তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১০ জানুয়ারি ২০১৭

তথ্যবিবরণী 10 January 2017

Handout                                                                                                   Number : 109                 

 

Visiting Mayor of London Borough of Brent meets Foreign Minister

 

Dhaka, 10 January :

            The visiting Mayor of the London Borough of Brent Parvez Ahmed has met Foreign Minister Abul Hassan Mahmood Ali at his office in Dhaka today. Mayor Parvez Ahmed, a Labour Party member and one of the 63 Councillors who became assumed charge as Mayor in last May, is the first Bangladeshi origin British to hold this prestigious position of Brent Borough, a multi-ethnic (mostly Asian) area of the greater City of London.

Recalling his acquaintance with Mayor Ahmed during his tenure as Bangladesh High Commissioner to the United Kingdom (1996-2001), Mahmood Ali expressed his satisfaction at the participation of Bangladeshi Diaspora in British politics. He further expressed optimism that his visit will further enhance people-to-people contact and strengthen long-standing historic relations of the two countries. He encouraged establishing more functional ties between two mega cities of the world, London and Dhaka.

Mayor Ahmed assured Foreign Minister Ali to take active initiatives to engage two city corporations of Dhaka with his constituency, particularly focusing on sharing experiences on waste management. Foreign Minister Ali further encouraged more involvement of Bangladeshi Diaspora in promoting trade and investment between Bangladesh and the UK. Foreign Minister Ali reassured Mayor Ahmed to convey to the relevant authorities the concerns expressed by him about the aspirations of the expatriate Bangladesh community for enhanced consular services.

 

#

Khaleda/Mahmud/Sanjib/Joynul/2016/2000hours

তথ্যবিবরণী                                                                        নম্বর : ১০৮

হজের অর্থ সংগ্রহের জন্য ব্যাংক মনোনয়ন

ঢাকা, ২৭ পৌষ (১০ জানুয়ারি) :
    ২০১৭ সালের (১৪৩৮ হিজরি) হজ কার্যক্রমে সরকারি ও বেসরকারি হজযাত্রীদের প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধন ফির অর্থ সংগ্রহের জন্য ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ শাখা ২৫টি ব্যাংককে অনুমোদন দিয়েছে। 
    ব্যাংকগুলো হচ্ছে : সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা; পুবালী ব্যাংক লিমিটেড, প্রধান কার্যালয়, ২৬ দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা; ট্রাস্ট ব্যাংক, কর্পোরেট হেড অফিস, স¦াধীনতা টাওয়ার, ঢাকা; প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড, আদমজী কোর্ট এনেক্স বিল্ডিং, মতিঝিল, ঢাকা; সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড, ৫২-৫৩, দিলকুশা, ঢাকা; ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, ২০, দিলকুশা বা/এ, ঢাকা; ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড, এইচ, আর, সি ভবন, ৪৬ কাওরান বাজার, ঢাকা; জনতা ব্যাংক লিমিটেড, জনতা ভবন, ১১০, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা; শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, টফধু ঝধহু, চষড়ঃ ঘড়-ঝঊ (অ), ২/ই এঁষংযধহ ঝড়ঁঃয আবহঁব, এঁষংযধহ-১, উযধশধ-১২১২; ব্যাংক এশিয়া, র‌্যাংগস্ টাওয়ার, ৬৮ পুরানা পল্টন, ঢাকা; এক্সিম ব্যাংক, সিমফনী, প্লট-এসই (এফ), ৯ রোড-১৪২, গুলশান এভিনিউ, ঢাকা; মধুমতী ব্যাংক লিমিটেড, ডিসিসিআই বিল্ডিং, ৩য় ও ৪র্থ তলা, ৬৫-৬৬ মতিঝিল, ঢাকা; রূপালী ব্যাংক লিমিটেড, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা; যমুনা ব্যাংক লিমিটেড, হাদী ম্যানশন, ২ দিলকুশা বা/এ, ঢাকা; আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, ৩৬, দিলকুশা বা/এ, ঢাকা; প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেড, গুলশান সার্কেল-২, ডরেন টাওয়ার, লেভেল-২, ৬/এ, গুলশান নর্থ এভিনিউ বা/এ, গুলশান-২, ঢাকা; মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড, ৬১, দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা; সোসাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, সিটি সেন্টার ৯১/১, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা; অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড, ৩৭, দিলকুশা বা/এ, সানমুন স্টার টাওয়ার, ১৩ তলা, ঢাকা; স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা; সাউথ বাংলা এগ্রিকালার এন্ড কমার্স ব্যাংক লিমিটেড, ৩৭, দিলকুশা বা/এ, ঢাকা-১০০০; ফাস্ট  সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, বাড়ি১/১, রোড-৮, গুলশান-১, ঢাকা; বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেড, ইউনুস ট্রেড সেন্টার, লেভেল-২২, ৫২-৫৩, দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০; মিউচুয়াল ট্রাস্ট  ব্যাংক লিমিটেড, কর্পোরেট হেড অফিস, এমটিবি সেন্টার, ২৬, গুলশান এভিনিউ, গুলশান-১, ঢাকা এবং এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড, এনসিসি ব্যাংক ভবন, ১৩/১ এবং ১৩/২ টয়েনবী সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।
#

