তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

তথ্যবিবরণী : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

তথ্যবিবরণী                                                                                             নম্বর :৫৯৮
 
 
সড়ক ও মহাসড়ক নেটওয়ার্ক উন্নয়নে কাজ করছে সরকার
                         ---প্রতিমন্ত্রী রাঙ্গাঁ
 
রংপুর, ১১ ফাল্গুন (২৩ ফেব্রুয়ারি) : 
 
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মোঃ মসিউর রহমান রাঙ্গাঁ বলেছেন, সরকার রূপকল্প ২০২১ এর লক্ষ্য অর্জন ও কর্মপরিকল্পনা ২০৪১ বাস্তবায়নে সড়ক ও মহাসড়ক নেটওয়ার্ক উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আজ রংপুর মহানগর শীতল কমিউনিটি সেন্টারে রংপুর জেলা মটর মালিক সমিতির প্রয়াত সদস্যদের মাঝে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। 
 
রংপুর জেলা মটর মালিক সমিতির সভাপতি আবু আসগর আহম্মেদ পিন্টুর সভাপতিত্বে সমিতির যুগ্ম সম্পাদক এ কে এম আজিজুল ইসলাম রাজুসহ অন্য নেতৃবৃন্দ  বক্তব্য রাখেন।
 
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে সড়ক ও মহাসড়ক নেটওয়ার্ক অনেক ভালো অবস্থানে রয়েছে। এতে করে জাতীয় পণ্য পরিবহণ সহজ ও সময় সাশ্রয়ী হচ্ছে। তিনি বলেন আধুনিক সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের অন্যতম নিয়ামক শক্তি। সড়ক পরিবহণ মালিক শ্রমিকদেরকে সেবার মনোভাব নিয়ে সরকারের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নেয়ার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।  
 
#
আহসান/সেলিম/মোশারফ/আব্বাস/২০১৮/১৯৩৯ ঘণ্টা 
 
তথ্যবিবরণী                                                                                             নম্বর :৫৯৭ 
 
                সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে হবে
                                            ---সমাজকল্যাণমন্ত্রী
 
ঢাকা, ১১ ফাল্গুন (২৩ ফেব্রুয়ারি) : 
 
বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। বিদ্যমান সম্প্রীতি অটুট রাখতে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে দেশের মানুষকে আরো দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে হবে। 
 
আজ ঢাকায় ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহার প্রাঙ্গণে ২০১৮ সালের অতীশ দীপঙ্কর শান্তি স্বর্ণপদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। 
 
মন্ত্রী বলেন, বৌদ্ধ ধর্মের প্রচারক অতীশ দীপঙ্কর ছিলেন শান্তির দূত। তার অহিংস ও শান্তির বাণী সবাইকে সুপথ দেখায়। তার স্মৃতি স্মরণ করে দেয়া এই স্বর্ণপদক তাই অতি মূল্যবান ও সম্মানের। যারা এই পদক পেলেন তারা এই সম্মানকে আরো অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে যাবেন বলে মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
 
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘ প-িত অতীশ দীপঙ্কর ও মহাসংঘ নায়ক বিশুদ্ধানন্দের জন্মতিথিকে উপলক্ষ্য করে প্রতিবছর এই দিনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গত ২০০০ সাল থেকে এই পদক প্রদান অনুষ্ঠানের প্রবর্তন করা হয়। গত আঠারো বছরে দেশ বিদেশের প্রায় ৮৬ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে এ পদকে সম্মানিত করা হয়। এবছর অতীশ দীপঙ্কর শান্তি স¦র্ণপদকে বাংলাদেশের দুইজনসহ মোট পাঁচজনকে ও বিশুদ্ধানন্দ পদকে বাংলাদেশের তিনজনকে অভিষিক্ত করা হয়।
 
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশস্থ থাইল্যান্ড, ভুটান, ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূতগণ, ঢাকা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
 
#
মাইদুল/সেলিম/সঞ্জীব/আব্বাস/২০১৮/১৯৫৮ ঘণ্টা 
তথ্যবিবরণী                                                                                             নম্বর :৫৯৬ 
 
