তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১০ অক্টোবর ২০১৮

তথ্যবিবরণী 10/10/2018

তথ্যবিবরণী                                                            নম্বর : ২৮০২
 
সরকার শিক্ষার মানোন্নয়নকে গুরুত্ব দিচ্ছে
          -- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী
 
মাগুরা, ২৫ আশ্বিন (১০ অক্টোবর) : 
 
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদেরকে দেশে-বিদেশে বিভিন্ন ধরনের বিভিন্ন মেয়াদি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের  সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত সহ সকল শিক্ষকের বেতন বাড়ানো হয়েছে। স্বচ্ছতার সাথে যোগ্য শিক্ষক  নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এখন শিক্ষকরা সততা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করলে মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।      
 
মন্ত্রী আজ মাগুরা পি টি আই মিলনায়তনে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে প্রশিক্ষণার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা  করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম-আল-হোসেন, অতিরিক্ত সচিব ড. তরুণ কান্তি সিকদার এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল।
      
মন্ত্রী বলেন, সরকার মায়েদেরকে উদ্বুদ্ধ করে দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরকে মায়েদের হাতে রান্না করা দুপুরের খাবার পরিবেশন করার ব্যবস্থা করেছে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা স¦াস্থ্যসম্মত সুষম খাবার  খেতে পারছে। তিনি এ উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
 
#
 
রবীন্দ্র/মাহমুদ/সঞ্জীব/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/২২০০ ঘণ্টা   
তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ২৮০১
 
ব্যবসা-বাণিজ্য-কলকারখানায় ডিজিটাল রূপান্তর অনিবার্য
                                      --- মোস্তাফা জব্বার
ঢাকা, ২৫ আশ্বিন (১০ অক্টোবর) :
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ব্যবসা-বাণিজ্য-কলকারখানায়  ডিজিটাল রূপান্তর অনিবার্য। ডিজিটাল বাণিজ্যের দ্রুত প্রসারের ফলে শো-রুমভিত্তিক বাণিজ্য অতীতের বিষয় হিসেবে পরিলক্ষিত হবে।
মন্ত্রী আজ ঢাকায় বাংলাদেশ ডাক অধিদপ্তরের সদর দপ্তরে  ই-ক্যাবের সহযোগিতায় ৬৪টি জেলা পোস্ট অফিসের ডিজিটাল কমার্স সেবা ই-পোস্ট  চালু উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায়  এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ই-কমার্স নামে কোনো কিছু বিকশিত হবে গত তিন বছর আগেও তা ছিল কল্পনার বাইরে। সাধারণ মানুষের  সাথে ই-কমার্সের  সম্পৃক্ত  হওয়ার বিষয়টিও ছিল অচিন্তনীয়। তিনি  ই- কমার্সের বিকাশে ট্রেড বডিসমূহের  অবদান তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে। তাঁর তিন মেয়াদে ১৫ বছরের শাসনকালে ডিজিটাল শিল্প বিপ্লবের অগ্রযাত্রা জাতির বিস্ময়কর এক অর্জন। তিনি দেশের তৃণমূল পর্যন্ত ডাক বিভাগের  সুবিস্তৃত  অবকাঠামো কাজে লাগাতে ডাক অধিদপ্তর আধুনিকায়নের আবশ্যকতার  ব্যাখ্যা  করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর  দিকনির্দেশনায় ডাক বিভাগের  দুর্বল জায়গাগুলো অতিক্রম  করার কাজ শুরু হয়েছে। ডাককে  ডিজিটাল ডাকে  রূপান্তর করা সময়ের ব্যাপার মাত্র। তিনি ডাক অধিদপ্তরকে ডিজিটাল ডাকে রূপান্তর করা জন্য এর সাথে সম্পৃক্ত জনবলকে উপযোগী করে তৈরি করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মন্ত্রী দেশে ডিজিটাল অবকাঠামো সম্প্রসারণে গৃহীত কর্মসূচির বর্ণনা দিয়ে বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে এমন কোনো বাড়ি থাকবে না যেখানে দ্রুতগতির ইন্টারনেট পৌঁছাবে না। ২০২১ সালের  মধ্যে  বাংলাদেশ  ৫জি যুগে পৃথিবীর  অন্যান্য দেশের সাথে সমান্তরালে প্রবেশ করবে। সরকার সে লক্ষ্যে কাজ করছে।
ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সুশান্ত কুমার ম-লের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার, ই-ক্যাব সভাপতি শমী কায়সার এবং সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল ওয়াহেদ তমাল বক্তৃতা করেন।
#
শেফায়েত/মাহমুদ/রফিকুল/জয়নুল/২০১৮/২০৫০ঘণ্টা  
তথ্যবিবরণী                                                            নম্বর : ২৮০০
 