শিরীন/মাহমুদ/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৭/১৯৫৫ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                        নম্বর : ১০৭

অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের আওতায় আনা হবে
                                                            -- শ্রম প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ২৭ পৌষ (১০ জানুয়ারি) :
    শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মোঃ মুজিবুল হক (চুন্নু)বলেছেন, অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত শ্রমিকদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের আওতায় আনা হবে। ভবিষ্যতে আর কোন শ্রমিক অসহায় থাকবে না।
    তিনি আজ রাজধানীতে সিরডাপ মিলনায়তনে কর্মক্ষেত্রে সামাজিক নিরাপত্তা বিষয়ক এলামনাই এর সংবিধান চূড়ান্তকরণের লক্ষ্যে আয়োজিত সাধারণ সভার প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। 
    প্রতিমন্ত্রী বলেন, অপ্রাতিষ্ঠানিক কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের কল্যাণে প্রাথমিক পর্যায়ে এক লাখ শ্রমিককে প্রভিডেন্ট ফান্ডের আওতায় আনা হবে। তিনি বলেন, ১৫ থেকে ২০ বছর মেয়াদি প্রভিডেন্ট ফান্ডে কোন শ্রমিক সর্বোচ্চ তিনশ’ টাকা জমা দিলে সরকারও ঐ শ্রমিকের ফান্ডে তিনশ’ টাকা জমা দেবে, মেয়াদান্তে সুদসহ মোট যে অর্থ জমা হবে তার সাথে সরকার আরো ২ লাখ টাকা দিয়ে সমুদয় অর্থ প্রদান করবে।
    প্রতিমন্ত্রী বলেন, গার্মেন্টসে কর্মরত কোন শ্রমিক দুর্ঘটনায় মারা গেলে কেন্দ্রীয় তহবিল থেকে তিন লাখ ও বিমা বাবদ দুই লাখসহ মোট পাঁচ লাখ টাকা পাবে। দুর্ঘটনায় কোন শ্রমিক গুরুতর আহত হলে ঐ শ্রমিক সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পাবে। তিনি বলেন, সরকারের নানামুখী কল্যাণমূলক পদক্ষেপের কারণে ভবিষ্যতে আর কোন শ্রমিক বা তার স্বজনরা অসহায় থাকবে না।
    প্রতিমন্ত্রী বলেন, কর্মক্ষেত্রে সামাজিক নিরাপত্তা বিষয়ে শ্রমিক, মালিক, সরকারের যে সকল কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এ ধরনের এলামনাই এর মাধ্যমে প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞানকে যদি কাজে লাগানো যায় তবে কর্মক্ষেত্রে সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তা ভালো ফল দেবে।
    কর্মক্ষেত্রে সামাজিক নিরাপত্তা বিষয়ক এলামনাই ব্যতিক্রমী সংগঠন হিসেবে শ্রমিকদের নিরাপত্তা রক্ষা, দুর্ঘটনা প্রতিরোধ. কর্মপরিবেশের উন্নয়ন এবং উৎপাদন বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।
    শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ড. এ এম এম আনিসুল আউয়ালের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মিঞা আব্দুল্লাহ মামুন এবং শ্রমিক নেতা রাজেকুজ্জামান রতন বক্তৃতা করেন। সাধারণ সভায় ন্যাচারাল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেজর অবসরপ্রাপ্ত মতিন এলামনাই এর সংবিধানের খসড়া উপস্থাপন করেন। সভার ২য় অংশে মন্ত্রণালয়ের সচিব মিকাইল শিপার এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক সৈয়দ আহম্মদ বক্তৃতা করেন।
#

