তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৩ জানুয়ারি ২০১৮

তথ্যবিবরণী 13/01/2018

তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর :  ১৪৩
 
উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশ 
             -- এলজিআরডি মন্ত্রী

ফরিদপুর, ৩০ পৌষ (১৩ জানুয়ারি) : 

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে রয়েছে। শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। মন্ত্রী আজ ফরিদপুরে কবি জসিম উদ্দীন হলে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। 

       ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজমুল ইসলাম খন্দকার লেভীর সভাপতিত্বে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মৃধা, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর প্রমুখ ।

মন্ত্রী উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিকে ক্ষমতায় আনতে সবাইকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে  ভোট দিলে দেশের উন্নয়ন হয়, দেশের মানুষ শান্তিতে থাকতে পারে। 

#

জাকির/সেলিম/মোশারফ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/২০০০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                            নম্বর : ১৪২
 
মিয়ানমার নাগরিকদের বায়োমেট্রিক নিবন্ধন চলছে
 
উখিয়া (কক্সবাজার), ৩০ পৌষ (১৩ জানুয়ারি) : 
কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ১২টি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমার নাগরিকদের সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬টি ক্যাম্পের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন কাজ এগিয়ে চলছে। পাসপোর্ট অধিদপ্তর নিবন্ধন কাজ বাস্তবায়ন করছে। 
 
আজ কুতুপালং -১ ক্যা¤েপ ৭ শত ১০ জন পুরুষ, ৭ শত ৫৯ জন নারী মিলে ১ হাজার ৪ শত ৬৯ জন, কুতুপালং-২ ক্যাম্পে ১ হাজার ৯২ জন পুরুষ, ১ হাজার ৪ শত ২২ জন নারী মিলে ২ হাজার ৫ শত ১৪ জন, নোয়াপাড়া ক্যাম্পে ২ শত ৮ জন পুরুষ, ২ শত ৩২ জন নারী মিলে ৪ শত ৪০ জন, থাইংখালী-১ ক্যাম্পে ৩ শত ২ জন পুরুষ, ২ শত ৬৫ জন নারী মিলে ৫ শত ৬৭ জন, থাইংখালী-২ ক্যাম্পে ৯৯ জন পুরুষ, ৯৬ জন নারী মিলে ১ শত ৯৫ জন, বালুখালী ক্যাম্পে ১ হাজার ১৫ জন পুরুষ, ১ হাজার ১৯ জন নারী মিলে ২ হাজার ৩৪ জন এবং পুরোদিনে ৬টি কেন্দ্রে মোট ৭ হাজার ২ শত ১৯ জনের বায়োমেট্রিক নিবন্ধন করা হয়েছে। 
 
আজ পর্যন্ত বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে মোট ৯ লাখ ৮৫ হাজার ৬ শত ৮৫ জনের নিবন্ধন করা হয়েছে। 
 
সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক আজ পর্যন্ত  ৩৬ হাজার ৩ শত ৭৩ জন এতিম শিশু শনাক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১৭ হাজার ৩ শত ৯৫ জন ছেলে এবং ১৮ হাজার ৯ শত ৭৮ জন মেয়ে। বাবা-মা কেউ নেই এমন এতিম শিশুর সংখ্যা ৭ হাজার ৭ শত ৭১ জন। 
 
উল্লেখ্য, কক্সবাজারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের (আরআরআরসি) রিপোর্ট মোতাবেক আজ পর্যন্ত বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী মিয়ানমার নাগরিক সংখ্যা ৬ লাখ ৭৩ হাজার ৩ শত ৫০ জন। অনুপ্রবেশ অব্যাহত থাকায় এ সংখ্যা বাড়ছে। ২৫ আগস্ট ২০১৭ এর পূর্বে আগত মিয়ানমার নাগরিকের সংখ্যা ২ লাখ ৪ হাজার ৬০ জন ছিল।
 