সরকারি ক্রয়ে সক্ষমতা ও পেশাদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে 
সিপিটিইউ ও আইটিসি (আইএলও) এর মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর
 
ঢাকা, ২৫ আশ্বিন (১০ অক্টোবর) : 
 
সরকারি ক্রয়ে সক্ষমতা ও পেশাদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যাপকভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট (সিপিটিইউ) এবং ইতালির তুরিনে অবস্থিত আইএলও-এর আন্তর্জাতিক ট্রেনিং সেন্টার (আইটিসি)-এর মধ্যে আজ ঢাকার আগারগাঁওয়ে এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সিপিটিইউ মহাপরিচালক মোঃ ফারুক হোসেন ও আইটিসি আইএলও-এর টেকসই উন্নয়ন কর্মসূচির ব্যবস্থাপক রাফ ক্রজার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় সিপিটিইউ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ডাইমেপ প্রকল্পের আওতায় স্বাক্ষরিত এ চুক্তির মেয়াদ ৩০ জুন ২০২২ পর্যন্ত। চুক্তির মূল্য  ১০০ কোটি ৮৬ লাখ ৫২ হাজার ৫শত ৮০ টাকা। ডাইমেপ প্রকল্পের চারটি কম্পোনেন্টের মধ্যে সক্ষমতা ও পেশাদারিত্ব বৃদ্ধি চুক্তির অন্যতম লক্ষ্য। এর আওতায় প্রায় ১১ হাজার কর্মকর্তা ও ক্রয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ প্রশিক্ষণ লাভ করবেন। চুক্তি বাস্তবায়নে আইএলও-এর আন্তর্জাতিক ট্রেনিং সেন্টারের সঙ্গে মনোনীত সাব-কনসালটেন্ট হিসেবে কাজ করবে ইঞ্জিনিয়ার স্টাফ কলেজ বাংলাদেশ (ইএসসিবি)।
 
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, স্বাক্ষরিত এ চুক্তির আওতায় সরকারি কর্মকর্তা, দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তা, দরদাতা, সাংবাদিক, স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও অন্যান্য সংশ্লিষ্টদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে সরকারি ক্রয় বিষয়ে বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। সরকারি ক্রয়ে প্রশিক্ষণ প্রদানের ক্ষেত্রে দক্ষতার জন্য আইটিসিআইএলও সারাবিশ্বে বিশেষভাবে পরিচিত। ২০০২ এ সিপিটিইউ প্রতিষ্ঠা এবং পরবর্তী সরকারি ক্রয়ে যে সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে সেখানেও আইটিসিআইএলও তার পরামর্শ সেবা প্রদান করেছে। সরকারি ক্রয়ে পেশাদারিত্ব সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভিন্ন ধরণের পেশাদার তৈরির প্রশিক্ষণও এতে অন্তর্ভুক্ত। 
 
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সচিব মোঃ মফিজুল ইসলাম। বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর সেরিন জুমা সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। 
#
 
তৌহিদুল/মাহমুদ/সঞ্জীব/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/২০০০ ঘণ্টা   
তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ২৭৯৯
 
সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য লালমাটিয়ায় ৮৮টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হচ্ছে 
ঢাকা, ২৫ আশ্বিন (১০ অক্টোবর) :
সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ লালমাটিয়ায় ৮৮টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করছে। এর মধ্যে ৪১টি ফ্ল্যাট জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা এবং ৪৭টি ফ্ল্যাট অন্যান্য কর্মকর্তাদের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ফ্ল্যাটের প্রতি বর্গফুটের মূল্য ধরা হয়েছে পাঁচ হাজার ৭০০ টাকা। ৩৬টি ফ্ল্যাটের আয়তন ১৮৫৪ বর্গফুট এবং মূল্য এক কোটি পাঁচ লাখ ৬৭ হাজার ৮০০ টাকা। অপর ৫২টির আয়তন ১৬৮৫ বর্গফুট এবং মূল্য ধরা হয়েছে ৯৬ লাখ চার হাজার ৫০০ টাকা। 
আজ এসব ফ্ল্যাটের নির্মাণ কাজের ভিত্তিফলক উন্মোচন করা হয়। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে এ ভিত্তিফলক উন্মোচন করেন। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে সরকার আবাসন নির্মাণের ব্যাপক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এসব সংস্থা সাধারণ জনগণের জন্যও ফ্ল্যাট নির্মাণ করছে। এছাড়া, সরকারি কর্মকর্তাদের বসবাসের জন্য কোয়ার্টার্সও নির্মাণ করা হচ্ছে। সবার জন্য আবাসন সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার অংশ হিসেবেই এসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। 
মন্ত্রী বলেন, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ মিরপুরের সাধারণ নাগরিকদের জন্য দুই হাজার ছয়শত ফ্ল্যাট নির্মাণ করছে। দেশের ৩৭ টি উপজেলায় পরিকল্পিত আবাসিক এলাকা গড়ে তুলে সাধারণ মানুষের কাছে প্লট বিক্রি করা হয়েছে। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রায় পাঁচ হাজার ফ্ল্যাট নির্মাণ করে সাধারণ জনগণের মধ্যে বিক্রি করা হয়েছে। উত্তরা ১৮ নম্বরে রাজউক ছয় হাজার ৬৩৬টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করেছে। এ মাসের শেষে এসব ফø্যাটের উদ্বোধন করা হবে। এটি হবে দেশের প্রথম পরিকল্পিত আবাসিক এলাকা। এখানে আরো আট হাজার ৪০০টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। এছাড়া ঝিলমিল আবাসিক এলাকায় রাজউকের তত্ত্বাবধানে ১৪ হাজার ৪০০টি ফ্ল্যাট নির্মাণের কাজ চলছে। পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে আরো প্রায় ৭০ হাজার ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। এসব ফ্ল্যাট নি¤œ ও মধ্যবিত্তদের মধ্যে বিক্রি করা হবে। কম জমিতে অধিক লোকের বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে সরকার ফ্ল্যাট নির্মাণের প্রতি গুরুত্ব প্রদান করছে।
জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোঃ রশিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মোঃ শহীদ উল্লা খন্দকার, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশলী) ফজলুল কবীর ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান মিজান। 
এর আগে মন্ত্রী প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন এবং ভিত্তিফলক উন্মোচন করেন।
#
কিবরিয়া/মাহমুদ/রফিকুল/জয়নুল/২০১৮/১৯৫০ঘণ্টা   
তথ্যবিবরণী                                                            নম্বর :  ২৭৯৮
 
শিশুরাই দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ
          -- মেহের আফরোজ চুমকি
 
ঢাকা, ২৫ আশ্বিন (১০ অক্টোবর) : 
 
মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বলেছেন, শিশুরাই দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ। দেশের জনসংখ্যার মধ্যে প্রায় ২ কোটি শিশু। তাদের সঠিক ও যথাযথ যতেœর ওপর  নির্ভর করছে দেশের ভবিষ্যৎ। শিশুদের মধ্যে অধিকাংশই কন্যাশিশু। কন্যাশিশুকে অবহেলা করে  উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখা সম্ভব নয়। 
 
প্রতিমন্ত্রী আজ রাজধানীর ইস্কাটনে মহিলা  বিষয়ক  অধিদপ্তরে ‘জাতীয় কন্যা শিশু দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভা ও  পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
 
মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী রওশন আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাছিমা বেগম এনডিসি এবং অতিরিক্ত সচিব মাহমুদা শারমীন বেনু, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের পরিচালক মোঃ আতাউর রহমান, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক শাহনেওয়াজ দিলরুবা প্রমুখ। 
 