সকল শিশুর শিক্ষালাভের সুযোগ নিশ্চিত করতে চায় সরকার
    ---শিক্ষামন্ত্রী
 
ঢাকা, ১১ ফাল্গুন (২৩ ফেব্রুয়ারি) : 
 
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, সকল শিশুকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে। বিনা মূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের ফলে দরিদ্র পরিবারের শিশুরাও স্কুলে আসতে পারছে। সরকার সকল শিশুর শিক্ষালাভের সুযোগ নিশ্চিত করতে চায়।
 
শিক্ষামন্ত্রী আজ ঢাকায় বাংলাদেশ ফিল্ম ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন (এফডিসি)-তে সুবিধাবঞ্চিত বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ৯ম জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা ‘বিতর্ক বিকাশ’-এর গ্র্যান্ড ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন। ব্র্যাক, এটিএন বাংলা এবং ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি যৌথভাবে এই আয়োজন করে। 
 
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে পরীক্ষা পদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হবে। এক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা ও সচেতনতাও কামনা করেন তিনি ।
 
মন্ত্রী বলেন, দেশে বিতর্ক চর্চা এখন অনেক এগিয়েছে। তবে এখনও দেশের মফস্বল বা প্রত্যন্ত অঞ্চলে এর বিকাশ-প্রসার সেভাবে ঘটেনি। বিতর্ক চর্চার প্রসারের ক্ষেত্রে মফস্বলে রয়েছে নানা সীমাবদ্ধতা। সেই সীমাবদ্ধতার বৃত্ত ভাঙতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ‘বিতর্ক বিকাশ’ প্রতিযোগিতা। দেশের প্রায় সব সুবিধাবঞ্চিত বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুলগুলো ক্লাস্টার করে উপজেলা, জেলা এবং বিভাগীয় পর্যায়ের লড়াই-এর মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। 
 
ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ সোহরাব হোসাইন, ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক ডা. মুহাম্মাদ মুসা, ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচির পরিচালক ড. শফিকুল ইসলাম এবং এটিএন বাংলার উপদেষ্টা নওয়াজীশ আলী খান বক্তব্য রাখেন। 
 
উল্লেখ্য, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে জাতীয় পর্যায়ের কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনাল শেষে আজ গ্রান্ড ফাইনালে মুখোমুখী হয় বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জের রাশেদ খান মেনন স্কুল এন্ড কলেজ এবং সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নথপুরের ইসহাকপুর পাবলিক হাইস্কুল। এবারে  সারাদেশের  মোট  ৮৮০টি স্কুলের ১৭ হাজার ৬০০ বিতার্কিক অংশগ্রহণ করেছে। 
#
 