#
সাইফুল/সেলিম/মোশারফ/রেজাউল/২০১৮/১৯৫২ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                                  নম্বর : ১৪১
  
সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে বিত্তবানদের প্রতি স্পিকারের আহ্বান
 
ঢাকা,  ৩০ পৌষ (১৩ জানুয়ারি) : 
 
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, মানবসেবা একটি মহৎ গুণ। সরকারের পাশাপাশি বিত্তবান ব্যক্তিগণ আর্তমানবতার সেবায় এগিয়ে এসে মানবতাকে জয়ী হতে সাহায্য করছেন। তিনি আজ ধামরাই এর কুল্লা ইউনিয়নে “রাবেয়া ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্ট এতিমখানা” এর উদ্বোধনকালে একথা বলেন। 
 
স্পিকার বলেন, “রাবেয়া ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্ট এতিমখানা” এ অঞ্চলের অসহায় মানুষের পাশে থেকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে ভূমিকা রাখবে। এ সময় তিনি সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আরো বেশি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে আহ্বান জানান। 
 
এ সময় ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মালেক এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও “রাবেয়া ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্ট এতিমখানা” এর প্রতিষ্ঠাতা মোঃ আলাউদ্দিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। 
 
#
কামাল/সেলিম/মোশারফ/আব্বাস/২০১৮/১৯৫২ ঘণ্টা

Handout                                                                                                          Number : 140

 

Tarana for more women in Cinema

 

Dhaka, January 13: 

 

Fourth Dhaka International Conference on ‘Women in Cinema’ began today at Alliance Francaise de Dhaka in Dhanmondi, with strong voice for women in films. ‘Women be not only silent spectators. They will act, make, direct films, write scripts to transform the world to a better one’ said Tarana Halim, the State Minister for Information while speaking as chief guest. ‘More women participation in cinemas will contribute making a world respectful towards women and their rights as equal as male,’ she added. 

 

The two-day conference inaugural chaired by State Minister for Foreign Affairs Shahriar Alam also had US writer-educator Sydney Levine and famed filmmaker Alin Tasciyan from Turkey as speakers. 

 

Tarana described women as ‘symbol of affection, love, strength and passion’. 

 

The State Minister for Information who herself has a vibrant career as prime artist in film and TV drama, said with deep conviction, 'When tormented, real women will always speak up, regain herself and come back even stronger than ever. And that is what I am, and you are.’ 

 

State Minister Shahriar Alam assured that, Dhaka is ready to boost women participation in film industry.

 

Six sessions of the conference will discuss six topics including ‘How to sustain gender equality in cinema’, ‘Women in avant-garde cinema’ and ‘Perception of South Asian Women by Western Women through Cinema’. Tajik filmmaker Dr Sharofat M Arabova, Indian directors Aparajita Ghosh, Dr. Debjani Halder, Iranian researcher Nazanin Kaynejad among other eminent cinema experts will present keynote papers in the sessions.

 

‘Women in Cinema’ conference is a part of the 16th Dhaka Int'l Film Festival screening 216 movies of 64 countries from 12 to 20 January. Organiser Rainbow Film Society, Dhaka has taken National museum, Central public library, Alliance Francaise de Dhaka, Russian Cultural Centre and Star Cineplex as venues and uploaded related information in dhakafilmfestival.org portal. 

 

#

 

Akram/Selim/Shefyaet/Salimuzzaman/2018/1800 Hrs

তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর :  ১৩৯
 
সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনে বিমান মন্ত্রীর আহ্বান

চট্টগ্রাম, ৩০ পৌষ (১৩ জানুয়ারি) : 