আকতারুল/মাহমুদ/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৭/১৯৫০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                        নম্বর : ১০৬

পাঠ্যবইয়ে ত্রুটির কারণে আরো একজন বরখাস্ত

ঢাকা, ২৭ পৌষ (১০ জানুয়ারি) :
    জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রাথমিক রিপোর্টের ভিত্তিতে আজ বোর্ড কর্তৃপক্ষ পাঠ্যবইয়ে ভুল-ত্রুটির কারণে বোর্ডের আর্টিস্ট কাম ডিজাইনার সুজাউল আবেদিনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। 
#

সুবোধ চন্দ্র ঢালী/মাহমুদ/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৭/১৮৩০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                       নম্বর :  ১০৫

৫ স্তরের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধিদের সম্মানী ভাতা বৃদ্ধি

ঢাকা, ২৭ পৌষ (১০ জানুয়ারি) :  

স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন ৫টি স্তরের জনপ্রতিনিধিদের মাসিক সম্মানী ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলর, পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ ১ জুলাই ২০১৬ তারিখ থেকে এ সুবিধা প্রাপ্য হবেন।

সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের নতুন মাসিক সম্মানী ৮৫ হাজার টাকা ও কাউন্সিলরের ৩৫ হাজার টাকা; তবে অন্যান্য ভাতা পূর্বের ন্যায় বহাল থাকবে। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের মাসিক সম্মানী ৫৪ হাজার টাকা ও আপ্যায়ন ৫ হাজার টাকা এবং সদস্যদের মাসিক সম্মানী ৩৫ হাজার টাকা। ক শ্রেণী পৌরসভার মেয়র ৩৮ হাজার টাকা ও কাউন্সিলর ৮ হাজার টাকা, খ শ্রেণী মেয়র ২৮ হাজার টাকা ও কাউন্সিলর ৭ হাজার টাকা, গ শ্রেণী মেয়র ২৪ হাজার টাকা ও কাউন্সিলর ৬ হাজার টাকা মাসিক সম্মানী পাবেন। এছাড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাসিক সম্মানী পাবেন ৪০ হাজার টাকা ও ভাইস চেয়ারম্যান পাবেন ২৭ হাজার টাকা; তবে অন্যান্য ভাতা পূর্বের ন্যায় বহাল থাকবে। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সরকারি অংশ ৩ হাজার ৬শ’ টাকা ও ইউপি অংশ ৪ হাজার ৪শ’ টাকা সহ মোট ৮ হাজার টাকা, সদস্য সরকারি অংশ ২ হাজার ৩৭৫ টাকা ও ইউপি অংশ ২ হাজার ৬২৫ টাকা সহ মোট ৫ হাজার টাকা মাসিক সম্মানী পাবেন।

#

আহসান/মাহমুদ/সঞ্জীব/সেলিম/২০১৭/১৭৪৫ ঘণ্টা 

তথ্যবিবরণী                                                                        নম্বর : ১০৪

