তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৩rd জুলাই ২০২০

তথ্যবিবরণী ৩ জুলাই ২০২০

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ২৪০৩

অন্ধ সমালোচনা গণতান্ত্রিক সমাজের সহায়ক নয়

                                              -- তথ্যমন্ত্রী

চট্টগ্রাম, ১৯ আষাঢ় (৩ জুলাই) :

          তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ বলেছেন, ‘অবশ্যই সরকারের ভুল যে কেউ ধরিয়ে দিতে পারেন। একটি গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় এটি থাকতে হবে। আমরা সেটিতে বিশ্বাস করি। আমরা মনে করি সমালোচনা কাজ করার ক্ষেত্রে সহায়ক। কিন্তু অন্ধের মতো সমালোচনা বা ‘‘যারে দেখতে নারি, তার চলন বাঁকা’’ সেই মনোবৃত্তি থেকে সমালোচনা কখনো সহায়ক নয়।’

          আজ চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের এস রহমান হলে প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুত সাংবাদিকদের মাঝে করোনাকালীন সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসকল কথা বলেন।

          পৃথিবীর কোনো দেশ করোনা ভাইরাস মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত ছিল না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আমাদের সীমিত সামর্থ্য নিয়ে মোকাবিলা করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। এখনো পর্যন্ত করোনা ভাইরাসের কারণে বাংলাদেশে মৃত্যুর হার ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে কম, ইউরোপ-আমেরিকার চেয়ে অনেক কম। আমরা যদি সঠিকভাবে মোকাবিলা করতে না পারতাম, মৃত্যুর হার ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে অন্তত বেশি হতো।’

          উন্নয়ন অগ্রযাত্রা যাতে অব্যাহত থাকে সেজন্য সবাই মিলে এই মহামারি মোকাবিলা করে দেশ ও অর্থনীতিকে রক্ষার উদাত্ত আহ্বান জানান তথ্যমন্ত্রী।

          চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ম শামসুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএফইউজে’র সহ-সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি আলী আব্বাস, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, বিএফইউজে’র যুগ্ম মহাসচিব মহসিন কাজী প্রমুখ।

          ড. হাছান মাহ্‌মুদ বলেন, ‘করোনা ভাইরাসের শুরুতে চট্টগ্রামে চিকিৎসা ক্ষেত্রে নানা সমস্যা ছিল। আমি তিনবার এসে এখানে সমন্বয় মিটিং করেছি। চট্টগ্রামের প্রশাসন ও সকল মন্ত্রী এমপিরাও ছিলেন। পরিস্থিতি দু’মাস আগে যা ছিল তার চেয়ে এখন অনেক ভালো হয়েছে। সাংবাদিকদের জন্য ইউএসটিসি’র বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল হাসপাতালে অগ্রাধিকারভিত্তিতে চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

          কোভিড-১৯ জনিত পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের সহায়তা করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করলে তিনি আমাকে উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন, জানান তথ্যমন্ত্রী। তিনি আরো জানান, ‘এজন্য প্রথমে আমরা সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে ২ কোটি ৩১ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছিলাম। এর পর তথ্য মন্ত্রণালয়ের অব্যয়িত অর্থ থেকে আরো ২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। মোট ৪ কোটি ৩১ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।’

          মন্ত্রী বলেন, ‘সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সাথে দফায় দফায় আলোচনায় কারা সহায়তা পাবেন তারা নির্ধারণ করে দিয়েছেন। সাংবাদিক ইউনিয়নগুলোই তালিকা করেছেন। যারা ইউনিয়নের বাইরে আছেন তাদের জন্য ডিসির সুপারিশ নিয়ে অন্তর্ভুক্তির সুযোগ রাখা হয়েছে। প্রথম দফায় ১ হাজার ৫’শ সাংবাদিককে এই সহায়তার আওতায় আনা হয়েছে। সেখানে চট্টগ্রাম থেকে ২৫০জন সাংবাদিক পাচ্ছেন। এবারে অসহায় দুঃস্থ যারা বাদ যাবে তারা পরবর্তীতে পাবে।’

