তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৫ মার্চ ২০১৫

তথ্যবিবরণী 23/03/2015

তথ্যবিবরণী                                                                                                                                                                                                 নম্বর : ৮৪১


অতিদরিদ্র অন্তঃসত্ত্বা মা ও পাঁচবছরের কমবয়সি শিশুদের
স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য আর্থিক সহায়তা দেবে সরকার

ঢাকা, ৯ চৈত্র (২৩ মার্চ) :
    দেশে অতিদরিদ্র অন্তঃসত্ত্বা মা এবং পাঁচবছরের কমবয়সি শিশুদের স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য আর্থিক প্রণোদনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রাথমিকভাবে সাতটি জেলায় এ কর্মসূচি শুরু হবে আগামী মাসে।
    এ লক্ষ্যে আজ সচিবালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে একটি সমঝোতাস্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।
    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাঃ দীন মোঃ নূরুল হক, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নূর হোসেন তালুকদার এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের এম ই ই শাখার মহাপরিচালক জুয়েনা আজিম সমঝোতাস্মারকে স্বাক্ষর করেন।
    স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম অনুষ্ঠানে প্রধানঅতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। স্বাস্থ্যপ্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্যসচিব সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম এবং স্থানীয় সরকার, পল্লিউন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল মালেক বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
    সরকার এবং বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ২ হাজার ৩৭৭ কোটি ৮০ লাখ টাকার প্রাক্কলিত ব্যয়ে “ইনকাম সাপোর্ট ফর দ্য পুওরেস্ট” শীর্ষক এ প্রকল্পবাস্তবায়ন করবে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এর মধ্যে বিশ্বব্যাংক দেবে ২ হাজার ৩৪০ কোটি টাকা।
    প্রকল্পে উপকারভোগী জনগোষ্ঠী হচ্ছে অন্তঃসত্ত্বা মা এবং শূন্য থেকে পাঁচবছর বয়সি সন্তানের মায়েরা। গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, নিলফামারী, লালমনিরহাট, ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর জেলার ৪২টি উপজেলার ৪৪৩টি ইউনিয়নের প্রায় ৬ লাখ মায়েরা এ নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচির আওতায় আসবে। প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছে এবছরের এপ্রিল থেকে ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত। বাংলাদেশ দরিদ্র ডাটাবেজ থেকে উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে।
    অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের গর্ভকালীন ৪ বার স্বাস্থ্যপরীক্ষার প্রেক্ষিতে প্রতিবার ২শ’ টাকা, শূন্য থেকে চব্বিশমাস বয়সি শিশুদের প্রতিমাসে বৃদ্ধিপরীক্ষার প্রেক্ষিতে প্রতিবার ৫শ’ টাকা,  ২৫-৬০ মাস বয়সি শিশুদের প্রতি ৩ মাস অন্তর বৃদ্ধিপরীক্ষার প্রেক্ষিতে প্রতিবার একহাজার টাকা, অন্তঃসত্ত্বা মহিলা ও মায়েদের জন্য প্রতিমাসে শিশু পুষ্টি ও উন্নত শিক্ষাসংক্রান্ত কর্মশালায় অংশগ্রহণ সাপেক্ষে প্রতিবার ৫শ’ টাকা হারে অর্থপ্রদান করা হবে।
    উপকারভোগীদেরকে পোস্টাল ক্যাশকার্ড একটি করে দেয়া হবে যা ব্যবহার করে নিকটবর্তী ডাকঘর থেকে অর্থউত্তোলন করতে পারবেন। এ জন্য ডাকঘর অধিদপ্তর এর সাথে পরবর্তীতে চুক্তিস্বাক্ষর হবে।
    এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক আগ্রহে আজ তৃণমূলপর্যায়ের দরিদ্র মানুষ বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছে। গ্রামের ওয়ার্ডপর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সহজে যে সেবা পাচ্ছে তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্ভাবনী চিন্তার ফল। কমিউনিটি ক্লিনিকসমূহে ৩০ প্রকারের ঔষধ বিনামূল্যে পাওয়া যায়। এই ক্লিনিকগুলোতে এখন সফলভাবে সাধারণ প্রসবও সম্পন্ন হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রসূতি মায়ের যথাযথ স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি শিশুদের সঠিক বৃদ্ধিনিশ্চিত করতে সরকার প্রতিনিয়ত নতুন নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে। দরিদ্র অন্তঃসত্ত্বা নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবার প্রণোদনার উদ্যোগ নেয়াতে মা ও শিশু স্বাস্থ্যের উন্নয়নে বাংলাদেশের অর্জন আরো উপরে উঠবে।
#
পরীক্ষিৎ/সাইফুল্লাহ/রফিকুল/রেজাউল/২০১৫/২১৩৫ঘণ্টা  