১২ সাব-রেজিস্ট্রার বদলি

ঢাকা, ২৭ পৌষ (১০ জানুয়ারি) :
দেশের বিভিন্ন এলাকায় কর্মরত ১২ জন সাব-রেজিস্ট্রারকে বদলি করা হয়েছে। নিবন্ধন পরিদপ্তরের সুপারিশক্রমে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে আজ এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারী করা হয়েছে। আদেশ মোতাবেক বদলিকৃত কর্মকর্তাগণকে আগামী ১৭ জানুয়ারির মধ্যে তাঁদের বর্তমান পদের দায়িত্বভার অর্পণ করে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে।
শংকর চন্দ্র বর্মনকে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী থেকে নওগাঁর প্রসাদপুর; মৃত্যুঞ্জয়ী শিকারীকে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থেকে ঝিনাইদহ সদরে; মিজানুর রহমান তালুকদারকে পটুয়াখালীর গলাচিপা থেকে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া; শাহীন আলমকে মাদারীপুরের কালকিনি থেকে হবিগঞ্জের চারাভাঙ্গা; মো. নজরুল ইসলাম সরকারকে কক্সবাজারের উখিয়া থেকে টাঙ্গাইল সদর; মো. মাহবুব আলমকে হবিগঞ্জ সদর থেকে গাজীপুরের কালিয়াকৈর; মো. লুৎফর রহমান খানকে হবিগঞ্জের চারাভাঙ্গা থেকে চট্টগ্রামের মিরেশ্বরাই; আনোয়ারুল হাসানকে বগুড়ার সোনাতলা থেকে ময়মনসিংহের ধোবাউড়া; বাদল কৃষ্ণ বিশ্বাসকে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর; মশিউর রহমানকে বরিশালের রহমতপুর থেকে যশোরের ঝিকরগাছা; মো. ফারুক হোসেনকে টাঙ্গাইলের মধুপুর থেকে ময়মনসিংহের ত্রিশাল এবং বুলবুল আহমেদকে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর থেকে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় বদলি করা হয়েছে।
#

রেজাউল/মাহমুদ/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৭/১৭৫০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                        নম্বর : ১০৩

কারিগরি শিক্ষা হবে শিক্ষার মূল ভিত্তি
                           -- শিক্ষামন্ত্রী

ঢাকা, ২৭ পৌষ (১০ জানুয়ারি) :
    শিক্ষামন্ত্রী  নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা আরো সম্প্রসারণ করা হবে। কারিগরি শিক্ষা হবে শিক্ষার মূল ভিত্তি। ২০২১ সালের মধ্যে কারিগরি শিক্ষার্থীর সংখ্যা মোট শিক্ষার্থীর শতকরা ২০ ভাগে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে শতকরা ৩০ ভাগে উন্নীত করা হবে। তিনি কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এ খাতের উন্নয়নে আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও সততার সাথে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
    মন্ত্রী আজ ঢাকায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় সভায় এ আহ্বান জানান।
    মন্ত্রী বলেন, একটি নতুন বিভাগ গঠনের ফলে প্রথম দিকে কিছু অসুবিধা হতে পারে। সাময়িক অসুবিধাগুলো কাটিয়ে উঠতে হবে। এটাকে সমস্যা হিসেবে না দেখে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে কাজ করতে হবে। কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ জনবল তৈরি করতে হবে, যারা দেশে ও বিদেশে কাজ করার সুযোগ পাবে। তিনি বলেন, মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ। এটা দেশের অন্যতম প্রাচীন শিক্ষা ব্যবস্থা। এর সংস্কার ও আধুনিকায়ন করতে হবে। যাতে মাদরাসায় শিক্ষিতরা চাকরিসহ সকল ক্ষেত্রে সমান সুযোগ পায়।
    মন্ত্রী বলেন, সকলের আন্তরিকতা ও দক্ষতার মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ের সুনাম ধরে রাখতে হবে। প্রত্যেকটি কাজ যথাসময়ে সম্পন্ন করতে হবে। একটি বিভাগ সৃষ্টির ফলে নতুন আঙ্গিকে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
    সভায় মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. আলমগীর, অতিরিক্ত সচিব মো. হেলাল উদ্দিন ও একেএম জাকির হোসেন ভূঞাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ  উপস্থিত ছিলেন।
#

