তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২০ জানুয়ারি ২০২০

তথ্যবিবরণী ১৯ জানুয়ারি ২০২০

Handout                                                                                                                   Number : 237

'Castle of Dreams' Asian Best in 18th Dhaka Int'l Film Fest

Dhaka, 19 January :

            Information Minister Dr. Hasan Mahmud said, the need of good films are at a highest at the time, as humans are becoming more like machines with advancement of civilization as we call it. 

            The Minister was speaking as Chief Guest at closing ceremony of 18th Dhaka International Film Festival today evening organised at National Museum in the capital. 

            State Minister for Cultural Affairs K M Khalid attended as Special Guest at the ceremony M Hamid presided over. 

            Dr. Hasan paid homage to the memory of the Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman and said, 'Bangabandhu established government patronization for films in the country. Back in 1957, he raised the Film Development Corporation Bill in the provincial parliament as Minister of Industries and Commerce and it was passed. That’s how film industry in Bangladesh commenced its journey.'

            'Movies make us laugh, cry, weep, inflict, joy and ecstasy and sometimes create a permanent imprint so deep in mind, which cannot be erased', said the Information Minister.  

            The theme of this festival says- 'Better Film, Better Audience, Better Society' recalled Dr. Hasan as he said, 'It is obvious that Better Film and Better Audience will lead to a Better Society'.

            Dr. Hasan Mahmud extended his deep felicitations to the patrons and organizers of the festival for their continued efforts and success. 

            State Minister K M Khalid said, 'We must encourage young generation for film-making and only then the industry would thrive.'   

            Of about 150 films screened in the fest, films from Afghanistan, Belgium,  Bosnia -Herzegovina, Canada,  China, Croatia, France, Germany, India, Iran, Lebanon, Mexico, Philippines, Poland, Qatar, Sri Lanka, Turkey and 'Nau  Dorai' from Bangladesh won awards in different categories and Castle of Dreams ( Ghasr e-Shirin) of Iran directed by Reza Mirkarimi won the best award in Asian category. Information Minister handed the best film awards.

#

Akram/Farhana/Sanjib/Joynul/2019/2050hours

তথ্যবিবরণী                                                                                                 নম্বর : ২৩৬

এ বছরেই ভূরুঙ্গামারীতে বর্ডারহাট চালু করা হবে

                                         --- বাণিজ্যমন্ত্রী

ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম), ৫ মাঘ (১৯ জানুয়ারি) :

          বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, এ বছরেই ভূরুঙ্গামারীতে বর্ডারহাট চালু করা হবে। বাণিজ্যের গুরুত্ব বিবেচনা করে এখানে সোনাহাট স্থল বন্দর চালু করা হয়েছে, এর উন্নয়নের কাজ করা হয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করা হচ্ছে।

          মন্ত্রী আজ কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় ভূরুঙ্গামারী পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। ‘এসো মিলি প্রাণে প্রাণে’ এ স্লোগানকে কন্ঠে ধারণ করে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঐতিহ্যবাহী ভূরুঙ্গামারী পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি উৎসব শুরু হয়।

          বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কুড়িগ্রামে এখন আর মঙ্গা নেই। সরকার ভূরুঙ্গামারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়কে সরকারি করেছে। এখানে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হচ্ছে। এতে ছেলে-মেয়েদের উচ্চশিক্ষার পথ সুগম হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য আন্তরিক, ইতোমধ্যে বেশ কিছু কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। উন্নয়নের জন্য এ অঞ্চলের মানুষকেও এগিয়ে আসতে হবে। কুড়িগ্রামের উন্নয়নের জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সব কিছুই করবে।

          অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রংপুর রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ট্রেজারার এবং ভূরুঙ্গামারী পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যারয়ের শতবর্ষ পূর্তি উৎসব উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর (অব.) মোঃ মোজাম্মেল হক। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য আছলাম হোসেন সওদাগর। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কুড়িগ্রাম জেলা পষিদের চেয়ারম্যান মোঃ জাফর আলী, জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীন, জেলা পুলিশ সুপার মহিবুল ইসলাম খান ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএইচএম মাগফুরুল হাসান আব্বাসী।

