তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১২ জুলাই ২০১৮

তথ্যবিবরণী 12 July, 2018

Handout                                                                                                         Number : 1944

 

India-Bangladesh to fast-track Bangabandhu film

 

New Delhi (India), July 12:

 

The first meeting of India-Bangladesh Joint Committee on audio-visual co-production was held here on Thursday.

 

Abual Hossain, Additional Secretary of Ministry of Information, led a nine-member Bangladesh team. The nine-member Indian team was headed by Jayashree Mukherjee, Additional Secretary of Indian Ministry of Information and Broadcasting.

 

The meeting discussed the progress in the joint production of a film on the life and works of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman and a documentary on Bangladesh War of Liberation in 1971.

 

The need for expediting the work on the joint productions, as stipulated in a MoU signed between the two countries in April 2017, was underlined at the meeting. The officials agreed that production of the film on Bangabandhu and the documentary on the War of Liberation is close to the hearts of the people of two friendly countries.

 

The meeting mentioned that the film on Bangabandhu should be made and released by 17 March 2020 to mark the centenary of the great leader’s birth.

  

The deadline for making the documentary on the liberation war has been set at 2021 to mark the Golden Jubilee of Bangladesh’s independence.

 

Further discussions on the joint production such as the choice of directors, script writings and other related matters will be taken up at the next meeting of the committee to be held in Dhaka later next month.

 

As per the MoU the meeting, held in a cordial atmosphere, also took up the co-production of radio programmes, collaboration in community radio, cooperation between Doorsarshan and Bangladesh Television.

 

Sripriya Ranganathan, Joint Secretary at Ministry of External Affairs of India was also present at the meeting.

 

#

 

Ishtaque/Selim/Parvez/Salimuzzaman/2018/2030 Hrs.