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী একেএম শাহজাহান কামাল আজ চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে সিভিল এভিয়েশন কর্মকর্তাদের সাথে এক বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম বাংলাদেশের প্রবেশদ্বার এবং বাণিজ্যিক রাজধানী। দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের সিংহভাগ চট্টগ্রাম থেকে পরিচালিত হয়। সময়ের পরিক্রমায় সমুদ্র বন্দরের পাশাপাশি চট্টগ্রাম বিমান বন্দরের গুরুত্বও বেড়েই চলেছে। এ বন্দর থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে নতুন নতুন ফ্লাইট চালু হচ্ছে। এটি বিবেচনায় রেখে সরকার চট্টগ্রাম বিমান বন্দরে নানা ধরণের উন্নয়ন কার্যগ্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে। তিনি কর্মকর্তাদের প্রতি দেশপ্রেম, সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। 

এ সময় সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম নাইম হাসান, শাহ আমানত বিমান বন্দরের ম্যানেজার উইং কমান্ডার রিয়াজুল কবির পিএসসিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। 

পরে মন্ত্রী বিমান বন্দরের বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। 

#

মাহবুব/সেলিম/শেফায়েত/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৮২০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                  নম্বর : ১৩৭  
নৌকায় উন্নতি, ধানের শীষে দুর্নীতি
  ---মায়া চৌধুরী
 
মতলব উত্তর (চাঁদপুর),  ৩০ পৌষ (১৩ জানুয়ারি) : 
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, বীরবিক্রম বলেছেন, নৌকা ক্ষমতায় থাকলে উন্নতি হয়, ধানের শীষ ক্ষমতায় আসলে দেশ দুর্নীতিতে ছেয়ে যায়। ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশে খালেদা জিয়ার পরিবারের মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার গচ্ছিত থাকার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তাই আগামী ডিসেম্বরের নির্বাচনে উন্নয়নের যাত্রা অব্যাহত রাখতে নৌকা মার্কাকে ক্ষমতায় আনতে হবে।
মন্ত্রী আজ মতলব উত্তর উপজেলার সপ্তগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সরকারের উন্নয়ন প্রচারনামূলক জনসভায় বক্তৃতা করেন। মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী এম, এ কুদ্দুসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় ঢাকা মহানগর উত্তরের যুবলীগ সভাপতি মাইনুল হোসেন নিখিল, যুবলীগ নেতা সাজেদুল হোসেন চৌধুরী (দিপু), আওয়ামী লীগের প্রবীন নেতা রিয়াজ উদ্দিন মানিক এবং মতলব উত্তর উপজেলা চেয়ারম্যান মঞ্জুর আহমেদ মঞ্জুসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ জনসভায় বক্তৃতা করেন। 
মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে হলে আওয়ামী লীগের বিকল্প নেই। আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে মায়া চৌধুরী বলেন, আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করলেও জনসমর্থন না পেয়ে দলটি মুসলীম লীগে পরিণত হবে আর নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলেও এমনিতেই দলটি জনসমর্থন হারিয়ে নিশ্চিন্ন হয়ে যাবে। মাদক, বাল্যবিবাহ, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার জন্য তিনি নেতা কর্মীদের অনুরোধ করেন। 
#
ওমর ফারুক/সেলিম/শেফায়েত/আব্বাস/২০১৮/১৮০৪ ঘণ্টা
 
 
তথ্যবিবরণী                                                                                নম্বর : ১৩৮  
নির্বাচন কমিশনের অধীনেই বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিবে
        ---বাণিজ্যমন্ত্রী
ঢাকা,  ৩০ পৌষ (১৩ জানুয়ারি) : 
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, নির্ধারিত সময়ে ১১তম জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দেশের সকল দল এ নির্বাচনে অংশ নিবে। এতে বিএনপিও অংশ গ্রহণ করবে। দেশের সংবিধান মোতাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ভাবে নির্বাচন পরিচালনা করবে। নির্বাচন কমিশনের উপর সরকারের কোন হস্তক্ষেপ থাকবে না। নির্বাচনকালীন সরকার নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে। তিনি বলেন, জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের নিশ্চিয়তা দিয়েছেন। আশা করছি বিএনপিসহ দেশের সকল রাজনৈতিক দল আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবে।
 
