তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৩০ জুন ২০১৯

তথ্যবিবরণী - 30/6/2019

তথ্যবিবরণী                                                                                        নম্বর : ২৪০২  
 
 
জলবায়ু অভিযোজনে জাপান-বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে
 
ঢাকা, ১৬ আষাঢ় (৩০ জুন) :
 
কার্যকর পানি ব্যবস্থাপনা, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ঠে পানিসম্পদ সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন,‘দ্য বেঙ্গল ডেল্টা ইন্টারন্যাশনাল হাইড্রলিক ট্রেনিং এন্ড রিসার্স ইনস্টিটিউট’ এর মতো স্টেট-অভ্-দ্য-আর্ট প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ বাস্তবায়নে জাপান ও বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।
জাপানের পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী গরহড়ৎঁ করঁপযর আজ বাংলাদেশের পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকের সাথে সচিবালয়ে তাঁর দপ্তরে সাক্ষাৎ করতে এলে উভয় প্রতিমন্ত্রী উপরোক্ত বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেন। 
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে গৃহীত পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নানা ধরণের উদ্যোগ জাপানি প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করে প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও তার প্রভাব মোকাবিলায় আমরা নিরলসভাবে কাজ করে চলেছি। যেহেতু বাংলাদেশ নদীমার্তৃক দেশ এবং পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদী এবং তাদের উপ ও শাখা নদীর সম্মিলিত সবচেয়ে বড় ‘ডেল্টয়িক প্লেইন’ এর নিম্ন অববাহিকায় বাংলাদেশ অবস্থিত, তাই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবও বাংলাদেশে মারাত্মক। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে এ ধরণের বেশ কিছু দুর্যোগময় পরিস্থিতি মোকাবিলাও করেছে। আমাদের সরকার দীর্ঘমেয়াদে এ ধরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’ এবং সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দক্ষ জনগোষ্ঠী সৃষ্টিতে আন্তর্জাতিক মানের একটি ইনস্টিটিউট গড়ে তুলতে কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। 
জাপানকে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের জনগণের ‘পরীক্ষিত উন্নয়ন অংশীদার’ অভিহিত করে প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এ সময় বাংলাদেশের পানিসম্পদ উন্নয়নের সংশ্লিষ্ট সকল সেক্টরে জাপানের সহযোগিতা কামনা করেন। জবাবে জাপানি প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের জন্য ফলপ্রসূ যেকোনো উদ্যোগে অতীতের মতো তার দেশ পাশে থাকবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। এ সময় জাপানি প্রতিমন্ত্রী মিনোরো কিউচি (গরহড়ৎঁ করঁপযর) জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় অভিযোজন ও প্রশমনে দু’দেশের পারস্পরিক অভিজ্ঞতা ও সর্বোত্তম চর্চা বিনিময়ে সহযোগিতার ক্ষেত্র প্রশস্ত করতে পারলে জাপান আনন্দিত হবে বলেও উল্লেখ করেন। টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি নিশ্চিতকরণে জাপান সহযোগিতা করতে প্রস্তুত বলেও এ সময় জাপানি প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন।
জাপানি প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে ৭ সদস্যের প্রতিনিধিদল এই আলোচনায় অংশ নেন। এছাড়া পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাহমুদুল ইসলাম এবং প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব নুর আলম আলোচনায় অংশ নেন। 
#
 
নাছের/ফারহানা/রফিকুল/আব্বাস/২০১৯/১৭৫৩ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                   নম্বর: ২৪০১
 
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানকে মোবাইল কোর্ট আখ্যা না দেয়ার অনুরোধ
ঢাকা, ১৬ আষাঢ় (৩০ জুন): 
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের তদারকি অভিযানকে মোবাইল কোর্ট হিসাবে আখ্যায়িত না করার জন্য গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক নির্দেশনার প্রেক্ষিতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ শফিকুল ইসলাম লস্কর গত ১২ জুন এক পত্রের মাধ্যমে গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এ অনুরোধ জানান।
এই অধিদপ্তরের বাজার তদারকি অভিযানকে গণমাধ্যমে মোবাইল কোর্ট হিসাবে সংবাদ পরিবেশন করায় জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হচ্ছে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে একটি পত্র প্রেরণ করেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার। সে প্রেক্ষিতে জনমনে বিদ্যমান ভুল ধারণা দূরীকরণের লক্ষ্যে পরবর্তী সময়ে সঠিক সংবাদ পরিবেশনের  সময় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং গণমাধ্যমসমূহকে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ অনুরোধ জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী সদস্যদের নিয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগণ বাজার তদারকি অভিযান পরিচালনা করে আসছেন। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কোন কর্মকর্তার মোবাইল কোর্ট পরিচালনার এখতিয়ার নেই। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ও ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্যকলাপ রোধের নিমিত্ত ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৭০(১) ধারা অনুযায়ী ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে জরিমানা আরোপ করতে পারেন যা পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে পরিশোধযোগ্য।
#
প্রতাপ/অনসূয়া/পরীক্ষিৎ/শামীম/২০১৯/১৬০১ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                           নম্বর: ২৪০০
 