তথ্যবিবরণী                                                                                             নম্বর : ১৯৪৩ 
হাওর অঞ্চলকে আগাম বন্যা সহিষ্ণু এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে
                                                        - ত্রাণমন্ত্রী
ঢাকা, ২৮ আষাঢ় (১২ জুলাই) :                                                                              
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, বীরবিক্রম, বলেছেন, প্রাকৃতিক নিয়ামকের সাথে আর্থসামাজিক বিষয়ক কারণ যেমন হাওরের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা, সঠিক সময়ে বাধনির্মাণ ও মেরামত না হওয়া, প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের অভাবসহ নানাবিধ কারণ দুর্যোগ ঝুঁকি বহুলাংশে বাড়িয়ে দিচ্ছে। এ ঝুঁকি নিরসনে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। আজ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘হাওর এলাকায় অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যার কারণ চিহ্নিতকরণ ও ভবিষৎ করণীয় নির্ধারণ’ শীর্ষক এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। 
মন্ত্রী বলেন, হাওর এলাকায় আকস্মিক বন্যার কারণ চিহ্নিতকরণ ও ঝুঁকি মোকাবেলায় করণীয় সম্পর্কে সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর/দপ্তর ও জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটি গুরুত্বপূর্ণ অনেকগুলো সুপারিশও করেছে। 
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, হাওর অঞ্চল বাদ দিয়ে টেকসই দুর্যোগ সহনশীল বাংলাদেশ গঠন সম্ভব নয়। অন্যান্য এলাকার তুলনায় এ এলাকা সার্বিক উন্নয়নে পিছিয়ে রয়েছে। এ বিশাল জনগোষ্ঠীকে রক্ষা করতে নিবিড় ও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। এজন্য বিজ্ঞানী, গবেষক ও পরিকল্পনাবিদদের কাজ করতে হবে। মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আপনাদের সুচিন্তিত মতামত ও সুপারিশ এ এলাকার মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে ভাগ্য পরিবর্তনে সহায়ক হবে। আপনাদের বাস্তবমুখী ও বাস্তবায়নযোগ্য গবেষণা ও সুপারিশ সরকার বাস্তবায়ন করতে প্রস্তুত রয়েছে।   
দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কামালের সভাপতিত্বে জাতীয় অধ্যাপক প্রফেসর ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী, ড. আইনুন নিশাত, ইমিরিটাস অধ্যাপক, ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগত পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ অধ্যাপকগণ এবং বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
#
সুমন/অনসূয়া/রেজ্জাকুল/আসমা/২০১৮/১৫৪৫ ঘণ্টা   
তথ্যবিবরণী                                                                                             নম্বর : ১৯৪২ 
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা শনিবার
ঢাকা, ২৮ আষাঢ় (১২ জুলাই) : 
১৪৩৯ হিজরি সনের পবিত্র জিলকদ মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে আগামী ১৪ জুলাই ২০১৮ শনিবার সন্ধ্যা ৭.১৫ টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হবে। 
সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্মমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মতিউর রহমান।
বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র জিলকদ মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা নিম্নোক্ত টেলিফোন ও ফ্যাক্স নম্বরে অথবা অন্য কোনো উপায়ে জানানোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
টেলিফোন নম্বর : ৯৫৫৯৪৯৩, ৯৫৫৯৬৪৩, ৯৫৫৫৯৪৭, ৯৫৫৬৪০৭ ও ৯৫৫৮৩৩৭। ফ্যাক্স নম্বর: ৯৫৬৩৩৯৭ ও ৯৫৫৫৯৫১।
#
নিজাম/অনসূয়া/সুবর্ণা/আসমা/২০১৮/১৫১২ ঘণ্টা 
তথ্যবিবরণী                                                                                              নম্বর : ১৯৪১
দীর্ঘ মেয়াদে কৃষিপণ্য সংরক্ষণের নতুন প্রযুক্তি উদ্বোধন করলেন শিল্পমন্ত্রী
ঢাকা, ২৮ আষাঢ় (১২ জুলাই) :
বাংলাদেশে ঋতুভিত্তিক উৎপাদিত শাকসবজি, ফলমূল ও প্রাণিজ খাদ্যচক্রের কাঁচামাল সংরক্ষণের কার্যকর প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে ড্যাফোডিল বিশ^বিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য প্রকৌশল বিভাগের গবেষকরা। সিরডাপের সাথে যৌথ গবেষণা চালিয়ে ‘মাল্টি কমিডিটি সোলার টানেল ড্রায়ার প্লান্ট’ শীর্ষক এ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা হয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন মওসুমে দেশে উৎপাদিত ফলমূলসহ কৃষিজাত পণ্য সহজেই দীর্ঘ দিন সংরক্ষণ করা যাবে।  
শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু আজ ড্যাফোডিল বিশ^বিদ্যালয়ের ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ (এনএফই) আয়োজিত ‘এনএফই ক্যারিয়ার এক্সপো-২০১৮’ এবং ‘মাল্টি কমিডিটি সোলার টানেল ড্রায়ার প্লান্ট’ শীর্ষক প্রযুক্তির উদ্বোধন করেন। সাভারের দত্তপাড়ায় অবস্থিত ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে দু’দিন ব্যাপী এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। 
ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আইসিডিডিআরবি’র সিনিয়র ডিরেক্টর ড. তাহমিদ আহমেদ, বিশ^বিদ্যালয়ের ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. বেলাল হোসেন বক্তব্য রাখেন। 
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টিকে বর্তমান সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬তে কৃষি/খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং কৃষি যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারী শিল্পকে উচ্চ অগ্রাধিকারখাতের আওতাভুক্ত করা হয়েছে। একই সাথে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যখাতের উন্নয়নে একটি টার্স্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। এখাতের উদোক্তাদের উৎসাহিত করতে রপ্তানির বিপরীতে ভর্তুকির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফলে দেশে দ্রুত খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পখাত বিকশিত হচ্ছে। বর্তমানে ১শ’ ৪০টিরও বেশি দেশে বাংলাদেশি প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য রপ্তানি হচ্ছে বলে তিনি জানান। 