#

বকসী/ফারহানা/সঞ্জীব/জয়নুল/২০২০/১৯৪০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                              নম্বর: ২৩৫

১৭ মার্চ থেকে ম্যানুয়াল নামজারি আর নয় 

                           ---ভূমিমন্ত্রী

ঢাকা, ৫ মাঘ (১৯ জানুয়ারি) : 

  

 ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন, আগামী ১৭ মার্চ থেকে নামজারির জন্যে কোন ম্যানুয়াল আবেদন গ্রহণ করা হবে না। যেসব ভূমি অফিসে এখনও বিদ্যুৎ সুবিধা অপ্রতুল সেসব অফিসে সৌর বিদ্যুৎ সিস্টেম স্থাপন করে ই-নামজারি চালু করা হবে।

 

আজ ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় কমিশনার সমন্বয় সভায় সভাপতিত্বকালে মন্ত্রী এ ঘোষণা দেন। এ সময় ভূমি সচিব মোঃ মাক্‌ছুদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

 

সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপনের বছরই ভূমি অফিসে নামজারির আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজড করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আমরা বদ্ধ পরিকর। এছাড়া, অতি জরুরিভিত্তিতে কারও নামজারি করার প্রয়োজন হলে বিশেষ ফি-এর বিনিময়ে নামজারি সেবা প্রদান করা যায় কিনা, বিভাগীয় কমিশনারদের সে বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন ভূমিমন্ত্রী। 

 

বিভাগীয় কমিশনার সমন্বয় সভার পূর্বে একই স্থানে অনুষ্ঠিত হয় মাঠ পর্যায়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি)দের অনুকূলে ডাবল কেবিন পিক-আপ হস্তান্তর অনুষ্ঠান।

 

          ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সহকারী কমিশনার (ভূমি)/রাজস্ব সার্কেলের (এসিল্যান্ড) অনুকূলে ৫৫টি ডাবল কেবিন পিকআপ হস্তান্তর করার মধ্যে দিয়ে বর্তমানে দেশে কর্মকাণ্ড পরিচালিত করা সবগুলো (৪৯৪টি) উপজেলা ভূমি অফিসে/রাজস্ব সার্কেলে দাপ্তরিক গাড়ি বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে নতুন ভাবে আরো ১৭টি এসিল্যান্ডের পদ সৃজন করা হয়েছে। এসকল অফিসের গাড়ি টিওএন্ডইভুক্ত (সাংগঠনিক কাঠামো ও অফিস সরঞ্জাম তালিকা) হওয়ার পর ঐ সব ভূমি অফিসে/রাজস্ব সার্কেলে গাড়ি বরাদ্দ দেওয়া হবে।

 

সহকারী কমিশনার (ভূমি)দের (এসি ল্যান্ড) উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, কেবিন-পিকআপ দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য আপনারা যেন আপনাদের আওতাধীন এলাকার ভূমি অফিসগুলো ঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারেন ও প্রয়োজনে আকস্মিক পরিদর্শন করতে পারেন।

 

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ছিলেন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং কেবিন-পিকআপ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান প্রগতি ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেডের প্রতিনিধিবৃন্দ।

 

#

নাহিয়ান/ফারহানা/রফিকুল/আব্বাস/২০২০/১৮৪৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                              নম্বর: ২৩৪

 

মহাপরিকল্পনায় বদলে যাবে দেশের পর্যটন শিল্পের চিত্র

                                 ---পর্যটন প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ৫ মাঘ (১৯ জানুয়ারি) :    

 

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী বলেছেন, মহাপরিকল্পনায় বদলে যাবে দেশের পর্যটন শিল্পের চিত্র। ২০২১ সালের ৩০ জুন বাংলাদেশের পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন সম্পন্ন হলে বাংলাদেশ পর্যটন শিল্পের নতুন যুগে প্রবেশ করবে। এ খাতে বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের ব্যাপক সম্ভাবনার সূচনা হবে, বাংলাদেশ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন গন্তব্যে পরিণত হবে।

