তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৫ জুলাই ২০১৮

তথ্যবিবরণী ৫ জুলাই ২০১৮

তথ্যবিবরণী                                                                                  নম্বর : ১৮৮৭

শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তর এসডিজির মূলভিত্তি হিসেবে কাজ করবে
                                               -- মোস্তাফা জব্বার
ঢাকা, ২১ আষাঢ় (৫ জুলাই)ঃ

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, এসডিজি’র লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তর অপরিহার্য। ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সৃষ্ট মেধার বাণিজ্যিকীকরণ করতে পারলে ২০৩০ সাল নাগাদ এসডিজির মূলভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

মন্ত্রী আজ ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এসডিজি বাস্তবায়ন পর্যালোচনা বিষয়ক জাতীয় সম্মেলনের প্যারালাল সেশন-২ এ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। অনুষ্ঠানে এ টু আই প্রোগ্রামের পলিসি এডভাইজার আনিস চৌধুরী বক্তৃতা করেন।

মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য ডিজিটাল কানেকটিভিটি দরকার। আগামী ৩ বছরের মধ্যে  দেশের প্রতিটি মানুষ ডিজিটাল কানেকটিভিটির আওতায় আসবে। তিনি  মেধা বাণিজ্যিকীকরণে মেধাস¦ত্ব অধিকার নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্যারালাল সেশন-২ অনুষ্ঠানে ডাক. টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং তথ্য মন্ত্রণালয় বিষয়ে পর্যালোচনা হয়। তথ্য সচিব আবদুল মালেক, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার এবং আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মামুনুর রশীদ নিজ নিজ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের  অধীন অধিদপ্তর ও সংস্থার এসডিজি বিষয়ক বিস্তারিত তথ্য উপাত্ত তুলে ধরেন এবং এসডিজি বাস্তবায়নে মতামত প্রদান করেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট  মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অধীনস্থ সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানসমূহের সাথে উন্নয়ন কাজে সম্পৃক্ত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিনিধিগণ এসডিজি বাস্তবায়ন বিষয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন।

প্রধান তথ্য অফিসার কামরুন নাহারসহ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাসমূহের প্রধানগণসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

#

শেফায়েত/মাহমুদ/মোশারফ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/২১১০ ঘণ্টা  

তথ্যবিবরণী                                                                                  নম্বর : ১৮৮৬
 
এসডিজি বাস্তবায়নে সকলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে
                                                          -- কৃষিমন্ত্রী
 
ঢাকা, ২১ আষাঢ় (৫ জুলাই)ঃ
 
টেকসহ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি)-এর ১৭টি লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে  লক্ষ্য-২  ক্ষুধার অবসান, খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন এবং উন্নত পুষ্টি ও টেকসই কৃষি বণ্টন  কৃষি মন্ত্রণালয়ের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এসডিজি বাস্তবায়নে সরকারের পাশাপাশি দেশের সকল মানুষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
 
কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী আজ ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়ন পর্যালোচনা বিষয়ক জাতীয় সম্মেলনের তৃতীয় সেশনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।  
 
        মন্ত্রী বলেন, সরকার জিও-এনজিও-প্রাইভেট সেক্টর অংশীদারিত্বকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার এবং কৃষি উৎপাদন এবং উৎপাদনশীলতা উন্নয়নের জন্য সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে। নতুন জাতের নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ ও নতুন প্রযুক্তি গ্রহণের জন্য কৃষকদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। 
 
মতিয়া চৌধুরী আরো বলেন, বাংলাদেশ এখন খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। দারিদ্র্য বিমোচন এবং ক্ষুধা দূরীকরণের বিষয়ে বাংলাদেশের এমডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন প্রশংসিত হয়েছে।  খাদ্য নিরাপত্তায় অগ্রগতি, খাদ্য বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন, উন্নত গ্রামীণ অবকাঠামো প্রভৃতি উৎপাদন বৃদ্ধিতে ইতিবাচক অবদান রেখেছে। এ সকল বিষয় এসডিজি অর্জনের পথকে প্রশস্ত করবে।
 