অনলাইন কাইজেন প্রয়োগে শিল্প কারখানায় শতকরা ২৫ ভাগ পর্যন্ত উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি সম্ভব 
ঢাকা, ১৬ আষাঢ় (৩০ জুন): 
উৎপাদন প্রক্রিয়ায় সচেতনতা ও নজরদারি বাড়িয়ে শিল্প কারখানায় শতকরা ৫ থেকে ২৫ ভাগ পর্যন্ত উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা সম্ভব। এর জন্য কোনো ধরনের উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির প্রয়োজন হয় না। এ ক্ষেত্রে জাপানের ঐতিহ্যবাহী অনলাইন কাইজেন (কঅওতঊঘ) পদ্ধতির অনুসরণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। 
এটুআই প্রকল্পের আওতায় ‘পাটকলে অনলাইন কাইজেন (ঙঘখওঘঊ কঅওতঊঘ) পদ্ধতির বাস্তবায়ন’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আজ এ তথ্য জানানো হয়। দিনব্যাপী এ কর্মশালায় ৩৫টি পাটকলের নির্বাহী ও কারিগরি শাখার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ অংশ নেন। এতে অনলাইন কাইজেন সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও উৎপাদন কার্যক্রম মনিটরিংয়ের বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। শিল্পসচিব মোঃ আবদুল হালিম এতে প্রধান অতিথি ছিলেন। 
এনপিও’র পরিচালক এস এম আশরাফুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব লুৎফুন নাহার বেগম বক্তব্য রাখেন।  
অনুষ্ঠানে বক্তাগণ বলেন, পাটকলে সনাতনী বা ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে কাইজেন বাস্তবায়নে সময় ও জনবল উভয়ই বেশি লাগে এবং প্রত্যাশিত উৎপাদনশীলতা অর্জন সম্ভব হয় না। অনলাইন কাইজেন সফ্টওয়্যার ব্যবহারের ফলে সহজেই উৎপাদন পদ্ধতি তদারকি করা সম্ভব। এতে অল্প সময়ে অধিক উৎপাদনশীলতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হয়। পাটকলে এ পদ্ধতি চালুর মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও পণ্য বৈচিত্র্যকরণের প্রয়াস জোরদার করে পাটের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা সম্ভব বলে বক্তাগণ মন্তব্য করেন। 
 শিল্পসচিব বলেন, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে ধানসহ অন্যান্য কৃষিপণ্যের ক্ষেত্রে বিপুল পরিমাণে উৎপাদনশীলতা বাড়লেও পাট ও আখ ফসলের উৎপাদনশীলতা সে পরিমাণে বাড়েনি। এর ফলে পাট ও চিনিকলগুলো ক্রমেই অলাভজনক হয়ে পড়েছে। এর পাশাপাশি পাটের বিকল্প হিসেবে সস্তায় অন্য পণ্য উৎপাদনের ফলে পাটশিল্প মারাত্মক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। এ অবস্থার উত্তরণে তিনি এ খাতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং পাটের বহুমুখী ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন। এক্ষেত্রে এ শিল্পের গুণগত মানোন্নয়ন ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পাটকলগুলোতে অনলাইন কাইজেন পদ্ধতি ইতিবাচক অবদান রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। 
শিল্পসচিব আরো বলেন, বিশ্ববাজারের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি পণ্য টিকে থাকার জন্য শিল্পখাতে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে হবে। পাট ও চামড়াশিল্পের বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার কাজ করছে। শিল্প মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে পরিবেশবান্ধব ট্যানারি শিল্পপার্ক স্থাপন করেছে। 
#
জলিল/অনসূয়া/পরীক্ষিৎ/শামীম/২০১৯/১৫২২ ঘণ্টা
 
তথ্যবিবরণী                               নম্বর: ২৩৯৯
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণী
 