প্রতিমন্ত্রী আজ রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।  

মাহবুব আলী বলেন, বাংলাদেশের পর্যটন মহাপরিকল্পনা একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ। এতে সকলের অংশগ্রহণ জরুরি। মহাপরিকল্পনাটির অংশীদার সমগ্র জাতি। সরকারি-বেসরকারি সকল অংশীজনকে এ কাজে আন্তরিকভাবে সহায়তা করার জন্য তিনি আহ্বান জানান। সকলের সম্মিলিত প্রয়াসে বাংলাদেশের জন্য একটি সমৃদ্ধ এবং প্রয়োগযোগ্য ট্যুরিজম মাস্টার প্ল্যান তৈরি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী পর্যটকের সংখ্যা বাড়ছে। পর্যটনে উন্নত দেশগুলোর সমকক্ষ হতে হলে  সুচিন্তিত ভাবে কাজ করতে হবে। পর্যটকদের চাহিদাকে গুরুত্ব দিতে হবে। পর্যটক বৃদ্ধি বা হ্রাসের কারণ নির্ণয় করা জরুরি। ট্যুরিজম মাস্টার প্ল্যানে সেই নির্দেশনা থাকবে।       

 বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. ভুবন চন্দ্র বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অথিতির বক্তৃতা করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ মহিবুল হক। পর্যটন মহাপরিকল্পনার ওপর বক্তব্য রাখেন পরামর্শক দলের প্রধান বেঞ্জামিন কেরি ও ডেপুটি টিম লিডার অধ্যাপক নুরুল ইসলাম নাজিম। 

#

তানভীর/ফারহানা/রফিকুল/আব্বাস/২০২০/১৮০৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                              নম্বর: ২৩৩

দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে

এডিপি পর্যালোচনা সভায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

 

ঢাকা, ৫ মাঘ (১৯ জানুয়ারি) :    

          স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এবং ওয়াসার কর্মকর্তাদের দায়িত্ব নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। মন্ত্রী বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করতে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। কোনো বাধা আসলে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে।  

 

          আজ সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (ডিপিএইচই) এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও রাজশাহী ওয়াসার ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি পর্যালোচনা সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

          জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মোট প্রকল্প ৩৮টি। জুলাই ২০১৯ হতে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি শতকরা ৩৭ দশমিক ৭০ শতাংশ। উল্লেখিত সময়ে জাতীয় অগ্রগতি ২৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ। সিংহভাগ প্রকল্পের আশানুরূপ অগ্রগতিতে মন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন।

 

          পর্যালোচনাধীন সময়ে ঢাকা ওয়াসার মোট ৮টি প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ২২ দশমিক ৬৯ শতাংশ। চট্টগ্রাম ওয়াসার মোট প্রকল্প ৪টি এবং বাস্তবায়ন অগ্রগতি ৮২ দশমিক ৬৭ শতাংশ। খুলনা ওয়াসার একমাত্র প্রকল্প খুলনা শহরের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা নির্মাণের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হয়েছে। রাজশাহী ওয়াসার দুইটি প্রকল্পের জন্যও জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে। অপেক্ষাকৃত কম অগ্রগতি সম্পন্ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করার জন্য মন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

#

হাসান/ফারহানা/রফিকুল/আব্বাস/২০২০/১৭৫৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর :২৩২

 

সকল জেলায় চক্ষুসেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হবে

                                         ---স্বাস্থ্যমন্ত্রী

 

ঢাকা, ৫ মাঘ (১৯ জানুয়ারি) :

 

          স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ২০২০ সালেই দেশের ৬৪টি জেলায় কমিউনিটি ভিশন সেন্টারের মাধ্যমে চক্ষুসেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।

 

          আজ রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে ন্যাশনাল আই কেয়ার কর্তৃক আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর দ্য ব্লাইন্ড (বিএনসিবি)’ উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।

 