আফরাজুর/মাহমুদ/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৭/১৭৩৫ঘণ্টা 

তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ১০২ 


গণগ্রন্থাগার ও জাতীয় জাদুঘর কমপ্লেক্স এর নকঁশা তৈরির লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

ঢাকা, ২৭ পৌষ (১০ জানুয়ারি) :  
    বর্তমান চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ও দূরবর্তী ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিদের্শনা অনুযায়ী সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ‘গণগ্রন্থাগার ও জাতীয় জাদুঘর কমপ্লেক্স’ নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করতে যাচ্ছে। এ কমপ্লেক্সের জন্য সঠিক নকঁশা প্রণয়ন ও স্থাপত্য সৌন্দর্য্যরে দিকটি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মন্ত্রণালয় আইইবি এর মাধ্যমে একটি উন্মুক্ত স্থাপত্য প্রতিযোগিতার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে আজ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ইনস্টিটিউট অভ্ আর্কিটেক্টস বাংলাদেশ (আইইবি) এর মধ্যে একটি ‘সমঝোতা স্মারক’ স্বাক্ষরিত হয়।  
    সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর ও সংস্কৃতিসচিব আক্তারী মমতাজের উপস্থিতিতে এ সমঝোতা স্মারকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষে অতিরিক্ত সচিব মো. আমিনুল ইসলাম ও আইইবি এর পক্ষে আইইবির সভাপতি স্থপতি কাজী গোলাম নাসির স্বাক্ষর করেন। এ সময় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মসিউর রহমান, অতিরিক্ত সচিব সামছুন্নাহার বেগম, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আশীষ কুমার সরকার, স্থপতি ড. আবু সাঈদ এম আহমেদ, স্থপতি কাজী এম আরিফ উপস্থিত ছিলেন।
    সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান চাহিদা ও দূরবর্তী ভবিষ্যতের দিকে লক্ষ্য রেখে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী এ বৃহৎ প্রকল্প হাতে নেয়া হচ্ছে। ‘গণগ্রন্থাগার ও জাতীয় জাদুঘর কমপ্লেক্স’ এর জন্য আমরা একটি অনন্য স্থাপত্যশৈলীর নকঁশাকে বেছে নিতে আইইবি এর সহযোগিতায় একটি উন্মুক্ত স্থাপত্য প্রতিযোগিতা করতে যাচ্ছি। যে স্থাপত্যবিদের নকঁশা এ প্রতিযোগিতায় প্রথম হবে উক্ত কমপ্লেক্স সে নকঁশা অনুযায়ী তৈরি করা হবে এবং তা বাস্তবায়িত হলে এটি সবার কাছে আকর্ষণীয় ও দৃষ্টিনন্দন হবে বলে আমরা মনে করি। এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আমরা যেমন এ প্রকল্পের জন্য একটি উপযুক্ত স্থাপত্যশৈলীর নকঁশা পাবো পাশাপাশি যাঁরা স্থাপত্য নিয়ে কাজ করছেন তাঁরা এ কাজে আরও উৎসাহ ও প্রেরণা পাবেন।
    উল্লেখ্য, ‘গণগ্রন্থাগার ও জাতীয় জাদুঘর কমপ্লেক্স’ প্রকল্প অনুযায়ি গণগ্রন্থাগারের জন্য নান্দনিক স্থাপত্যশৈলীর সুবিন্যস্ত বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে। এতে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র স্থানান্তর করা হবে। পাশাপাশি জাতীয় জাদুঘরের জন্যও স্থাপত্যশৈলীর সুবিন্যস্ত আর একটি বহুতলভবন নির্মাণ করা হবে। এটির অবস্থান হবে জাতীয় জাদুঘরের বর্তমান ভবনের ঠিক পিছনে।
#