          তথ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘নবম ওয়েজবোর্ড ঘোষণা না করার জন্য তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে দু’টি মামলা হয়েছে। তথ্যসচিব দুই মামলাতেই আসামি। প্রথম মামলা করা হলো তথ্য মন্ত্রণালয় এটা করার অধিকার রাখে না। পরে করা হলো পূর্বের মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এটা অগ্রবর্তী করা যাবে না। এটা ঘোষণা করাই একটা চ্যালেঞ্জ ছিল। পত্রিকার সম্পাদক-মালিক পক্ষ নবম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যেভাবে এগিয়ে আসার প্রয়োজন ছিল সেভাবে আসেনি, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।’

          চাকুরিজীবীকে শুধু চাকুরিজীবী নয় মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার অনুরোধ জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, করোনাকালে বিভিন্ন মিডিয়ার মালিক পক্ষকে প্রথম থেকে অনুরোধ জানিয়ে আসছিলাম যাতে কোনো সাংবাদিককে চাকুরিচ্যুত করা না হয় এবং পাওনা যাতে পরিশোধ করা হয়। এতদসত্ত্বেও যেখানে প্রধানমন্ত্রী মানবিকতার উদাহরণ দিয়েছেন, সেখানে অনেক জায়গা থেকে অনেকে মানবিকতা দেখাতে পারেননি। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।

#

আকরাম/রাহাত/সঞ্জীব/জয়নুল/২০২০/২১৪০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                               নম্বর : ২৪০২

 

এম এ হকের মৃত্যুতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রীর শোক

ঢাকা, ১৯ আষাঢ় (৩ জুলাই) :

          সিলেট জেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি এম এ হকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ।

          আজ এক শোকবার্তায় মন্ত্রী বলেন, এম এ হক একজন বরেণ্য রাজনীতিবিদ ছিলেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে অবদানের কারণে তিনি সিলেটবাসীর কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

          মন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

#

রাশেদুজ্জামান/রাহাত/সঞ্জীব/জয়নুল/২০২০/২০৩০ঘণ্টা

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                               নম্বর : ২৪০১

 

প্রবীণ সাংবাদিক ফারুক কাজীর মৃত্যুতে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর শোক

ঢাকা, ১৯ আষাঢ় (৩ জুলাই) :

          প্রধানমন্ত্রীর সাবেক উপ-প্রেস সচিব প্রবীণ সাংবাদিক ফারুক কাজীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার; পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক; গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ; সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এবং পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম।

          আজ পৃথক শোকবার্তায় তাঁরা প্রয়াতের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

#

সুমন/রাহাত/সঞ্জীব/জয়নুল/২০২০/১৯০০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                       নম্বর : ২৪০০

 

সকল পাটকল শ্রমিককে অবশ্যই পুনর্বাসন করা হবে

                                                       -বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী

 

ঢাকা, ১৯ আষাঢ় (৩ জুলাই):

 

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, বীরপ্রতীক বলেছেন, সরকার বিজেএমসি পরিচালিত রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোর সংস্কার ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে শ্রমিকদের সমুদয় পাওনা বুঝিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন মডেলে পুনঃচালুকৃত মিলে অবসায়নকৃত বর্তমান শ্রমিকেরা অগ্রাধিকারভিত্তিতে কাজের সুযোগ পাবে। একই সাথে এসব মিলে নতুন কর্মসংস্থানেরও সৃষ্টি হবে। তিনি বলেন, সকল শ্রমিককে অবশ্যই পুনর্বাসন করা হবে।

 

মন্ত্রী আজ ঢাকায় বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন (বিজেএমসি) পরিচালিত রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোর আধুনিকায়ন করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একে আরো সক্ষম করে গড়ে তুলতে উৎপাদন বন্ধ করে শ্রমিকদের এককালীন পাওনা পরিশোধের সিদ্ধান্তের বিষয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।