          এক পরিসংখ্যান তুলে ধরে মন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে সাড়ে ৭ লাখ অন্ধ মানুষ রয়েছে। চোখের অন্যান্য সমস্যাগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ৬০ লাখেরও বেশি। মানুষের চোখের চিকিৎসায় সব ধরনের সহযোগিতায়  উদ্যোগের কোনো রকম ঘাটতি রাখা হবে না। তাই এবছরই দেশের ৬৪টি জেলাতেই চক্ষু চিকিৎসক পদায়ন-সহ প্রতিটি উপজেলায় কমিউনিটি ভিশন সেন্টার স্থাপন করা হবে।

 

          উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ২০০৭-২০১১ সময়ের জন্য দেশে প্রথম চক্ষু চিকিৎসা অপারেশন প্ল্যান, ২০১১-২০১৬ সময়ের জন্য দ্বিতীয় অপারেশন প্ল্যান ও ২০১৭-২০২২ সময়ের জন্য তৃতীয় অপারেশন প্ল্যান গ্রহণ করা হয়েছে।

 

          স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মোঃ আসাদুল ইসলাম, কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ এইচ এম এনায়েত হোসেন।

#

মাইদুল/ফারহানা/রফিকুল/আব্বাস/২০২০/১৭৪৪ ঘণ্টাতথ্যবিবরণী                                                                                                                        নম্বর : ২৩১

ফৌজদারি অপরাধের মামলার সাথে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সম্পর্ক নেই

                                                                 -- তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ৫ মাঘ (১৯ জানুয়ারি) :

            তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ ‘ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাইমুল আবরার হত্যা মামলায় দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদকসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেছেন, ‘এর সাথে কোনোভাবেই গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সম্পর্ক নেই, কারণ গণমাধ্যমে প্রকাশিত কোনো সংবাদের জন্য মামলা হয়নি, মামলা হয়েছে ফৌজদারি অপরাধের কারণে। আদালত সেখানে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। কোথায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করবে কি করবে না, সেটি স্বাধীন আদালতের এখতিয়ার।’ 

            চারদিনের ভারত সফর থেকে ফিরে আজ সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে সমসাময়িক বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি।

            ‘প্রথম আলোর বিষয়ে ৪৭ জন বিশিষ্টজনের বিবৃতির বিষয়ে প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ‘যে কেউ বিবৃতি দিতে পারে, আমাদের দেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আছে। যে কেউ তার মতপ্রকাশ করতেই পারে। আমি কাগজে দেখেছি ৪৭জন বিশিষ্টজন এ ব্যাপারে বিবৃতি দিয়েছে। বাংলাদেশে এই ৪৭জন ছাড়াও হাজার হাজার বিশিষ্টজন, বুদ্ধিজীবী আছেন।’

            ড. হাছান বলেন, ‘কোনো অবহেলাজনিত মৃত্যুর জন্য এবং মৃত্যুর পর সেটি লুকানোর অপচেষ্টা, একইসাথে পোস্টমর্টেম ছাড়া দাফনের প্ররোচনা, এগুলো নিশ্চয়ই অপরাধ। এসব অভিযোগের সত্য-মিথ্যা তদন্তে বেরিয়ে আসবে, আদালত তা দেখবে। আর যে বিশিষ্টজনেরা বিবৃতি দিয়েছেন, এ ধরণের ঘটনাগুলোর যাতে সঠিক বিচার হয়, তাতে যারাই দায়ী, তাদের যাতে সঠিক বিচার হয়, সেজন্যও তারা একদিন বিবৃতি দিবেন বলে আমি আশা করবো।’ 

            এ প্রসঙ্গে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বিবৃতির প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মন্ত্রী বলেন, ‘অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই বলতে চাই, তারা বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করার জন্য বিবৃতি দিয়েছিল। যখন ফিলিস্তিনে পাখি শিকার করার মতো করে মানুষকে হত্যা করা হয়, তখন কিন্তু অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বিবৃতি দেয় না। তাহলে সেই সংগঠনের গ্রহণযোগ্যতা আগে কোথায় ছিল সেটি আমি বলতে চাই না, এখন কোথায় গেছে সে নিয়ে তো অনেকের মনেই প্রশ্ন আছে।’

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক স্বর্ণযুগ অতিক্রম করছে - ভারত সফর শেষে তথ্যমন্ত্রী