আফরাজ/সেলিম/মোশারফ/আব্বাস/২০১৮/১৯২০ ঘণ্টা 

তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ৫৯৫
জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০১৮ উদ্যাপন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণী
ঢাকা, ১১ ফাল্গুন (২৩ ফেব্রুয়ারি) :
    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০১৮ উদ্যাপন উপলক্ষে নি¤েœাক্ত বাণী প্রদান করেছেন :
    ‘‘প্রতি বছরের মতো এবারও ২৪শে ফেব্রুয়ারি  থেকে ২রা মার্চ দেশব্যাপী ‘জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০১৮’ পালন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে আমি সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
    এবারের প্রতিপাদ্য ‘জাটকা ধরে করবো না শেষ, বাঁচবে জেলে হাসবে দেশ’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।
    জাতীয় মাছ ইলিশ আজ ‘বাংলাদেশ ইলিশ’ নামে একটি ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য। অনাদিকাল  থেকেই আমাদের জাতীয় সংস্কৃতি, অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও আমিষের চাহিদাপূরণে এ মাছ অনন্য ভূমিকা রেখে আসছে।
    বাংলাদেশ আজ মাছ উৎপাদনে স¦য়ংসম্পূর্ণ। আমাদের খাদ্যে আমিষের শতকরা ৬০ শতাংশ  যোগান দেয় মাছ। ২০০৮-০৯ সালে ইলিশের  মোট উৎপাদন ছিল ২৯৮,৯২১ মেট্রিক টন। ২০১৬-২০১৭ সালে ইলিশের  মোট উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে ৪৯৬,৪১৭ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে। মাত্র আট বছরের ব্যবধানে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে ৬৬ শতাংশের অধিক।
    বর্তমান সরকার ইলিশের স্থায়িত্বশীল উৎপাদন নিশ্চিত করতে বিজ্ঞানসম্মত ও সমাজবান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। সুফলভোগীদের অংশগ্রহণে অভয়াশ্রম ব্যবস্থাপনা, প্রজনন  মৌসুমে মা ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ, জাটকা সংরক্ষণ, সম্মিলিত বিশেষ অভিযান, মৎস্যজীবীদের বিকল্প কর্মসংস্থানসহ বহুমাত্রিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকাসহ ইলিশ সমৃদ্ধ নদী অববাহিকরার পাঁচ লক্ষাধিক মৎস্যজীবীর জীবন-জীবিকা বহুলাংশে ইলিশের ওপর নির্ভরশীল। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় জাটকা আহরণ নিষিদ্ধকালীন ২৩৮,৬৭৩টি পরিবার এবং মা ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধকালীন ৩৫৬,৭২৩টি পরিবারকে মাসিক ৪০ কেজি ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা হিসেবে প্রদান করা হচ্ছে। মৎস্যজীবীদের জন্য প্রদেয় প্রণোদনা ও সহায়তা প্রাপ্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইলিশ আহরণে সম্পৃক্ত মৎস্যজীবীসহ দেশের ১৪ লাখ ২০ হাজার মৎস্যজীবীকে পরিচয়পত্র প্রদান করা হয়েছে। আমাদের এসকল কার্যক্রম বাস্তবায়নের ফলে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সহজলভ্য হয়েছে।
    আমি ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে জাটকা আহরণ নিষিদ্ধ সময়ে জাটকা নিধন বন্ধ ও ইলিশ সংরক্ষণে সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠানসহ সর্বস্তরের জনগণকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।
    আমি ‘জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০১৮’ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।’’
#

আমিনুল/সেলিম/মোশারফ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৭০৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                          নম্বর :৫৯৪

জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০১৮ উদ্যাপন উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী

ঢাকা, ১১ ফাল্গুন (২৩ ফেব্রুয়ারি) :

    রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০১৮ উদ্যাপন উপলক্ষে নি¤েœাক্ত বাণী প্রদান করেছেন :

    ‘‘মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০১৮ উদ্যাপনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই।

    ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ।  আবহমানকাল থেকেই ইলিশ বাঙালির সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও জনপ্রিয়তার মানদ-েও একক প্রজাতি হিসেবে ইলিশের অবস্থান শীর্ষে। উপকূলীয় ও নদী অববাহিকার গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান, পুষ্টি চাহিদাপূরণ তথা সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইলিশের অবদান অনস্বীকার্য। তাই সরকার ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য  জাতীয় মাছ ইলিশের ঐতিহ্য সুসংহত করতে বদ্ধপরিকর। এ প্রেক্ষাপটে এবারের প্রতিপাদ্য ‘জাটকা ধরে করবো না শেষ, বাঁচবে জেলে হাসবে দেশ’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও সময়োপযোগী বলে আমি মনে করি।

    ইলিশ সুরক্ষায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় মৎস্য অধিদপ্তর যুগোপযোগী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। সকলের অব্যাহত প্রচেষ্টায় জাটকা সংরক্ষণ কার্যক্রম গ্রহণের ফলে দেশে ইলিশের উৎপাদন ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি মৎস্যজীবী ও জেলে সম্প্রদায়, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও প্রচার মাধ্যমের সক্রিয় অংশগ্রহণে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ সফল ও স্বার্থক হয়ে উঠবে- এটাই দেশবাসীর প্রত্যাশা।

    আমি জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০১৮ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।

    খোদা হাফেজ বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।’’

#

হাসান/সেলিম/মোশারফ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৭০০ ঘণ্টা

 

Todays handout (2) (1).docx Todays handout (2) (1).docx

Share with :

Facebook Facebook