তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৬ অক্টোবর ২০১৮

তথ্যবিবরণী ৬ অক্টোবর ২০১৮

তথ্যবিবরণী                                                  নম্বর : ২৭৬৬
 
সরকার সকল সম্প্রদায়ের ধর্মচর্চার সুযোগ সৃষ্টি করেছে
                                         -- প্রতিমন্ত্রী রাঙ্গাঁ
 
গংগাচড়া (রংপুর), ২১ আশ্বিন (৬ অক্টোবর) : 
 
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মোঃ মসিউর রহমান রাঙ্গাঁ বলেছেন, বর্তমান সরকার সকল সম্প্রদায়ের শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মচর্চার সুযোগ সৃষ্টি করতে কাজ করে যাচ্ছে। 
 
প্রতিমন্ত্রী আজ রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার বড়রুপাই জমচওড়া মহিলা মাদ্রাসা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন। 
 
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশে মাদ্রাসা শিক্ষা সম্প্রসারণ ও মানোন্নয়নে ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নসহ শিক্ষার জন্য আধুনিক সুযোগসুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। তিনি বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলী বিকশিত ও দায়িত্ববান সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২০১০ সাল থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্টুডেন্টস কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। বর্তমান সরকারের আমলে মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা আধুনিকায়নসহ গৃহীত কর্মসূচি বাস্তবায়নের ফলে মাদ্রাসা শিক্ষায় অর্জিত সাফল্য দেশে বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে।
 
#
 
আহসান/নাইচ/মোশারফ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/২২০০ ঘণ্টা  
তথ্যবিবরণী                                                  নম্বর : ২৭৬৫
চট্টগ্রামে শেষ হলো জাতীয় উন্নয়ন মেলা
চট্টগ্রাম, ২১ আশ্বিন (৬ অক্টোবর) : 
ব্যাপক জনসমাগমের মাধ্যমে সরকারের বিগত দশ বছরের উন্নয়ন চিত্র দর্শন, সরকারি বিভাগসমূহের সেবা প্রদান পদ্ধতি সরেজমিনে পরিদর্শন ও বিভিন্ন স্টলে সেবা গ্রহণের মধ্য দিয়ে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে আজ সমাপ্ত হয়েছে তিন দিনব্যাপী চতুর্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলা। 
বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আবদুল মান্নান সমাপন ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। 
বিভাগীয় কমিশনার তার বক্তৃতায় সরকারের বিগত দশ বছরের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, উন্নয়নের অগ্রগতি ও সেবার বার্তা জনসাধারণের নিকট পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই উন্নয়ন মেলা। মেলার মাধ্যমে জনগণ উন্নয়ন চিত্র দেখতে পেয়েছে। তিনি বলেন, আমরা মহাকাশ, সমুদ্র, ক্রীড়াঙ্গন জয় করেছি। অদম্য অভিযাত্রায় অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছি। কোনো অপশক্তি আমাদের পেছনে নিতে পারবে না। তিনি আরো বলেন, উন্নয়ন চিত্র প্রদর্শনী শেষ হয়েছে, উন্নয়ন বন্ধ হয়নি।  উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে। 
আজ সমাপনী দিনে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করা হয়। “সাজ-সজ্জা ও নান্দনিক উপস্থাপনা” ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড চট্টগ্রাম ও “সেবা প্রদানকারী সেরা বিভাগ ও দপ্তর” ক্যাটাগরিতে জেলা জনশক্তি ও কর্মসংস্থান অফিস, চট্টগ্রাম সেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করে। বিশেষ ক্যাটাগরিতে সেরা হয় কর্ণফুলী টানেল প্রকল্প।
উন্নয়ন মেলায় এবার ১৭০টি স্টল স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে সরকারি ১৬০টি ও বেসরকারি ১০টি। সরাসরি সেবা প্রদানকারী স্টল ছিল ১২০টি। মেলায় জেলা প্রশাসন, জেলা ও মেট্রো পুলিশ, কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস, পাসপোর্ট অধিদপ্তর, বিআরটিএ, সিটি কর্পোরেশন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, তথ্য মন্ত্রণালয়ের সকল দপ্তর, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তর, গণপূর্ত বিভাগ, ওয়াসা, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ, বন বিভাগসহ সরকারি সবকটি দপ্তর ও বেশ কয়েকটি এনজিও তাদের সেবা প্রদান চিত্র তুলে ধরেন।
মেলায় প্রতিদিন ব্যাপক জনসমাগম হয়েছে। গত তিন দিনে প্রায় ২ লাখেরও বেশি দর্শণার্থী মেলা ভিজিট করেছে। মেলায় প্রতিদিন বিষয়ভিত্তিক আলোচনা ও শিক্ষার্থীদের জন্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী মেলায় এসেছে। এছাড়া মেলায় প্রতিদিন মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। 
#
সাইফুল/নাইচ/মোশারফ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/২০২০ ঘণ্টা  
তথ্যবিবরণী                                                  নম্বর : ২৭৬৪
 
শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বেই সম্ভব হয়েছে ব্যাপক উন্নয়ন
                                                  -- ভূমিমন্ত্রী
 
ঈশ^রদী (পাবনা), ২১ আশ্বিন (৬ অক্টোবর) : 
 
ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বের কারণেই দেশব্যাপী ব্যাপক উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, একসময় বাংলাদেশের বাজেট শুরু হয়েছিল ৭০০ কোটি টাকায়। আজ একটি উপজেলা শহর ঈশ^রদীতেই ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।  এছাড়া পদ্মা সেতুও বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত হচ্ছে। দেশের উন্নয়নের মাপকাঠি এ দুটো দিয়েই হিসাব করলে জানা যায়। এছাড়া বেজা, ইপিজেড, নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল, সামাজিক বনায়ন, ইকো পার্ক, ফ্লাইওভার, চার লেন সড়ক, ৩০০ ফিট রাস্তা এসবতো আছেই। 
 
মন্ত্রী আজ পাবনার ঈশ^রদী উপজেলা চত্বরে আয়োজিত চতুর্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলা ২০১৮ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। 
 
ভূমিমন্ত্রী আরো বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বাংলাদেশের মাথাপিছু আয়, শিক্ষার হার, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, কমিউনিটি ক্লিনিক ও মানসিক স্বাস্থ্য, আশ্রয়ণ প্রকল্প, বিনিয়োগ বিকাশ, একটি বাড়ি একটি খামার, নারীর ক্ষমতায়ন, ডিজিটাল বাংলাদেশ, পরিবেশ সুরক্ষা প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নয়নের চিত্রও দেশব্যাপী তুলে ধরা হলো এ চতুর্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলায়। 
 
মন্ত্রী ঈশ^রদী উন্নয়ন মেলায় অংশ নেওয়া ৬২টি স্টল থেকে ৯টি স্টল নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান নির্বাচন করে তাদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। 
 
#
 
রেজুয়ান/নাইচ/মোশারফ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/২১২০ ঘণ্টা  
তথ্যবিবরণী                                                  নম্বর : ২৭৬৩
 
রাজশাহীতে উন্নয়ন মেলার সমাপনী
 
রাজশাহী, ২১ আশ্বিন (৬ অক্টোবর) : 
 
সারাদেশের ন্যায় রাজশাহীতেও তিন দিনব্যাপী ৪র্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলা ৪ অক্টোবর থেকে  শুরু হয়ে আজ সফলভাবে  শেষ হয়েছে। রাজশাহী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রাজশাহী কলেজ মাঠে এ মেলার আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৪ অক্টোবর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশব্যাপী ৪র্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলার  উদ্বোধন করেন। পরে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন মেলার উদ্বোধন করেন।
 
মেলায় রাজশাহীর আঞ্চলিক তথ্য অফিসের স্টলসহ ২শ’র বেশি বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন বিষয়ক স্টল স্থান পায়।  মেলার শেষ দিনেও প্রতিটি স্টলে অসংখ্য মানুষের  উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। মেলায় নির্বাচন কমিশন অফিস, ভূমি অফিস, বিদ্যুৎ অফিস, পাসপোর্ট অফিসসহ অসংখ্য সেবামূলক অফিস তাৎক্ষণিকভাবে জনগণের মাঝে সেবা প্রদান করেছে। মেলায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে সরকারের সফলতা বিষয়ক রিয়েলিটি শো প্রদর্শন এবং মুক্তিযুদ্ধ ও সরকারের সফলতাকে উপজীব্য করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
 
রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার মোঃ নূর-উর-রহমান উন্নয়ন মেলায় বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুুরস্কার তুলে দেন। এ সময় এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক কেএম আব্দুস সালাম, রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 
 
#
 
হালিম/সেলিম/মোশারফ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/২০২০ ঘণ্টা  
তথ্যবিবরণী                                                  নম্বর : ২৭৬২
 
খুলনায়  উন্নয়ন মেলার সমাপনী 
 
খুলনা, ২১ আশ্বিন (৬ অক্টোবর) :  
 
উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় অপ্রতিরোধ্য বাংলাদেশকে সবার সামনে তুলে ধরতে খুলনা জেলা প্রশাসন আয়োজিত তিন দিনব্যাপী চতুর্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলার সমাপনী অনুষ্ঠান আজ সার্কিট হাউজ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।
 
উন্নয়ন মেলায় বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি দপ্তরের ১৫৬টি স্টল ছিল। মেলার আনন্দঘন পরিবেশে সরকারি বেসরকারি দপ্তরসমূহ তাদের উন্নয়ন ভাবনা সবার কাছে তুলে ধরার সুযোগ পায়। দপ্তরগুলো স্টলে তাদের জনবান্ধব সেবা নিয়ে হাজির হয়। এতে এমডিজি বাস্তবায়নে সরকারের সাফল্য, এসডিজি অর্জনে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ১০ উদ্যোগ সম্পর্কে সাধারণ মানুষ জানার সুযোগ পেয়েছে। তাৎক্ষণিক সেবা প্রদান ও বিভিন্ন অভিযোগের ত্বরিত সমাধানের মাধ্যমে সরকারি দপ্তরের প্রতি অংশীজনের আস্থা দৃঢ়তর হয়েছে। 
 
মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মদ মিজানুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ নতুন অগ্রযাত্রায় ধাবমান। সেবা প্রদানের জন্য দপ্তরগুলোই এখন গ্রাহকের কাছে যায়। বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে দালালের কোনো দৌরাত্ম্য নেই। মেলায় বিদ্যুৎ অফিসের স্টলে সংযোগ ফি জমা দিলেই ঘরে বসছে বিদ্যুতের নতুন মিটার। তিনি বলেন, মেলার স্টল থেকে সরকারি-বেসরকারি দপ্তরগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেবা দেওয়াতে সেবা প্রত্যাশী মানুষের মধ্যে সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সন্দেহ ক্রমেই দূরীভূত হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, খুলনার মানুষ অল্পতেই তুষ্ট। প্রধানমন্ত্রীর অবদান পদ্মাসেতুর নির্মাণ কাজ এখন সমাপ্তির পথে। এতে দক্ষিণাঞ্চলের সাথে ঢাকার যোগাযোগ সহজতর হবে, বদলে যাবে খুলনা। 
 
অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি মেলার বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ছাত্রছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।
 
#
 
জিনাত/সেলিম/মোশারফ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/২০০০ ঘণ্টা  
তথ্যবিবরণী                                                  নম্বর : ২৭৬১
 
বাংলাদেশ দ্রুত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে
                                  -- বাণিজ্যমন্ত্রী
 
ভালুকা (ময়মনসিংহ), ২১ আশ্বিন (৬ অক্টোবর) : 
 
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ দ্রুত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ স্বাধীন করে গেছেন, আজ তাঁর কন্যা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার জন্য সফলভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হচ্ছে। প্রথম ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করেছে। এক সময় যারা বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি এবং বিশে^র দরিদ্র দেশের মডেল বলেছেন, আজ তারাই বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোলমডেল বলেছেন। 
 
বাণিজ্যমন্ত্রী আজ  ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলায় এনভয় টেক্সটাইলস লিমিটেডের নবনির্মিত অডিও ভিস্যুয়াল সেন্টার উদ্বোধন করে বক্তৃতা প্রদানের সময় এসব কথা বলেন।
 