বাণিজ্যমন্ত্রী আজ ঢাকার এফডিসি মিলনায়তনে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি ও এটিএন বাংলার যৌথ আয়োজনে বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের  অংশ গ্রহণে ‘নির্বাচন কমিশনের প্রতি জনগণের আস্থা বেড়েছে’ শীর্ষক ইউসিবি পাবিলিক পার্লামেন্ট জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার গ্রান্ড ফাইনাল ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
 
মন্ত্রী বলেন, বিগত জাতীয় সংসদের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন দেশের সকল দলের অংশ গ্রহণ নিশ্চিত করতে। সে সময় বিএনপি নেত্রীর দেয়া ৭২ ঘন্টার আলটিমেটামের মধ্যে তিনি বিএনপি নেত্রীকে ফোন করে আলোচনায় অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ছেড়ে দেয়ার প্রস্তাব দেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচন করতে চেয়েছিল। বিএনপি নেত্রীর দেয়া শর্ত যথাসময়ে মানার পরও তারা নির্বাচনে অংশ না নিয়ে ধ্বংশাত্বক কাজে লিপ্ত হয়। আমরা আশা করছি, গত বারের মত সিদ্ধান্ত এবার তারা নিবে না। দেশের সংবিধান মোতাবেক বর্তমান সরকারের অধীনে এ নির্বাচন কমিশন আয়োজিত জাতীয় নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবে।
 
ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, এটিএন বাংলা এবং এটিএন নিউজ এর চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান এবং ইউনাইটেড কমার্সিয়াল ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ সবুর।
 
#
বকসী/সেলিম/শেফায়েত/আব্বাস/২০১৮/১৮০১ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                                 নম্বর : ১৩৬  
কিডনী ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম ঢাকার বাইরে সম্প্রসারণে সংস্কৃতি মন্ত্রীর গুরুত্বারোপ
 
ঢাকা,  ৩০ পৌষ (১৩ জানুয়ারি) : 
 
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেছেন, বিভিন্ন কারণে দেশে কিডনী রোগীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ কারণে ঢাকার বাইরে কিডনী ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম সম্প্রসারণ জরুরি। এতে করে তৃণমূল পর্যায়ে সাধারণ জনগণ কিডনী ট্রান্সপ্লান্টেশনসহ এ রোগের চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা পাবে। মন্ত্রী আজ রাজধানীর মিরপুরে কিডনী ফাউন্ডেশন হসপিটাল এন্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট এর কনভেনশন হলে বাংলাদেশ কিডনী ফাউন্ডেশন এবং বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশন এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত আইএসএন পাইওনিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০১৭ প্রদান অনুষ্ঠান এবং "এষড়নধষ ইঁৎফবহ ড়ভ ঈযৎড়হরপ করফহবু ফরংবধংব"  শীর্ষক বিজ্ঞানভিত্তিক সেমিনারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশন এর প্রেসিডেন্ট প্রফেসর রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি হসপিটাল অভ্ লিচেস্টার (খবরপবংঃবৎ) এর অ্যামেরিটাস নেফ্রোলজিস্ট কনসালট্যান্ট, ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব নেফ্রোলজি (আইএসএন) এর প্রোগামস চেয়ার এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রফেসর জন ফিহালি (ঔড়যহ ঋববযধষষু)।
মন্ত্রী বলেন, রোগের প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম। কিডনী ও অন্যান্য অসংক্রামক রোগের ব্যাপারে আরো সচেতনতা সৃষ্টি প্রয়োজন। কিডনী ফাউন্ডেশন এ ব্যাপারে ভূমিকা পালন করতে পারে। এতে করে সাধারণ মানুষ রোগজনিত শারীরিক ও মানসিক কষ্টের পাশাপাশি রোগের ব্যয়ভারজনিত আর্থিক দৈন্যদশা ও নিঃস্ব হওয়া থেকে মুক্তি পাবে। বিভিন্ন রোগের ব্যাপারে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে সেলেব্রিটি ও শিল্পী সমাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এ ব্যাপারে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।
অনুষ্ঠানে আইএসএন পাইওনিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০১৭ এর জন্য দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চল থেকে মনোনীত বাংলাদেশ কিডনী ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ডাঃ হারুন উর রশিদকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
#
ফয়সল/সেলিম/শেফায়েত/আব্বাস/২০১৮/১৮০০ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                            নম্বর : ১৩৫  
আত্মসাৎকারী প্রতিষ্ঠানের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করবে সরকার
                                                  ---ভূমিমন্ত্রী
ঢাকা,  ৩০ পৌষ (১৩ জানুয়ারি) : 
 
ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ বলেছেন, সমাজসেবামূলক কাজে অথবা প্রতিবন্ধীদের জন্য সরকারি বা বিদেশী বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ কিংবা অন্য কাজে ব্যবহার করার প্রমাণ পাওয়া গেলে রেজিস্ট্রেশন বাতিলসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সরকার। মন্ত্রী আজ ঈশ্বরদী ঝাউদিয়া মুক্তিযোদ্ধা নূরুল হক স্মৃতি অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী ও এলাকাবাসীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
 
মন্ত্রী বলেন, প্রতিবন্ধীদের জন্য সেবামূলক কাজ করছেন যারা তারা সমাজের বন্ধু। বিভিন্ন এনজিও, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সমাজের অবহেলিত মানুষের জন্য ভালো কাজ করে যাচ্ছেন, আবার কেউ কেউ প্রতিবন্ধীদের নামে বরাদ্দকৃত অর্থ উত্তোলন করে গাড়ি ঘোড়ায় চড়েন, বাড়ি বানান, তাদের প্রতি হুশিয়ারি করছি, এসব অপচেষ্টা বন্ধ করুন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার দুর্নীতি প্রশ্রয় দেয় না। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। 
#
রেজুয়ান/সেলিম/শেফায়েত/আব্বাস/২০১৮/১৭৫৭ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                                             নম্বর : ১৩৪
 
 
জাতীয় খানা তথ্যভা-ার শুমারি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণী
 
ঢাকা, ৩০ পৌষ (১৩ জানুয়ারি) :
 
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘জাতীয় খানা তথ্যভা-ার শুমারি’ উপলক্ষে নি¤েœাক্ত বাণী প্রদান করেছেন : 
 
‘‘জাতীয় খানা তথ্যভা-ার শুমারি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো দেশের সকল জনগোষ্ঠীর তথ্যসংবলিত একটি তথ্যভা-ার তৈরি হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে আমি সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
 
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তথ্য ব্যবস্থাপনাকে একটি দক্ষ ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রতিষ্ঠান করেন।  এ প্রতিষ্ঠান সেসময় থেকে দেশের আদমশুমারি, কৃষি শুমারি, শিল্প পরিসংখ্যান, জাতীয় আয় পরিসংখ্যান, অর্থনৈতিক শুমারি, শ্রমশক্তি জরিপ-এর মতো উল্লেখযোগ্য তথ্য বিষয়ক কার্যক্রম দক্ষতার সাথে সম্পন্ন করে আসছে। আমরা পরিসংখ্যান ব্যুরোর সকল কার্যক্রমকে আধুনিকায়ন করেছি। দেশের মানুষের জন্য তথ্যপ্রাপ্তি সহজ করেছি। আমরা বিভিন্ন কর্মসূচির সুফল মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থ্য করেছি।
 
আমি আশা করি, দেশের সকল খানা’র তথ্য নিয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো-এর ‘জাতীয় খানা তথ্যভা-ার’ তৈরির উদ্যোগ দেশকে ডিজিটাইজেশনে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। দারিদ্র্য দূরীকরণের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক আর্থসামাজিক উন্নয়নে এ তথ্যভা-ার ব্যাপক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। একটি নির্ভুল ও সমন্বিত ‘জাতীয় খানা তথ্যভা-ার’ দেশের তথ্য ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী ও গতিশীল করবে।
 
