তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৩ জুলাই ২০১৯

তথ্যবিবরণী -13/7/2019

তথ্যবিবরণী                  নম্বর : ২৫২১
 
মন্ত্রী ইমরান আহমদ ও প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসার মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন
 
ঢাকা, ২৯ আষাঢ় (১৩ জুলাই) :
 
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী  জঁষবং ড়ভ ইঁংরহবংং, ১৯৯৬-এর জঁষব ৩(রা)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে মন্ত্রী ইমরান আহমদ-কে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা-কে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
 
আজ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সম্পর্কিত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
 
#
 
শফিউল/ইসরাত/রবি/সঞ্জীব/সেলিম/২০১৯/২১৪৫ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                                       নম্বর : ২৫২০
বন্যা ও দুর্যোগ সংক্রান্ত প্রতিবেদন 
ঢাকা, ২৯ আষাঢ় (১৩ জুলাই) :
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স কো অর্ডিনেশন সেন্টারের প্রতিবেদন অনুযায়ী আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সারাদেশে বন্যা ও দুর্যোগ পরিস্থিতি নি¤œরূপ:
 
সমুদ্র বন্দরসমূহরে জন্য সর্তক সংকতেঃ সমুদ্র বন্দরসমূহরে জন্য কোন সর্তক সংকতে নেই।
আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর সমূহের জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাস: খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘন্টায় ৪৫-৬০ কি.মি. বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১(পুনঃ) ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আজ সকাল ৯টা থকেে পরর্বতী ২৪ ঘন্টার আবহাওয়ার র্পূবাভাস: 
সনিপটকি অবস্থা: মৌসুমী বায়ু অক্ষরে র্বধতিাংশ রাজস্থান, হরয়িানা, উত্তর প্রদশে, বহিার, পশ্চমিবঙ্গ ও বাংলাদশেরে উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম র্পযন্ত বস্তিৃত রয়ছে।ে এর একটি র্বধতিাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর র্পযন্ত বস্তিৃত রয়ছে।ে মৌসুমী বায়ু বাংলাদশেে সক্রয়ি এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় বরিাজমান রয়ছে।ে 
র্পূবাভাস: রংপুর, ময়মনসংিহ, চট্টগ্রাম ও সলিটে বভিাগরে অধকিাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থকেে মাঝারি ধরনরে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পার।ে সইে সাথে দশেরে কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনরে ভারী থকেে অতি ভারী র্বষণ হতে পার।ে 
তাপমাত্রা: সারাদশেে দনি এবং রাতরে তাপমাত্রা প্রায় অপরর্বিততি থাকতে পার।ে 
পরর্বতী ৭২ ঘন্টার আবহাওয়ার অবস্থা (৩ দনি): বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টরি প্রবণতা হ্রাস পতেে পার।ে
গতকালে সর্বোচ্চ ও আজকের সর্বনি¤œ তাপমাত্রা: গতকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল রাজশাহী ৩৫.৬০  এবং আজকের সর্বনি¤œ তাপমাত্রা তেঁতুলিয়া ২৪.০০ সেলসিয়াস।
এক নজরে নদ-নদীর পরস্থিতি:ি 
ক্স দশেরে সকল প্রধান নদ-নদীসমূহরে পানি সমতল বৃদ্ধি পাচ্ছ।ে
ক্স বাংলাদশে আবহাওয়া অধদিপ্তর ও ভারত আবহাওয়া অধদিপ্তররে তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদশেরে উত্তরাঞ্চল, উত্তর-র্পূবাঞ্চল, দক্ষণি-র্পূবাঞ্চল এবং তৎসংলগ্ন ভারতরে সিকিম, পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাঞ্চল, আসাম ও মঘোলয় প্রদশেসমূহরে বস্তিৃত এলাকায় আগামী ২৪ থকেে ৪৮ ঘণ্টায় মাঝারি হতে ভারী এবং কোথাও কোথাও অতভিারী বৃষ্টপিাতরে সম্ভাবনা রয়ছে।ে এছাড়া উত্তর-পশ্চমিাঞ্চল সংলগ্ন ভারতরে বহিার এবং নপোলে ভারী বৃষ্টপিাতরে সম্ভাবনা রয়ছে।ে 
ক্স আগামী ৭২ ঘণ্টায় সকল প্রধান নদ-নদীসমূহরে পানি সমতল বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে এবং আগামী ৪৮ ঘণ্টায়  যমুনা নদী সারিয়াকান্দি এবং কাজীপুর পয়ন্টে বপিদসীমা অতক্রিম করতে পার।ে
ক্স আগামী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম, সলিটে ও রংপুর বভিাগরে সুরমা, কুশয়িারা, কংস, সোমশ্বেরী, ফনেী, হালদা, মাতামুহুরী, সাঙ্গু, ধরলাসহ প্রধান নদীসমূহরে পানি সমতল দ্রুত বৃদ্ধি পতেে পার।ে 
ক্স আগামী ২৪ ঘণ্টায় নত্রেকোনা, সুনামগঞ্জ, সলিটে, চট্রগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, জামালপুর, গাইবান্ধা জলোয় বন্যা পরস্থিতিরি অবনতি হতে পার।ে
চলমান পাতা-২
-২-
বপিদসীমার ওপর দয়িে প্রবাহতি স্টশেন  (২৯ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ/ ১৩ জুলাই ২০১৯ খ্রিঃ সকাল ৯টার তথ্য অনুযায়ী):  
দেশের বিভিন্ন নদ-নদীর মাঝে সুরমা, কুশিয়ারা, মনু, ধলাই, খোয়াই, সোমেশ্বরী, কংস, হালদা, তিস্তা, সাঙ্গু, মাতামুহরি, ধরলা, ঘাগট, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা নদী বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
বারিপাত তথ্য: গত ২৪ ঘন্টায় বাংলাদেশের বিভিন্ন স্টেশনে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত (গতকাল সকাল ৯টা থেকে আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত) : 
স্টশেন বারপিাত (ম.িম.ি) স্টশেন বারপিাত (ম.িম.ি) স্টশেন বারপিাত (ম.িম.ি)
লালাখাল ২২৫.০ কানাইঘাট ১৫৬.০ নারায়ণহাট ১৩৫.০
সলিটে ১১৫.০ রামগড় ১১৩.০ জারয়িাজাঞ্জইল ১১০.০
ঢাকা ১০৮.০ পাঁচপুকুরয়িা ১০৩.০ র্দুগাপুর ৯২.০
 