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাণিজ্য এবং শ্রমিকবান্ধব। তার প্রতিফলন ঘটেছে এই এনভয় টেক্সটাইলস ফ্যাক্টরিতে। এ অত্যাধুনিক ফ্যাক্টরিতে শ্রমিকরা শ্রমবান্ধব পরিবেশে কাজ করছে। মাসের বেতন মাসেই পাচ্ছেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সবধরনের সুবিধা পেয়ে শ্রমিকরা খুশি। এই বাংলাদেশই তো জাতির পিতা দেখতে চেয়েছিলেন। এনভয় টেক্সটাইলস মিলে উৎপাদিত ডেনিম ফেব্রিক্স বিশ^ সেরা। ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল এ প্রতিষ্ঠানকে লিড প্লাটিনিয়াম সার্টিফিকেট প্রদান করেছে।
 
এনভয় গ্রুপের চেয়ারম্যান কুতুব উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আবুল কাশেম মোঃ শিরিন, ভোলা জেলার আওয়ামী লীগ নেতা মঈনুল হোসেন বিপ্লব এবং এনভয় গ্রুপের পরিচালক তানভির আহমেদ।
 
#
 
বকসী/সেলিম/মোশারফ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/২০০০ ঘণ্টা  
তথ্যবিবরণী                                                  নম্বর : ২৭৬০
সরকার দেশের কৃষকদের ঋণের বোঝা হতে মুক্তি দিয়েছে 
                                               -- কৃষিমন্ত্রী
ঢাকা, ২১ আশ্বিন (৬ অক্টোবর) : 
কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, কৃষক ও কৃষির উন্নয়নে বঙ্গবন্ধু যে স্বপ্ন দেখেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার সে স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। সরকার দেশের কৃষকদের ঋণের বোঝা হতে মুক্তি দিয়েছে। এখন কৃষকরা সময়মতো সার পাচ্ছে, ফসলের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে। সরকারের সামগ্রিক উন্নয়ন কর্মকা-ের জন্য আজ সারাবিশ্ব প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাচ্ছে। 
মন্ত্রী আজ রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বাণিজ্য মেলার মাঠে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ৪র্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলা ২০১৮-এর সমাপনী, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। 
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকায় কৃষকরা ১০ টাকার বিনিময়ে ৯ লাখ ৭৩ হাজার ১শ’ ৬৮টি ব্যাংক হিসাব খুলেছে। সরকার কৃষকদের ব্যাংক ঋণ দিচ্ছে। কৃষিসেবা এখন অনলাইনেই পাওয়া যাচ্ছে। মন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের দেশের বিজ্ঞানীরা পাটের জীবন রহস্য উন্মোচন করেছেন। সরকার দেশকে আজ জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলায় রূপান্তরের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। 
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সরকারি অফিসে সেবা প্রদানের মানসিকতা তৈরির আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু সাতশত কোটি টাকা দিয়ে যে বাজেটের যাত্রা শুরু করেছিলেন তা বর্তমানে ৬০ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। উন্নয়ন মেলা মূলত সরকারি অফিসের সেবা ও সেবার মান বৃদ্ধিতে জনগণকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যেই আয়োজিত বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, ৪র্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলা তরুণদের জন্য। তিনি আরো বলেন, আমরা এখন সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখি। 
মেলায় মন্ত্রণালয়ভিত্তিক স্টল হিসেবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ১ম, কারিগারি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ ২য় এবং কৃষি মন্ত্রণালয় ৩য় পুরস্কার লাভ করে। সংখ্যা পর্যায়ের স্টলে ঢাকা বিদ্যুৎ বিতরণ কর্তৃপক্ষ ১ম, জুই ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন ২য় এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনী ৩য় পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া জেলা ব্র্যান্ডিং ক্যাটাগরিতে ঢাকা, ফরিদপুর, চাঁদপুর, জামালপুর ও বান্দরবান জেলা পুরস্কার পায়। 
ঢাকা বিভাগের কমিশনার কে এম আলী আজমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মোঃ নজিবুর রহমানসহ মেলায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী। 
#
 
খাদীজা/সেলিম/সঞ্জীব/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৮০০ ঘণ্টা  
তথ্যবিবরণী                                                  নম্বর : ২৭৫৯
 
ফরিদপুরে শেষ হল ‘এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’
 