            আজ সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে সদ্যসমাপ্ত ভারত সফর বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আজ স্বর্ণযুগ অতিক্রম করছে। ভারত আমাদের সবচেয়ে নিকটতম প্রতিবেশী এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী। ভারতের সাথে সুসম্পর্ক দু’দেশের জনগণ ও অর্থনীতির জন্য সবসময় সহায়ক হয়।’ 

            মন্ত্রী বলেন, ‘এবরেরর ভারত সফর ছিল মূলত: ভারতে বাংলাদেশ বেতার সম্প্রচারে উদ্বোধনের জন্য। নয়াদিল্লিতে গত ১৪ তারিখ ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী শ্রী প্রকাশ জাভেদকার এবং আমি যৌথভাবে ভারতে চারঘন্টা সকালে দু’ঘন্টা বিকালে দু’ঘন্টা বাংলাদেশ বেতারের সম্প্রচার কার্যক্রম এবং আকাশবাণীর দু’ঘন্টা দু’ঘণ্টা চার ঘন্টা বাংলাদেশ বেতারে সম্প্রচার উদ্বোধন করি। আপনারা জানেন গত সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশ টেলিভিশনের সম্প্রচার কার্যক্রম সমগ্র ভারতে দূরদর্শনের ডিটিএইচ ফ্রি ডিশের মাধ্যমে সম্প্রচারিত হচ্ছে।’ 

            একইসাথে বাংলাদেশ-ভারত যৌথভাবে মুজিববর্ষকে সামনে রেখে বঙ্গবন্ধুর ওপর একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করছে। সেই চলচ্চিত্র নির্মাণের কাজ ইতিমধ্যেই বহুদূর অগ্রসর হয়েছে। কিন্তু মূল চুক্তির আলোকে এটি ‘ওয়ার্কিং এগ্রিমেন্ট’র প্রয়োজনীয়তা ছিল। বাংলাদেশের এফডিসি এবং ভারতের এনএফডিসি’র মধ্যে সেটিও ১৪ তারিখ স্বাক্ষর হয়েছে, জানান ড. হাছান। 

            তিনি বলেন, ‘এরপর ১৫ তারিখ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে আমার সাথে সৌজন্য বৈঠক হয় সেখানে বাংলাদেশ-ভারতের যে সম্পর্ক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে আজকে যে নতুন উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে, তার নানা দিক আলোচনা হয়েছে। আজকে যে আমাদের সম্পর্ক স্বর্ণযুগ অতিক্রম করছে, এটিও সাথে আলোচনা হয়েছে।’ 

            নরেন্দ্র মোদির সাথে সাক্ষাতের বিষয়ে প্রশ্নের উত্তরে ড. হাছান জানান, ‘একইদিন (১৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় ভারতের মান্যবর প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়। ভারতে রাইসিনা ডায়ালগে মন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠকে ভারতে অবস্থানরত মন্ত্রীদের ডাকা হয়েছিল। যদিও আমি রাইসনা ডায়ালগে যাইনি, এরপরও আমাকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তারসাথে আমার সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। সেখানে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে শুভেচ্ছা পৌঁছে দেয়ার জন্য বলেন।’ 

            ‘ভারত-বাংলাদেশ চমৎকার সম্পর্কের বিষয়টিও আমরা আলোচনা করি’ উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শ্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৪ সালে তার সরকার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়ার পর ভারতে আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে, বিশেষ করে প্রত্যেক গ্রামে বিদ্যুৎ সেবা পৌঁছে দেয়া, প্রত্যেক মানুষের জন্যে ব্যাংক একাউন্ট খোলা এবং স্যানিটেশন কাভারেজ যেটি খুব কম ছিল, সেটি ব্যাপকতর করাসহ তার সরকারের আমলে যে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে, সেগুলো তিনি সবিস্তারে বর্ণনা করেন এবং একইসাথে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে যে উন্নয়ন অগ্রগতি হচ্ছে সে বিষয়েও প্রশংসা করেন।’ 

#

আকরাম/ফারহানা/রফিকুল/রেজাউল/২০২০/১৭৪৪ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর :২২৯