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                                নম্বর : ৮৪০

যৌথ কমিটির সভা
বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম বাণিজ্য সুবিধা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত

ঢাকা, ৯ চৈত্র (২৩ মার্চ) :
    বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম বাণিজ্যসুবিধা বৃদ্ধির বিষয়ে একমত হয়েছে।
    ২২-২৩ মার্চ ঢাকায় অনুষ্ঠিত বাণিজ্য বিষয়ক বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম জয়েন্ট কমিটির প্রথম সভায় এ ঐকমত্য হয়।
    বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্যমন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন এবং ভিয়েতনামের পক্ষে শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক ডেপুটি মিনিস্টার হোয়াং কোয়াক বুয়াং এ সভায় নেতৃত্ব দেন।
    বাণিজ্যবিষয়ক জয়েন্ট কমিটির সভায় উভয়দেশ পারস্পরিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আগামী দিনগুলোতে কিভাবে এ সকল ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করা হয়। বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বিরাজমান সমস্যাগুলো সমাধানের ক্ষেত্রে কূটনৈতিক চ্যানেলে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে। দু’দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং বাণিজ্যবৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাধাসমূহ চিহ্নিত করে তা দূর করার বিষয়ে একমত পোষণ করা হয়।
    বাংলাদেশের ঔষধ, পাট ও পাটজাত পণ্য, সিরামিক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য বেশি পরিমাণে আমদানির জন্য  ভিয়েতনামের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া, ঔষধ রপ্তানিক্ষেত্রে সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডের মতো বায়ো-ইকুয়েভ্যালেন্স টেস্ট গ্রহণ করা, বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ভিয়েতনামের ন্যাশনাল অ্যাগ্রোফরেস্ট্রি ফিসারিজ কোয়ালিটি এসোয়েরেন্স ডিপার্টমেন্ট-এর রেজিস্ট্র্রেশনের জন্য বাংলাদেশ প্রস্তাব করে। ভিয়েতনাম বিষয়গুলো গুরুত্বের সাথে বিবেচনার বিষয়ে মতপ্রকাশ করে।
    চাল বিশেষ করে সিদ্ধচাল আমদানির ক্ষেত্রে ভিয়েতনাম বাংলাদেশের সাথে সম্পাদিত এমওইউ মোতাবেক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং সিমেন্ট ও সিমেন্ট তৈরির কাঁচামাল আমদানি অব্যাহত রাখা, ভিয়েতনাম বাংলাদেশে কৃষিযন্ত্রপাতি রপ্তানি, পেট্রোলিয়াম সামগ্রীর বিষয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়। বাংলাদেশ খাদ্যউৎপাদন পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণের কথা বলে। উভয়দেশ বাণিজ্যবৃদ্ধির লক্ষ্যে বাণিজ্য মেলা অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে। বিষয়গুলো নিয়ে উভয়দেশ ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করে এবং স্ব স্ব দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা করে এ বিষয়ে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে বলে সভায় জানানো হয়।
    বাংলাদেশের রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এবং ভিয়েতনামের ট্রেড প্রোমশন এজেন্সির মধ্যে সম্পাদিত এমওইউ এর মেয়াদ আগামী ১ নভেম্বর শেষ হয়ে যাবে। পরবর্তী তিন বছরের জন্য এ এমওইউ কার্যকর থাকার বিধান রয়েছে। উভয়দেশ এ বিষয়ে একমতপোষণ করে এবং যথাযথ কার্যক্রমগ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেয়।
    বৈঠকে বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম বিজনেস কাউন্সিল গঠনে একমতপোষণ করা হয়। এ বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষে এফবিসিসিআই এবং ভিয়েতনামের পক্ষে ভিসিসিআই এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
    সফররত ভিয়েতনামের প্রতিনিধিবৃন্দ বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এবং শিল্পমন্ত্রী আমীর হোসেন আমু’র সাথে বৈঠক করেন।
#
লতিফ/সাইফুল্লাহ/রফিকুল/জয়নুল/২০১৫/২১৩০ঘণ্টা  

