যবিবরণী                                                                                                          নম্বর : ৮২০

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের অর্জন জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে

                                                          - বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ২১ ফাল্গুন (৫ মার্চ) :

          বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের অর্জনের সুফল সমন্বিত প্রচেষ্টায় জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তারা সরকারের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে সহায়তা করে।

          প্রতিমন্ত্রী আজ সচিবালয়ে জ্বালানি খাতের সাংবাদিকদের সংগঠন ‘ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স (এফইআরবি)-এর নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি জ্বালানি বিটের সাংবাদিকদেরকেও প্রশিক্ষণ ও আন্তর্জাতিক কর্মশালায় বা সেমিনারে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকা উচিত। বিভিন্ন অবকাঠামো বা খনিসমূহ চাক্ষুস দেখে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এই খাতের জন্য ভালো হবে।

          আলোচনাকালে প্রতিমন্ত্রী এফইআরবি-এর সাথে আরো নিবিড়ভাবে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

          এফইআরবি-এর চেয়ারম্যান অরুণ কর্মকারের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের প্রতিনিধিদলে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান মোজাহিরুল হক রুমেল, নির্বাহী পরিচালক শামীম জাহাঙ্গীর, পরিচালক (উন্নয়ন ও অর্থ) লুৎফর রহমান কাকন, পরিচালক (গবেষণা ও প্রশিক্ষণ) মাহফুজ মিশু, পরিচালক (ডাটা ব্যাংক) শাহেদ সিদ্দিকী, পরিচালক (বিনোদন ও কল্যাণ) সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, সদস্য মোল্লাহ আমজাদ হোসেন, সদস্য সদরুল হাসান, সদস্য শাহনাজ বেগম ও সদস্য মামুন-উর-রশিদ।

#

আসলাম/মাহমুদ/মোশারফ/জয়নুল/২০২০/১৮২০ঘণ্টা

 তথ্যবিবরণী                                                                                                            নম্বর : ৮১৯

 

মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের লক্ষ্য

                    ---প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

 

রৌমারী (কুড়িগ্রাম), ২১ ফাল্গুন (৫ মার্চ) : 

 

          প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেন বলেছেন, সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। এ লক্ষ্য অর্জনে ইতোমধ্যে বিদ্যালয় গমনোপযোগী প্রায় শতভাগ কোমলমতি শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে ভর্তি করানো সম্ভব হয়েছে। 

 

          প্রতিমন্ত্রী আজ কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলায় ব্র্যাক শিক্ষাতরী স্কুল পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন। 

 

          প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের পাশাপাশি দরিদ্র, শিক্ষাবঞ্চিত, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হাওর ও নিম্নাঞ্চল এলাকায় শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ব্র্যাক শিক্ষাতরী কাজ করছে। এছাড়া সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য মূল স্রোতধারার শিক্ষা ব্যবস্থাকে সহায়তা করে যাচ্ছে। তিনি বলেন,  যে সব গ্রামের শিক্ষার্থীরা বর্ষাকালে পানির জন্য নৌকা ছাড়া বিদ্যালয়ে যেতে পারে না সেখানে ব্র্যাক শিক্ষাতরী স্কুলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সংগ্রহ করে শিক্ষার ব্যবস্থা করে দেওয়া একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ।  

 

          এ সময় প্রতিমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন রৌমারী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল ও শিক্ষা অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম। 

#

রবি/মাহমুদ/মোশারফ/আব্বাস/২০২০/১৭৫০ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                            নম্বর : ৮১৮

 

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মিত হচ্ছে

                                                   - যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ২১ ফাল্গুন (৫ মার্চ) :

          বাংলাদেশের প্রতিবন্ধী শিশুরা অত্যন্ত মেধাবী উল্লেখ করে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। তারা যাতে সুস্থ সুন্দর আনন্দময় জীবন পায়, সমাজের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত হতে পারে সে লক্ষ্য সরকার কাজ করছে। তাদের সুস্থ বিনোদন নিশ্চিত কল্পে সংসদ ভবনের পাশে স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হচ্ছে।

          প্রতিমন্ত্রী আজ রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে ঢাকাস্থ জাপান দূতাবাস আয়োজিত ÔToward Building Inclusive Society Tokyo Paraolympic GamesÕ শীর্ষক লেকচার সেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

          প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার স্পোর্টসের উন্নয়নের পাশাপাশি প্যারা স্পোর্টস এর উন্নয়নে সমান্তরালভাবে কাজ করছে। যার ফলে বাংলাদেশ সর্বশেষ স্পেশাল ওয়ার্ল্ড অলিম্পিক গেমসে ২২ টি স্বর্ণপদক-সহ ৩৮টি পদক অর্জন করতে সমর্থ হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ প্যারা অলিম্পিক গেমসেও ভালো ফলাফল করবে।

          অনুষ্ঠানে জাপান প্যারা অলিম্পিক কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট Taguchi Aki ও জাপানের রাষ্ট্রদূত Ito Naoki বক্তব্য রাখেন।

          ব্র্যাকের পরিচালক এবং অন্যান্য কর্মকর্তা সেশনে উপস্থিত ছিলেন।

#

আরিফ/মাহমুদ/মোশারফ/জয়নুল/২০২০/১৮০০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                  নম্বর : ৮১৭

প্রাণিসম্পদ খাত থেকে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব

                                    - মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

ঢাকা, ২১ ফাল্গুন (৫ মার্চ) :

          মাংস ও অন্যান্য সামগ্রী রপ্তানি করে প্রাণিসম্পদ খাত থেকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