নাছিমা বেগম এনডিসি বলেন, ‘দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। নারীকে বাদ দিয়ে  দেশের অগ্রগতি  সম্ভব নয়।  আমরা এগিয়ে যেতে চাই।  সকল প্রতিবন্ধকতাকে পেছনে ফেলে  এগিয়ে যেতে হবে।  সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।’
 
প্রতিমন্ত্রী জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে  আয়োজিত রচনা  প্রতিযোগিতায়  বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। 
 
#
 
খায়ের/ফারহানা/রফিকুল/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৯৪০ ঘণ্টা   
 
তথ্যবিবরণী                                                        নম্বর : ২৭৯৭
গভর্নমেন্ট সিকিউরিটি প্রোগ্রাম বিষয়ে তথ্য ও যোগাযোগ 
প্রযুক্তি বিভাগের সাথে মাইক্রোসফটের চুক্তি 
ঢাকা, ২৫ আশ্বিন (১০ অক্টোবর) : 
জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা এবং সাইবার হুমকি শনাক্ত করতে ‘গভর্নমেন্ট সিকিউরিটি প্রোগ্রাম’ (জিএসপি) বিষয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল এবং মাইক্রোসফটের মধ্যে আজ এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। 
এ চুক্তির অধীনে মাইক্রোসফটের ডিজিটাল ক্রাইম ইউনিট (ডিসিইউ) বাংলাদেশের সাইবার থ্রেট ইন্টেলিজেন্সের কম্পিউটার ইন্সিডেন্স রেসপন্স টিমকে (সিআইআরটি) প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করবে। এছাড়া এ চুক্তির আওতায় তারা বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলকে নিরাপত্তার উদ্বেগগুলো চিহ্নিত করতে এবং বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে আসন্ন ঝুঁকি সম্পর্কে জানতে সহায়তা করবে। পর্যায়ক্রমে এটা জাতীয় নিরাপত্তা শক্তিশালী করতে এবং ই-গভর্নমেন্ট নেটওয়ার্ক ও এ সম্পর্কিত অবকাঠামো সুরক্ষিত করতে সহায়তা করবে যেখানে প্রতিটি মানুষ ও সংস্থা সাইবার হুমকি থেকে মুক্ত থাকবে। 
আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল মিলনায়তন (বিসিসি)-এ জাতীয় ডেটা সেন্টারের পরিচালক তারেক এম বরকতুল্লাহ এবং মাইক্রোসফট ইউএস-এর সিনিয়র পরিচালক ডিসিইউ মার্ক ইস্টবার্গ চুক্তিতে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন। ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং মাইক্রোসফটের সাউথ এশিয়া নিউমার্কেট প্রেসিডেন্ট সুক হুন চিয়াহ, বাংলাদেশ, মিয়ানমার, নেপাল, ভুটান ও লাওসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোনিয়া বশির কবির ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন। 
মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার অনুষ্ঠানে বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণে জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা ও সাইবার হুমকি শনাক্ত করা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে, মাইক্রোসফটের সাথে এ চুক্তি দেশের জাতীয় নিরাপত্তা শক্তিশালীকরণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এছাড়া ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে শিক্ষা সচেতনতা এবং তথ্য পেতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।  
মন্ত্রী বলেন, নিজেদের ব্যক্তিগত তথ্য, রাষ্ট্রীয় তথ্য, সরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে সব বিষয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করেছে। এর ভালো দিক হচ্ছে একটি ডিজিটাল এজেন্সি স্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা তৈরি হবে। তিনি সমগ্র বিশ্বকে ডিজিটাল নিরাপত্তা বিধানে একযোগে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। 
#
শহিদুল/মাহমুদ/সঞ্জীব/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৯৩০ ঘণ্টা   
তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর : ২৭৯৬
 
সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে রিজিওনাল হাব হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে
                                                       --- বিমানমন্ত্রী
 