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                      নম্বর : ৮৩৯

সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত
ঢাকা, ৯ চৈত্র (২৩ মার্চ) :
    জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির এক বৈঠক আজ কমিটির সভাপতি শওকত আলী’র সভাপতিত্বে সংসদভবনে অনুষ্ঠিত হয়।
    কমিটির সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক, আব্দুর রউফ এবং এডভোকেট নাভানা আক্তার বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠকে বিদ্যুতায়ন বোর্ডের কার্যক্রম, পল্লিবিদ্যুতায়ন বোর্ডের অডিট এবং আর্থিক বিষয়াদি ও বিগত ৫ বছরের অডিট আপত্তির বিষয় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
    বাংলাদেশ পল্লিবিদ্যুতায়ন বোর্ডের সাংগঠনিক কাঠামো, কার্যাবলী, বিগত বছরগুলোর সাফল্য এবং বর্তমান সরকারের লক্ষ্যমাত্রা, চলমান প্রকল্প, প্রস্তাবিত প্রকল্প, ভিশন ২০২১ কমিটির বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়।
বৈঠকে আরো জানানো হয়, বিগত ৫ বছরে বাংলাদেশ পল্লিবিদ্যুতায়ন বোর্ডের মোট অডিট আপত্তির সংখ্যা ১১৪৬ টি, নিষ্পত্তির সংখ্যা ৮২০ টি, অনিষ্পত্তিকৃত অডিট আপত্তির সংখ্যা ৩২৬টি  ।
    শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোর ওপর থেকে বিদ্যুতের লাইন অপসারণের বিষয়ে পল্লিবিদ্যুতায়ন বোর্ডকে সুপারিশ করা হয়।
প্রাকৃতিক কারণে বিদ্যুতের লাইন ছিড়ে গেলে সেই লাইন সংস্কার বাংলাদেশ পল্লিবিদ্যুতায়ন বোর্ড কর্তৃক পুন:স্থাপন, বিদ্যুৎ বিভাগের উৎপাদন ক্ষমতা ও বিতরণ সুষ্ঠুভাবে সমন্বয় সাধন, পল্লিবিদ্যুতায়ন বোর্ড কর্তৃক নতুন লাইন নির্মাণের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার সুপারিশ করা হয়।
সোলার ক্রয়ের জন্য কাজের বিনিময়ে খাদ্য প্রকল্প থেকে যে পরিমাণ অর্থ কর্তন করা হয় তার হিসাব সঠিকভাবে মনিটরিং এবং বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার কর্তৃক গ্রাহকের কাছ থেকে যে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হচ্ছে সে বিষয়ে মনিটরিং ব্যবস্থা আরো জোরদার করার জন্য বিদ্যুৎ বিভাগকে সুপারিশ করা হয়।
 বাংলাদেশ পল্লিবিদ্যুতায়ন বোর্ডের অডিট আপত্তিগুলো দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের মাধ্যমে দ্রুত নিষ্পত্তির সুপারিশ করা হয়।
    বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব, বাংলাদেশ পল্লিবিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
#
এমাদুল/সাইফুল্লাহ/জসীম/রফিকুল/জয়নুল/২০১৫/২১১০ঘণ্টা   

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                    নম্বর : ৮৩৮

ভিয়েতনামের প্রতিনিধিদলের সাথে শিল্পমন্ত্রীর বৈঠক
অধিকহারে বাংলাদেশি পণ্য আমদানির আহ্বান