পরিকল্পনা কমিশনের জেনারেল ইকোনমিক ডিভিশন (জিইডি) আয়োজিত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ে সচিব মো.আবদুল জলিল।
 
তিন দিনব্যাপী জাতীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে টেকসই উন্নয়নের ১৭টি অভীষ্ট নিয়ে আলোচনা করা হয়।  সম্মেলন শেষ হবে আগামীকাল শুক্রবার।
 
#
 
গিয়াস/মাহমুদ/রফিকুল/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৯০০ ঘণ্টা  


তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ১৮৮৫ 
টেকসই নগরী হিসেবে ঢাকাকে গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার
                                            ---এলজিআরডি মন্ত্রী
ঢাকা, ২১ আষাঢ় (৫ জুলাই) :

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা বিভিন্ন কারণে বৈশি^ক আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বিশে^র অন্যতম মেগা সিটি হিসেবে ঢাকাকে আধুনিক ও টেকসই নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

মন্ত্রী আজ রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বিশ^ব্যাংক, ঢাকা আয়োজিত 'ঞড়ধিৎফ এৎবধঃ উযধশধ : অ ঘবি টৎনধহ উবাবষড়ঢ়সবহঃ চধৎধফরমস ঊধংঃধিৎফ' শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর কিমিও ফ্যানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার গবেষক ও নগর পরিকল্পনাবিদগণ প্রবন্ধ উপস্থাপন ও বক্তব্য প্রদান করেন।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ঢাকা মহানগরে যানজট ও জলজটের ভয়াবহতা দূর করতে সরকার কাজ করছে। নগরীতে বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহ ও স্বাস্থ্যসম্মত পয়ঃনিষ্কাশন নিশ্চিত করতে ঢাকা ওয়াসা দুইটি মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন করেছে। মন্ত্রী ঢাকা দক্ষিণ ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে নতুন সংযুক্ত অঞ্চলসমূহ যাতে সমানভাবে উন্নয়নের সুবিধা ভোগ করে সে লক্ষ্যে এ অঞ্চলসমূহের উন্নয়নে প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি বসবাসোপযোগী নগরী গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর। পরিবেশ দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সক্ষমতা অর্জনের মাধ্যমে টেকসই নগরী গড়ে তুলতে বিশ^ব্যাংক ও অন্যান্য সহযোগী সংস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরসমূহ কাজ করছে।

আগামী ২০৩৫ সালের পূর্বে বিশে^র অন্যতম সেরা নগরী হিসেবে ঢাকাকে গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, ঢাকা ও চারপাশের নদীসমূহের দূষণ রোধ ও নাব্যতা রক্ষায় একটি মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নে সরকার কাজ করছে। ঢাকার প্রাকৃতিক জলাধারসমূহ রক্ষায় ডিটেইল্ড এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এ সকল পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়িত হলে ঢাকার বর্তমান দুর্নাম ঘুচবে বলেও মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
#
জাকির/মাহমুদ/পারভেজ/আব্বাস/২০১৮/১৯১৬ ঘণ্টা 

তথ্যবিবরণী                                                                               নম্বর : ১৮৮৪
 
এসডিজি বিষয়ক জাতীয় সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী
এমডিজির মতো এসডিজি বাস্তবায়ন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বাংলাদেশ
 
ঢাকা, ২১ আষাঢ় (৫ জুলাই)ঃ
 
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, এমডিজির মতো এসডিজি যথাসময়ে বাস্তবায়ন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এসডিজি অর্জনের টার্গেট বাস্তবায়নে অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করে পরিকল্পিত ও সফলভাবে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এসডিজির মধ্যে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে সবশ্রেণির মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করে সুষম উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে যে সকল টার্গেট নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে, সেগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। 
 
মন্ত্রী আজ ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এসডিজি বাস্তবায়ন পর্যালোচনা বিষয়ক জাতীয় সম্মেলনের প্লেনারি সেশনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
 