 

শহিদ আসাদ দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী

 

ঢাকা, ৫ মাঘ (১৯ জানুয়ারি) :

 

          রাষ্ট্র্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ শহিদ আসাদ দিবস উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :

 

          ‘‘আজ ২০ জানুয়ারি, শহিদ আসাদ দিবস। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে একটি অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৬৯ সালের এই দিনে পাকিস্তানি স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে এ দেশের ছাত্র সমাজের ১১-দফা দাবির মিছিলে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে শহিদ হন ছাত্রনেতা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ওরফে আসাদ। তখন থেকে দিনটি শহিদ আসাদ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। আজকের এই দিনে আমি শহিদ আসাদের স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা।

 

          বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে শহিদ আসাদের নাম অমর হয়ে আছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন ঊনসত্তরের গণআন্দোলনে শহিদ আসাদের আত্মত্যাগ বাঙালির মুক্তির আকাক্সক্ষায় নতুন মাত্রা যোগ করে। স্বাধিকারের দাবিতে সোচ্চার সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ জেল-জুলুম উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে আসে। পর্যায়ক্রমে আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হতে থাকে। পরবর্তীতে সে আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয় এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

 

          শহিদ আসাদের আত্মত্যাগ আমাদের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের ইতিহাসে একটি মাইলফলক। তাঁর অসামান্য অবদান দেশের তরুণ প্রজন্মকে সবসময়  গণতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করবে।

 

          আমি শহিদ আসাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।

 

খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

 

 

#

ইমরানুল/ফারহানা/মোশারফ/আব্বাস/২০২০/১৭০৩ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                              নম্বর: ২৩০

শহিদ আসাদ দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

ঢাকা, ৫ মাঘ (১৯ জানুয়ারি) :    

          প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শহিদ আসাদ দিবস উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন:

          “আজ ২০ জানুয়ারি শহিদ আসাদ দিবস। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এই দিনটি একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ১৯৬৯ সালের এদিনে ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে রাজপথে ছাত্র-জনতার মিছিলে পুলিশের গুলিতে শহিদ হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের ছাত্র মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।

          পাকিস্তানি শাসকদের বৈষম্যমূলক আচরণ এবং দমন-পীড়নে বাংলার মানুষ যখন দিশেহারা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ছয়-দফা তখন বাঙালির মুক্তির দিশারী হিসেবে আবির্ভূত হয়। ছয়-দফা হয়ে ওঠে বাঙালির প্রাণের দাবি। ছয়-দফার স্বপক্ষে প্রবল জনমতের জোয়ার দেখে আতঙ্কিত সামরিক জান্তা আইয়ূব খান বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা দায়ের করে, যা আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা নামে সমধিক পরিচিত। বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর ঘোষিত ছয়-দফা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালি জাতির স্বাধীনতা আন্দোলন নতুন মাত্রা পায়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব পরিণত হন নিপীড়িত ও নির্যাতিত বাঙালির মুক্তির মূর্ত প্রতীক।

          কারাগারে আটক বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবিতে গর্জে উঠে সারা বাংলার মানুষ। ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে রাজপথে ছাত্র-জনতার মিছিলে পুলিশ গুলি চালায়। এতে শহিদ হন আসাদুজ্জামান এবং অনেকে আহত হন। শহিদ আসাদের এই আত্মত্যাগ চলমান আন্দোলনে নতুন মাত্রা  যোগ করে। স্বাধিকারের দাবিতে সোচ্চার সব শ্রেণি-পেশার মানুষ জেল-জুলুম উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে আসে। পর্যায়ক্রমে আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর আকার ধারণ করে। সেদিনের সেই আন্দোলন পরবর্তীতে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। পাকিস্তানি স্বৈরসরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে করা আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহারে বাধ্য হয়। এরই ধারাবাহিকতায় পতন হয় স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের।

          ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী শহিদ আসাদ-মতিউরসহ সকল শহিদ এদেশের গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষের মাঝে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তাঁদের আত্মত্যাগ ভবিষ্যতেও আমাদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে প্রেরণা যোগাবে।