ঢাকা, ৯ চৈত্র (২৩ মার্চ) :
অধিকহারে বাংলাদেশি পণ্য আমদানির মাধ্যমে ভিয়েতনামের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যঘাটতি কমানোর পরামর্শ দিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বমানের ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কাপড়, সিরামিক, টাইলস্ ও তৈরিপোশাক উৎপাদন করছে। ভিয়েতনামের উদ্যোক্তারা এসব পণ্য বাংলাদেশ থেকে সাশ্রয়ীমূল্যে আমদানি করতে পারেন। এর ফলে দু’দেশের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্যঘাটতি কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশ সফররত ভিয়েতনামের বাণিজ্য ও শিল্প বিষয়ক ভাইস মিনিস্টার হোয়াং কোয়াক বুয়াং  (ঐড়ধহম ছঁড়প ইঁড়হম)  এর নেতৃত্বে সাত সদস্যের প্রতিনিধিদলের সাথে বৈঠককালে শিল্পমন্ত্রী এ পরামর্শ দেন। আজ শিল্প মন্ত্রণালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
শিল্পসচিব মোঃ মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত নগুইয়েন কোয়াং থাক (ঘমুঁবহ ছঁধহম ঞযঁপ)সহ প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে ভিয়েতনাম ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহায়তার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এসময় উভয় দেশের শিল্পখাতে যৌথ বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে শিল্পমন্ত্রী বলেন, কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির কারণে দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারের চমৎকার সুযোগ রয়েছে। তিনি বাংলাদেশে কৃষিভিত্তিক পণ্যউৎপাদন, আইটি, ইলেকট্রিক ও ইলেক্ট্রনিক্স, হাইকোয়ালিটি গার্মেন্ট, জ্বালানি, রাসায়নিক সার ইত্যাদি খাতে যৌথবিনিয়োগে এগিয়ে আসতে ভিয়েতনামের প্রতিনিধিদলের প্রতি আহ্বান জানান।
আমির হোসেন আমু বলেন, বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মধ্যে প্রতিবছর শতকরা ২০ ভাগ হারে বাণিজ্য বাড়ছে। ২০০২ সালে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ১৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার হলেও বর্তমানে তা ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। তিনি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য জোরদারের মাধ্যমে বাংলাদেশের অনুকূলে বাণিজ্যঘাটতি হ্রাসের ওপর গুরুত্ব দেন।
#
জলিল/সাইফুল্লাহ/জসীম/রফিকুল/জয়নুল/২০১৫/২০১৫ঘণ্টা  

তথ্যবিবরণী                                                                                                      নম্বর : ৮৩৪

 


আধুনিক সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠাতা লি কুয়ান ইউ’র মৃত্যুতে স্পিকারের শোক

ঢাকা, ৯ চৈত্র (২৩ মার্চ) :
    আধুনিক সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠাতা লি কুয়ান ইউ’র মৃত্যুতে স্পিকার ও সিপিএ নির্বাহী কমিটির চেয়ারপার্সন ড: শিরীন শারমিন চৌধুরী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
    আজ এক শোকবাণীতে স্পিকার বলেন, লি কুয়ান ইউ ছিলেন বাংলাদেশের এক অকৃত্রিম বন্ধু। তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশ একজন পরীক্ষিত বন্ধুকে হারালো। স্পিকার লি কুয়ান ইউ’র আত্মার শান্তি কামনা করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

ডেপুটি স্পিকারের শোক

    আধুনিক সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠাতা লি কুয়ান ইউ’র মৃত্যুতে ডেপুটি স্পিকার মোঃ ফজলে রাব্বী মিয়া গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
    আজ এক শোকবাণীতে ডেপুটি স্পিকার বলেন, লি কুয়ান ইউ’র মৃত্যুতে বাংলাদেশ একজন বন্ধুকে হারালো। এ ক্ষতি কোনভাবেই পূরণ হবার নয়। ডেপুটি স্পিকার তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

 চিফ হুইপের শোক

    আধুনিক সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠাতা লি কুয়ান ইউ’র মৃত্যুতে চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
    আজ এক শোকবাণীতে চিফ হুইপ বলেন, লি কুয়ান ইউ’র মৃত্যুতে বাংলাদেশ একজন অকৃত্রিম বন্ধুকে হারালো। এ ক্ষতি কখনোই পূরণ হবার নয়। চিফ হুইপ তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
#
শিবলী/সাইফুল্লাহ/রফিকুল/জয়নুল/২০১৫/১৯২০ঘণ্টা    

 

Todays handout (4).doc Todays handout (4).doc

Share with :

Facebook Facebook