কুতুবুদ-দ্বীন/অনসূয়া/দীপংকর/শহিদ/আসমা/২০১৭/১৫৫০ ঘণ্টা 

তথ্যবিবরণী                                                                        নম্বর : ১০১

পাঠ্যপুস্তকে ভুলত্রুটি বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে
                                               -শিক্ষামন্ত্রী

ঢাকা, ২৭ পৌষ (১০ জানুয়ারি) :
    শিক্ষামন্ত্রী  নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, পাঠ্যপুস্তকে ভুলত্রুটি বিষয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) গঠিত তদন্ত কমিটির প্রাথমিক রিপোর্টের ভিত্তিতে দু’জন কর্মকর্তাকে ওএসডি করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্তের জন্য একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিন সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটি সাত কর্ম দিবসের মধ্যে  তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে। পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর পাঠ্যপুস্তকের ভুলত্রুটি এবং এ জন্য কে বা কারা দায়ী, তা বিস্তারিত জানা যাবে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
    মন্ত্রী আজ ঢাকায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের বইয়ে ভুলক্রটি নিয়ে প্রেস ব্রিফিং-এ কথা বলেন।
    মন্ত্রী বলেন, শুধুমাত্র বই ছাপানো, বাঁধাই ও বিতরণের দায়িত্ব পালন করে থাকে এনসিটিবি। প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তকের পা-ুলিপি প্রণয়ন, সম্পাদনা, পরিমার্জন ও অনুমোদনের দায়িত্ব পালন করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। একইভাবে মাধ্যমিক স্তরের পা-ুিলপি প্রণয়ন, সম্পাদনা, পরিমার্জন ও অনুমোদনের দায়িত্ব পালন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যবই মুদ্রণ ও বিতরণে বিশ্বব্যাংক আংশিক আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকে। যা পেতে নানা রকম আনুষঙ্গিকতা পালন করতে হয়। যার কারনে মুদ্রণের জন্য খুব সীমিত সময় পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে কিছু ভুলত্রুটি সত্ত্বেও সকল শিক্ষার্থীর কাছে বছরের শুরুর দিনে বই পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। এতে আমাদের ছাত্রছাত্রীরা উৎসাহিত হয়েছে। সামান্য ত্রুটি-বিচ্যুতির কারণে এ উৎসাহে যাতে ভাটা না পড়ে, সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। 
    বাংলাদেশে প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যপুস্তক বিতরণকে বিশ্বে শিক্ষাক্ষেত্রে সর্ববৃহৎ কার্যক্রম উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০১০ সালে এ কর্মসূচি চালুর পর থেকে বই বিতরণ অব্যাহত আছে। এবার ৩৬২ মিলিয়ন বই বিতরণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ছেলেমেয়েদের উৎসাহিত করা আমাদের দায়িত্ব। তাদেরকে হতাশ করে দেয়া উচিত হবে না।
    মন্ত্রী বলেন, বইয়ের ভুলত্রুটিগুলো সংশোধন করা হবে। যেসব পৃষ্ঠায় বড় ধরণের ভুল রয়েছে, সেগুলো পুনস্থাপন করা হবে। 

#

আফরাজুর/অনসূয়া/রফিকুল/শামীম/২০১৭/১৫৪৫ ঘণ্টা 

তথ্যবিবরণী                                                                         নম্বর : ১০০ 