          আমি শহিদ আসাদ-মতিউরসহ বাঙালির মুক্তির সংগ্রামে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহিদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

                                                                                        জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু

                                                                                         বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

 

#

আশরাফ/ফারহানা/মোশারফ/রফিকুল/আব্বাস/২০২০/১৭০২ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                 নম্বর : ২২৮

উন্নত রাষ্ট্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ

                                - কৃষিমন্ত্রী

মির্জাপুর( টাঙ্গাইল), ৫ মাঘ (১৯ জানুয়ারি) :

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, শিক্ষার্থীদের মানবসম্পদে পরিণত করার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে প্রধান নিয়ামক। জীবনকে সফল ও সার্থক করার জন্য জ্ঞান অর্জন করতে হবে প্রকৃত মানুষ হতে হবে। শিক্ষার্থীদের আচরণ এমন হতে হবে যা অন্যকে অনুপ্রাণিত করে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে দেশ প্রেমে উজ্জীবিত হয়ে বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা এবং বাংলাদেশকে জানতে হবে। 

কৃষিমন্ত্রী আজ জেলার মির্জাপুর উপজেলার কাদিম ধল্যায় ড.আয়েশা রাজিয়া খোন্দকার স্কুল এন্ড কলেজের ১০ম বর্ষপূতি উপলক্ষে সুধী সমাবেশে এসব কথা বলেন। আনুষ্ঠানের শুরুতে শিক্ষার্থীরা কুচকাওয়াজ ও মনোমুগ্ধকর ডিসপ্লে প্রদর্শণ করে।

মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলাদেশ গড়ার। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বপ্ন দেখিয়েছেন উন্নত বাংলাদেশের, আমরা সেই স্বপ্ন পূরণের দিকে অগ্রসর হচ্ছি। তাই সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে সকলকে কাজ করতে হবে।

সাবেক সচিব ও প্রতিষ্ঠানের গর্ভনিং বডির সভাপতি ড.খোন্দকার শওকত হোসেন এর সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলাম ও সংসদ সদস্য মো. একাব্বর হোসেন ও কলেজের অধ্যক্ষ শ্রী মৃণাল কান্তি ঘোষ।

#

গিয়াস/অনসূয়া/পরীক্ষিৎ/জুলফিকার/আসমা/২০২০/১৬০০ ঘণ্টা 

তথ্যবিবরণী                                                                                                           নম্বর: ২২৭

সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন

সাংবাদিকদের পরিচয়পত্রের জন্য আবেদনের শেষ তারিখ ২৭ জানুয়ারি

ঢাকা, ৫ মাঘ (১৯ জানুয়ারি) :             

আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহে ইচ্ছুক সাংবাদিকদের পরিচয়পত্র ও গাড়ির স্টিকার বিতরণ কাযক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে নির্বাচনের ৫ দিন পূর্বে অর্থাৎ ২৭ জানুয়ারির মধ্যে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসহ সিনিয়র সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় বরাবর আবেদন করতে হবে।

এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্যাডে সংবাদ মাধ্যমের নিউজ এডিটর/চিফ রিপোর্টারের আবেদন এবং সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক ও সাপোর্ট স্টাফদের (মিডিয়া) পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পিআইডি অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডের ফটোকপিসহ আবেদন করতে হবে। প্রাপ্ত আবেদনসমূহ যাচাই-বাছাই করে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখা হতে যৌক্তিক সংখ্যক সাংবাদিক বৃন্দকে পরিচয়পত্র ও গাড়ির স্টিকার ইস্যু করা হবে বলে নির্বাচন কমিশন থেকে জানানো হয়েছে। 

#

ইসরাইল/অনসূয়া/পরীক্ষিৎ/জুলফিকার/শামীম/২০২০/১৬১৮ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                            নম্বর : ২২৬

মুজিব শতবর্ষ লোগো নি

2020-01-20-18-25-6bfbd0c9837585ea7f2af751ee875140.docx 2020-01-20-18-25-6bfbd0c9837585ea7f2af751ee875140.docx

Share with :

Facebook Facebook