আমি এ শুমারি কার্যক্রমের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করছি।
 
 
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
      বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।’’
 
#
ইমরুল/সেলিম/মোশারফ/আব্বাস/২০১৮/১৭০৪ ঘণ্টা 
তথ্যবিবরণী                                                                                 নম্বর : ১৩৩ 
লোক কারুশিল্প মেলা ও লোকজ উৎসব উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণী
ঢাকা,  ৩০ পৌষ (১৩ জানুয়ারি) : 
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লোক কারুশিল্প মেলা ও লোকজ উৎসব উপলক্ষে নি¤েœাক্ত বাণী প্রদান করেছেন:
‘‘বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন ১৪ই জানুয়ারি ২০১৮ থেকে মাসব্যাপী  লোক কারুশিল্প মেলা ও লোকজ উৎসব আয়োজন করছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে আমি  সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। 
বাংলাদেশের  লোকশিল্প,  লোকসংস্কৃতি ও  লোকশিল্পের ঐতিহ্যকে বিশ্ব দরবারে মর্যাদাসম্পন্ন করার লক্ষ্যে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতায় এবং শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় ১৯৭৫ সালে লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।  দেশের ঐতিহ্যবাহী  লোক ও কারুশিল্পের গবেষণা, সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রদর্শন ও পুনরুজ্জীবনে এ ফাউন্ডেশন অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।
দেশীয় সংস্কৃতির লালন ও বিকাশ এবং বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে আওয়ামী লীগ সরকার নিরসলভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে সরকার গঠন করে ১৯৯৮ সালে ‘বাংলাদেশ  লোক ও কারুশিল্প আইন’ প্রণয়ন করি। ২০০৯ সালে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর  থেকে বাংলাদেশ  লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। কোরিয়ার সহযোগিতায় লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর ‘ঐতিহাসিক বড় সরদারবাড়ী’ পুনঃনির্মাণ করা হয়েছে। পর্যটকদের সুবিধার জন্য  লেকের উপর ব্রিজ, পার্ক ও ৪৮টি কারু বিপণন  কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। আমাদের সরকারের উদ্যোগে এ ফাউন্ডেশনের পুষ্প উদ্যানে স্থাপিত জাতির পিতার প্রতিকৃতি ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণে ঘোষিত বাঙালি জাতিসত্তা ও স¦াধীনতার স্মারক হিসেবে চিরদিন অমøান হয়ে থাকবে।
আমি আশা করি, বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন আয়োজিত এ মেলা আবহমান বাংলার  লোকজ সংস্কৃতি বিকাশের মাধ্যমে কুসংস্কার ও জঙ্গিবাদমুক্ত অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে সহায়ক হবে। 
আমি  লোক কারুশিল্প মেলা ও লোকজ উৎসব ২০১৮-এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি। 
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু,
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।’’
#
ইমরুল/সেলিম/মোশারফ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৭০৩ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                                             নম্বর : ১৩২ 
 
ন্যাশনাল হাউসহোল্ড ডাটাবেইজ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী 
 
ঢাকা, ৩০ পৌষ (১৩ জানুয়ারি) :
 
রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ‘ন্যাশনাল হাউসহোল্ড ডাটাবেইজ (এনএইচডি)’ উপলক্ষে নি¤েœাক্ত বাণী প্রদান করেছেন :  
 