সৈয়দপুর (নীলফামারী), ২৫ আশ্বিন (১০ অক্টোবর) :
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এ কে এম শাহজাহান কামাল বলেছেন, সৈয়দপুর বিমানবন্দর একদিকে যেমন উত্তরাঞ্চলের এভিয়েশন হাব অন্যদিকে আঞ্চলিক যোগাযোগের ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, নেপাল ও ভুটানের সাথে বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও পর্যটন সম্প্রসারণে এ বন্দর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তাই এ বিমানবন্দরকে রিজিওনাল হাব হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে।
মন্ত্রী আজ সৈয়দপুর বিমানবন্দর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন। মন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের কল্যাণ ও দেশের সমৃদ্ধির জন্য কাজ করে যাচ্ছে। অগ্রগতির এ ধারা অব্যাহত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ ও নীলফামারী জেলা প্রশাসনের ঊধ্বর্তন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
#
মাহবুবুর/ফারহানা/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৮/১৮২০ঘণ্টা  
তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ২৭৯৫
শিল্পমন্ত্রীর সাথে বিএমএএমএ’র নেতাদের বৈঠক
পৃথক মোটর সাইকেল শিল্পপার্ক স্থাপনের দাবি
ঢাকা, ২৫ আশ্বিন (১০ অক্টোবর) : 
দেশের উদীয়মান মোটর সাইকেল শিল্পের টেকসই বিকাশের লক্ষ্যে একটি মোটর সাইকেল শিল্পপার্ক স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন এ শিল্পখাতের উদ্যোক্তারা। তারা বলেন, ইতোমধ্যে বাংলাদেশে পাঁচটিরও বেশি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান মোটর সাইকেল ম্যানুফ্যাকচারিং শুরু করেছে। ফলে দেশে মোটর সাইকেলের মূল্য প্রায় ৫০ শতাংশ কমে এসেছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে কমপক্ষে আরো চারটি প্রতিষ্ঠান মোটর সাইকেল ম্যানুফ্যাকচারিং শুরু করবে বলে তারা উল্লেখ করেন। 
বাংলাদেশ মোটর সাইকেল এসেম্বলারস্ এন্ড ম্যানুফ্যাকচারাস্ এসোসিয়েশনের (বিএমএএমএ) নেতারা আজ শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর সাথে বৈঠককালে এ দাবি জানান। শিল্প মন্ত্রণালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। 
বৈঠকে ভারপ্রাপ্ত শিল্পসচিব মোঃ আবদুল হালিম, বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বেগম পরাগ ও এ এস এম ইমদাদুদ দস্তগীর, বিএমএএমএ’র সভাপতি ও উত্তরা মোটরস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান, বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইউশিরো ইশি (ণঁরপযরৎড় ওংযরর) ও অর্থবিভাগের প্রধান আশিকুর রহমান, টিভিএস অটো বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার রায়, রাসেল ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক শামসুল বাসার, আফতাব অটো মোবাইলস্ লিমিটেডের ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপক শাহাদাত হোসেন মিয়া, স্পিডোস লিমিটেডের (ঝঢ়ববফড়ু খঃফ.) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহদাদুর রহমান এবং এসিআই মটরস্ লিমিটেডের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ এসোসিয়েশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। 
বৈঠকে বিএমএএমএ’র নেতারা মোটর সাইকেল শিল্পের উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘জাতীয় মোটর সাইকেল শিল্প উন্নয়ন নীতি-২০১৮’ প্রণয়নের জন্য শিল্পমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। তারা বলেন, এ নীতি প্রণয়নের ফলে দেশে উদীয়মান শিল্পখাত হিসেবে মোটর সাইকেল শিল্প আত্মপ্রকাশ করেছে। ইতোমধ্যে এ খাতে কয়েক হাজার দক্ষ জনবল সৃষ্টির পাশাপাশি দেড় হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এ শিল্পখাত বিলিয়ন ডলার ইন্ডাস্ট্রিতে পরিণত হবে। তারা এ শিল্পখাতের সুষম বিকাশে মোটর সাইকেল নিবন্ধন খরচ যৌক্তিক পরিমাণে নির্ধারণসহ নীতিমালার কয়েকটি দিক সংশোধনের জন্য শিল্পমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।   
  বৈঠকে শিল্পমন্ত্রী বলেন, দেশে মোটর সাইকেল শিল্প বিকাশের ফলে জনগণের যাতায়াতে সুবিধার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে শিক্ষিত বেকারদের জন্য এ শিল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ অবারিত করেছে। তিনি মোটর সাইকেল সংযোজনের পরিবর্তে ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্পখাতে বিনিয়োগ বাড়াতে উদ্যোক্তাদের পরামর্শ দেন। 
আমির হোসেন আমু বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার জনগণের জন্য সব ধরনের সেবা সহজলভ্য করতে কাজ করে যাচ্ছে। জাতীয় অর্থনীতিতে মোটর সাইকেল শিল্পখাতের গুরুত্ব অনুধাবন করে সরকার ‘জাতীয় মোটর সাইকেল শিল্প উন্নয়ন নীতি-২০১৮’ প্রণয়ন করা হয়েছে। জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ করে নতুন এ শিল্প বিকাশের পথে উদ্ভূত যে কোনো সমস্যার সামাধানে সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভব সব ধরনের নীতি সহায়তা প্রদান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি শিল্প উদ্যোক্তাদেরকে আশ^স্ত করেন।
#
জলিল/মাহমুদ/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৮/১৮১০ঘণ্টা  
তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ২৭৯৪
 