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ১৯৭২-১৯৭৩ সালে ৭৮৬ কোটি টাকার বাজেট দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল, এ বছর  ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজট পাস করা হয়েছে। একসময় ছিল বৈদেশিক সাহায্যের ওপর বাজেট প্রণয়ন করা হতো, আজ এ দেশ নিজস্ব অর্থেই বাজেট ঘোষণা করছে। ১৯৭২-১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ মাত্র ৩টি পণ্য পাট, চা ও চামড়া রপ্তানি করে আয় করতো ৩৪৮ কোটি টাকা, গতবছর বাংলাদেশ ৭৭২টি পণ্য ১৯৯টি দেশে রপ্তানি করে আয় করেছে প্রায় ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যারা বাংলাদেশকে একসময় তলাবিহীন ঝুড়ি ও বিশে^ দরিদ্র দেশের মডেল হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল, আজ তারাই বলছে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। ইতোমধ্যে বাংলাদেশে দরিদ্র মানুষের হার ২৪ দশমিক ৮ ভাগ এবং হত দরিদ্র মানুষের হার ১১ দশমিক ৯ ভাগে নেমে এসেছে। এসডিজি অর্জনের মধ্যদিয়ে অতিদরিদ্র মানুষের সংখ্যা ৩ শতাংশের নিচে নেমে আসবে। 
 
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক প্রধান সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান স্যার ফজলে হাসান আবেদ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব ড. মোজাম্মেল হক খান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্লানিং কমিশনে জেনারেল ইকোনমিক ডিভিশনের সিনিয়র সচিব ড. সামছুল আলম।
 
#
 
বকসী/মাহমুদ/রফিকুল/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৮০০ ঘণ্টা  
তথ্যবিবরণী                                                                               নম্বর : ১৮৮৩
 
দেশের ৬৪ জেলায় সাংস্কৃতিক উৎসব আয়োজন সংক্রান্ত সভা
 
ঢাকা, ২১ আষাঢ় (৫ জুলাই)ঃ
 
দেশের তৃণমূল পর্যায়ে সংস্কৃতি চর্চা প্রসার ও বিস্তৃতি ঘটানোর লক্ষ্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশের ৬৪টি জেলায় আগামী ২০-২১ জুলাই দুই দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব আয়োজন করা হবে ।
 
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর সভাপতিত্বে এ সংক্রান্ত এক সভা আজ দুপুরে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
 
দেশব্যাপী এ সাংস্কৃতিক উৎসবে স্থানীয় শিল্পীদের দ্বারা রবীন্দ্র সংগীত, নজরুল সংগীত, আধুনিক গান, দেশাত্ববোধক গান, কবিতা আবৃত্তি, একক অভিনয়, পল্লীগীতি, লালনগীতি, লোকগীতি, আঞ্চলিক গান, জারিসারি, মুর্শিদী গান ইত্যাদি পরিবেশিত হবে। এছাড়া স্থানীয় সংস্কৃতিকে প্রতিনিধিত্ব করে এবং ফুটিয়ে তোলে,এমন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে উৎসবে প্রাধান্য দিয়ে পরিবেশনের চেষ্টা করা হবে।
 
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালীন সরকারের জনকল্যাণমূলক কর্মকা-ের ওপর নির্মিত বিভিন্ন ভিডিও তথ্যচিত্র এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উন্নয়ন  কর্মকা-ের ভিডিও তথ্যচিত্র প্রজেক্টরের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হবে।
 
তথ্য মন্ত্রণালয়ের গণযোগাযোগ অধিদপ্তর এ উৎসবের প্রচার কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে।
 
উৎসব উপলক্ষে আগামী ১৮ জুলাই সকাল ১১টায় তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে কেন্দ্রীয়ভাবে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হবে। একই দিন জেলা তথ্য অফিসের সহযোগিতায় দেশব্যাপীও সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হবে।
 
সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ নাসির উদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব মসিউর রহমান, অতিরিক্ত সচিব রোকসানা মালেক, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আশীষ কুমার সরকার, প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলতাফ হোসেন,  গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের পরিচালক শাহেনুর মিয়া, জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিবৃন্দ, জেলা কালচারাল অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
 