ফরিদপুর, ২১ আশ্বিন (৬ অক্টোবর) : 
 
ফরিদপুরে গতকাল সফলভাবে শেষ হয়েছে দু’দিনব্যাপী আউটরিচ প্রোগ্রাম ‘এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’। তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন গণযোগাযোগ অধিদপ্তর ‘গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে প্রচার কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ’ প্রকল্পের আওতায় ‘এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’ নামে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে। 
 
জেলার ভাঙ্গা, সদরপুর, নগরকান্দা, সালথা, বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা এবং মধুখালী ও সদর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে গুরুত্বপূর্ণ ও জনসমাগমস্থলে ফরিদপুর জেলা তথ্য অফিস এ কার্যক্রম পরিচালনা করে। 
 
এতে প্রধানমন্ত্রীর ১০টি বিশেষ উদ্যোগ- একটি বাড়ি একটি খামার, আশ্রয়ণ, ডিজিটাল বাংলাদেশ, শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচি, নারীর ক্ষমতায়ন, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ , কমিউনিটি ক্লিনিক, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, বিনিয়োগ বিকাশ ও পরিবেশ সুরক্ষা এবং মাদক  ও বাল্য বিবাহের ওপর নির্মিত চলচ্চিত্র, টিভিসি এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয় । এ কার্যক্রমে স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।
 
#
 
জাকির/সেলিম/পারভেজ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৮৪০ ঘণ্টা   
 
তথ্যবিবরণী                                                        নম্বর :  ২৭৫৮
ডিজিটাল শিল্প বিপ্লবে বাংলাদেশ  বৈশ্বিক নেতৃত্বের  জায়গায়  পৌঁছেছে
                                                                         -- মোস্তাফা  জব্বার
ঢাকা, ২১ আশ্বিন (৬ অক্টোবর) : 
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ডিজিটাল শিল্প বিপ্লবে  বিশ্বে  নেতৃত্ব দেওয়ার জায়গায় পৌঁছেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ বিশ্বের  ৮০টি দেশে  সফটওয়্যার রপ্তানি করছে। নেপাল ও  নাইজেরিয়ায় কম্পিউটার ও ল্যাপটপ রপ্তানি হচ্ছে। তিনি ডিজিটাল শিল্প বিপ্লবের  বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায়  ঔপনিবেশিক  শিক্ষা  ব্যবস্থার পরিবর্তন করে  নতুন  প্রজন্মকে  উন্নয়নমুখী শিক্ষায় শিক্ষিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। 
মন্ত্রী  আজ ঢাকায় ৪র্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলা ২০১৮ উপলক্ষে  ঢাকা জেলা প্রশাসন  আয়োজিত  ‘শিক্ষিত  জাতি সমৃদ্ধ দেশ -শেখ হাসিনার  বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে  প্রধান  অতিথির  বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
ঢাকার জেলা প্রশাসক আবু  ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান  অধ্যাপক আবদুল মান্নান মূলপ্রবন্ধ  উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর  কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল  হাসান এবং শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ বক্তৃতা করেন। 
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, আমাদের নতুন প্রজন্ম অত্যন্ত মেধাবী। নতুন প্রজন্মের বিপুল সম্ভাবনাময় প্রতিভাকে কাজে লাগাতে হবে। চলমান ডিজিটাল শিল্প বিপ্লবকে গতিশীল করতে না পারলে বিশাল জনসম্পদ আগামী দিনের বিস্ময়কর ডিজিটাল প্রযুক্তি  আইওটি, রোবটিক, বিগডাটা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কিংবা ৫জি‘র কারণে কর্মবিমুখ হয়ে পড়বে।
শিক্ষা ছাড়া উন্নত জাতি গঠন করা যায় না, এই উপলব্ধি থেকেই যুদ্ধের  ধ্বংস স্তুপে দাঁড়িয়েও  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রাথমিক শিক্ষাকে জাতীয়করণ করেছিলেন। অত্যন্ত দূরদৃষ্টি সম্পন্ন এই মহান রাষ্ট্রনায়ক ১৯৭৩ সালে  আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নে বাংলাদেশের সদস্যপদ অর্জন করেছিলেন এবং ১৯৭৫ সালের  ১৪ জুন  বহির্বিশ্বের  সাথে বাংলাদেশের  কানেক্টিভিটি  স্থাপনে বেতবুনিয়ায়  ভূউপগ্রহ  কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দেশ  উল্টো পথে ধাবিত হয়েছিল। যে সকল পরাশক্তি  আমাদের  মুক্তিযুদ্ধ  সমর্থন করেনি তারা ’৭৫ পরবর্তী  স্বৈরাচারকে সমর্থন দেয়। তিনি বলেন,  বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার  ইতিহাস প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৫ বছরের  শাসনামলেই  হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ  বাস্তবায়নে ১৯৯৬ সাল থেকে  ২০০১ সালে  বৈপ্লবিক যাত্রা শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার মোবাইলের মনোপলি ব্যবসা বন্ধ করেন  এবং কম্পিউটারের  ওপর থেকে  ভ্যাট ট্যাক্স প্রত্যাহার করে কম্পিউটার সামগ্রী সাধারণের  ক্রয় ক্ষমতার নাগালে  রাখেন।
মোস্তাফা  জব্বার  ডিজিটাল  শিক্ষা  সম্প্রসারণের  আবশ্যকতা  তুলে  ধরে  বলেন, মোট জনসংখ্যার ৬৫ শতাংশই তরুণ।  এ বিশাল  জনগোষ্ঠীকে  জনসম্পদে  পরিণত করতে পারলে  বিশেষ করে ডিজিটাল শিক্ষায়  শিক্ষিত  করতে পারলে  বাংলাদেশের  অগ্রগতি থামানো যাবে না। 
#
 