নদ-নদীর অবস্থা (আজ সকাল ৯টা র্পযন্ত)
 
র্পযবক্ষেণাধীন পানি সমতল স্টশেন ৯৩ বগিত ২৪ ঘন্টায় পানি সমতল অপরর্বিততি ০২
বগিত ২৪ ঘন্টায় পানি সমতল বৃদ্ধি ৭৯ *মোট তথ্য পাওয়া যায়নি ০১
বগিত ২৪ ঘন্টায় পানি সমতল হ্রাস ১১ বপিদসীমার উপরে ২৩
 
বন্যা সংক্রান্তঃ
অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে দেশের কয়েকটি জেলায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ঐ  সকল জেলার জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জেলাগুলোর বর্তমান অবস্থাঃ
১।  লালমনিরহাট: তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ৪৮ সেমি এবং ধরলা নদীর পানি বিপদসীমার ৪২ সেমি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলার ৫টি উপজেলার তিস্তা নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ১৭টি ইউনিয়নের ৯ হাজার ৯৬টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত  হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বিতরণের জন্য ১১০ মেঃটন জিআর চাউল, ২ লাখ ৫০ হাজার জিআর টাকা ও ৫৫৩ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। জেলায় ১২টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
২।  নীলফামারী:   নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলায় তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ২৫ সে.মি ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে নদী তীরবর্তী ৬টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বিতরণের জন্য ডিমলা উপজেলার জন্য ৫০ মেঃটন জিআর চাল, ৫০ হাজার জিআর টাকা ও ৫শ’ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
৩।   চট্টগ্রাম: গত ৫ জুলাই থেকে অবিরাম ভারী বর্ষণে সৃষ্ট দুর্যোগ পরিস্থিতি, জলাবদ্ধতা, পাহাড়ি ঢল ইত্যাদি কারণে এ যাবত প্রাপ্ত ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক তথ্য ও জেলা প্রশাসন কর্তৃক গৃহীত কার্যক্রম নিম্নরূপঃ
সম্ভাব্য পাহাড় ধসের ঝুঁকি থাকায় চট্টগ্রাম মহানগরীর ৬টি ঝুঁকিপূর্ণ স্থানের ৫৭৫টি পরিবারকে ৭টি আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে আনা হয়েছে। জেলায় মোট ২ লাখ ৩২ হাজার ২০৩ জন লোক, ৯৭৪টি ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব পরিবারের মধ্যে শুকনো খাবার ও রান্না করা খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম মহানগরীসহ বিভিন্ন উপজেলায় মোট ৩ লাখ নগদ টাকা, ১৫১ মেঃটন চাল এবং ৪ হাজার ৬০ প্যাকেট শুকনা খাবার বরাদ্দ করা হয়েছে। অবিরাম বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলে রাংগুনিয়া, পটিয়া, সাতকানিয়া, ফটিকছড়ি, বোয়ালখালী, আনোয়ারা, কর্ণফুলি, হাটহাজারী, সীতাকু-, মীরসরাই ও চন্দনাইশ উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে বিপুল সংখ্যক পরিবার পানিবন্দি এবং কর্মহীন হয়ে পড়েছে। 
৪।  কক্সবাজার:   জেলা প্রশাসন, কক্সবাজারের পত্রের মাধ্যমে জানা যায় যে, ১০ জুলাই কক্সবাজার সৈকত সংলগ্ন হোটেল সি গাল পয়েন্ট স্থানে, ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার জিন্নাগর ও চর মাদ্রাজ ইউনিয়নের দক্ষিণচর নাজিম উদ্দিন গ্রামের ওয়াজ উদ্দিন পিঠারের নৌকা হতে ৭ জনের মৃতদেহ পাওয়া যায়। জেলা প্রশাসক টেলিফোনে জানান গভীর সমুদ্রে ট্রলার ডুবে এ সকল ব্যক্তি মারা গেছে। ২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং জীবিতদের মধ্যে নৌকার মাঝি মনির ও তার ছেলে জুয়েল একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। মরদেহের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
চলমান পাতা-৩
-৩-
এছাড়া গত কয়েকদিনের অতি বৃষ্টির কারণে কক্সবাজার জেলার ৭টি উপজেলার ৪৩টি ইউনিয়ন, ৩টি পৌরসভা, ১০ হাজার ৩২৮টি পরিবারের ৪১ হাজার ২৮০ জন লোক এবং ১ হাজার ৭৪০ হেক্টর বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে বিতরণের জন্য ১৪২ মেঃটন জিআর চাল ও ৫ হাজার ৭শ’ প্যাকেট শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়েছে। নদীর পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নিচু এলাকার পানি নামতে শুরু করেছে।