 

শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান, বস্ত্র ও পাট সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম ও বিভিন্ন শ্রমিক নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

মন্ত্রী এ সময় বলেন, প্রধানমন্ত্রী পাটকল শ্রমিকদের দায়িত্ব নিয়েছেন, দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের সূত্র ধরে তিনি আরো জানান, মজুরি কমিশন-২০১৫ অনুযায়ী পাটকল শ্রমিকদের জুন/২০২০ মাসের মজুরি আগামী সপ্তাহে তাদের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করা হবে। নোটিশ মেয়াদের অর্থাৎ জুলাই-আগস্টের ৬০ দিনের মজুরিও উভয় মাসে যথারীতি পরিশোধ করা হবে। এছাড়া পিএফ, গ্র্যাচুইটি ও গোল্ডেন হ্যান্ডশেক সুবিধা-সহ অবশিষ্ট সকল পাওনার ৫০ শতাংশ স্ব স্ব ব্যাংক হিসাবে এবং বাকি ৫০ শতাংশ স্ব স্ব নামে সঞ্চয়পত্র আকারে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে পরিশোধ করা হবে। সব ক্ষেত্রেই মজুরি কমিশন-২০১৫ এর ভিত্তিতে পাওনা হিসাব করা হবে।

 

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী জানান, ২০১৪ সাল হতে অবসরপ্রাপ্ত ৮,৯৫৪ জন শ্রমিকের প্রাপ্য সকল বকেয়া এবং বর্তমানে কর্মরত ২৪,৮৮৬ জন শ্রমিকের প্রাপ্য বকেয়া মজুরি, শ্রমিকদের পিএফ জমা, গ্র্যাচুইটি ও সে সাথে গ্র্যাচুইটির সর্বোচ্চ ২৭ শতাংশ হারে অবসায়ন সুবিধা একসাথে শতভাগ পরিশোধ করা হবে। এজন্য সরকারি বাজেট হতে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা প্রদান করা হবে। অবসায়নের পর মিলগুলো সরকারি নিয়ন্ত্রণে পিপিপি, যৌথ উদ্যোগ, জি টু জি ও লিজ মডেলে পরিচালনার উদ্যোগ নেয়া হবে।

 

মন্ত্রী এ সময় অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের জন্য ব্যাংক হিসাব নম্বর অবিলম্বে বিজেএমসিকে জানাতে অনুরোধ জানান।

#

সৈকত/রাহাত/সঞ্জীব/খোরশেদ/২০২০/১৮০০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ২৩৯৯

কোভিড-১৯ (করোনা ভাইরাসসংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন

ঢাকা, ১৯ আষাঢ় (৩ জুলাই) :

          ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স কো-অর্ডিনেশন সেন্টার (এনডিআরসিসি) থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ৬৪ জেলায় ইতোমধ্যে ২ লাখ ১১ হাজার ১৭ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়া শিশু খাদ্য-সহ অন্যান্য সামগ্রী ক্রয়ের জন্য ১২২ কোটি ৯৭ লাখ ৭২ হাজার ২৬৪ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বরাদ্দকৃত এ সাহায্য দেশের সকল জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বিতরণ করা হচ্ছে।

 ‌         স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)-এর তথ্যানুযায়ী আজ দেশে নতুন করে আরো ৩ হাজার ১১৪ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এ নিয়ে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৫৬ হাজার ৩৯১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪২ জন-সহ এ পর্যন্ত ১ হাজার ৯৬৮ জন এ রোগে মৃত্যুবরণ করেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ হাজার ৬৫০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৬৮ হাজার ৪৮ জন।

          এখন পর্যন্ত সর্বমোট ২৫ লাখ ২৮ হাজার ২৪৫টি পিপিই সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে মোট বিতরণ করা হয়েছে ২৪ লাখ ৭ হাজার ৩৬৪টি এবং মজুত আছে ১ লাখ ২০ হাজার ৮৮১টি।

          সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ৬২৯টি প্রতিষ্ঠান এবং এর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের সেবা প্রদান করা যাবে ৩১ হাজার ৯৯১ জনকে।

#

তাসমীন/রাহাত/সঞ্জীব/জয়নুল/২০২০/১৮০০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                       নম্বর : ২৩৯৮


‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍প্রবীণ সাংবাদিক ফারুক কাজীর মৃত্যুতে তথ্যমন্ত্রীর শোক

ঢাকা, ১৯ আষাঢ় (৩ জুলাই) :

          প্রধানমন্ত্রীর সাবেক উপ-প্রেস সচিব প্রবীণ সাংবাদিক ফারুক কাজীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

          মন্ত্রী ড. হাছান প্রয়াতের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

          তথ্যমন্ত্রী শোকাবার্তায় বলেন, সাংবাদিক ফারুক কাজীর মৃত্যুতে আমরা একজন দক্ষ, অভিজ্ঞ ও নির্ভীক সাংবাদিককে হারালাম।

#

আকরাম/মামুন/শামীম/২০২০/১৩১০ ঘন্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                       নম্বর : ২৩৯৭


‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍সাবেক কূটনীতিকদের নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত

ঢাকা, ১৯ আষাঢ় (৩ জুলাই) :

          বৈশ্বিক সমস্যা করোনা মহামারির কারণে সৃষ্ট সংকট মোকাবিলা এবং এ বিষয়ে বাংলাদেশের জন্য  করণীয় নির্ধারণে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সাবেক পররাষ্ট্রসচিব ও রাষ্ট্রদূতদের নিয়ে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

          আলোচকগণ ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রেক্ষিতে বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে আলোকপাত করেন। তাছাড়া করোনা পরিস্থিতি ও করোনা পরবর্তী সময়ের জন্য স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের সুপারিশ করেন সাবেক এসব কূটনীতিকগণ। বাংলাদেশের ওপর করোনা মহামারির সম্ভাব্য বিরূপ প্রভাব নিয়েও আলোচনা করেন তাঁরা।

          স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বেরিয়ে আসার পরও যেন বাংলাদেশ বিভিন্ন দেশ থেকে কোটামুক্ত সুবিধা পেতে পারে সে বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ দেন সাবেক কূটনীতিকগণ। সম্প্রতি বাংলাদেশের কোটামুক্ত সুবিধা প্রাপ্তির প্রশংসা করেন তাঁরা। বাংলাদেশের সাথে ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন দেশ ও আঞ্চলিক সংস্থার ঘনিষ্ঠতা বাড়ানো এবং দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক সম্পর্ক জোরদারকরণের উদ্যোগকে স্বাগত জানান আলোচকগণ। এছাড়া বক্তারা করোনার টিকা আবিস্কৃত হলে বাংলাদেশসহ বিশ্বের উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশসমূহ যাতে উন্নত বিশ্বেরমত একইভাবে উপকৃত হতে পারে সে বিষয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। এসময় ইউরোপীয় ইউনিয়ন আয়োজিত কোভিড-১৯ তহবিল গঠনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের প্রশংসা করা হয়। এছাড়া গ্লোবাল ভ্যাক্সিনেশন সামিটে (Global Vacination Summit) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন সাবেক কূটনীতিকগণ। 

          পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ ভার্চুয়াল সভায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
মো: শাহরিয়ার আলম ও পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সংযুক্ত ছিলেন।

          এসময় সাবেক পররাষ্ট্রসচিব ও রাষ্ট্রদূতদের মধ্যে সংযুক্ত ছিলেন এম আর ওসমানী, ফারুক সোবহান,
সি এম শফি সামি, শমসের মোবিন চৌধুরী, এ কে এম আতিকুর রহমান,  মো. শহিদুল হক, মো. আব্দুল হান্নান, হুমায়ুন কবির, আহমদ তারিক করিম ও মহসীন আলী খান।