তথ্য অধিদফতরে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

ঢাকা, ২৭ পৌষ (১০ জানুয়ারি) :
১০ জানুয়ারি তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান তথ্য অফিসার এ কে এম শামীম চৌধুরী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পরম শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে বলেন, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ পাকিস্তানি হানাদার মুক্ত হলেও বিজয়ের পরিপূর্ণতা লাভ করে জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর। তিনি বলেন, ১৯৭২ সালে পাকিস্তান সরকার জাতির পিতাকে কারামুক্ত করলে তিনি প্রথম লন্ডন যান । সেখানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হীথের নেতৃত্বে ইংল্যান্ড সরকার বঙ্গবন্ধুকে অভূতপূর্ব বীরোচিত সংবর্ধনা দেন।
 বঙ্গবন্ধুকে বহনকারী বিমান কিছু সময়ের জন্য দিল্লীতে যাত্রা বিরতি করে। সখোনে ভারতরে রাষ্ট্রপতি ভি ভি গরি,ি প্রধানমন্ত্রী ইন্দরিা গান্ধী, সমগ্র মন্ত্রসিভা, প্রধান নতেৃবৃন্দ, তনি বাহনিীর প্রধান এবং অন্যান্য অতথিি ও সে দশেরে জনগণরে কাছ থকেে উষ্ণ সংর্বধনা লাভ করনে সদ্যস্বাধীন বাংলাদশেরে জনক শখে মুজবিুর রহমান।বঙ্গবন্ধু ভারতরে নতেৃবৃন্দ এবং জনগণরে কাছে তাদরে অকৃপণ সাহায্যরে জন্য আন্তরকি কৃতজ্ঞতা জানান।বশিষেভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করনে ভারতরে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দরিা গান্ধীর প্রত।ি প্রধান তথ্য অফিসার বলেন, পরবর্তীতে কোলকাতায় যাত্রা বিরতির কথা থাকলেও অপেক্ষমান জনগণের অধির আগ্রহের কথা চিন্তা করে মাটির টানে বঙ্গবন্ধু দিল্লী থেকে সরাসরি দেশে চলে আসেন। 
তিনি বলনে, বঙ্গবন্ধু শখে মজবিুর রহমানকে বাঙালি জাতি প্রাণঢালা সংর্বধণা জানানোর জন্য  ১০ জানুয়ারি ভোর থকেে ছলি অপক্ষোয়। ঢাকা তঁেজগাও বমিানবন্দর থকেে তিনি তৎকালীন রমনা রসের্কোস ময়দানে আসনে। বকিলে পাঁচটার দকিে রসের্কোস ময়দানরে জনসমুদ্রে বঙ্গবন্ধু আবগোপ্লুত ভাষণে বলছেলিনে, ‘আমার বাংলাদশে আজ স্বাধীন হয়ছে,ে আমার জীবনরে স্বাদ আজ র্পূণ হয়ছে,ে আমার বাংলার মানুষ আজ মুক্ত হয়ছে।ে’ পাকস্তিান সরকার তাকে মৃত্যুর হুমকি দলিে তনিি বলছেলিনে, ‘আমি বাঙ্গালি ! আমি মানুষ ! আমি মুসলমান ! মানুষ একবার মর,ে দুইবার মরে না।  তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু তাঁর ভাষণে দেশ স্বাধীন করার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। ১০ জানুয়ারির ভাষণে তিনি দিয়েছিলেন দেশ গড়ার পরিকল্পনা ও প্রকাশ করেছিলেন তাঁর আজন্ম লালিত স্বপ্ন।
এ কে এম শামীম চৌধুরী আরো বলেন, জাতির পিতার সুযোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশ মাতৃ-মৃত্যু ও শিশু মৃত্যু  হ্রাসের ক্ষেত্রে প্রভূত সফলতা অর্জন করেছে। বিশ^সভায় বাংলাদেশ আজ নিজের যোগ্য আসন করে নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। তিনি বলেন, জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে আমাদেরকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। সর্বোপরি ত্রিশ লক্ষ শহিদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত সংবিধান অনুযায়ী এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমাদের দেশের সেবা করতে হবে। 
আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে সিনিয়র উপপ্রধান তথ্য অফিসার (প্রটোকল) ফজলে রাব্বী এবং সিনিয়র উপপ্রধান তথ্য অফিসার (প্রেস) আকতার হোসেন ছাড়াও অধিদফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।                                   

#

সৈকত/অনসূয়া/দীপংকর/রফিকুল/শামীম/২০১৭/১৫৩৫ ঘণ্টা 

Todays handout (5).docx Todays handout (5).docx

Share with :