সোহরাওয়াদী মেডিক্যাল কলেজে ভূমিকম্প ও অগ্নিকা- বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত
 
ঢাকা, ২৫ আশ্বিন (১০ অক্টোবর) :
১৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে আজ রাজধানীর সোহরাওয়াদী মেডিক্যাল কলেজে ভূমিকম্প ও অগ্নিকা- বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম মহড়ায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। 
 
অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পরোক্ষভাবে ভূমিকম্প ঝুঁকিতে রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা শহরে পুরাতন ভবন বেশি থাকায় ভূমিকম্প হলে এখানে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হতে পারে। এ উপলব্ধি থেকে সরকার রাজধানীসহ প্রত্যেকটি শহরে ভূমিকম্প ও অগ্নিকান্ড মহড়া করছে। এর থেকে সহায় সম্পদ রক্ষায় সচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।
 
ত্রাণমন্ত্রী আরো বলেন, শহুরে দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার ৩৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবককে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও উদ্ধার সরঞ্জাম দিয়ে প্রস্তুত রেখেছে। ভূমিকম্প ও অগ্নিকা- মোকাবিলায় পরিবার থেকে সচেতন হওয়ার জন্য তিনি আহ্বান জানান।
 
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ শাহ্ কামাল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ এম এ হাশিম, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী আহমদ খান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের পরিচালক (অপারেশন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ নুরুল আনোয়ার প্রমূখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। 
 
 
#
ফারুক/অনসূয়া/সুবর্ণা/শামীম/২০১৮/১৬০২ ঘণ্টা 
 
 
তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ২৭৯৩
 
ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হলো 
                -তথ্যমন্ত্রী 
ঢাকা, ২৫ আশ্বিন (১০ অক্টোবর) :
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচারের রায়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা হত্যা ছিল ইতিহাসের ঘৃণ্য সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক হত্যাকা-। একটি রাজনৈতিক দলকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে এ হামলা হত্যাকা- পরিচালিত হয়েছিল’।
তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, ‘এই ঘৃণ্য হত্যাকা-ের বিচারের মধ্য দিয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হলো’।
#
আকরাম/অনসূয়া/রেজ্জাকুল/শামীম/২০১৮/১৪৩৮ ঘণ্টা 
তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ২৭৯২
 
বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য ৭০ টি ইঞ্জিন কেনার চুক্তিসই
 