#
 
ফয়সল/সেলিম/পারভেজ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৮১০ ঘণ্টা  
তথ্যবিবরণী                                                                                নম্বর : ১৮৮২
পুনরায় চালু হলো রাষ্ট্রায়ত্ত রি-রোলিং মিল ঢাকা স্টিল ওয়ার্কস লিমিটেড
ঢাকা, ২১ আষাঢ় (৫ জুলাই)ঃ
দীর্ঘ ২৪ বছর বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু হলো বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশনের (বিএসইসি) আওতাধীন রাষ্ট্রায়ত্ত রি-রোলিং মিল ঢাকা স্টিল ওয়ার্কস লিমিটেড। শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু আজ টঙ্গীতে প্রতিষ্ঠানটির নতুন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।  
এ উপলক্ষে গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত ঢাকা স্টিল ওয়ার্কস লিমিটেড প্রাঙ্গণে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শিল্পসচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ্র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সংসদ সদস্য মোঃ জাহিদ আহ্সান রাসেল, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড্ভোকেট আজমত উল্লা খান, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র অ্যাড্ভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, বিএসইসি’র চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, জাতীয় শ্রমিক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খান সিরাজুল ইসলম এবং ঢাকা স্টিল ওয়াকর্স লিমিটেডের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুজ্জামান খান বক্তব্য রাখেন। 
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার আগে টঙ্গী, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় গড়ে ওঠা কোনো কল-কারখানার মালিকানা বাঙালির ছিল না। এসব কারখানার মালিকানা অবাঙালি বিহারীদের হাতে ছিল। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিহারীদের এসব শিল্প কারখানা জাতীয়করণের মাধ্যমে হাজার হাজার শ্রমিক-কর্মচারীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছিলেন। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর গোষ্ঠীগত স্বার্থে রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে পানির দরে বিক্রি করে দেয়া হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুনরায় ক্ষমতায় এসে এগুলো রাষ্ট্রীয় মালিকানায় ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি সমস্ত বন্ধ কারখানা চালুর উদ্যোগ নেন। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে ১৯৯৪ সালে বন্ধ হয়ে যাওয়া ঢাকা স্টিল ওয়ার্কস লিমিটেড পুনরায় চালু করা হলো। 
শিল্পমন্ত্রী বলেন, অতি অল্প সময়ের মধ্যে ঢাকা স্টিল ওয়ার্কস লিমিটেডকে পূর্ণাঙ্গ শিল্পে পরিণত করা হবে। এ শিল্পকে বৃহৎ আকারে রূপ দিতে এর অন্য দু’টি ইউনিটও চালু করা হবে। তিনি এ কারখানা লাভজনক করতে পণ্য বৈচিত্রকরণ ও পরিবেশবান্ধব পণ্য উৎপাদনের প্রয়াস জোরদারের পরামর্শ দেন। এ লক্ষ্যে তিনি প্রতিষ্ঠানটির সকল শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তাকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, নিষ্ঠা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। 
অনুষ্ঠানে বক্তারা দীর্ঘ দিন ধরে বন্ধ থাকা এ কারখানা চালুর জন্য সরকারের প্রশংসা করেন। তাঁরা বলেন, এটি চালুর ফলে বাজারে রডের মূল্য স্থিতিশীল থাকবে এবং জনগণ উপকৃত হবে। তারা পরিবেশ সুরক্ষায় গাজীপুর জেলায় অবস্থিত সকল শিল্প কারখানায় ইটিপি স্থাপন বাধ্যতামূলক করার তাগিদ দেন। মজুরি কমিশন ঘোষণার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শ্রমিকদের স্বার্থ সুরক্ষায় যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে বলে তারা মন্তব্য করেন।  
উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ২৭ নম্বর আদেশে ঢাকা স্টিল ওয়ার্কস লিমিটেড জাতীয়করণ করা হয়। ওই সময় বিএসইসি’র ওপর এটি পরিচালনার দায়িত্ব ন্যস্ত করা হয়। ১৯৯৪ সালে বিএনপি সরকার প্রতিষ্ঠানটি পে-অফ ঘোষণা করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বন্ধ কারখানা চালুর ঘোষণা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শিল্প মন্ত্রণালয় এটি চালুকরণের জন্য বিএসইসিকে তাগিদ দেয়। এর আলোকে ২০১৬ সাল থেকে কারখানাটি পুনরায় চালুকরণের প্রক্রিয়া শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ গ্রহণ, ভূমি উন্নয়ন কর, পৌর কর ও বিভিন্ন বকেয়া বিল পরিশোধ, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র, ফায়ার লাইসেন্স, বিদ্যুৎ লাইসেন্সিং বোর্ডের ছাড়পত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করার পর আজ এটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হলো। 
#
জলিল/মাহমুদ/পারভেজ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৭৫০ ঘণ্টা  
তথ্যবিবরণী                                                                                      নম্বর : ১৮৮১
এসডিজি বাস্তবায়ন পর্যালোচনা বিষয়ক জাতীয় সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী
লক্ষ্য অর্জনে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন
ঢাকা, ২১ আষাঢ় (৫ জুলাই) :
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, নির্ধারিত সময়ের তিন বছর আগেই শিক্ষাক্ষেত্রে এমডিজি লক্ষ্য বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়েছিল। সকলের সহযোগিতা ও অংশগ্রহণে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই এসডিজি লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শিক্ষাক্ষেত্রে উল্লেখ করার মতো অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। গত নয় বছরে সকলের জন্য  শিক্ষার সুযোগ উন্মুক্ত করা সম্ভব হয়েছে। সকল শিশু এখন বিদ্যালয়ে আসছে।
 