৫।  সুনামগঞ্জ:  অতিবৃষ্টি ও পাহাড় থেকে আসা পানির তোড়ে অধিকাংশ নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ৮৪ সেমি ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমান বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। জেলার জামালগঞ্জ, শাল্লা, ধর্মপাশা, তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর, দিরাই, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। কিছু কিছু রাস্তাঘাটে পানি উঠেছে। সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ২ হাজার ৯৫০টি পরিবার, তাহিরপুর উপজেলার ৪ হাজার ১০০টি পরিবার, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ১ হাজার ৪শ’টি পরিবার, দোয়ারাবাজার উপজেলায় ২ হাজার ৮৫০টি পরিবার এবং জামালগঞ্জ উপজেলায় ১ হাজার ৮শ’টি পরিবারের মোট ১ লাখ ৪ হাজার জন লোক এবং ১ হাজার ৩৮৫ হেক্টর ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 
  ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে বিতরণের জন্য ২৪৮ মেঃটন জিআর চাউল ও ১ লাখ ২৫ হাজার জিআর নগদ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। জেলা ও উপজেলায় পর্যায়ে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। মেডিকেল টিম, উদ্ধারকারী দল গঠনের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
৬।  নেত্রকোনা:  বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোনা জেলার দূর্গাপুর উপজেলায় সোমেশ্বরী নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। কলমাকান্দা উপজেলার একটি গ্রামীণ সড়কে অবস্থিত ব্রিজের এপ্রোচ রোড ভেঙ্গে গেছে। নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা, দূর্গাপুর ও বারহাট্রা উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে  ৬০ মেঃটন জিআর চাউল ও ১ হাজার ৬শ’ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরন  করা হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে উদ্ধার টিম প্রস্তুত করা হয়েছে। উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা আহ্বান করা, উপজেলা পর্যায়ে কন্ট্রোল রুম খোলা, বন্যা মোকাবিলায় স্বেচ্ছাসেবক টিম গঠন করা হয়েছে। দুর্গাপুর উপজেলায় ৪টি, কলমাকান্দায় ৩টি, এবং বারহাট্রায় ৩টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। আনুমানিক ৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১৫০ জন লোক আশ্রয় নিয়েছে। বজ্রপাতে আজ সকালে কলমাকান্দা উপজেলার রংসাটি ইউনিয়নে ১২/১৩ বছরের একটি ছেলে মারা গিয়েছে।
৭।  সিলেট:   জেলার নদ-নদীসমূহের পানি ৭টি পয়েন্টের মধ্যে ৩টি পয়েন্টে বিপদসীমার সামান্য ওপরে এবং ৪টি পয়েন্টে বিপদসীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে কয়েক দিনের বৃষ্টিপাতের ফলে গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নিম্নাঞ্চল  ও রাস্তাঘাটসমূহ পানিতে নিমজ্জিত হয়ে ২০টি ইউনিয়নের ১ লাখ ৬২ হাজার ৪৬ জন লোক, ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ ৩ হাজার ৯১০টি, আংশিক ৭৬০টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চলমান পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
৮।  বগুড়া:  নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রায় ৪০টি গ্রামের ১৪০টি পরিবারের ৪ হাজার ৭৪০ জন লোক এবং ১০ হেঃ জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বিতরণের জন্য ২ মেঃটন জিআর চাউল ও ২ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার বরাদ্দ করা হয়েছে। 
৯।  গাইবান্ধা:  জেলা প্রশাসক জানান যমুনা-ব্রহ্মপুত্র নদীর ফুলছড়ি পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৭ সেঃ মিঃ ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। গাইবান্ধা সদরে ৬টি, ফুলছড়িতে ৩২টি সহ সারা জেলায় মোট ৮৫টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ফুলছড়ি ও গাইবান্ধা সদর উপজেলার আশ্রয়কেন্দ্রে মোট ৩ হাজার ২০৭ জন আশ্রয় নিয়েছে। আশ্রিতদের শুকনা খাবার দেওয়া হয়েছে।