ঢাকা, ২৫ আশ্বিন (১০ অক্টোবর) :
বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য ৭০ টি মিটারগেজ লোকোমোটিভ কেনার জন্য আজ রেলভবনে কোরিয়ার নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান হুন্দাই রোটেমের সাথে এক চুক্তিস্বাক্ষরিত হয়।   
বাংলাদেশের পক্ষে প্রকল্প পরিচালক আব্দুল মতিন চৌধুরী এবং হুন্দাই রোটেমের পক্ষে গ্লোবাল রেল হুন্দাই পরিচালক কোয়াং কুন ইউন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় কোম্পানির প্রেসিডেন্ট ও সিইও সিউয়ং ট্যাক কিম উপস্থিত ছিলেন।
চুক্তিস্বাক্ষর অনুষ্ঠানে রেলপথ মন্ত্রী মো. মুজিবুল হক বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ে ইঞ্জিন সংকটে ভুগছে। ৭১ শতাংশ ইঞ্জিনের আয়ুস্কাল শেষ হয়েছে। তারপরেও মেরামত করে কোনরকমে চালাতে হচ্ছে। কাজেই এ চুক্তি রেলওয়ের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইঞ্জিন পাওয়া শুরু করলে অধিক পরিমানে বিভিন্ন রুটে ট্রেন চালানো সম্ভব হবে এবং বেশি করে রাজস্ব আহরণ করা যাবে বলেও মন্ত্রী জানান।
চুক্তি অনুযায়ী ১৮ থেকে ৬০ মাসের মধ্যে সকল ইঞ্জিন সরবরাহ করবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান। টেন্ডারার্স ফাইনান্সের মাধ্যমে এবং বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে এগুলো ক্রয় করা হচ্ছে। বাংলাদেশি টাকায় চুক্তিমূল্য ১ হাজার ৯ শত ৮৬ কোটি ৫৩ লাখ ৪০ হাজার ৬০৮ টাকা। 
বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়েতে ১৭৮ টি মিটারগেজ লোকোমোটিভ রয়েছে যার মধ্যে ১৩৯ টির অর্থনৈতিক  আয়ুষ্কাল (২০ বছর হিসাবে) শেষ হয়ে গেছে। কাজেই দ্রুত এসব ইঞ্জিন প্রতিস্থাপনের জন্য নতুন ইঞ্জিন পাওয়া খুবই দরকার।
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোফাজ্জেল হোসেন, মহাপরিচালক মো. কাজী রফিকুল আলম, নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ চুক্তিস্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
 
#
শরিফুল/অনসূয়া/রেজ্জাকুল/শামীম/২০১৮/১২৪৯ ঘণ্টা  
তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ২৭৯১ 
 
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সুদৃঢ় অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ 
                                                         - মাসুদ বিন মোমেন
নিউইয়র্ক, ১০ অক্টোবর:
 
‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে সুদৃঢ় সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। তাই জনগণের সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে দৃঢ়সংকল্প ও প্রতিশ্রুতির কথাই প্রতিভাত হয়েছে বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিক্রমায়। শক্তিশালী ও টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ, সমগ্রসমাজ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে জনগণকেন্দ্রিক নীতিমালা প্রণয়ন এবং রাজস্ব ও অন্যান্য খাত সংস্কারের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকার বাংলাদেশের এই উন্নয়ন পরিক্রমা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে সুনিপুণ দক্ষতায়’। ৮ অক্টোবর জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ৭৩ তম সাধারণ পরিষদের আওতাধীন দ্বিতীয় কমিটির সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে একথা বলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন।
বাংলাদেশের অর্থনীতি বিশ্বের ৪৩তম একথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, জিডিপি’র প্রবৃদ্ধির হার ৭.৮৬%, দারিদ্র্য সীমা ২১.৪% এবং অতি-দারিদ্র্য সীমা ১১.৩%। তার বক্তৃতায় উঠে আসে ১০ মিলিয়ন কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশের ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত, ৯০% জনগণকে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনা, ৯৯% জনগণ পয়নিষ্কাশন ও ৮৮% জনগণের নিরাপদ পানি প্রাপ্তি, জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানো, উন্নয়নের বাহন হিসেবে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নসহ শেখ হাসিনা সরকার গৃহীত বিভিন্ন যুগান্তকারী পদক্ষেপের কথা।
মাসুদ তাঁর বক্তৃতায় বাংলাদেশে বাস্তবায়িত বিভিন্ন মেগা প্রকল্পসমূহ যেমন বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপন, রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন এবং বাস্তবায়নাধীন পদ্মা বহুমূখী সেতু প্রকল্পের কথা উল্লেখ করেন। তিনি আরো বলেন, রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে এবং রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার।
 এই উন্নয়ন অগ্রযাত্রার চ্যালেঞ্জ বিশেষ করে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘসহ উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও অংশীদারদের সহযোগিতা বৃদ্ধি ও তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত মাসুদ।
#
অনসূয়া/রেজ্জাকুল/শামীম/২০১৮/১১৩০ ঘণ্টা 
 
Todays handout (8).docx Todays handout (8).docx

Share with :

Facebook Facebook