মন্ত্রী আজ ঢাকায় শেরে বাংলা নগরে এসডিজি বাস্তবায়ন পর্যালোচনা বিষয়ক জাতীয় সম্মেলনের প্যারালাল সেশন-২ এ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। এ সেশনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এসডিজি বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।
 
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কিছু সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও শিক্ষাক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অর্জন সম্ভব হয়েছে।  শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নও হয়েছে। তবে শিক্ষার মান আরো উন্নত করতে হবে, যাতে নতুন প্রজন্ম বিশ্বে নিজেদের স্থান করে নিতে পারে। সারা বিশ্বেই শিক্ষার মান উন্নয়নে চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, শিক্ষার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হচ্ছে নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমানের আধুনিক প্রযুক্তি, জ্ঞান ও দক্ষতা প্রদান করা এবং একইসাথে ভাল মানুষ হিসেবে তৈরি করা।  
 
নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, বাংলাদেশে নারী শিক্ষার অগ্রগতির মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন একটি বড় সাফল্য। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় জেন্ডার সমতা অর্জন সম্ভব হয়েছে। মাধ্যমিক শিক্ষায় বিরাট অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে  ৪৩ শতাংশ শিক্ষার্থী নারী। কারিগরি শিক্ষায় ১৫ ভাগ এনরোলমেন্ট সম্ভব হয়েছে। ২০২০ সালে তা শতকরা ২০ ভাগে উন্নীত করা সম্ভব হবে বলে মন্ত্রী দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরো বলেন, সাধারণ শিক্ষা ও মাদ্রাসা শিক্ষার মধ্যে সমন্বয় সম্ভব হয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থায়ও সাধারণ শিক্ষার মতো গণিত, বিজ্ঞান, আইসিটি, রসায়নসহ সকল আধুনিক বিষয় পড়ানো হয়।
 
মন্ত্রী বলেন, এসডিজি লক্ষ্য অর্জনে সরকার ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বেসরকারি সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগীসহ সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। 
 
সেশনে মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী। আলোচক ছিলেন ইউনিভার্সিটি অভ্ লিবারেল আর্টস-এর অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় সচিব এস এম গোলাম ফারুক। 
 
সম্মেলনে স্ব স্ব মন্ত্রণালয়ের এসডিজি বিষয়ক কর্মকা-ের উপস্থাপনা তুলে ধরেন যথাক্রমে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. আসিফ-উজ-জামান, সংস্কৃতি বিষয়ক সচিব নাছির উদ্দিন এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসিমা বেগম। এছাড়া এনজিও ও উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতিনিধিরাও উল্লেখিত বিষযগুলোর ওপর উপস্থাপনা পেশ করেন।
 
#
রেজাউল/মাহমুদ/রফিকুল/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৭২০ ঘণ্টা  
তথ্যবিবরণী                                                                               নম্বর : ১৮৮০
 
নিজস্ব ব্র্যান্ডের বৈদ্যুতিক ফ্যান তৈরি করব