১০।  বান্দরবান:  অতিবৃষ্টি ও পাহাড় থেকে আসা পানিতে জেলার ৫টি উপজেলা মারাত্মকভাবে এবং ২টি উপজেলা আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে প্রায় ১০০ ঘরবাড়ি ও ফসলের ক্ষতি হয়েছে। রামু ও থানচি উপজেলার সাথে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে এ পর্যন্ত ১০০ মেঃটন জি আর চাউল, দু’লাখ টাকা , ৫ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়েছে। জেলার ৭টি উপজেলায় ১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৫ হাজার পরিবার আশ্রয় গ্রহণ করেছে। পর্যাপ্ত মেডিক্যাল টিম ও সেবা দানকারী সংস্থা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নিরাপদ পানি ও খাবার স্যালাইনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। 
১১।  রাঙ্গামাটি:  হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত অব্যাহত আছে। পাহাড় ধসসহ যে কোন অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা এড়াতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার লোকজনকে ২শ’টি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে আনা হয়েছে। ৭টি আশ্রয়কেন্দ্রে  প্রায় ২শ’ জন লোক আশ্রয় নিয়েছে। কাউখালী উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের কলাবাগান নামক স্থানে পাহাড়ি ঢলের প্রবল স্রোতে রাঙ্গামাটি চট্টগ্রাম সড়কের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থানের মেরামত কার্যক্রম চলছে। রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। 
চলমান পাতা-৪
-৪-
১২।  খাগড়াছড়ি:  খাগড়াছড়ি জেলায় বন্যা /পাহাড় ধসে ৪টি উপজেলা, ১৩টি ইউনিয়ন, ১০৮টি গ্রামের  ৪০ হাজার ৩৮০ জন লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দিঘিনালা উপজলোয় ৭টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১৭৫টি পরিবারের ৮২২ জন ও রামগড় উপজেলায় ১টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২০টি পরিবারের ৭০ জন লোক অবস্থান করছে এবং তাদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
১৩।  হবিগঞ্জ:  জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা হবিগঞ্জ কর্তৃক প্রেরিত প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়  যে, খোয়াই নদীর বাপ্পা স্টেশনে বিপদসীমার ৫ সে.মি. ওপর দিয়ে এবং মাসুলিয়া পয়েন্টে  বিপদসীমার ৬৫ সে.মি. ওপর দিয়ে, কুশিয়ারা নদীর শেরপুর পয়েন্টে বিপদসীমার  ৪৪ সে. মি. ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোথাও বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি  হয়নি।
১৪।  মৌলভীবাজার:  মৌলভীবাজার জেলার শেরপুর-সিলেট পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার ৪২ সেঃমিঃ, মনু নদীর মনু রেলওয়ে ব্রিজ পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৭ সেঃমিঃ এবং মৌলভীবাজার পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৩ সেঃমিঃ, ধলাই নদীর কমলগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমার ৪১ সেঃমিঃ ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। সদর উপজেলার খলিলপুর ও মনুমুখ ইউনিয়নে ৩/৪ টি গ্রামে বন্যার পানি প্রবেশ করছে। কমলগঞ্জ উপজেলার হিমপুর, আদমপুর ও পৌরসভার কিছু অংশে  ২/৩টি গ্রামে বন্যার পানি প্রবেশ করছে। সদর উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে ২ মেট্রিক টন জিআর চাউল ও ২শ’ প্যাকেট শুকনো খাবার এবং কমলগঞ্জ উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝেও ২ মেট্রিক টন জিআর চাউল ও ২শ’ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। কমলগঞ্জ উপজেলার পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে বামনপাশা নামক স্থানে নির্মাণাধীন ২০ মিটার বাঁধ ভেঙে গেছে। বৃষ্টি কমলে বাঁধ নির্মাণ করা হবে। 
১৫।  ফেনী:  মৌসুমী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে জেলার ফুলগাজী উপজেলার মুহুরী নদীর বাঁধের ৪টি স্থানে এবং পরশুরাম উপেজেলার মুহুরী ও কহুয়া নদীর ৬টি স্থানে বাঁধ ভেঙে নিম্নাঞ্চল প্লবিত হয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী পরশুরাম উপজেলার ১ হাজার ৮৯৫টি পরিবার ও ফুলগাজী উপজেলার ৬০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় হতে প্রাপ্ত শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
র্দুযোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় র্কতৃক ত্রাণ সামগ্রী বরাদ্দ:
 