‘‘বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ‘ন্যাশনাল হাউসহোল্ড ডাটাবেইজ (এনএইচডি)’ প্রকল্পের উদ্যোগে ২য় ফেইজে মাঠপর্যায়ে তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। আমি এ প্রকল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ প্রশংসনীয় সাফল্য দেখিয়েছে। বাংলাদেশকে বলা হয়ে থাকে এমডিজি বাস্তবায়নের রোলমডেল। এটা আমাদের দেশের জন্য গৌরবের বিষয়। এ সুনাম অক্ষুণœ রেখে আগামীতে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের মাধ্যমে দেশকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে বাংলাদেশ সরকার নিরলস প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে।
প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বিভিন্ন পরিসংখ্যান প্রণয়নের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। দারিদ্য্র দূরীকরণ, খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি উন্নয়ন, সকলের জন্য সুস্বাস্থ্য ও মানসম্পন্ন শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতকরণ, জেন্ডার সমতা এবং নারীর ক্ষমতায়নসহ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সরকার বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির পাশাপাশি বহুবিধ উন্নয়ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধীনে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো দেশের সকল খানার তথ্য নিয়ে তৈরি করছে খানাভা-ার। এ তথ্যভা-ারে খানার জনমিতিক তথ্য ছাড়াও থাকবে আর্থসামাজিক অবস্থার তথ্য যার উপর ভিত্তি করে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে খানার আর্থসামাজিক অবস্থা সহজেই চিহ্নিত করা যাবে। আমি আশা করি, এ ডাটাবেইজ তৈরির মাধ্যমে সরকারের সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচির সফল বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।
আমি ন্যাশনাল হাউসহোল্ড ডাটাবেইজ (এনএইচডি) প্রকল্পের আওতায় ২য় ফেইজে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।
খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।’’
#
হাসান/সেলিম/মোশারফ/আব্বাস/২০১৮/১৭০০ ঘণ্টা 
তথ্যবিবরণী                                                                            নম্বর : ১৩১  
জাতীয় সবজি মেলা-২০১৮ আয়োজন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণী
ঢাকা,  ৩০ পৌষ (১৩ জানুয়ারি) : 
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সবজি মেলা-২০১৮ আয়োজন উপলক্ষে নি¤েœাক্ত বাণী প্রদান করেছেন:
‘‘কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ‘জাতীয় সবজি মেলা-২০১৮’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে আমি সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। 
এবারের সবজি মেলার প্রতিপাদ্য ‘সারা বছর সবজি চাষে, পুষ্টি-স্বাস্থ্য-অর্থ আসে’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।
বিশ্বে সবজি উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়। বাংলাদেশের উর্বর মাটি ও আবহাওয়া সবজি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। স¦ল্প সময়ে অল্প ব্যয়ে সারাবছর শাকসবজি চাষের মাধ্যমে কৃষকরা তাদের জীবনমান উন্নয়নসহ দেশের আর্থিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন।
  সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স¦প্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে আওয়ামী লীগ সরকার নিরসলভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে বিগত ৯ বছরে আমরা কৃষিখাতের সার্বিক উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি। আমরা কৃষিকে বাণিজ্যিক কৃষিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে কৃষিবান্ধব নীতি গ্রহণ করেছি। সার, বীজসহ সকল কৃষি উপকরণের মূল্য হ্রাস করা হয়েছে। কৃষককে সহজশর্তে ও স¦ল্পসুদে ঋণ সুবিধা প্রদান, ১০ টাকায় ব্যাংক একাউন্ট  খোলার সুযোগসহ কৃষকদের নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। বছরব্যাপী আবাদ উপযোগী উচ্চফলনশীল ও পরিবর্তিত জলবায়ু সহনশীল সবজির জাত উদ্ভাবনে কৃষিবিজ্ঞানীদের প্রয়োজনীয় প্রণোদনা প্রদান করা হচ্ছে। ফলে শাকসবজিসহ সবধরণের কৃষিপণ্য উৎপাদনে আমরা ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছি। আমরা সবজির সংগ্রহোত্তর ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি বাজারতাতকরণেও গুরুত্বারোপ করেছি। আমাদের সরকার পরিবেশ ও স¦াস্থ্যের কথা মাথায় রেখে বিষমুক্ত সবজি চাষে জোর দিয়েছে।