বিশ^ব্যাপী হালাল খাদ্যের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে উল্লেখ করে আমির হোসেন আমু বলেন, ২০১৪ সালে বিশ^ বাজারে হালাল খাদ্যের চাহিদার পরিমাণ ছিল ৭শ’ ৯৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৯ সাল নাগাদ এর পরিমাণ দাঁড়াবে ৩.৭ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। হালাল খাদ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদা বাংলাদেশের জন্য সুফল বয়ে এনেছে। অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্যশিল্পের বিশাল সম্ভাবনা কাজে লাগাতে তিনি দেশেই আধুনিক প্রযুক্তির খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে তোলার পরামর্শ দেন। 
#
জলিল/অনসূয়া/রেজ্জাকুল/আসমা/২০১৮/ ঘণ্টা  
তথ্যবিবরণী                                                                                             নম্বর : ১৯৪০  
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল পরিদর্শন করলেন এলজিআরডি মন্ত্রী
নিউইয়র্ক, ১২ জুলাই :
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন গতকাল (১১ জুলাই) নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল পরিদর্শন করেন। কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসাসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী তাঁকে স্বাগত জানান। এ সময় কনসাল জেনারেল কনস্যুলেট এর কার্যক্রম মন্ত্রীকে অবহিত করেন।
খন্দকার মোশাররফ হোসেন কনস্যুলেট এর বিভিন্ন শাখা ঘুরে দেখেন এবং কনস্যুলার সেবাপ্রার্থী অপেক্ষমান প্রবাসীদের সাথে কথা বলেন ও তাঁদের খোঁজ-খবর নেন।
পরিদর্শনের সময় কনস্যুলেটের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী প্রবাসীদের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকারের দৃঢ় প্রতিজ্ঞার কথা উল্লেখ করেন। বর্তমান সরকারের রূপকল্প ২০২১ ও রূপকল্প ২০৪১ এর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সম্মিলিতভাবে কাজ করার জন্য মন্ত্রী বিদেশে বাংলাদেশ মিশনসমূহে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানান। 
স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন এ সময় উপস্থিত ছিলেন। 
উল্লেখ্য, এলজিআরডি মন্ত্রী জাতিসংঘে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন।
#
অনসূয়া/রেজ্জাকুল/শামীম/২০১৮/১০৫৮ ঘণ্টা 
তথ্যবিবরণী                                                                                             নম্বর : ১৯৩৯  
জাতিসংঘে পলিটিক্যাল ফোরামে ‘মন্ত্রী পযায়ের ষোষণা’র খসড়া তৈরি বাংলাদেশ ও অষ্ট্রেলিয়ার
নিউইয়র্ক, ১২ জুলাই :
৯ জুলাই থেকে জাতিসংঘে শুরু হয়েছে হাই-লেভেল পলিটিক্যাল ফোরাম বা এইচএলপিএফ এর অধিবেশন। এবারের এইচএলপিএফ-এ জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক) এর প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ ও অষ্ট্রেলিয়াকে মন্ত্রী পর্যায়ের ঘোষণার খসড়া তৈরি করার জন্য কো-ফ্যাসিলিটেটর নিয়োগ করে। বাংলাদেশ ও অষ্ট্রেলিয়া দায়িত্ব পাওয়ার পর খসড়া ঘোষণা তৈরির জন্য গত ২৫ জুন থেকে সদস্য রাষ্ট্রসমূহকে নিয়ে নেগোসিয়েশনের কাজ শুরু করে। ১১ জুলাই চূড়ান্ত নেগোসিয়েটেড ডকুমেন্ট ইকোসকে জমা দেওয়া হয়েছে। এবারের এইচএলপিএফ এর মন্ত্রী পর্যায়ের ঘোষণা গৃহীত হতে যাচ্ছে অধিবেশনের শেষ দিন ১৮ জুলাই।
টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে এইচএলপিএফ হচ্ছে জাতিসংঘের মূল প্লাটফর্ম। টেকসই উন্নয়ন অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য জাতিসংঘের হাই-লেভেল পলিটিক্যাল ফোরাম (এইচএলপিএফ) প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা হয় ২০১২ সালে। ২০১৫ সালে এজেন্ডা ২০৩০ গ্রহণের পর এবছর জাতিসংঘের তৃতীয় হাই-লেভেল পলিটিক্যাল ফোরাম অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ফলোআপ ও রিভিউ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে স্ব স্ব দেশের নেতৃত্বে ও পরিচালনায় জাতীয় ও উপ-আঞ্চলিক পর্যায়ে এজেন্ডা ২০৩০ এর নিয়মিত ও সামগ্রিক পর্যালোচনার জন্য সদস্য রাষ্ট্রসমূহকে এইচএলপিএফ উৎসাহিত করে থাকে। এজেন্ডা ২০৩০ এর এই নিয়মিত ও সামগ্রিক পর্যালোচনাকে বলা হয় ভিএনআর বা ভলান্টারি ন্যাশনাল রিভিউ। ভিএনআর স্বপ্রণোদিত এবং রাষ্ট্র-নেতৃত্বাধীন একটি প্রক্রিয়া যা উন্নত ও উন্নয়নশীল উভয় দেশসমূহের জন্য প্রযোজ্য। এটি সরকার ও মূল গ্রুপসমূহ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অংশীজনদের জন্য অংশীদারিত্বের একটি প্লাটফর্ম তৈরি করে। বাংলাদেশ গতবছর ৪২টি দেশের সাথে ভিএনআর-এ অংশগ্রহণ করে এবং পরিকল্পনা মন্ত্রীর নেতৃত্বে ইকোসকে বাংলাদেশে এসডিজি বাস্তবায়নের অগ্রগতি বিষয়ক জাতীয় প্রতিবেদন উপস্থাপন করে। এমডিজি’র সফল বাস্তবায়নের পর এসডিজি বাস্তবায়নে বাংলাদেশের অগ্রগতি ও এক্ষেত্রে প্রদত্ত রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি জাতিসংঘসহ সকল সদস্যরাষ্ট্রের দ্বারা প্রশংসিত হয়। এবছর ৪৭টি দেশ ভিএনআর এ অংশ নিচ্ছে।
চলতি এইচএলপিএফ -এ যে সকল টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য পর্যালোচনা করা হবে তা হলো এসডিজি-৬ (পানি বিষয়ক), এসডিজি-৭ (জ্বালানি বিষয়ক), এসডিজি-১১ (টেকসই নগর বিষয়ক), এসডিজি-১২ (টেকসই ভোগ্য পণ্য ও উৎপাদন বিষয়ক), এসডিজি-১৫ (জীববৈচিত্র্য বিষয়ক) এবং এসডিজি-১৭ (বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব বিষয়ক)। 
এইচএলপিএফ-এর মন্ত্রী পর্যায়ের পর্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব ও কান্ট্রি স্টেটমেন্ট প্রদান করবেন পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন এইচএলপিএফ এর মূলপর্বে এসডিজি-১৭ এর রিভিউ সেশনে একজন প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশ নিচ্ছেন। 
#
অনসূয়া/জসীম/শামীম/২০১৮/১০৩০ ঘণ্টা  
Todays handout (2).docx Todays handout (2).docx

Share with :

Facebook Facebook