          আজ সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে বাংলাদেশ ভেটেরিনারি এসোসিয়েশন, বঙ্গবন্ধু ভেটেরিনারি পরিষদ ও বিসিএস প্রাণিসম্পদ ক্যাডার এসোসিয়েশনের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

          তিনি বলেন, ‘প্রাণিসম্পদ বিভাগে যারা দক্ষ জনশক্তি রয়েছে, তাদের আন্তরিকতা ও একাগ্রতা থাকলে দেশে প্রাণিসম্পদের উন্নয়নে অভাবনীয় সাফল্য আসবে। এ সাফল্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে শুধু স্বাবলম্বী করবে তাই নয়, বরং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। পৃথিবীর বিভিন্ন মুসলিম দেশ-সহ অন্যান্য দেশে হালাল ও ভালো মাংস আমদানির চাহিদা রয়েছে। প্রক্রিয়াজাতকরণ-সহ প্রাণিসম্পদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন করতে পারলে রপ্তানি ক্ষেত্রে সরকার অনেকদূর এগুতে পারবে।’

          এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘শুধু এসোসিয়েশনকেন্দ্রিক জায়গায় আবদ্ধ থাকবেন না। দেশ, জাতি, সমাজ সভ্যতা, মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ এবং প্রাণিকূলের জন্য দায়িত্ব পালন করতে হবে। এ জায়গা থেকে বিচ্যুত হবেন না।’

          এ সময় এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ মাংস, দুধ ও ডিমে দেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে মন্ত্রণালয়ের গৃহীত সকল কার্যক্রমে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। পরে তারা মন্ত্রীর হাতে এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা স্মারক ক্রেস্ট তুলে দেন।

#

ইফতেখার/মাহমুদ/মোশারফ/জয়নুল/২০২০/১৭৩০ঘণ্টা

Handout                                                                                                                Number: 816

UNHC for Human Rights recognises Bangladesh’s achievement 

Dhaka, 5 March 2020:

            The High Commissioner for Human Rights Michelle Bachelet acknowledged Bangladesh’s proven track record as a trusted partner of the United Nations and recognized it’s achievement of the Sustainable Development Goals as well as the government’s commitment to uphold the rule of law. She commended the Government’s efforts in hosting the forcibly displaced Rohingyas despite scarcity of resources. The High Commissioner profusely lauded, in particular, the Government for allowing education for the Rohingya children. 

            Michelle Bachelet made this comment during a meeting with the visiting State Minister for Foreign Affairs Md. Shahriar Alam in Geneva, Switzerland yesterday.

            State Minister said, Bangabandhu’s daughter Prime Minister Sheikh Hasina is committed to strengthen the roots of democratic norms, rule of law and respect for human rights in Bangladesh. 'Father of the Nation, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, struggled for a secular and pluralistic society and, as we are celebrating his birth centenary, we have the opportunity to reflect on his values and ideals' he added.

            Following up on the recent engagements at the high political level, the State Minister reiterated Bangladesh Government’s willingness to continue to work closely. Referring to the High Commissioner’s comment on Bangladesh during her recent global round up in the ongoing session of the Human Rights Council, he highlighted the risks associated when UN bodies use unconfirmed information. In order to avoid exaggeration, he urged the UN human rights chief to verify information received from alternative sources. 

            Bachelet accepted the State Minister’s invitation to visit Bangladesh in the context of the Mujib Year.

            The State Minister was in Geneva in connection with the launch of the ‘Joint Response Plan for Rohingya Humanitarian Crisis’. He also met the UN High Commissioner for Refugees on Tuesday.

#

Tohidul/Anasuya/Parikshit/Shamim/2020/1641 hours

তথ্যবিবরণী                                                                                                       নম্বর: ৮১৫

মুজিববর্ষে আইসিটি বিভাগ ‘হান্ড্রেডপ্লাস স্ট্র্যাটেজি’ গ্রহণ করেছে

                                                        -আইসিটি প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ২১ ফাল্গুন (৫ মার্চ) :

          তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক বলেছেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নে ‘হান্ড্রেডপ্লাস স্ট্র্যাটেজি’ গ্রহণ করেছে। আইসিটি বিভাগ প্রতিটি কার্যক্রমে শতভাগ অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বলে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মুজিববর্ষের সময়সীমার মধ্যে নতুন ১০০টি নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা হবে। ১০০ জন স্টার্টআপকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। আইসিটি বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীগণ সারা বছর অতিরিক্ত ১০০ ঘণ্টা কাজ করবেন।

          প্রতিমন্ত্রী আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি বিভাগের সভাকক্ষে ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী (মুজিববর্ষ) উদ্‌যাপন উপলক্ষে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ কর্তৃক গৃহীত কর্মসূচি বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন। 

          প্রতিমন্ত্রী বলেন, আইসিটি সেক্টরে আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে এক লক্ষ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে এবং পরবর্তীতে প্রতিবছর এক লক্ষ কর্মসংস্থান হবে। তিনি বলেন, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নের কোন বিকল্প নেই। তথ্যপ্রযুক্তি যেমন নারী পুরুষের সমতা নিশ্চিত করে তেমনি দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করে। তিনি জানান বর্তমান সরকারের ‘বটম আপ এপ্রোচ’ পদ্ধতি অনুসরণ ও অন্তর্

2020-03-05-20-47-00f9e9085bb1c75d880f479130c2e733.docx 2020-03-05-20-47-00f9e9085bb1c75d880f479130c2e733.docx

Share with :

Facebook Facebook