শেফায়েত/সেলিম/পারভেজ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৮২০ ঘণ্টা   
তথ্যবিবরণী                                                  নম্বর : ২৭৫৭
 
সরকার দরিদ্র জনগণকে স্বাবলম্বী করতে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে
                                       -- জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
 
কেশবপুর (যশোর), ২১ আশ্বিন (৬ অক্টোবর) : 
 
সরকার দরিদ্র জনগণকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে ‘একটি বাড়ি, একটি খামার' প্রকল্পের মতো  একান্ত মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করে। দরিদ্র মানুষকে উচ্চ সুদের ক্ষুদ্র ঋণ থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ প্রকল্প গ্রহণ করেন।
 
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক আজ যশোরের কেশবপুরে আবু শারাফ সাদেক অডিটোরিয়ামে একটি বাড়ি, একটি খামার প্রকল্প ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ঋণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।
 
কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব আকবর হোসেন।
 
প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সহায়তায় সদস্যরা যেমন নিজেদের ভাগ্য বদলাচ্ছেন, তেমনি দেশের উন্নয়নেও মূল্যবান ভূমিকা রাখছেন। এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। প্রত্যেকটি বাড়িকে আদর্শ খামারে পরিণত করতে হবে।
 
প্রতিমন্ত্রী সময়মত ঋণ পরিশোধ করে আরো বেশি পরিমাণ ঋণ নিয়ে এ প্রকল্পের  সুযোগের পূর্ণ ও সঠিক ব্যবহার করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য সমিতির সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান।
 
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের আওতায় কেশবপুর উপজেলায় এ পর্যন্ত ১৭৩টি গ্রাম সমিতি গঠিত হয়েছে যার সদস্য সংখ্যা ৯ হাজার ১৮০টি দরিদ্র পরিবার। এ সকল দরিদ্র মানুষের সঞ্চয়ের পরিমাণ ৪ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। সেই সাথে সরকারি অনুদান যোগ হয়ে মোট তহবিলের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। সদস্যরা সমিতির তহবিল হতে ঋণ নিয়ে ১৩ হাজার ৭৬১টি আয় বর্ধক পারিবারিক খামার সৃজন করেছেন যার মোট মূল্য ২২ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।
 
অনুষ্ঠানে প্রকল্পের সফল ১০০ জন সদস্যকে মোট ৫০ লাখ টাকা ঋণ প্রদান করা হয়।
#
 
মাসুম/সেলিম/পারভেজ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৭৪৫ ঘণ্টা   
Todays handout (4).docx Todays handout (4).docx

Share with :

Facebook Facebook