ঢাকা, ১৬ আষাঢ় (৩০ জুন): 
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন:
“ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দৃপ্ত অগ্রযাত্রার ৯৮ বছর পূর্তি উপলক্ষে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।
‘বাংলাদেশ’ আজ নিরন্তর উন্নয়ন অভিযাত্রার সমার্থক এক নাম। বিশ্বমানের মেধা লালনের মধ্য দিয়ে উন্নয়নের পথে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলা এই বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সহযোগী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। 
মননশীলতার নিরবচ্ছিন্ন চর্চায় এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা অনন্য। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রামসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এই বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রভাগে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের গণতন্ত্র বিনির্মাণ, অসাম্প্রদায়িক সাংস্কৃতিক সত্তার বিকাশ ও দেশের গণমানুষের আশা-আকাক্সক্ষা পূরণে অব্যাহতভাবে অবদান রেখে চলেছে। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন, সেই বিশ্ববিদ্যালয় ‘সোনার বাংলা’র স্বপ্ন পূরণে কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলবে - এটাই প্রত্যাশিত।
এবারের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের প্রতিপাদ্য ‘গুণগত শিক্ষা, প্রতিবন্ধকতা ও উত্তরণ’। যুগোপযোগী প্রতিপাদ্য নির্ধারণের জন্য আমি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক সাধুবাদ জানাই। শিক্ষাকে অনিবার্যভাবেই মানসম্মত হতে হয়; মানহীন শিক্ষা অজ্ঞতারই নামান্তর। শিক্ষার কাক্সিক্ষত মান অর্জনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে তা বিশেষভাবে প্রশংসার দাবিদার।
এ বছরের প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শতবর্ষের পথে এগিয়ে চলা ঐতিহ্যবাহী এই বিশ্ববিদ্যালয় উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে, দেশ ও মানুষের কল্যাণে আরো বেশি করে অবদান রাখবে এ প্রত্যাশা করি।
আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের সকল আয়োজনের সাফল্য কামনা করছি।
 
                                                                                        জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
        বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”
 
#
 
ইমরুল/অনসূয়া/নাছির/রবি/শামীম/২০১৯/১২২৯ ঘণ্টা
 
তথ্যবিবরণী                 নম্বর: ২৩৯৮
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী
ঢাকা, ১৬ আষাঢ় (৩০ জুন): 
রাষ্ট্রপতি মোঃ আব্দুল হামিদ ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন:
“বিশ্বসভায় দেশমাতৃকার উজ্জ¦ল প্রতিনিধি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সুদীর্ঘকাল ধরে জ্ঞানচর্চায় উদ্ভাসিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আটানব্বই বছরে পদার্পণ উপলক্ষে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। 
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই উপমহাদেশে উচ্চশিক্ষার বিস্তার, জ্ঞান আহরণ-বিতরণ ও সৃষ্টিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনন্য ভূমিকা পালন করে চলেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করেই বাঙালি জাতির রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জাগরণ ঘটেছে এবং এরই ক্রমধারায় অভ্যুদয় ঘটেছে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রাম এবং দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিয়েছে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তবুদ্ধির প্রাঙ্গণ  থেকেই দেশের সাধারণ মানুষের মুক্তির স্বপ্ন দেখেছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বুদ্ধিজীবী নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। আমি তাঁদের স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা।
সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলা এই বিদ্যাপীঠ বিশ্বমানস্পর্শী শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রাষ্ট্রের আশা-আকাক্সক্ষার ধারক ও বাহক ঐতিহ্যবাহী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এবারের প্রতিষ্ঠা দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে ‘গুণগত শিক্ষা, প্রতিবন্ধকতা ও উত্তরণ’ - যা এ প্রতিষ্ঠানের আত্মোন্নয়নের আন্তরিক প্রচেষ্টাকেই তুলে ধরে।
২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রয়োজন জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা। মানসম্মত উচ্চশিক্ষা প্রদান এবং গবেষণার মাধ্যমে নতুন নতুন জ্ঞান সৃষ্টিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রণী ভূমিকা রাখবে- এটাই সকলের প্রত্যাশা। বিশ্বায়নের এ যুগে নবতর উদ্ভাবনের সাথে পরিচিতি ঘটানো, গবেষণার ক্ষেত্র সম্প্রসারণ এবং গবেষণালব্ধ জ্ঞান দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজে লাগাতে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়  কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। 
আমি ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।
খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”
#
হাসান/অনসূয়া/রবি/রেজ্জাকুল/শামীম/২০১৯/১৩১১ ঘণ্টা 
 
 
বেসরকারি                                                                                            নম্বর : ০৫
প্রফেসর ডা. ফারুক রেজা আওলাদের ইন্তেকাল
ঢাকা, ১৬ আষাঢ় (৩০ জুন): 
প্রখ্যাত অর্থোপেডিক সার্জন ও জাতীয় অর্থোপেডিক  হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর) এর সাবেক পরিচালক প্রফেসর ডা. ফারুক রেজা আওলাদ আজ ঢাকায় ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি............রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। তিনি স্ত্রী, ৩ পুত্রসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
আজ বাদ যোহর জাতীয় অর্থোপেডিক  হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর) এর সামনে মরহুমের প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। বাদ আসর ধানমন্ডির ৭নং রোডের বাইতুল আমান মসজিদে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা শেষে তাঁকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে।
উল্লেখ্য, মরহুম প্রফেসর ডা. ফারুক রেজা আওলাদ ছিলেন স্বাধীনতা পরবর্তী জাতীয় অর্থোপেডিক  হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর) এর প্রতিষ্ঠায় ডা. গার্স্ট এর প্রধান সহযোগী। 
 
#
অনসূয়া/রবি/জসিম/শামীম/২০১৯/১০৫২ ঘণ্টা  
Todays handout (5).docx Todays handout (5).docx

Share with :

Facebook Facebook