আমি আশা করি, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সবজিসহ কৃষির সামগ্রিক উন্নয়নের এ ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত, পুষ্টিসমৃদ্ধ,  মেধাবী জাতি গঠনে আমরা সক্ষম হব। 
আমি ‘জাতীয় সবজি মেলা ২০১৮’-এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি। 
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু,
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।’’
#
ইমরুল/সেলিম/মোশারফ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৭০২ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                            নম্বর : ১৩০  
জাতীয় সবজি মেলা-২০১৮ আয়োজন উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী
ঢাকা,  ৩০ পৌষ (১৩ জানুয়ারি) : 
রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ জাতীয় সবজি মেলা-২০১৮ আয়োজন উপলক্ষে নি¤েœাক্ত বাণী প্রদান করেছেন:
‘‘কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ‘জাতীয় সবজি মেলা-২০১৮’ এর আয়োজনকে আমি স্বাগত জানাই। এ উপলক্ষে আমি মেলায় অংশগ্রহণকারী উদ্যোক্তা, দর্শনার্থী, ক্রেতা ও মেলা আয়োজনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।
শাকসবজি আমাদের দেহ ও মনকে সুস্থ রাখার প্রয়োজনীয় নানা ভিটামিন ও খনিজ লবণে সমৃদ্ধ। দৈনন্দিন পুষ্টি চাহিদা পূরণের মাধ্যমে শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে শাকসবজির ভূমিকা অপরিসীম। বর্তমান সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপ এবং সংশ্লিষ্ট সকলের প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ আজ শাকসবজি ও খাদ্যশস্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। দেশের চাহিদা পূরণ করে বিদেশেও শাকসবজি রপ্তানি হচ্ছে। তাই বহুমুখী সবজি চাষের মাধ্যমে রপ্তানি ও বাজার সম্প্রসারণে উদ্যোগী হতে হবে। এছাড়া কীটনাশক ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সচেতন হওয়া আবশ্যক। পাশাপাশি আমাদের মাটি ও জলবায়ু বিভিন্ন শাকসবজি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। প্রতিটি আবাদযোগ্য জায়গায় পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন মৌসুমি শাকসবজির চাষাবাদ করলে একদিকে যেমন পুষ্টি চাহিদা পূরণ হবে অন্যদিকে আর্থিকভাবে যথেষ্ট লাভবান হওয়া যাবে। এ দৃষ্টিকোণ থেকে জাতীয় সবজি মেলার এবারের প্রতিপাদ্য ‘সারা বছর সবজি চাষে, পুষ্টি-স্বাস্থ্য-অর্থ আসে’ অত্যন্ত যৌক্তিক ও সময়োপযোগী বলে আমি মনে করি।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশে সবজি আবাদ ও উৎপাদন রেকর্ড পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে যা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। অগ্রযাত্রার এ ধারাকে টেকসই রূপ দিতে সারাবছর চাষ উপযোগী সবজির জাত ও কলাকৌশল উদ্ভাবন এবং সম্প্রসারণের জন্য আমি সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানাই। জাতীয় সবজি মেলা আয়োজনের মধ্যদিয়ে উত্তম কৃষি পদ্ধতি অনুসরণ করে সবজি আবাদ, সরবরাহ ও বিপণন, সংরক্ষণ, পুষ্টি চাহিদা পূরণসহ সার্বিক বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি পাবে বলে আমার বিশ্বাস। 
আমি ‘জাতীয় সবজি মেলা ২০১৮’-এর সার্বিক সফলতা কামনা করছি। 
খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।’’
#
আজাদ/সেলিম/মোশারফ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৭০০ ঘণ্টা
 
Todays handout (10).docx Todays handout (10).docx

Share with :

Facebook Facebook