          পরবর্তীতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমে সাবেক এ সকল কূটনীতিকদের সুপারিশসমূহ অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে বিবেচিত হবে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন। এ সময়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাশে থাকায় দক্ষ ও অভিজ্ঞ সাবেক এ কূটনীতিকদের ধন্যবাদ জানান ড. মোমেন। এ ধরনের  আলোচনা অব্যাহত থাকবে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন। ইত:পূর্বে বিদেশস্থ বাংলাদেশের মিশনসমূহে কর্মরত রাষ্ট্রদূতদের সাথেও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

#

তৌহিদুল/মামুন/শামীম/২০২০/১৩১০ ঘন্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                       নম্বর : ২৩৯৬


‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍প্রবীণ সাংবাদিক ফারুক কাজী’র মৃত্যুতে আইনমন্ত্রীর শোক
 

ঢাকা, ১৯ আষাঢ় (৩ জুলাই) :

          প্রবীণ সাংবাদিক, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক উপপ্রেস সচিব ও ল' রিপোর্টার্স ফোরামের সাবেক সভাপতি  ফারুক কাজী’র মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক।

          মন্ত্রী আজ এক শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

          আইনমন্ত্রী শোকাবার্তায় বলেন, সাংবাদিক ফারুক কাজী ছিলেন একজন দক্ষ, অভিজ্ঞ ও নির্ভীক সাংবাদিক। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা, ইউএনবি, অবজারভারসহ বেশ কিছু সংবাদ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থেকে তিনি তাঁর দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার স্বাক্ষর রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে যে শূন্যতা তৈরি হলো তা সহজে পূরণ হবার নয়।

#

রেজাউল/মামুন/শামীম/২০২০/১২৪৬ ঘন্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                       নম্বর : ২৩৯৫


‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍করোনা পরিস্থিতিতে সরকারের ‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত

ঢাকা, ১৯ আষাঢ় (৩ জুলাই) :


       করোনা পরিস্থিতিতে সৃষ্ট দুর্যোগে দেশের সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে মানবিক সহায়তা হিসেবে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রেখেছে সরকার । এ পর্যন্ত সারা দেশে দেড় কোটির বেশি পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দেয়া হয়েছে।


          ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ২ জুলাই পর্যন্ত সারাদেশে  চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে দুই লাখ ১১ হাজার ১৭ মেট্রিক টন এবং বিতরণ করা হয়েছে এক লাখ ৯৮ হাজার মেট্রিক টন। এতে উপকারভোগী পরিবার সংখ্যা এক কোটি ৬৭ লাখ ৭৪ হাজার এবং উপকারভোগী লোকসংখ্যা সাত কোটি ৩৫ লাখ ৩৩ হাজার ।

         শিশুখাদ্য সহ অন্যান্য সামগ্রী ক্রয়ের জন্য নগদ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে প্রায় ১২৩ কোটি টাকা। এরমধ্যে সাধারণ ত্রাণ হিসেবে নগদ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৯৫ কোটি ৮৩ লাখ ৭২ হাজার ২৬৪ টাকা এবং বিতরণ করা হয়েছে ৯৩ কোটি ৮৩ লাখ ৮৪ হাজার ১৬ টাকা। এতে উপকারভোগী পরিবার সংখ্যা ৯৯ লাখ ৫৭ হাজার এবং উপকারভোগী লোক সংখ্যা চার কোটি ৩৯ লাখ ৪০ হাজার ।

        শিশু খাদ্য সহায়ক হিসেবে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ২৭ কোটি ১৪ লাখ টাকা এবং এ পর্যন্ত বিতরণ করা হয়েছে ২৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এতে উপকারভোগী পরিবার সংখ্যা আট লাখ ৪২ হাজার এবং উপকারভোগী লোকসংখ্যা ১৭ লাখ ৫৮ হাজার ।

#

সেলিম/মামুন/শামীম/২০২০/১২১৬ ঘন্টা

 

 

2020-07-03-21-41-1105c74d8c5b87487f88b071f274876d.docx 2020-07-03-21-41-1105c74d8c5b87487f88b071f274876d.docx

Share with :

Facebook Facebook