পাহাড়ি ঢল, অতবিৃষ্টি ও র্পাবত্য জলোয় পাহাড় ধসরে কারণে এবং প্রাকৃতকি র্দুযোগ, কালবশৈাখী ঝড়ে ক্ষতগ্রিস্তদরে মাঝে মানবকি সহায়তা প্রদানরে লক্ষ্যে ২০১৯-২০ র্অথ বছরে নম্নির্বণতি ত্রাণ সামগ্রী বরাদ্দ করা হয়ছে।ে
 
তারখি জলোর সংখ্যা জআির চাল (মঃেটন) জআির (ক্যাশ) শুকনো খাবার (প্যাকটে)
০১/০৭/২০১৯ ২৫ জলো - - ৫৯,০০০
০৭/০৭/২০১৯ ৬৪ জলো ১০,৯০০ ১,৭৩,০০,০০০/- -
১১/০৭/২০১৯ ২২ জলো ৬,৬০০ ১,২০,০০,০০০/- -
১২/০৭/২০১৯ ১০জলো - - ২০,০০০
মোট ১৭,৫০০ ২,৯৩,০০,০০০/ ৭৯,০০০
 
#
কাদের/ইসরাত/রবি/মোশারফ/সেলিম/২০১৯/২১০০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                      নম্বর : ২৫১৯
 
বিএনপির জিয়া হত্যার বিচার না করার রহস্য কী ? 
                                       -- তথ্যমন্ত্রী
 
ঢাকা, ২৯ আষাঢ় (১৩ জুলাই) :
 
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহ্মুদ বলেছেন, ‘দুই দু’বার রাষ্ট্র পরিচালনায় থেকেও বিএনপি জিয়া হত্যার বিচার করেনি কেন- এ রহস্য উন্মোচন প্রয়োজন। সেইসাথে জিয়াউর রহমান যে শত শত সেনা সদস্যকে বিনাবিচারে হত্যা করেছেন, তারও বিচার করতে হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অপরাধের বিচারের বিকল্প নেই’।
 
মন্ত্রী আজ রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ‘২০০৭ সালের ১৬ জুলাই জননেত্রী শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস স্মরণে’ বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
 
তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'জিয়াউর রহমানের মৃত্যুতে সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছেন বেগম জিয়া ও তাঁর পুত্র তারেক। তারা রাষ্ট্র ক্ষমতায় থেকেও জিয়া হত্যার বিচার করেনি। এর রহস্য কী তা জানতে হবে। জাতির পিতার হত্যাকারীদের সাথে হাত মিলিয়ে ক্ষমতায় গিয়ে জিয়া শত শত সেনা সদস্যকে, এমনকি ছুটি থেকে ডেকে এনেও তাদের হত্যা করেছেন, এরও বিচার হওয়া প্রয়োজন। শেখ হাসিনার সরকার ন্যায়বিচারে বিশ্বাসী’।
 
রাজনীতির আদর্শগত দিক তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘সাত-সমুদ্রের ওপার থেকে দ-প্রাপ্ত আসামির লম্বা লম্বা কথা কোনো রাজনীতি হতে পারে না। বুলেটের সামনে যেতে কিংবা হাতকড়া পরতে প্রস্তুত সাহসী রাজনীতিকই প্রকৃত রাজনীতিক। বিপদের মুখে পলায়ন নয়, সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার সাহস থাকতে হয় রাজনীতিকদের’।
 
সুশাসন ও অবিস্মরণীয় উন্নয়নের পথে দেশকে এগিয়ে নেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে যুগান্তকারী উল্লেখ করে মন্ত্রী এ সময় শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু ও অব্যাহত নেতৃত্ব কামনা করেন। 
 
‘দলের দুঃসময়ে অনেক নেতা টলায়মান হলেও দলের কর্মীরা যেমন অটল বিশ্বাসে বলীয়ান ছিলেন তেমনিভাবে ভবিষ্যতেও যেকোনো পরিস্থিতিতে নেতাকর্মীদের অটল থাকতে হবে’ - বলেন ড. হাছান।
 
আয়োজক সংগঠনের সহসভাপতি বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপি, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, প্রচার সম্পাদক আকতার হোসেন এবং বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা সভায় বক্তব্য রাখেন। জোটের সাংগঠনিক সম্পাদক জেনিফার ফেরদৌস, সদস্য চিত্রনায়িকা শাহনূরসহ জোটের বিপুল সংখ্যক সদস্যের উপস্থিতিতে সভাটি প্রাঞ্জল রূপ নেয়।
 
#
 
আকরাম/ইসরাত/মোশারফ/সেলিম/২০১৯/১৮০০ ঘণ্টা
 
তথ্যবিবরণী                      নম্বর : ২৫১৮
 
সিনিয়র ক্রীড়া সাংবাদিক অজয় বড়ুয়ার মৃত্যুতে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর শোক
 
ঢাকা, ২৯ আষাঢ় (১৩ জুলাই) :
 
বিশিষ্ট ক্রীড়া সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধা ও  দৈনিক সংবাদের স্পোর্টস এডিটর অজয় বড়ুয়া আজ লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেছেন। দেশের প্রথিতযশা এই ক্রীড়া সাংবাদিকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল।
 
প্রতিমন্ত্রী আজ এক শোকবার্তায় বলেন, অজয় বড়ুয়া একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান সাংবাদিক ছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করে দেশের স্বাধীনতা অর্জনে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর মৃত্যুতে দেশের ক্রীড়া সাংবাদিকতার জগতে এক অপূরণীয় ক্ষতি হলো। তিনি প্রয়াত অজয় বড়ুয়ার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
 
#
 
আরিফ/ইসরাত/সঞ্জীব/সেলিম/২০১৯/১৮০০ ঘণ্টা
Todays handout (1).docx Todays handout (1).docx

Share with :

Facebook Facebook